চাকরির বেতন এবং টি এ ডি এ বিল উত্তোলন
টাকা না দিলে বেতন হয় না,,,৫%করে দিতে হয় প্রতিবার টি এ বিল উত্তোলন করতে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা না দিলে বেতন হয় না,,,৫%করে দিতে হয় প্রতিবার টি এ বিল উত্তোলন করতে
টাইম স্কেল লাগানোর জন্য ৭০০০ টাকা ঘুষ চাইলে দফারফা করে ৫৫০০ টাকা দেই
আমরা ৪৯৬ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলী বাংলাদেশ রেলওয়ে তে যোগদানের পর পে ফিক্সেশন করতে গেলে তারা ওপেনে জনপ্রতি ৫০০/- করপ নিয়েছে এবং ওপেনে বিকাশে টাকা নিসে।এরপর বকেয়ার বেতন ও টি/এ বিল থেকে ১৫% কমিশন না দিলেও বিল পাশ করে না। অর্থ উপদেষ্টার অফিস, পাকশি বিভাগ পশ্চিম অঞ্চল,রাজশাহী বাংলাদেশ রেলওয়ে
এলপিসি নেওয়ার জন্য আমার কাছে টাকা নিছে
নতুন সরকারি চাকরি বেতন বিল, আইবাস একাউন্ট ওপেন করতে জন প্রতি ২০০০ টাকা দাবি করেন । আমারা ১৩৬ জন ১৩৬*২০০০=২৭২০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করা হইছে
সাইন দিতে টাকা চেয়েছিল
আমার বাবার রেটিয়ার এর টাকা দিচ্ছিল না । লমগ্রান্ড ও ভবিষ্যৎ তহবিল এর টাকা প্রসেস করছিল না । এর জন্যে মিষ্টি হওয়ার টাকা বলে 1 লক্ষ টাকা নিয়েছে। আর পেসব চালু করতে 2 লক্ষ টাকা নিয়েছে
আমি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। চাকরির ৩ বছর পূর্তি হলে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কর্মচারীরা "শ্রান্তি বিনোদন ভাতা" পেয়ে থাকেন। কিন্তু এই ভাতা নিতে গিয়ে আমাকে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে ৮০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। শুধু আমার ক্ষেত্রেই নয়, আমার অফিস এবং হিসাবরক্ষণ অফিসের যোগসাজশে কোনো কর্মচারীর বেতন-ভাতা বা iBAS++ এ কোনো বিল তুলতে গেলেও ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হয় না।
ঠিকাদার কোন কাজ কমপ্লিট করে বিল আনতে গেলে
আমার বাবা প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন ওনি ২০২০ সালে মারা যায় মারা যাওয়ার পর পেনশন পেতে আমাদের অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়েছে...আমি তখন ছাত্র ছিলাম আমি সারাদিন দাড়িয়ে ছিলাম হিসাবরক্ষণ অফিস এ সেখানকার অডিটর ও সুপারিন্টেন্ডেন্ট পেনশনের কাগজপত্র দেখালাম আমাকে পাত্তাই দেয় নাই সারাদিন বাহিরে দাড়িয়ে ছিলাম তখন বিকেলে হয়তো আমাকে দেখে মায়া হইছে তখন আমাকে বলে আমার বাবার নাকি কাগজপত্র ঠিক নাই অথচ শিক্ষা অফিস সব যাচাই বাছাই করে দিয়েছিল তারপর আমাকে অডিটর বলল সন্ধার পর আসেন আমি আবার যাই তখন আমি সব থেকে অবাক হলাম ওরা কথা না বলে ওখানকার সুপারিন্টেন্ডেন্ট ওনার ক্যালকুলেটর নিয়ে ২০০০০ টাকা ডিজিট লিখল তখন আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল তখন আমাদের কাছে টাকা ছিল না তারপর ওনাকে ১০০০০ টাকা দার করে দিয়েছিলাম!
টি এ বিল অনন্য সকল বিলে ৮% থেকে ১০% দিতে হয়।
আমার সরকারি দপ্তরের কোন কন্টিজেন্সি বিল হিসাব রক্ষণ অফিসে উত্তোলনের জন্য দিলেই মোট বিলের ৫% দিতে বাধ্য করে।
উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে আমার মায়ের পারিবারিক অবসরভাতা উত্তোলন করিবার জন্য ৩০০০ হাজার টাকা দাবি করে ও সেই টাকা দিলে পরবর্তীতে সেই কাজ করে দেয়।
সরকারি চাকরিতে জয়েন দেয়ার পর আনোয়ারা হিসাবরক্ষণ অফিসের একজন সুপারিন্টেন্ডেন্ট আমার কাছে অর্থ দাবি করে
চাকরির ১০ বছর হলে উচ্চতর গ্রেডে বেতন বৃদ্ধি হয় সেক্ষেত্রে উচ্চতর গেটের সেবা নেয়ার জন্য তাদের কাছে গেলে তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেয় 500 টাকা করে অর্থ লাগবে উচ্চতার গ্রেট প্রদান করতে আর তা না হলে তারা কাজ করবে না। নিতে হলে জনপ্রতি 500 টাকা করে দেওয়া লাগবে আর তা না হলে উচ্চতার গেটের সুবিধা পাওয়া যাবে না যতদিন টাকা দেয়া হবে না ততদিন এই সুবিধা পাওয়া যাবে না।
আমি রাজশাহী পলিটেকনিকের একজন শিক্ষক। রাজশাহী পলিটেকনিকের 65 জন নব্যযোগদানকৃত শিক্ষকদের শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে দেওয়া এনক্রিমেন্টর অর্ডার হওয়ার পর টাকা পাওয়ার জন্য প্রত্যেককে ৮০০০ করে মোট ৫২০০০০টাকা এজি অফিস রাজশাহীকে দিতে হয়েছে । টাকাটা নিয়েছে এডিটর দাদা। এছাড়া চাকরিতে যোগদানের সময় আরো জনপ্রতি ৪০০০ টাকা করে মোট ২৬০০০০ দিতে হয়েছে পে ফিক্সেশন জন্য । সিনিয়র শিক্ষকদের কাছে শুনেছি এজ অফিস মানে ঘুষ। যে কোনো সেবা তথা টিএবিল, পে ফিক্সেশন, পেনশন, বকেয়া টাকা ইত্যাদির ক্ষেত্রে ২০% করে দিতে হয় তাদেরকে।
বেতন চালু করতে হলে তাদের মিষ্টি খাওয়াতে হবে। এজন্য জনপ্রতি ২০০০ দিতে হবে। চাকরীজীবনে ঢুকে প্রথম ঘুষ দেওয়ার অভিজ্ঞতা এটা। টাকা না দিলে বিরম্ভনা, কালক্ষেপণ , শেষমেশ দিতে বাধ্য হয়েছি। আমি একা না একসাথে অনেকের।
প্রথম পে ফিক্সেশন করানোর ক্ষেত্রে আমার প্রতিষ্ঠানের আ্যকাউট্যান্ট দাবি করে যে অডিট অফিসে টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না৷ তাই, ইন পার্সন গিয়ে গিয়ে পোক করে করে আদায় করসি। তবে সময় বেশি লেগেছে, অযথা বিভিন্ন ডকুমেন্টের জন্য ডিলে করসে। সেকেন্ড টাইম আ্যডভান্স ইনক্রিমেন্ট আ্যড করানোর ক্ষেত্রে সাহস করতে পারি নাই, কজ বাকি সকল কলিগ কনভিন্সড৷ ঘুষ দিতে হইসে৷
ঘুষ না দিলে কোনো কাজ সহজে করে দেয় না। শুধু দিন পার করে দেয়। একজন বদলি হয়ে আসলে বলে এখনো এলপিসির হার্ড কপি আসেনি। অথচ টাকা দিলে অনলাইনে কাজ করে দেয়😁।
একজন সরকারি কর্মচারীর বৈধ টাকা শুধু ওনি authorise করে দিবেন। সেজন্য ৭০০০ টাকা দাবী করেছে