সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১,২৮৪ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
বিআরটিএ

নতুন লাইসেন্সের জন্য।

অনলাইনে আবেদন করে লার্নার কার্ড নিয়ে খুব সকালে গাজীপুর বিআরটিএ অফিসে যাই। বায়োমেট্রিক দেই। তারপর রিটেনের জন্য পরীক্ষা দেই। এরপর পরীক্ষার ফলাফলের পালা। দুপুর আড়াইটায় বি আর টি অফিসের সামনে মাঠে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। আমি নির্ভেজালভাবে পাশ করি। কিন্তু আসল বিষয় হল। লানার কার্ডের নিচে যে পাশ ফেলের অংশে আমারটা লেখা আছে pass।কিন্তু যারা অর্থ দিয়েছে তাদের লার্নার কার্ডের উপরে লেখা আছে পেইড। আমার ধারণা। পরীক্ষা দেওয়ার পর খাতা মূল্যায়নে হয় দুই নাম্বারি। আমার সাথে দুইজন ছিলেন যারা দুজনেই আগেই টাকা দিয়েছিলেন ১২০০০ টাকা করে। তাদের লার্নার কার্ডের উপরে ছিল paid লেখা।এবং ওই পেইড লেখা লার্নার কার্ড পুরো ভাইবা থেকে প্র্যাকটিক্যাল পর্যন্ত সিস্টেমিটক্যাল ওয়েতে পাস হয়ে যায়।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১২.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

ড্রাইভিং লাইসেন্স

৩০০০ টাকা না দিলে ড্রাইভিং পরীক্ষায় ফেইল আসতে পারে এই বলে দালাল আমার থেকে তিন হাজার টাকা নেয় এবং পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার আশ্বস্ত করে, এভাবে অনেক ফেইল কৃত মানুষ পাস করেছে আমার সামনে,,

ঘুষ দিয়েছি
নেত্রকোনা ৳৩.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

ড্রাইভিং লাইসেন্স

আমি ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করেছি। পরীক্ষায় ফেল করার পরে বিআরটিএর লোক ১২ হাজার টাকা ঘুষ দিলে তারা আমাকে পরীক্ষার পাস করিয়ে দিবে।

ঘুষ দিইনি
চট্টগ্রাম বিআরটিএ ৳১২.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

ড্রাইভিং লাইসেন্স জালিয়াতি

সরকারি নিয়মে। কোন দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স এর আবেদন করেছিলাম। পরিক্ষায় পাশ করেছি, সরকারি সমস্ত ফি পরিশোধ করেছি কিন্তু এখনো ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কার্ড হাতে পেলাম না। ওয়েবসাইটের ড্যাশবোর্ডে দেখায় কার্ড পেন্ডিং। 2 বছর শেষ হতে চলল কার্ড হাতে পেলাম না। কার্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও হাতে পাবো কি না সন্দেহ। আমার মতো প্রায় ৮০+ মানুষ এই পরিস্থিতির শিকার।

শুধু দাবি করেছে
রংপুর ৳১
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

গাড়ির নাম ট্রান্সফার

ফাইল হারানো গিয়েছে নতুন ফাইল করার জন্য ১০০০০ টাকা লাগবে । বিআরটি এ মিরপুর ২০৬ নম্বর রুমের — ফোন নাম্বার —

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১০.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

Driving licence and motorbike

এটি শুধু এখানে নয় সারা বাংলাদেশে প্রায় ৪ হাজার টাকা বাধ্যতামূলক ঘুষ দিতে হয়। প্রত্যেকটি মোটরসাইকেলের শোরুম এর সাথে জড়িত। আমাদের এখানে নিয়ম হলো, কেউ নতুন বাইক ক্রয় করলেও সবকিছু ঠিকঠাক করলেও জমা দেওয়ার সময় এক হাজার টাকা দিতে হবে। এটি ওপেন সিক্রেট। টোটাল পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা খরচ যায়। ঘোষ হিসেবে এ টাকাটা অবশ্যই দিতে হবে। ড্রাইভিং ও মোটরসাইকেল লাইসেন্সের জন্য।

ঘুষ দিয়েছি
Patuakhali ৳৫.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

পরীক্ষা দিতে যাই ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য

আমি প্রথম বাংলাদেশের ইকুরিয়াতে ঢাকায় বিআরটিএতে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে যাই বাকি ফরমালিটি আমি নিজে নিজেই করি কোন দালাল ধরি নাই পরীক্ষা শুরু হয় পরীক্ষার ম্যাক্সিমাম প্রশ্নই আমি পারি কিন্তু আমার পাশে বসা একটা লোক সে ভালো করে লিখতেই পারেনা আমি তার খাতাটা নিয়ে লিখে দিলাম আমার খাতা আগেই শেষ করে ফেললাম লিখে তারপর জমা দিলাম উনি অনেক খুশি হল আমাকে খুব রিকোয়েস্ট করেছিল তাই করে দিলাম ,কিন্তু সে আমাকে চা খাওয়ার অফার করলো কিন্তু আমি প্রত্যাখ্যান করলাম আমি তাকে বললাম সমস্যা নাই ভাই আপনি বিপদে পড়েছেন তাই আপনাকে হেল্প করলাম কিছুক্ষণ পরপরীক্ষার রেজাল্ট দিল দেখলাম আমার পাশের ওই লোকটি পাশ করেছে কিন্তু আমি ফেল করেছি এখন প্রশ্ন হল এটা কিভাবে সম্ভব যেখানে আমি ওর খাতায় লিখে দিছি ও পাশ করছে

ঘুষ দিইনি
Dhaka ৳৮.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

গাড়ী রেজিষ্ট্রেশন

মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে মোটরযান পরিদর্শক গাড়ী পরিদর্শন করে গাড়ীর ফাইল নিতে গড়িমসি করে।বিষয়টি সহকারী পরিচালককে জানালে তিনি ফাইল জমা নেওয়ার জন্য বলেন। ফাইল জমা নিলেও ফাইল আটকে রেখে নাম্বার দিতে কালক্ষেপণ করে। এছাড়াও রেজিষ্ট্রেশনের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে গেলে একশ টাকা ঘুষ দাবি করে।

ঘুষ দিইনি
কুড়িগ্রাম ৳১.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স

আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স পরিক্ষা দিতে যাই, প্র্যাকটিক্যাল পরিক্ষায় ফেল করলে সেখানে থাকা বিআরটিএ কর্মচারী আমাকে এসে ৫০০০ টাকার বিনিময়ে পাশ করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় কিন্তু আমি তা প্রত্যাখ্যান করি , পরবর্তী পরিক্ষায় পাশ করি। একইভাবে আমার বন্ধু কাছ থেকে ৫০০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয় ।

ঘুষ দিইনি
সিলেট ৳৫.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

ফিটনেস নবায়নে ঘুষ চাই

চটগ্রাম, বালুছড়া বি আর টি এ অফিসে ফিটনেস নবায়নের জন্য সরকারি ফি জমা দেওয়ার পরও অতিরিক্ত ৪০০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হই। অন্যথায় বিভিন্ন ত্রুটি দেখিয়ে ফিটনেস সনদ দেই না। তারা নির্দিষ্ট দালালের মাধ্যমেই ঘুষ নেই। অফিসাররা খুব চালাক নিজেরা সরাসরি ঘুষ নেই না।

ঘুষ দিইনি
বালুচড়া বি আর টি এ অফিস ৳৫.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

নতুন বাইক রেজিষ্ট্রেশন করতে

নতুন বাইকের রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার করার জন্য, সরকারি ফি জমা দিয়ে কাগজপত্র নিয়ে বিআরটি অফিসে জমা দিলে, নানান অযুহাতে ঘুষ হিসেবে 3500 টাকা দাবি করা হয়, ফাইলে সমস্যা আছে বলে হয়রানি করা হচ্ছে।

শুধু দাবি করেছে
ঢাকা, উত্তরা ৳৩.৫ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

i gone to make a driving license in comilla BRTA .

I gone to made a driving licese but failled to have. there is some people moving around ask to pay extra money to get the licese , but refuse to pay finally failled . I have practical experience whoever paid they got license without examination or even they are absent . my self i took determine even i do not get license but will not pay extra. Note: I have a driving license from Saudi Arabia and was having own car which i drive 15 years. my self i showed as a result i got miss behave from the person who was a officer to take exmination.

ঘুষ দিইনি
cumilla ৳১০.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

দুর্ঘটনা ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত আর্থিক সহায়তা তহবিল হতে আর্থিক সহায়তা প্রাপ্তি

সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ লক্ষ টাকা বিআরটিএ হতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। আমার বাবার সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যুর পর আমরা আবেদন করি ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে। ১ বছর পর বিআরটিএ-র একজন কর্মচারী আমাদের ফোন করে ১ লক্ষ টাকা দাবি করে। অন্যথায়, আমাদের সে ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তি হতে বঞ্চিত করার হুমকি প্রদান করে। আমরা তাকে ৫০,০০০ টাকা অফার করলে সে রাজি হয় এবং আমাদের কয়েকদিন পর সরাসরি ঢাকার বিআরটিএর হেড অফিসে ডেকে নিয়ে যায় এবং একজন সহকারি পরিচালকের উপস্থিতিতে আমাদের ৫ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করেন। আমরা পরবর্তীতে জানতে পারি সে অবসরপ্রাপ্ত একজন প্রাক্তন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী ছিলেন তবে অবসরের পরও এখনো বিআরটিএর কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাথে যোগসাজস করে তিনি নিয়মিত অর্থ আত্মসাৎ করেন।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৫০.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য