সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১,২৮৪ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
বিআরটিএ

গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্স

ড্রাইভিং লাইসেসেন্সর জন্য এই টাকাটা দিতে হয়েছে। পরীক্ষা দিতে গিয়ে দেখি যে, প্রায় সবাই টাকা দেয়। এবং ড্রাইভিং পরীক্ষার নামে যা হয়, তা হলো সার্কাস। একজন মেজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে গাড়ি চালনার পরীক্ষা হয়। যারা দালাল ধরে যায়, তারা শুধু গাড়িতে ওঠে আর নামে। এতেই তাদের পাস করে যায়। এরকম ওপেন এতো বড়ো দুর্নীতি দেখে অবাক হয়েছি। ড্রাইভিং না জেনেও হাজার হাজার মানুষ ড্রাইভিং লাইসেন্স পাচ্ছে। নিরাপদ সড়ক কীভাবে নিশ্চিত হবে!!!

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳১১.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

লাইসেন্স করার ক্ষেত্রে

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে পরীক্ষা দিছি ফেইল করছি। পরে ৫০০০ টাকা দিছি পাশ করাই দিছে। এটা আমার অপরাধ ও আছে বিআরটিএ এর অপরাধ ও আছে।

ঘুষ দিয়েছি
কুমিল্লা ৳৫.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

গাড়ি নাম্বার

মোটর সাইকের নাম্বার করতে আমার কাছ থেকে 16000 টাকা দাবী করে । পরে আমি অনেক চেষ্টা করি 1000 টাকা কমিয়ে 15000 টাকা দিয়ে কাজ করিয়েছি। সরকারি ফি ছিলে 11764 টাকা। আমার কাছ থেকে 3236 টাকা বেশি নেন। নিজে নিজে করতে তার কোন প্রকার সহযোগীতা করে না।

ঘুষ দিয়েছি
চাঁদপুর ৳৩.২ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন

আমার বাইকের ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করার প্রয়োজন ছিল। তাই অনলাইনে আবেদন করে বাকি সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করি। এমনকি ডোপ টেস্টের রিপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও জমা দিই। কিন্তু পরবর্তীতে ওয়েবসাইটে আমার ফাইলটি রিজেক্ট করে দেওয়া হয়। বিষয়টি জানতে অনলাইনে তাদের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করলে তারা আমাকে সরাসরি অফিসে যেতে বলে। অফিসে যাওয়ার পর জানতে পারি, ফাইলটি প্রসেস করে দিতে অফিসের ভেতরে ‘চা-নাশতার টাকা’ দিতে হবে। টাকা না দিলে নাকি আমার ফাইল আজীবন রিজেক্টেড দেখাবে! বিআরটিএ অনলাইনে সেবা চালু করেছে, যাতে মানুষের ভোগান্তি ও দুর্নীতি কমানো যায়। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো, অনলাইনে প্রক্রিয়া করলেও কম্পিউটারের সামনে বসে থাকা ব্যক্তিদের অনেকেই জায়গামতো টাকা না পেলে ফাইল ছাড়তে চান না।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka,Mirpur ৳৫.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

ড্রাইভিং লাইসেন্স

জিগজ্যাক পাশ করার পর টাকা দাবি করে ! নতুবা ফেল করিয়ে দিবে। প্রথমে ৩০০০/- টাকা চায় পরে ২০০০/- হাজারে করে দেয়। বিকাশের মাধ্যমে লেনদেন হয়।

ঘুষ দিয়েছি
মানিকগঞ্জ ৳২.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

Driving

আমি 2008 সালে মোটরসাইকেল drivingলাইসেন্স গ্রহণ করি। 2018 সালে মেয়াদ শেষ হয়। বনবিভাগে চাকরির সুবাদে দূরে দূরে থাকায় আর নবায়ন করতে পারিনি। পরে 2024 সালে নবায়নের উদ্দ্যোগ নিয়ে আমাকে জানায় নতুন লাইসেন্স নিতে হবে। আমি আবেদন করে লিখিত এবং ভাইভায় একবারেই পাস করি। সমস্যা বাজে ফিল্ড টেস্ট নিয়ে। ছয় মাসে ৩ বারফিল্ড টেস্ট দিয়েও পাস করতে পারিনি। আসলে আমার Pulsar মোটরসাইকেল। পরে অফিসে যোগাযোগ করা হলে 4000/- টাকা দাবী করে। টাকা দেবার পর আমার আর পরীক্ষাও দিতে হয়নি। শুধু সকালে গিয়ে বায়োমেট্রিকদিয়ে এসেছি। রাতে দেখি আমি পাস। ৫ দিন পরে আমি সরকারি ফি জমা দিয়ে লাইসেন্সের অনলাইন কপি গ্রহণ করি। হায়রে আমার বাংলাদেশ ! ৫৫ বছরে এসেও ঘুষ দিতে হলো।আমি 1991 সাল থেকে মোটরসাইকেল চালাই।।

ঘুষ দিয়েছি
বরিশাল ৳৪.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

লাইসেন্স

আমি বিআরটিএতে ড্রাইভিং পরীক্ষার জন্য যাই, পরে পরীক্ষা দেওয়ার আগে দেখি অনেকে টাকা দিয়ে করে কিন্তু আমি নিজে নিজেই করব ভাবছি। পরীক্ষা দেই কিন্তু পরে আমাকে অকৃতকার্য দেখায়, সাথে সাথে পাশ থেকে একজন বলে ওই লোকটার কাছে যান সব ঠিক হয়ে যাবে। আমি যাওয়ার পর সে আমার কাছে ৪০০ টাকা দাবি করে আমার কাছে চার হাজার টাকা না থাকায় আমি তাকে অনেক অনুরোধ করে ৩৫০০ টাকা দেই। কিছুদিন পরে দেখলাম আমার অকৃতকার্য ফলাফল কৃতকার্য হয়ে গেছে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৩.৫ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

মোটরসাইকেল নিবন্ধন

আমি একটি ইলেক্ট্রনিক মোটরসাইকেল কেনার পর বিআরটিএ তে নিবন্ধন করার জন্য নিজে নিজে বিআরটিএ'র ওয়েবপোর্টাল 'বিএসপি' তে একাউন্ট করি এবং যথাযথভাবে ফর্ম পূরণ করে আবেদন করি। কিন্তু কয়েকবার আবেদন করার পর বারবার আবেদন খুব অল্প সময়ের মধ্যেই (২-৩ মিনিটি) তা প্র্যতাখ্যান করা হচ্ছিলো নানা অজুহাতে। এরপর আমি শোরুম এবং বিআরটিএ কর্মীদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা জানায় যে, আপনি নিজে নিজে আবেদন করলে এটা মঞ্জুর হবেনা বরং শোরুম অথবা দালালের মাধ্যমে এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। বিআরটিএ'র দায়িত্বরত নির্দিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্ধারিত ফি এর চাইতে প্রায় ২ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় এবং শোরুম কর্তৃপক্ষ ১ হাজার টাকা প্রসেসিং ফি নেয়। অর্থাৎ, বিআরটিএ তে মোটরসাইকেল নিবন্ধন করার জন্য সরকার নির্ধারিত ফি'র চাইতে ঘুষ হিসেবে মো

ঘুষ দিইনি
ঢাকা ৳৩.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

ড্রাইভিং লাইলেন্স

২০২২ সালে দালাল ছাড়া চুয়াডাঙ্গা বিআরটিএ থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম। লিখিত, মোখিক ও প্র্যাকটিকাল পরীক্ষায় ভালোভাবে পাশ করলেও ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য কোনো দালাল না ধরায় বা এক্সট্রা কোনো টাকা না দেওয়ায় প্রায় বছরখানেক ঘুরিয়েছে আমাকে। ফাইল প্রসেস না করে ফেলে রেখেছিল। পরবরতীতে ওদের এক অফিসারের বদলি হওয়ার পরে একজন কেরানী টাইপের লোক ২০০ টাকা দাবি করে। টাকা দেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে লাইসেন্স পেয়ে যাই। ২০২২ এর মার্চে পরীক্ষা দিয়ে ২০২৩ এর এপ্রিলে লাইসেন্স হাতে পাই।

ঘুষ দিয়েছি
চুয়াডাঙ্গা ৳২০০
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

মালিকানা পরিবর্তন

ইমারজেন্সি ছিল মালিকানা পরিবর্তন। মিরপুর বিআরটিএ তে ৪০০০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে দ্বায়িত্বরত কর্মকর্তা কে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৪.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

মালিকানা বদলি

ঢাকা মিরপুর বিআরটিএ তে আমার একটি কাভার্ড ভ্যান পিকআপ গাড়ির সরকারের কাছে জমা নথিগুলো পাওয়া যাচ্ছিল না। এজন্য আমার গাড়ির মালিকানা বদলি হচ্ছিল না। পরবর্তীতে ঘুষের বিনিময়ে গাড়ি মালিকানা বদলি করতে সক্ষম হই । এতে আমি ঘুষ দিতে বাধ্য ছিলাম বিগত ছয় বছর যাবত আমার মালিকানা বদলি হচ্ছিল না। সিলেট এবং ঢাকা দৌরিতে আমি ক্লান্ত হয়ে গেছিলাম পরবর্তীতে আমি ঘুষ প্রদান করতে বাধ্য হই

ঘুষ দিয়েছি
আম্বর খানা ৳৯০.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

নতুন লাইসেন্স করা

বি.আর.টি.এ অফিসের প্রত্যকটা কর্মকর্তা ঘুসের সাথে জড়িত! আপনি ঘুস ছাড়া মানিকগঞ্জ থেকে একটা ড্রাইভিং লাইসেন্স পাশ করতে পারবেন না।।

ঘুষ দিইনি
মানিকগঞ্জ ৳১৫.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

বাইকের মালিকানা স্থানান্তর

একটি ৩ মাসের ব্যবহৃত বাইক কিনি। তার নাম পরিবর্তনের জন্য শোরুমের লোকজন আমাকে এক জনের সাথে পরিচয় করায়। সে নাকি বিআরটিএ এর হয়ে কাজ করে। তারপর তার মাধ্যমেই লেনদেন হয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা, মিরপুর ১০ বিআরটিএ ৳১০.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য