নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Driving license er practical porikkhay pass koranor jonno amar kase taka dabi kore.ami taka na deoay amake pass korano hoy na. 2 bar amake ghuriye 3rd time a amake pass koray day .
ড্রাইভিং লাইসেন্সের সেবা ছিল এবং লাইসেন্সটি দিতে বিলম্ব করতে ছিল যখন টাকা দিলাম তখন তারা দিয়ে দিল
Bike reg korte gele ghush dabi korse nadile onek jamelay fele dibe bole humki dise, ekhon r bike er kagoj koraite parse na
No possibility without bribe. 1% not possible without bribe through their brokers.
মাঝারি ট্রাক ফিটনেস রিনিউ তে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিলে ফাইল সাইন হয়, ঘুষ না দিলে দোষ না থাকলে দোষ ধরে ফাইল ফেলে রাখা হয়
ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের জন্য প্রথম আমি ওয়েবসাইটে চেষ্টা করি। সকল তথ্য সঠিক দেয়ার পরও ওয়েবসাইট ঠিক ভাবে কাজ করছিলো না। বুজলাম অন্নান্য সেবার মতো এখানেও ওয়েবসাইট অকার্যকর করে রাখা হয়েছে যাতে সরাসরি যোগাযোগ করি। অগত্যা দালাল ধরতে হলো। দালাল চৌদ্দ হাজার টাকা চাইলো। রাজি হয়ে গেলাম বিভিন্ন রকমের অসুবিদা এড়ানোর জন্য। টাকা দেয়ার সাথে সাথে দেখলাম কর্মকর্তার ফোন। অতপর otp বিনিময় । ওয়েবসাইট ওনারা স্বাভাবিক ভাবেই কাজ করছেন যা আমাকে করতে দেয়া হয়নি। লাইসেন্স ও ইসু হয়ে গেলো এক দিন এর মধ্যে।
উত্তরা জোয়ারসাহারা বিআরটিএতে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উত্তরা জোয়ারসাহারা বিআরটিএ কার্যালয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্সের কার্যক্রম সম্পন্ন করার সময় আমার কাছ থেকে ৩,০০০ টাকা অতিরিক্ত আদায় করা হয়। এছাড়াও, বায়োমেট্রিক দেওয়ার সিরিয়াল আগে পাওয়ার জন্য শত শত পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রায় ৩০০ টাকা করে নেওয়া হয় স্থান: উত্তরা জোয়ারসাহারা বিআরটিএ কার্যালয়।
অতি জরুরি ভিত্তিতে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে ৫০০০ টাকা অতিরিক্ত প্রয়োজন হয়। সর্বমোট ৮৫৮০ হওয়ার কথা। আমার কাছ থেকে ২০০০০ টাকা নেয়া হয় বিকাশে। টাকা নেন একজন ড্রাইভিং প্রশিক্ষক। চট্টগ্রামের বালুচড়া বিআরটিএ অফিসের পাশে কিছু প্রিন্টিং এর দোকান থেকে সবকিছু কন্ট্রোল করা হয়। অনেক ড্রাইভিং প্রশিক্ষক এভাবেই এসব দোকানের মাধ্যমে লাইসেন্স বানিয়ে দেন নিজের ষ্ট্যুডেন্টদের। দোকান তারা পরীক্ষার ডেট নেয়া থেকে শুরু করে পরীক্ষার্থীর দরকারী কাগজ সব সংগ্রহ করে। সরকারি অফিসে শুধু কাগজের আরেক সেট কপি দিয়ে আসতে হয়। কার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষার দিন যিনি ফিল্ডে থাকেন উনি গাড়িতে উঠার আগে সরাসরি বলেন "কাগজ আর বকশিশ দেন"। না দিলে ফেল করিয়ে দেয়ার চান্স থাকে ড্রাইভিং জানার পরেও।
I have completed myself all the documents online and went to Mirpur BRTA for my vehicle fitness registration. They refused to check my vehicle fitness because i went myself not by the broker. They failed my vehicles fitness and ask me to contact with broker then they will allow. Also they demand to pay 5000 bribe to get fitness.
আমি আমার গাড়ির ফিটনেস করানোর জন্য BRTA uttara কার্যালয়ে যাই। গাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফিটনেস সংক্রান্ত বিষয়গুলো ঠিক থাকার পরও আমার কাছে অতিরিক্ত 1,3০০ টাকা দাবি করা হয়,,পরবর্তীতে আমি উক্ত টাকা পরিশোধ করি।”
মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন করার জন্য দালাল বা শো রুমের লোক ছাড়া তারা ফাইল জমা নেন না। তারা বলে এটা হতেও পারে আবার নাও হতে পারে,। হলে কত দিন সময় লাগবে আমি জানি না। আমি বললাম আপনি ফাইল চেক করে দেখেন কোন পেপার এ সমস্যা আছে কী, সমস্যা থাকলে আমি সমাধান করে জমা দিব। তার কোন জবাব দেয় না। বলে শো রুমই তো জমা নেই আপনি নিজে আসছেন কেনও, আমি বলি তারা বলেছে, আমাদের কাজ শেষ, এবার আমাদের মাধ্যমে জমা দিলে ৩ হাজার টাকা লাগবে। যখন দিতে চায় নি তখন বলে তাহলে আপনি নিজে জমা দিন।
সব পরীক্ষায় ভালো করার পরেও কাগজপত্র ঠিক নাই দেখে বারবার ঘুরাচ্ছিল।
আমি আমার গাড়ির ফিটনেস করানোর জন্য BRTA কার্যালয়ে যাই। গাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফিটনেস সংক্রান্ত বিষয়গুলো ঠিক থাকার পরও আমার কাছে অতিরিক্ত ১,৫০০ টাকা দাবি করা হয়,,পরবর্তীতে আমি উক্ত টাকা পরিশোধ করি।
মালিকানা পরিবর্তনের কাজ একদিনের সম্পন্ন করতে চাইলে অবশ্যই ঘুষ দিতে হবে তারা এটাকে নাম দিয়েছে অফিস খরচ এর জন্য তারা তিন থেকে চার হাজার টাকা নিয়ে থাকে, এমনটা প্রতিদিনই হতে থাকে যে এক দিনে করবে তাকে টাকা দিতে হবে এটাকে সিস্টেম বানিয়ে নিয়েছে, আর ঘুষ না দিলে আপনি খালি ঘুরতে থাকবেন
ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দিবে। মাঠের পরীক্ষায় জাস্ট অংশগ্রহণ করলেই হবে।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স জন্য ৪০০০/- বাবদ ঘুষ প্রদান করেছি।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য একজন আপন মানুষ ২০ হাজার টাকা নিয়েছেন, তাও অনলাইন কাগজ ছাড়া আসল কার্ড দেননি। বলেছিলেন তাড়াতাড়ি দিবেন কিন্তু ৩-৪ মাস তার পিছে পিছে হাটতে হয়েছে টাকা দেওয়ার পরেও। বিদেশ আসার জন্য প্রয়োজন ছিলো কার্ডটি পরে ঢাকায় নিজে দৌড়াদৌড়ি করেছি ৩দিন খরছ আরো ১৫ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে ৩৫ হাজার খরচ একটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে, অথচ পাক্কা ড্রাইভার হবার পরেও। আগে এতকিছু জানতাম না পরে জানলাম সবকিছু।
মালিকানা বদলির জন্য আব কাগজ ঠিক থাকলেও তারা টাকা নেয়
I paid all the fees AIT, tax token, fitness renewal etc, online via bkash. Then, chose a date for taking the car physically to Purbachal BRTA. At Purbachal BRTA, the person who was scanning the stickers on the car windshields sent another person to ask if i wanted the work done quicker. As I had to return to office and didn't want to spend all day at BRTA, I had to comply and pay the amount. Fitness was updated and printed within 20 minutes. The third person handed me the fitness certificate.
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে একটি তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছি। অপেশাদার (Non-Professional) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি যেখানে ৪,৫৫৭ টাকা, সেখানে এক মাসের মধ্যে লাইসেন্স করার জন্য সরকারি নির্ধারিত অতিরিক্ত ফি হিসেবে আরও ৩,০০০ টাকা দেওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে আমাকে একজন দালালের মাধ্যমে মোট ১৭,০০০ টাকা দিতে হয়েছে। শুধু আমার ক্ষেত্রেই নয়, লাইসেন্সের পরীক্ষায় গিয়ে আমার মতো আরও অনেক আবেদনকারীর সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের সবার কাছ থেকেই একই ধরনের অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে জানতে পেরেছি। যেখানে স্বাভাবিকভাবে লাইসেন্স করতে সরকারি ফি ৪,৫৫৭ টাকা, সেখানে দালালের মাধ্যমে ১১,০০০ থেকে ১২,০০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। সবচেয়ে উদ্বেগের