ট্রেড লাইসেন্স
আমাকে বলল অফিসার যাদের থেকে সিগনেচার নিবো সবাইকে টাকা দিতে হয়, না দিলে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভেরিপাই করে আরো বেশি টাকা দাবী করবে।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমাকে বলল অফিসার যাদের থেকে সিগনেচার নিবো সবাইকে টাকা দিতে হয়, না দিলে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভেরিপাই করে আরো বেশি টাকা দাবী করবে।
ঢাকা সিটি করপোরেশন এর উত্তরা সিটি করপোরেশন এল ১ নং জোন এর ট্রেড লাইসেন্স বিতরন ও আবেদন সংগ্রহকারি — এর সামনে জান যে কোন একটি বিষয় নিয়ে যে কোন দিন যে কোন সময়; তাহলে বুঝবেন কিভাবে প্রকাশ্যে ঘুষ আদায় করছে।
নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য যোগাযোগ করছিলাম, বলছে সরকারি ফি এর থেকে ৩৫০০ বেসি লাগবে
আমার আব্বুর মৃত্যুতে ওনার পেনশনের কাজে আমাদের ওয়ারিশ সনদ লাগবে,তো ইউনিয়ন অফিসে গেলাম।আমাকে অনেক হয়রানি,দিনে ৩/৪ বার যাওয়া আসা। এরকম প্রায় ৩০-৩৫ দিন চললো। এদিকে আব্বুর অফিসে কাগজগুলো জমা দেওয়ার জন্যও চাপ দিচ্ছে। না হলে পেনশন বন্ধ হয়ে যাবে। তারপর ওনারা আমাকে বললো ৪-৫ হাজার টাকা লাগবে হেনতেন বুজাইলো। আমি এডুকেটেড কত সরকারি ফি তা জানি। ওনাদেরকে বললে ওনারা আমাকে বের করে দেয়। সচিব যিনি ছিলো উনিই মূল হোতা।ওনার সাথে কম্পিউটার অপারেটরে যিনি উনিই এসব কাজ করে সচিবের কাছে পাঠায়। আর ওনারা ভাগ করে নেয় সবার সামনেই। গ্রামের লোকতো কেওই এসবকে গুরুত্ব দেয়না। ওনাদেরকে বিলিব করায় দিসে এসব সরকারি খরচ।এরকম হয়রানি প্রতিনিয়ত হচ্ছে। সরকারের উচিত এসবের দিকে জোর দেওয়া,তানাহলে জনগন মুখ পিরিয়ে নিবে একদিন।
আমাদের জমির হোল্ডিং ট্যাক্স রিনিউ করার জন্য তৎকালীন ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে গেলে তারা ছাড়পত্র দেয়। পরের বছর মালিকানা দাবি করে মামলা দেয়। আমার ট্যাক্স আর জমির সব কাজ আটকিয়ে দেয়। তৎকালীন কাউন্সিলর আমাদের কে মেয়রের কাছে জাইতে বলে। মেয়র আবার কাউন্সিলরের কাছে পাঠায় এই বলে যে, "কাউন্সিলরকে সব বলা আছে, ওনার সাথে ফাইনাল করেন।" কাউন্সিলর জানায় যে, মেয়র সাহেব ২০ কোটি টাকা চাঁদা ও অর্ধেক জমি চেয়েছেন, দিলে সব ঝামেলা মিটিয়া দিবেন, প্রোটেকশন দিবেন। আমরা পারিবারিকভাবে রাজি হই নাই। যার দরুন মামলা এখনও চলমান। যিনিই মেয়র হয়ে আসেন উনিই আমাদের জমি নিয়ে নিতে চান তার মত করে। আদালত পাড়ায় ঘুরি কিন্তু আদেশের আগে বিচারক পালটায় যায়। এখন আমি বেদখল, মামলা লড়ে শেষ হয়ে যাচ্ছি।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে কোন প্লান অনুমোদন করতে গেলে প্রতিটি টেবিলে টেবিলে একাধিক বার টাকা দিতে হয়। LUC প্লান ফ্রম নিতে টাকা, LUC ফ্রম জমা দিতে টাকা, সার্ভেয়ার —, — সাইট ভিজিট করবে তাতে ৩০০০ - ৫০০০ করে নিবে। রাস্তা ছোট থাকলে, — ৫০০০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করে। টাউন প্লানার সহকারি — টাকা দাবি করে। গেল LUC.। এর পর প্লান সহকারি —, — ( বড় সিন্ডিকেট) , — এরা ছোট প্লান ববদ ১-১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। — সিটি কর্পোরেশনের প্লান শাখায় বড় মাপের সিন্ডিকেট। বরিশাল শহরে যত বড় বিল্ডিং হয়েছে, সব তার হাতে হয়েছে। তাকে টাকা না দিয়ে কেউ প্লান করতে পারেনি৷ প্লান পাস হলে চালান নিতে ১০০০ করে দাবি করে —, —। প্লান শাখায় আরও বড় বাটপার —র সহকারি —।
যিনি ঘুষ চেয়েছেন তার পরিচয় না বললে অভিযোগ করে লাভ কি?
এই খানে এত্ত গুলা রিপোর্ট যে সবাই দিচ্চে এই গুলা দেখে খুব ভালো লাগসে দেশ টা কে সুদড়ানো দরকার কিন্তু এই সব অভিযোগ গুলা খালি এই খানে জমা থাকবে? না কি একশন নেয়ার কেউ আছে? খালি খালি অভিযোগ করে লাভ কি ম্যাক্সিমাম সরকারি কর্মকর্তা/আইনি লোক গুলা তো ঘুষ খোর সবাইকে ধরবে কে আর শাস্তি দিবে কে?
ট্রেড লাইসেন্স করতে গিয়ে ব্যবসার ধরন গেজেট এ থাকার পর ও দিতে চান না। পরে অনেক ইনিয়ে বিনিয়ে দিয়েছেন।
একচুয়াল ফি ব্যতীত অতিরিক্ত অর্থ দাবি
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন CEO অবৈধভাবে বহু প্লান সই করেছে। হাই রাইজ বিল্ডিং এ ১২-১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঘুস নিয়েছে প্লান অনুমোদন করতে। তাকে আবার রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে ট্রানফার করা হয়েছে। বরিশাল ছোট শহরে যদি ১২-১৫ লক্ষ টাকা ঘুস নিয়েছে। রাজুকে গিয়ে কয়েকশ কোটি টাকার মালিক হয়ে যাবে৷ বিসিসির প্লান সহকারি ৩ জন কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছে।
একচুয়াল ফি ব্যতীত অতিরিক্ত অর্থ আদায়
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দুর্নীতিগ্রস্ত অফিস এই সিটে কর্পোরেশন অফিস। এখানে মানুষ ট্যাক্স প্রদান করতে গিয়েও দুর্নীতির শিকার হয়। মানুষ হোল্ডিং আলাদা করে ট্যাগ দিবে তাতেও তারা বিভিন্ন কাগজ পাতির ভুল ধরে মানুষকে ঘুষ প্রদানের বাধ্য করে। আমি নিজে একাধিকবার এসব বিষয় নিয়ে ঝামেলায় পড়েছি।
আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর মৃত্যু সনদ নিতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের ফার্মগেট অফিসে গেলে সিটি করপরেশনের ওয়ার্ড সচিব আমাকে ডিসি অফিস থেকে সই করিয়ে আনতে বলেন। এটি তাঁদের দায়িত্ব উল্লেখ করায় তিনি সনদ প্রদানের বিনিময়ে ৫,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এতে অসম্মতি জানালে তিনি নিজেই ডিসি অফিসে গিয়ে সই নেওয়ার কথা বলে আমাকে হয়রানির হুমকি দেন। কোনো উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে ৫,০০০ টাকা ঘুষ দিয়েই বাবার মৃত্যু সনদ সংগ্রহ করতে হয়।
জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধনের জন্য নিয়ম মেনে আবেদন করেছিলাম। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আমাকে বললেন, এগুলো আবার ডিসি অফিসে জমা দিতে হবে। আমি যখন সেখান থেকে চলে আসছিলাম, তখন আমাকে ডেকে বলা হলো, “ফি দিয়ে যান।” আমি জানতে চাইলাম, কত টাকা? তিনি বললেন, ৩০০ টাকা। আমি ৩০০ টাকা পরিশোধ করার পর তিনি আবার বললেন, “আপনি যদি মোট ৫০০ টাকা দেন, তাহলে পুরো কাজটাই আমরা করে দেব।” তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, একটি স্বাক্ষরের জন্য যদি ৩০০ টাকা লাগে এবং কাজটা দ্রুত/সম্পূর্ণ করে দেওয়ার জন্য আলাদা করে আরও টাকা দিতে হয়, তাহলে জনগণের সেবার জন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রতিমাসে যে বেতন-ভাতা পান, সেটা আসলে কিসের জন্য? আরও লিখতে চেয়েছিলাম কিন্তু টেক্সট লিমিট এর কারণে সম্ভব হয়নি।
I have applied electronically for holding number to pay holding tax. They didn't approve. Later they said you have to visit office. Accordingly I have completed the process with this money
আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর মৃত্যু সনদ নিতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের ফার্মগেট অফিসে গেলে ওয়ার্ড সচিব আমাকে ডিসি অফিস থেকে সই করিয়ে আনতে বলেন। এটি তাঁদের দায়িত্ব উল্লেখ করায় তিনি সনদ প্রদানের বিনিময়ে ৫,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এতে অসম্মতি জানালে তিনি নিজেই ডিসি অফিসে গিয়ে সই নেওয়ার কথা বলে আমাকে হয়রানির হুমকি দেন। কোনো উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে ৫,০০০ টাকা ঘুষ দিয়েই বাবার মৃত্যু সনদ সংগ্রহ করতে হয়।
আমার বাচ্চার জন নিবন্ধন করার জন্য টাকা দিতে হয়েছে, সরকারি সঠিক নিয়ম এ নিবন্ধন করতে হলে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে, কারণ সরকারি অফিসাররা প্রতিটা সাক্ষর এর জন্য একটা নির্দিষ্ট ফি দিতে হয়।তবে ঘুষ দিলে ২ দিনের ভেতর কাজ হয়ে যায়। প্রতিটা জন্ম নিবন্ধন এর জন্য আলাদা আলাদা পরিমাণের টাকা প্রয়োজন হয়। কর্মকর্তারা সরাসরি ঘুষ নেন না, তাদের পক্ষে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ঘুষ নেন। @
প্রতি মাসে দোকানের সিটি কর্পোরেশনের ভাড়া বাবদ জমা দিতে যাই সে ক্ষেত্রে সে চা খরচ দাবি করে প্রতি মাসেই এবং যে ৯১৬ টাকা জমা নেওয়ার কথা সে ক্ষেত্রে দেখা যায় সে উত্তর এসব থেকে বেশি টাকা রাখে প্রায় ১০০ টাকা ৫০ টাকা ৩০ টাকা
সর্বমোট লাগে পনেরশো টাকার মতন কিন্তু আমার কাছ থেকে নিয়েছে ২০০০ টাকা ৫০০ টাকা বেশি নিয়েছে