সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৪,০৭৭ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৬.০ হাজার

ভূমি উন্নয়ন কর

সারা বাংলাদেশে অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করা শুরু হয়েছে। অনলাইনে প্রথমবার ভূমি উন্নয়ন পরিষদ করতে হলে তৌসিল অফিস থেকে একটা হোল্ডিং নাম্বার সংগ্রহ করা লাগে। কোন ব্যক্তি যখন এই হোল্ডিং নাম্বার সংগ্রহ করতে যায় তখন তার কাছ থেকে কোটি খতিয়ান বাবদ এক হাজার টাকা করে নেওয়া হয়। আমার কাছ থেকেও নেয়া হয়েছে। আমিও দিতে বাধ্য হয়েছি। টাকা না দিয়ে কোন ব্যক্তি যখন তার খতিয়ান অনলাইনে সাবমিট করে তখন তারা ভুলভাল লিখে রাখে যেন সাধারণ মানুষ তাদের কাছে যেতে বাধ্য হয়।

নোয়াখালী, চাপরাশিরহাট ,তৌসিল অফিস, চট্টগ্রাম ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে CT9YNXVY
মন্তব্য
শুধু দাবি করেছে ভূমি অফিস ৳৫.০ হাজার

জমির নামজারি

আমারা তিন জন মিলে জমি ক্রয় করেছি দলিল একটা। এখন তিন জনে আলাদা আলাদা নামজারি করব সেই জন্য ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম। ভূমি অফিসে নায়েব তিনজনের কাছ থেকে 15000 টাকা দাবি করতেছে। যেখানে সরকার নির্ধারন করে দিয়েছে 1170 টাকা

টাঙ্গাইল, মির্জাপুর, উয়ারশী ইউনিয়ন ভূমি অফিস, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে DK3RR3YS
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳২২.০ হাজার

নামযারি

ঘটনাটা হচ্ছে আমি আমার নাম জারি করার জন্য গেছি অনুযায়ী উনারা বলতেছেন না ১১৫০ টাকা দিয়ে সম্ভব নয় এটা ২২ হাজার টাকা লাগবে আমি এটা নিয়ে প্রতিবাদ করার পর আমার এটা হেরে আটকে দিছে পরবর্তীতে আমি আমার চাচাতো ভাইকে দিয়ে এই জিনিসটা পরে আমি নাম জারি করেছি ওইটাই আমার ২২ হাজার টাকা লাগবে আমার চাচাতো ভাই দিয়ে করাইছি কারণ আমার দরকার প্রয়োজন তাই আমি করাতেও আমায় বাধ্য কি করো অসহায়ের মত করে টাকাটা দেওয়া লাগে করছি সরকারি কাগজে-কলমে ১১৫০ টাকা কিন্তু ভাই এত টাকা লাগবে প্রত্যেক টেবিলে টেবিলে টাকা লাগে তাই আমি মনে করি জিনিসটা অনলাইনের হয়ে গেলে সবচেয়ে ভালো হয় মানে উনাদের কাছে কাগজের ফাইল নিয়ে যাওয়া না লাগে

চৌমুহনী, চট্টগ্রাম ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে CTV8A89Q
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৫.০ হাজার

নামজারি মঞ্জুর করতে গিয়ে ৫ হাজার টাকা প্রদান

আমি একটি নামজারি আবেদন দাখিল করি। শুনানী শেষে সেটা না মঞ্জুর হয়ে যায়। পরবর্তীতে আমি পরিচিত একজন দলিল লিখককে সেটা দেখালে তিনি দলিল ও পর্চার কিছু ভুল আছে জানায়। সেটা করতে গেলে কিছু বাড়তি টাকা লাগবে তিনি করে দিতে পারবেন বললে আমি তাকে ৫ হাজার টাকা দেই। কিছুদিন পর আমার দলিলটি নামজারি হয়।

রাজনগর, সিলেট ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে SYBWENUW
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি ভূমি অফিস ৳৮০.০ হাজার

নামজারি বাতিলের রায়

এক ব্যক্তি জমি বিক্রি করার পরেও সে আবার নিজের নামে জালিয়াতি করে নামজারি করে বিক্রি করার পাঁয়তারা করছে। তারপর আমি ভুক্তভোগী নামজারি বাতিলের জন্য আবেদন করা হয়। আমার দলিলের নথিপত্র-যাচাই বাছাই করার পর ভুক্তভোগীর সঠিক হওয়ার পরও রায় দিচ্ছেনা টাকার জন্য। প্রথমে ৮০ হাজার টাকা চায় তারপর আমি দিতে রাজি না হওয়ার কারনে পরে ৪০হাজার টাকা দাবি করে

রুপগঞ্জ, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৫ বার দেখা হয়েছে DKUXFDPU
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৬৯.৫ হাজার

জমির নামজারি

গত ৭ এপ্রিল ২০২৬ আমার জমির নামজারির জন্য আবেদন করি আমার পরিচিত উকিলের মাধ্যমে। পূর্বের অভিজ্ঞতাই ১১৭০ টাকার কাজ ২০ হাজার টাকায় কারাতে রাজি হয়। কারণ আমি নিশ্চিত ছিলাম ১১৭০ টাকার কাজ ১১৭০০ টাকায়ও হবে না। প্রাই ২০/২৫ দিন পরে কানুনগো/ সার্ভেয়ার করতে এসে, গাড়ি ভাড়া দিলাম ৫০০ টাকা। কিছু দিন পরে আমার ফোনে মেসেজ আসে আমি শুনানির দিন উপস্থিত ছিলাম না তাই আবেদন না মঞ্জুর করেছে। যোগাযোগ করলাম আমার প্রতিনিধির সাথে। বললো আরো নাকি ৫ হাজার লাগবে। দিলাম, তারপর দিন যায় মাস যায় কিন্তু আমার নামজারি হয়না। খবর নিয়ে দেখি সার্ভেয়ার পরিবর্তন এবং ম্যাজিস্ট্রেট পরিবর্তন হয়ে গেছে। নতুন ম্যাজিস্ট্রেট আসছে কাজ হতে সময় লাগবে সাথে বাড়তি টাকাও লাগবে। দিনশেষে এই নামজারি করাতে আমার ৬৯৫০০ টাকা লেগেছে।

চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে CTTP3RU2
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি ভূমি অফিস ৳১.০০ লাখ

নামজারি

চট্টগ্রাম মহানগরীর কাট্টলী ভূমি অফিসের তহসিল — ১ গন্ডা জায়গার নামজারির জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছে। অথচ নাম জারি করতে এতো টাকা লাগে না। তিনি ফাইল আটকে রাখবেন যদি আবেদন ও করি। তিনি বলেন জমি কিনছেন লক্ষ টাকার আর নামজারির জন্য ১ লক্ষ না দিলে কেমনে কি। তিনি আরও বলেন আমি তহসিলদার কমিটির সভাপতি, এসিল্যন্ড, ডিসি ও আমার কাজে কিছু বলার সাহস পাই না।

Chittagong, চট্টগ্রাম ২৬ আগস্ট ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে CTDGVXJM
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি ভূমি অফিস ৳২৫.০ হাজার

অনলাইন মিউটেশন যদিও ম্যানুয়েল মিউটেশন করা আছে।

সর্বপ্রথম আব্বু আম্মু ডিজিটাল জরিপের জন্য গেলে তাদেরকে তাদের সামনের কম্পউটার দোকানে পাঠানো হয়। সেখানে সব কাগজ নিয়ে আসতে বলে। আমি নিয়ে গেলাম। সে নাম মিউটেশনের আবেদন করতে ৫০০ টাকা চাইল। ৩/৪ দিন পর মামলা নাম্বার এল। আমি গেলাম, দোকানে ৫০০ দিলাম আর সে আমার ফাইল আমার হাতে দিল। ফাইলে সবই ছিল জমির ভায়া দলিল, নিজের দলিল, পুরাণ মিউটেশন । তো যখন ভুমি অফিসে জমা দিতে গেলাম সেখানে আমার কাছে আসল দলিল চাওয়া হল , সেটা ছাড়া নাকি আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। কোন সমাধান দিল না তারা। দোকানদারকে গিয়ে ধরলাম সে বলল, এগুলো কিছুই লাগে টাকা দিলে।দোকানদারের শুরুর থেকে প্লান ছিল আমাদের সাথে ডিল করবে। আমি ভুমি অফিসের পিওনের কাছে বলার পর সে বলল খরচা পাতি দিলে কাজ হয়ে যাবে। কত? হিসাব করে ২৫০০০ বলল। আব্বুর জমির মালিক তিনি একাই।

নারায়নগঞ্জ, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে DKU6U8BX
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳২.০ হাজার

নামজারী

উপজেলা ভূমি অফিসে প্রতি নামজারীর জন্য ২০০০/- টাকা লাগবেই সার্ভেয়ারের। নিজে নেন না, তার অফিসে ক্লিনার কিংবা ড্রাইভার দিয়ে গ্রহণ করায়। টাকা না হলে কাগজ ছুড়ে মারার দৃশও আছে। এ্যাসিলেন্ড হয়তো বিষয়টি নাও জানতে পারেন। টাকা না হলে ফাইল সমস্যা দলিল অস্পষ্ট কিংবা দাতার পিতার নামের বানানে সমস্যা ইত্যাদি।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা, সিলেট ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে SYAP35GT
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৭.৫ হাজার

নাম জারি

৫০০ টাকা দিয়ে নামজারি আবেদন করে নায়েব এর কাছে নিয়ে যাই, নায়েব ১৫০০টাকা নিয়ে রিপোর্ট দেন, না দিলে কেস খারিজ করে দেন,, এরপর সার্বিয়ার এর কাছে নিয়ে গেলে ৫০০ টাকা নিয়ে রিপোর্ট দেন, এবং বড় বাবুর কাছে নিয়ে যেতে বলে, তার কাছে গেলে তিনি দেখেশুনে এসিডেন্ট সাহেবের টাকা সহ ২ হাজার টাকা নেন, তারপরে এসিল্যান্ড অনুমোদন করেন, উপরের কাউকে যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে নথি খারিজ বলে রিপোর্ট দেয় বিভিন্ন সমস্যার কথা বলে টাকা দিলে আর সমস্যা থাকে না, অনুমোদন হলে বারোশো টাকা দিয়ে ডিসিআর কাটতে হয়, বাদবাকি টাকা দালালটা খেয়ে নেয়, মোট সাত থেকে আট হাজার টাকা লাগে। যদি নথি কিলিয়ার থাকে, আর যদি কোন ভুল ভেরান্তি থাকে,তাহলে আর হয়রানীর শেষ নেই, টাকাও নেয়ার শেষ নেই। যতদূর পারে ঘোষ বাণিজ্য চালিয়ে যায়।

বাগেরহাট, খুলনা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে KHSMPKRA
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳১.০০ লাখ

জমির নামজারি (খারিজ) প্রক্রিয়া

জমির নামজারি (খারিজ) সম্পন্ন করার জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি-এর পাশাপাশি বিভিন্ন পর্যায়ে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হয়েছে। নামজারি প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে মোট প্রায় ১,০০,০০০ (এক লাখ) টাকা খরচ হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি ফি ও অন্যান্য বৈধ খরচের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়েছে বলে আমি মনে করি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত অর্থ ছাড়া কাজ সম্পন্ন করতে নানা ধরনের জটিলতা ও বিলম্বের আশঙ্কা দেখানো হয়।

Narayanganj, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে DKAT5NJV
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি ভূমি অফিস ৳২০.০ হাজার

নামজারি

নামজারি সংক্রান্ত ঘটনার বিবরণ কিছুদিন আগে আমি এবং আমার Uncle পৃথকভাবে দুটি জায়গা ক্রয় করি। এর মধ্যে আমি ১ গণ্ডা এবং আমার Uncle ৩ গণ্ডা জমি ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের পর দলিলের নকল আসার পর নামজারি করার বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট Sub-Registry Officer-এর সঙ্গে কথা বলি। তখন আমাদের জানানো হয়েছিল যে, দলিল লেখক এবং আমিনের মাধ্যমে নামজারির প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করে দেওয়া হবে। সেই অনুযায়ী আমি নামজারি করার বিষয়ে যোগাযোগ করলে আমাদের জানানো হয় যে, ৩ গণ্ডা জমির জন্য নামজারি করতে ২০,০০০ টাকা খরচ হবে। একইভাবে ১ গণ্ডা জমির জন্যও একই ধরনের খরচের কথা বলা হয়। পরবর্তীতে আমাদের জানানো হয় যে, সরকারি নিয়মে নামজারি করার জন্য একটি বিকল্প পদ্ধতি রয়েছে, যেখানে খরচ তুলনামূলকভাবে অনেক কম—প্রায় ৪,০০০ টাকা। তবে এই পদ্ধতিতে নামজার

বোয়াল্খালী, চট্টগ্রাম ২৬ আগস্ট ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে CTWHZ2J2
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳২০.০ হাজার

জমির মিউটেশন/নামজারি

ক্রয়কৃত জমির মিউটেশন/ নামজারি করতে ভূমি অফিস এর দায়িত্বরত প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের উৎকোচ বাবদ প্রদান করা হয়

সাভার, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ২ বার দেখা হয়েছে DKQF5FPE
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৭.০ হাজার

জমির নামজারি

মনপুরা হলো সম্পূন্ন নদী দ্বারা আবদ্ধ দ্বীপ যেখানে ভূমি সেবা গ্রহনের জন্য অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয় যা এখন নিয়মে পরিনত হয়েছে। অন্যান্য দপ্তরের মত এখনে ভূমি অফিসে কর্মরতরা নিজেদের দূনীতিকে পরিশ্রামে অর্থ মনে করেন। ভূমি নামজারি থেকে শুরু করে খাজনা এবং যেকোনো সেবা গ্রহনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ আগ্রিম দিতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ দিয়েও সেবা পাওয়া যায় না হতাশা জনক। সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় হলো এখানকার স্থানীয় সাংবাদিক দাবি করা একজন — নামে সেও ভূমি অফিসের কর্মকতাদের থেকে হাদিয়া নেন সংবাদ প্রকাশ করবেন না বলে 🤣🤣🤣। সবশেষ আমার মতামত হলো সরকার যেহেতু দুনীতিকে থামাতে পারবে না সেই ক্ষেত্রে দুনীতির রেট নিধারন করে দিলে আমাদের মত সাধারন জনগনের উপকার হয়। মানসিক ভাবে হলেও তো প্রস্তুত থাকতে পারবো😭😭😭

মনপুরা, বরিশাল ২৬ আগস্ট ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে BRSWTBA8
মন্তব্য