নামজারি/মিউটেশন
আমি গত এপ্রিল মাসে ১১৭০ মিউটেশন ফি জমা দেই। কিন্তু ভুমিকা অফিসের পিয়ন থেকে কর্মকর্তা পর্যন্ত ডিসিআর আমার হাতে পাওয়া পর্যন্ত ৩০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি গত এপ্রিল মাসে ১১৭০ মিউটেশন ফি জমা দেই। কিন্তু ভুমিকা অফিসের পিয়ন থেকে কর্মকর্তা পর্যন্ত ডিসিআর আমার হাতে পাওয়া পর্যন্ত ৩০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল।
online mutation for my land
মনপুরা হলো সম্পূন্ন নদী দ্বারা আবদ্ধ দ্বীপ যেখানে ভূমি সেবা গ্রহনের জন্য অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয় যা এখন নিয়মে পরিনত হয়েছে। অন্যান্য দপ্তরের মত এখনে ভূমি অফিসে কর্মরতরা নিজেদের দূনীতিকে পরিশ্রামে অর্থ মনে করেন। ভূমি নামজারি থেকে শুরু করে খাজনা এবং যেকোনো সেবা গ্রহনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ আগ্রিম দিতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ দিয়েও সেবা পাওয়া যায় না হতাশা জনক। সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় হলো এখানকার স্থানীয় সাংবাদিক দাবি করা একজন — নামে সেও ভূমি অফিসের কর্মকতাদের থেকে হাদিয়া নেন সংবাদ প্রকাশ করবেন না বলে 🤣🤣🤣। সবশেষ আমার মতামত হলো সরকার যেহেতু দুনীতিকে থামাতে পারবে না সেই ক্ষেত্রে দুনীতির রেট নিধারন করে দিলে আমাদের মত সাধারন জনগনের উপকার হয়। মানসিক ভাবে হলেও তো প্রস্তুত থাকতে পারবো😭😭😭
ক্রয়কৃত জমির মিউটেশন/ নামজারি করতে ভূমি অফিস এর দায়িত্বরত প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের উৎকোচ বাবদ প্রদান করা হয়
নামজারি সংক্রান্ত ঘটনার বিবরণ কিছুদিন আগে আমি এবং আমার Uncle পৃথকভাবে দুটি জায়গা ক্রয় করি। এর মধ্যে আমি ১ গণ্ডা এবং আমার Uncle ৩ গণ্ডা জমি ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের পর দলিলের নকল আসার পর নামজারি করার বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট Sub-Registry Officer-এর সঙ্গে কথা বলি। তখন আমাদের জানানো হয়েছিল যে, দলিল লেখক এবং আমিনের মাধ্যমে নামজারির প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করে দেওয়া হবে। সেই অনুযায়ী আমি নামজারি করার বিষয়ে যোগাযোগ করলে আমাদের জানানো হয় যে, ৩ গণ্ডা জমির জন্য নামজারি করতে ২০,০০০ টাকা খরচ হবে। একইভাবে ১ গণ্ডা জমির জন্যও একই ধরনের খরচের কথা বলা হয়। পরবর্তীতে আমাদের জানানো হয় যে, সরকারি নিয়মে নামজারি করার জন্য একটি বিকল্প পদ্ধতি রয়েছে, যেখানে খরচ তুলনামূলকভাবে অনেক কম—প্রায় ৪,০০০ টাকা। তবে এই পদ্ধতিতে নামজার
বাড়ির জায়গার কাজনা
জমির নামজারি (খারিজ) সম্পন্ন করার জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি-এর পাশাপাশি বিভিন্ন পর্যায়ে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হয়েছে। নামজারি প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে মোট প্রায় ১,০০,০০০ (এক লাখ) টাকা খরচ হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি ফি ও অন্যান্য বৈধ খরচের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়েছে বলে আমি মনে করি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত অর্থ ছাড়া কাজ সম্পন্ন করতে নানা ধরনের জটিলতা ও বিলম্বের আশঙ্কা দেখানো হয়।
জমি নামজারি করার জন্য সরকারিভাবে ১ হাজার ৭৩ টাকা থাকলেও আমার থেকে ৯ হাজার টাকা নেয়া হয়েছিল। এক টাকা কম নিবে না। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে টাকা দেয়। নায়েব — নাম।
জমি কবলা সম্পর্কে তথ্য নিতে গেছি । প্রথমে টাকা দাবি করছে । আমি হতভম্ব টাকা চাইতে কোন লজ্জা বোধ করলো না কর্মচারী। কর্মচারী ছিলেন বয়স্ক কিভাবে সামান্য কাগজ দেখার জন্য টাকা চাওয়া
নামজারি করার জন্য আমি অনলাইনে আবেদন করি।আমি প্রবাসী চলে যাব তাই ভূমি ইউনিয়ন অফিসে গিয়ে এসিল্যান্ড স্যারকে বলেছিলাম,”আমি পনেরো দিনের মধ্যে প্রবাসে চলে যাবো(বিমানের টিকিট দেখিয়ে)তাই আমার নামজারি কি ভাবে সহজে করা যাবে । তিনি বলেন,প্রবাসীদের জন্য সরকার সুযোগ দিচ্ছে কাজটা সহজ করার জন্য ও অফিসের — সাহেবের সাথে যোগাযোগ করতে এবং এসিল্যান্ড স্যারের কথা বলতে। সাথে এও বলে দিলেন কোন টাকা পয়সা না দেওয়ার জন্য।— সাহেব কে সব কিছু বলার পর তিনি একটু বিরক্ত বোধ করলেন ।এক ঘন্টা পর তিনি আমার কাছে ৪০০০ টাকা চাইলেন ।এর আগে আমার ফাইলটা খুঁজে বের করতে এক হাজার টাকা দিতে হয়েছে।সর্বশেষ অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দিয়ে নামজারি করতে হলো। অফিসের লোক অসাধু ভাবে ৩০০০ নিয়েছে। তার পর আরো বারোশত টাকা অনলাইন পেমেন্ট করি
লোহাগাড়া ভূমি অফিসে একটা জায়গার নামজারী করতে গেছিলাম। আবেদন এর শুরু থেকেই টাকা চাওয়া শুরু।সরকারি নিয়ম মেনেই সব ডকুমেন্টস দিয়ে আবেদন করার পরও আবেদন নেয় না।পরে জানলাম সাথে ৫০০ না দিলে আবেদন নিবে না।নেওয়ার পর এই ফাইল এর কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত প্রতিটা রুমে টাকা নিছে।টাকা না দিলে ফাইলে সাইন দিচ্ছে না। নাহয় ঘন্টার পর ঘন্টা দাড় করিয়ে রেখে বলে এক সপ্তাহ পরে আসুন
ভুমি কর েদরয়ার জন্য বার বার অনলাইনে আবেদন করলেও। তা কোনো কারন ছাড়াই বাতিল করা হচ্ছে।
আমার জমির নামজার খতিয়ান করার জন্য আমি নিজে নিজেই আবেদন করি। তারপর আবেদনের কপি ডকুমেন্টস নিয়ে জমা দেই আমার ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বশিকপুর ইউনিয়ন। সেখানে যাচাই-বাছাইয়ের পর ভূমি কর্মকর্তা জানান আমার কাগজপত্র ঠিক আছে সব। সেখানে ওই কর্মকর্তা আমার কাছে পাঁচশত টাকা দাবি করেন উনি রিপোর্ট পেশ করবেন এই জন্য আমি জিজ্ঞেস করলাম ওয়েব সাইটে কোন চার্জ দেখায় নাই ইউনিয়ন অফিসের জন্য যে এখানে কোন টাকা লাগবে ওই কর্মকর্তা জানালেন এটা আমাদের খরচ আমি বাধ্য হয়েই উনাকে পাঁচ শত টাকা প্রদান করলাম। তারপর সেই মাসে আমার শুনানি ডেট ধার্য হয় ওই মাসের ২৮ তারিখ আমি ভূমি অফিসে উপস্থিত হই। কিন্তু জিজ্ঞেস করলে উনারা বলেন আমার শুনানি হবে না। আমার আবেদন বাতিল করা হয় বলা হয় আমি উপস্থিত হইনি। ঘুষ দেওয়ার পর আমার আবেদনটি সাকসে
নোয়াখালী জেলার, সোনাইমুড়ী উপজেলার, ৯ নং দেওটি ইউনিয়নের ভুমি অফিসে পিয়ন থেকে অফিসার সবাই বিষয়টার সাথে জড়িত, যে কোনো প্রকার জমির নামজারি করতে গেলে সর্বনিম্ন ১০০০০ দশ হাজার টাকা থেকে শুরু করে তাদের ঘুষ বানিজ্য,, পুরো ইউনিয়নের সকল মানুষই তাদের সম্পর্কে জানে, কোনো গোয়েন্দা সংস্থা যদি তাদের এই অপকর্ম ধরতো, হাজার হাজার মানুষের অনেক দোয়া পেতো, ,
নামজারি করতে চাওয়া হয়েছে।
সরকারি ফি ১১৫০ হলেও ৮০০০/- টাকা দতে বাদ্য হয়েছি। নিজে আবেদন করার পরেও। ঘুষ না দিলেই আবেদন বাতিল ঘুষ দেওয়ার সাথে সাথে মঞ্জুর
ঘুষ না পেয়ে নামজারি বাতিল, সেবা গ্রহীতাকে হুমকি, তহশিলদারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) —ের বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেন, জমির নামজারি আবেদন ইচ্ছাকৃতভাবে বাতিল এবং অর্থের বিনিময়ে সরকারি রাজস্ব আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করায় এক ভুক্তভোগী পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত তহশিলদারের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী — (৩৮) সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের সিঙ্গিয়া কলোনিপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও —র ছেলে
জমি রেজিস্ট্রেশনের সময় আয়কর রিটার্ন জমা দিতে বলে আমি জমা দেই কিন্তু জিরো রিটার্ন দেখে ৩ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে যেহেতু প্রবাসী তার তো কর আসবেনা আমি বলি এটা তো জিরো রিটার্ন থাকবে কিন্তু ওই কমিশনার মানে না সে টাকা না দিলে দলিল সিগনেচার দিবে না বাধ্য হয়ে তিন হাজার টাকা দেওয়া লাগে।
অনলাইনে নামজারির আবেদন করে আবেদনের হার্ড কপি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর ভূমি অফিসে জমা দিতে যায় তখন কাগজপত্র দেখেশুনে যাচাই করার পর ভূমি অফিসের নায়েব ৬০০০ টাকা দাবি করে এবং অফার দেয় ১০ দিনের মধ্যে আমার আবেদন অনুমোদন করে দিবে।আমি বললাম আমার তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই, ধীরে সুস্থে দিলে ও চলবে। তখন তিনি উপায় না পেয়ে কাগজের ছোটখাটো কোনো ভুল খোঁজার আপ্রাণ চেষ্টা করে। কিন্তু কোনো ভুলই খুঁজে পায় নাহ। পরবর্তীতে তিনি সরাসরি আমাকে বলে টাকা ছাড়া আমরা কোনো আবেদন গ্রহণ করি না এবং আশেপাশের কয়েকজন গ্রাহক কে দেখায় দেখো এইখানে যারা আসছে সবাই উদ্দিষ্ট বাড়তি টাকা দিয়েই আবেদন জমা দিয়ে গেসে। পরবর্তীতে অনেকটা তর্ক বিতর্কের জন্য তিনি ১ হাজার টাকা কমাতে রাজি হয় এবং সেই মুহূর্তে আমার টাকা দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকেনা।
ঘটনা সেটি হচ্ছে দলিলে লেখা নাই কি কারনে দলিল করা হলো অর্থাৎ ওই দলিলের পূর্বের দলিল সম্পর্কে কিছু বলা নাই বা কার কাছ থেকে পাইল এটা কিছু বলা নাই।