নতুন জমির নামজারি
আমার চার শতাংশ জমির নামজারি বাবদ=১১৫০০ টাকা এবং ডিসিআর বাবদ=১২০০ টাকা। সর্বমোট নিয়েছে ১২৭০০ টাকা। বিঃদ্রঃ ২০১৭ সালে বাদল নায়েব, পাইকারচর ইউনিয়ন ভূমি অফিস, নরসিংদী সদর, নরসিংদী।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার চার শতাংশ জমির নামজারি বাবদ=১১৫০০ টাকা এবং ডিসিআর বাবদ=১২০০ টাকা। সর্বমোট নিয়েছে ১২৭০০ টাকা। বিঃদ্রঃ ২০১৭ সালে বাদল নায়েব, পাইকারচর ইউনিয়ন ভূমি অফিস, নরসিংদী সদর, নরসিংদী।
আমি নামজারি করতে হিয়েছিলাম প্রায় ৫-৬ বছর আগে।দালাল ছারাতো কাজ হয় না।পরে ১৩ হাজার টাকা দিলে কাজ করে দেয়।এছারা একটা পাতাও লরে না
আমার জমির নাম জারি করতে 15000 টাকা চাইছে আমি না করে চলে আসছি.
১১৭০ টাকার নামজারী করতে গেলে তশিল অফিস এবং ভুমি অফিস জানায় ১২০০০ টাক নিচে হবেনা। তাই বাদ্যহয়ে উক্ত গুষ দিতে হয়েছে। বানাড়ীপাড়া এসিলান্ড খুবই খারাপ । ঘুষ ছাড়া কণো কাজ করতে চায়না।
আমার বাবার জমির দলিল টির নকল দলিল উত্তোলন করা প্রয়োজন। তাই সংলগ্ন ভূমি অফিসে গিয়ে উত্তোলন করতে চাওয়ায় তারা 10000 টাকা চায়। দর কোষাকষি করে এক পর্যায়ে তারা 8000 এ দিতে উপুনিত হয়। আমার অতি প্রয়োজনীয় তাই পরিশোধ করে দলিল টি সংগ্রহ করি।
মিউটেশন করতে খরচ হয় ১১৭০ টাকা। আমি আবেদন করে গেলে তফসিলদার মহিলা বলেন এটা ইউনিয়ন এ অনলাইন এ নাই।যক্কত করতে হবে। এটা যুক্ত করতে অনেক বড় প্রক্রিয়া। তবে আমি কাউকে দিয়ে করাই দিতে পারি এতে হালকা খরচ বেশি। আমি বললাম কত? মহিলা তফসিলদার তার সামনে রাখা ক্যালকুলেটর চেপে ১৫০০০ চেপে দেখিয়ে বললেন এতো লাগবে। তারপর আমি বললাম এ তো অনেক বেশি। তারপর এসি ল্যান্ড এর কাছে যাওয়ার পর বললাম যে আমার খতিয়ান টি অনলাইন এ নাই।এখন কি করবো? তিনি বললেন এটা একটা প্রজেক্ট। কয়েক মাস পর হতে পারে। আমি বললাম এখন কি যুক্ত করা যায়? তিনি বললেন আপনার তফসিলদার চাইলে পারবে।কথা বলে দেখেন। সামান্য দাগ নম্বর তুলা প্রতি দাগ নম্বর ২০০ টাকা।
পারিবারিক সূত্রে অর্জিত সম্পত্তি নামজারি করার জন্য পৌরসভা ভূমি অফিস উপস্তিত হয়, এরপর অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন জন্য ওনাদের একজন দাবি করেন ১২০০ টাকা, যেখানে খরচ সরকারি নীতি অনুসারে ৭৫ টাকা । এরপর আমার কাছে স্ক্যানার না থাকাই একরকম বাধ্য হয়ে ৫৫০ টাকা অ্যাপ্লিকেশন করে নেই । কিন্তু আসল বিপত্তি হই ২২ কার্য দিবস এর দিন, হটাৎ ম্যাসেজ আসে নামজারি বাতিল হয়েছে । আবারও ভূমি অফিস উপস্থিত হইলে ওনার বলে আবার অ্যাপ্লিকেশন করতে, বাধ্য হয়ে আবারও ৫৫০ টাকা দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন করে ফেলি, আমি চলে আসছিলাম এমন সময় বলে “খরচা বিষয় ছিলো বলে দাবি করে বসে ১২ হাজার টাকা, এরপর অনেক বাধা বিপত্তি পেরিয়ে নামজারি করতে সক্ষম হই, শেষ পর্যন্ত আমি কোন রকম ঘুষ না দেয়ার সিদ্ধান্ত অটল ছিলাম ।
আমার ২ শতক জমি নামজারি করতে গেলে আমার কাছে ২০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছে, পরে আমি আর আমার জমি নামজারি করিনি।
নামজারীর আবেদনের ফাইল জমা দিতে গিয়েছিলাম ফাইল আটকে রেখেছে অফিসের সহকারী বলছে টাকা না দিলে কাজ হবে না
জমি রেজিস্ট্রেশন করার পরে নামজারী করতে ভূমি অফিস এ গিয়েছিলাম, সরকারি ফ্র্রি ১১০০ টাকা করে, সারাদিন ইউটিউব এ সচিব এর ভিডিয়ো দেখি কয় ১১০০ টাকা, কিন্তু আসলে ২ লাখ তাকার নিচে নাই। সব সালা বাটপার।
ঝিকরগাছা পৌর ভূমি অফিস এ, খাজনা এর হোল্ডিং এ, খাজনা দিয়ে হাল সনের নামজারি করলেও ৫০-৫১ বছরের খাজনা বাকি দেখাচ্ছে অনলাইনে পরে নয়েব স্যার কে ৫০০/১০০০ দিলে ঠিক করে দেয়। ইচ্ছে কৃত ভাবে এগুলো করা হচ্ছে অন্য জাগায় এমন করা হচ্ছে নাহ, ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা এগুলো করেন যেন তার কাছে যাওয়া লাগে,
1200 taka sorkari fee but 11000 chada amr kaj hoi ni.
২০১৭ সালে বাদল নায়েব আমার কাছ থেকে নামজারি বাবদ ১১৫০০ এবং ডিসিআ ফি বাবদ ১২০০ সর্বমোট ১২৭০০ নেয়।
ম্যাপে,দখলে,দলিলে, ৪৪ শতক ছিলো কিন্তু খতিয়ানে ভুলে ২৪ শতক উঠেছিলো সেটার সংশোধন। দীর্ঘ নয়মাস ঘুরেছি কোন কাজ হয়নি। আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে টাকা ছাড়া কিভাবে করবেন করেন। আমি দেখবো।শেষে ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে বললাম ম্যাডাম কিছুই কি করার নাই? উনি বললেন কালকে বুধবার ২০ হাজার টাকা দিয়ে যান পরের দিন বৃহস্পতিবার আপনার কাগজ ওকে।আর না হয় ঘোরেন আরো পাঁচ বছর ধরে, দেখি আপনার কাজ কে করে দেয় কিভাবে হয়।
আড়াই হাজার উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়ন এর ভূমি অফিসে নামজারির জন্য গিয়েছিলাম। কাগজপত্র এটা সেটা সমস্যা আসছে বলে আমার নিকট ১৫ হাজার টাকা দাবি করে। আমি বলেছি আমি গরিব মানুষ দিতে পারব না। বলছে না দিতে পারলে উপজেলা অফিসে ফাইল আটকে যাবে। আমি বলেছি আটকে গেলে আটকে যাবে আমার ফাইলটা ছেড়ে দেন। তারপর ওনারা ফাইলটা এক সপ্তাহ পর ছেড়ে দেয়। তারপর সঠিক নিয়মই আমার নাম জারি টা হয়ে যায়। তারপর ইউনিয়ন অফিসে হোল্ডিং খোলার জন্য আমার নিকট থেকে পাঁচশত টাকা নেয়। আর উপজেলা ভূমি অফিসে মূল খতিয়ান থেকে আমার নামজারীর অংশ মাইনাস করার জন্য ২০০ টাকা নেয়।এই নামজারিটি করার জন্য আমাকে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তিনবার এবং উপজেলা অফিসে দুইবার আসতে হয়। তারপর আমার নামজারি সম্পন্ন হয়।
একটা মাঠপর্চা তোলার জন্য ডিমলা উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে গেলে অফিসার আমাকে বলেন " একটা খতিয়ান তুললে তো ৭০৯/৮০০ টাকা লাগে। উত্তরে কইলাম ডিসি অফিস থেকে ১৫০ টাকায় তুলে আনছি। তখন তিনি বললেন আপনার মাঠপর্চা নিতে হলে সবমিলিয়ে ৩০০ টাকা দিতে হবে। নির্ধারিত তারিখে যাওয়ার পর তিনি বললেন আপনার মাঠপর্চা ২ পেজে আসছে তাই আরও ৩০০ টাকা দিতে হবে না হলে আমার লজ হবে। পরবর্তীতে ওনার হাতের লেখা দেখে কইলাম লেখা একটু ছোট করলে ১ পেজেই হয়ে যাইতো। যাইহোক শেষপর্যন্ত আরও ১০০ টাকা সহ ৪০০ দিয়ে চলে এসেছি।
মিস কেসের জন্য আবেদন করছি ১৪/০১/২০২৫ তারিখ আজ ২৫/৮/২০২৬ তারিখ পর্যন্ত কেসই দায়ের হয়নি
পৈতৃক সম্পত্তির নামজারি করতে এখন পর্যন্ত ১ লাখ টাকার বেশি ঘুষ নিয়েছেন আমার আব্বা থেকে,কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো নামজারি করেনি,আমার বাবার আগেই নামজারি করা হয়েছিল কিন্তু পৈতৃক সম্পত্তি থেকে নিজের নামে আলাদা নামজারি করার জন্য আবেদন করেছিলেন,একেকবার একেক কারণে নামজারি করেনি,আমার চাচা ফুফু সবাই আলাদা নামজারি আছে শুধু আমার বাবার নামে আলাদা করতে গরিমসী করতেছে,,সার্ভেয়ার রিপোর্ট,তওসিলদার সবাই সঠিক রিপোর্ট দিয়েছে তাও আরো বেশি টাকার জন্য আটকে রেখেছে
প্রত্যেক দাগের জন্য ২০০ টাকা করে ৫ দাগের জন্য ১০০০ টাকা নায়েব কে না দিলে অনলাইন খাজনার আবেদন বাতিল করে দেয়। পরে অতিরিক্ত ১০০০ টাকা দিয়ে খাজনা পরিশোধ করা হয়
বলসে খারিজ আজকে।দিলেন পাবেন ৩ মাস পর আর যদি ৭ হাজার দেন তাহলে ৭ দিনের মদ্ধে পাবেন