নামজারি
নামজারির সব কাগজ ঠিক থাকাবস্থায় সেখানকার ভূমি সহকারির সহকারি ৩০০০ টাকা চান নামজারির জন্য, প্রথমবার দিতে অস্বীকার করলে তারা নামজারি বাতিল করে। পরে আবার আবেদন করা ৩০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারির সব কাগজ ঠিক থাকাবস্থায় সেখানকার ভূমি সহকারির সহকারি ৩০০০ টাকা চান নামজারির জন্য, প্রথমবার দিতে অস্বীকার করলে তারা নামজারি বাতিল করে। পরে আবার আবেদন করা ৩০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
জমির দলিল ভলিউম বুক থেকে যাচাই করার জন্য 200/- টাকা বকশিশ দিতে হয়েছে।
বাৎসরিক জমির খাজনা দেওয়ার জন্য সদর ভূমি অফিস থেকে খাজনা কোডসম্বলিত খতিয়ান চিঠি। আমার কাছ থেকে খরচ বাবদ ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। যেহেতু টাকা চেয়ে নিচ্ছে তাই চিঠি রেডি হলে হাতে হাতে টাকা দিবো বলেছি। আর না হয় বিকাশ নাম্বারে। নানা আজুহাত দেখিয়ে বলে ডিসি রাজস্ব অফিসে থেকে খতিয়ান আসেনি। হারিয়েছে। সর্বশেষ মোবাইল ফোনে আমি বলি আমাকে কোথায় যেতে হবে যেহেতু এটা সরকারি রাজস্ব জমা দেওয়ার ব্যাপার। আমি যখনই ডিসি রাজস্ব অফিসে যাবো আমাকে ফোন দিয়ে বলে খতিয়ান পাওয়া গেছে যাওয়া লাগবে না। খাজনা খতিয়ান চিঠি তৈরি হলে আমাকে ফোন দিবে। সপ্তাহ যায় মাস যায়। ফোন আর আছে না। আমি ফোন দিলে রিসিভ হয় না। কয়েকদিন পর আমার নাম্বার ব্লক দিয়ে রেখেছে। সেটা বুঝলাম আমি ২ সপ্তাহ ভূমি অফিসে গিয়ে দেখি সে থাকে না। তাহাদের অফিস থেকে ফোন যায়।
নামজারির জন্য ৭০০০ টাকা আর ২৪ টাকা খাজনার জন্য ৩০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
অর্পিত সম্পত্তির রায় ও ডিকরি আদালত থেকে প্রাপ্ত হয়ে ডিসি মহোদযের নিকট অবমুক্তির জন্য আবেদন করলে ডিসি অফিস এসিল্যানড অফিস থেকে একটি রিপোর্ট এর জন্যে বললে, আমি এসিল্যানড অফিসে যোগাযোগ করি।জমির পরিমান বড় হবার কারণে উহার বাজার মূল্য ক্যালকুলেসন করে, আমার কাছে সর্বমোট ২৬,০০,০০০ টাকা এসিল্যানড অফিসের অফিস সহকারীর মাধ্যমে উক্ত টাকা ঘুষ দাবি করেন। আর এখন অন্যান্য জমি নামজারি করতে গেলে "খ" তফসিলভূকত জমি যা সরকার ইতিমধ্যে কোনরকম হযরাণী ছাড়া নামজারি করতে পারব বলে পরিপতর জারি করেছে। অথচ, সেই "খ" তফসিলভূকত জমির জন্য এসিল্যানড অফিস প্রতি শতাংশের জন্য 10,000 টাকা দাবি করছে। টাকা না দিলে ওই জমির জন্য আদালতে কেস করতে বলছে। আমি লুকিয়ে তার কিছু কথা ভিডিও ও করে রেখেছি। যদি চাওয়া হয়, আমি দিতে পারব।
নামজারির প্রথম স্তরে ফাইল জমার সাথে ১০০০ টাকা না দিলে ফাইল নেয় না,নামজারি করে আনলে সেটি জমা দিলে আবারও ১০০০ টাকা দিতে হয় না হলে কাজ হয় না। মানুষ জমির খতিয়ান নিবে তাতেও ১০০ টাকা করে নেওয়া হয়, সেবা ২০ মিনিট এর অধিক সময় হলে টাকার পরিমান বাড়ে
The land is under the jurisdiction of the Deputy Commissioner (DC), and any transfer of possession requires prior permission from the DC authority. I applied for land valuation assessment and namjari (mutation) in 2024. The DC Office subsequently forwarded the matter to the concerned Regional Land Office for preparation of the assessment report. To expedite the process, I contacted a university senior who is currently working at the concerned Land Office and sought his assistance as a reference. Through him, I was introduced to a person at the Solosahar Land Office, to whom I paid approximately BDT 20,000 for assistance in processing the matter. Till today there is no progress of my file.
উক্ত অফিসের ভূমি উপ- সহকারী কর্মকর্তা ব্যক্তিগত ভাবে লোক(দালাল) নিয়োগ দিয়ে উক্ত অফিসের যাবতীয় কার্যক্রম সম্পাদনা করেন। এবং নামজারি বাবত আমার কাছে থেকে নিয়োগকৃত দালাল ৭০০০ টাকা নিয়েছে এবং নামজারি সম্পন্ন হবার পর ভূমি উন্নয়ন কর দিতে চাইলে ১০০০ টাকা দাবি করেন এবং পরবর্তীতে ১১২ টাকার দাখিলা কেটে দেন আমাকে। পরষ্পর ভাবে জানতে পারলাম উক্ত অফিসে অফিসারের ব্যক্তিগত নিয়োগকৃত কর্মীকে কমিশন ভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যার ফলে অত্র এলাকার জনগন ১১৭০ টাকার নামজারিতে সর্বনিম্ন ৫০০০ টাকা দেয়া লাগে। নাহয় দালাল ভয় দেখায় যে ফাইল নামঞ্জুর করে দিবে।
আমার দেড় শতক জমি বানেশ্বর টু ঈশ্বরদী মহাসড়ক প্রশস্ত করনের জন্য অধিগ্রহণ করা হয়। চার বছরে অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া কমপ্লিট হয়নি। আমরা ছয় লক্ষ টাকা পাবো। এটা নিতে গিয়ে অলরেডি ধাপে ধাপে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়ে গেছে। উনারা শেষ ধাপে এসে আরও ৩০ হাজার টাকা দাবি করছে চেক দেওয়ার জন্য
নামজারীর জন্য গেলে টাকা চার্জ করে পরে টাকা ছারা কথা বলতে আাইলে খারাপ ব্যাবহার করে
আমি আমার কিছু যায়গা জমির নমজারি আবেদন করতে গেলে ৫০০০০০ টাকা ঘুষ চাচ্ছে। তা ছারা খারিজ করবেনা। থিকানা নরসিংদী জেলা রায়পুরা থানা বাঁশগাড়ি মৌজা
একটি রেকর্ড যাচাই-বাছাই করার জন্য বলা হয়েছিল তিনি দুইদিন পরে আসতে বলেছিলেন এবং কিছু খরচ চেয়েছিলেন।
আমি নামজারির আবেদন করেছিলাম। আবেদন সাবমিট করার নামে বেতালপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পিয়ন — আমার কাছ থেকে ১০০০০ টাকা নিয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলার। শ্যামনগর উপজেলা ৯ নং বুড়ীগোয়ালিনি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের। জমির নাম জারি ও খাজনা বাবদ ২০ হাজার টাকা চেয়েছিল অফিস খরচ বাবদ ।আমি দিতে রাজি হইনি বলে এখনো খাজনা ও নাম জারি করা হয়নি। ঘুষ দেওয়ার ভয়ে আমি নাম জারি ও খাজনা দিতে পারছি না।
আমার ৩৫ বছর আগে জমি কেনা। মৃত ব্যাক্তির এক ওয়ারিশ তার অংশের দখলকৃত জমি বিক্রি করেছেন।আমি মৃত ব্যাক্তির ওয়ারিশ সনদ নিয়ে গেলে ওনার বলে আমি নাকি ওয়ারিশ কম দেখাইছি।এখন টাকা না দিলে জমি খারিজ হবে না। তাই বাধ্য হয়ে দিতে হইছে।
আমাদের গ্রামের একটি কমিউনিটি ক্লিনিক করার জন্য আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে ৮ শতাংশ জমি দান করেছি। এখন এই জমিতে কোন মামলা নেই, সম্পূর্ণ নিশকন্ঠক অবস্থায় রয়েছে এবং জমিটি কোন অবস্থানে রয়েছে প্রাক্টিক্যালি বাস্তবে গিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করে দিবে। আমি ৩০০০ টাকা দিয়েছি ঠিকই কিন্তু শেষ পর্যন্ত রিপোর্ট দেয়নি, শুধু ঘুরাচ্ছে।
হোল্ডিং এ জমি এন্ট্রি ও নামজারী
আমি দলিল নকল তুলতে ভূমি অফিসে গেলে (বিশেষ দ্রষ্টব্য: সাধারণ লোকজনের জন্য সেখানে যাওয়াটা অনেক কষ্টসাধ্য মনে হয়েছে, শুধু মৌরিরা ও দালালেরা যায়) অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে আমি বলি, তত টাকাই দিব সে ক্ষেত্রে আমাকে টাকা রশিদ দিতে হবে কিন্তু তারা দিতে চায় না পরবর্তীতে আমি সেখানকার ভূমি অফিসের কর্মকর্তার সাথে কথা বলি এবং তার কথায় সন্তোষজনক কোন উত্তর পায়নি । পরে টাকা কমিয়ে কিছুটা কম টাকার মধ্যে হয় কিন্তু কাজটা করাতে আমাকে অনেক দেরি ও হয়রানি হতে হয় বেশ কয়েকদিন যেতে হয়। টাকা দিলে কাজটা সহজেই হত। পরবর্তীতে মনে হল টাকা দিলে এত হয়রানি হত না। আবার এটা ভেবেও শান্তি পাচ্ছিলাম যে আমি একটা অন্যায় কাজে সহযোগিতা করিনি। যদিও এরপরও কিছু অতিরিক্ত টাকা কিন্তু তা ১৮০০ এর মধ্যেই। যা হওয়ার কথা ছিল আরো কম
প্রথম আপত্তি করে ঐ দাগে খাস আছে নতুন রেকর্ডে ভলিয়ম না আসা পর্যন্ত কিছু করার নাই। পরে নতুন রেকর্ডকৃত মূল খতিয়ান দেখালে বলে ভলিউম আসে নাই খাজনা নেয়া যাবে না। এস এ খতিয়ান অনুযায়ী খাজনা নিতে বললে ইউনিয়ন ভুমি অফিসার জানায় ঐ দাগ জলমহাল অংশ তাই খাজনা নেয়া যাবে না। রেকর্ডে জমির শ্রেণী ডাঙ্গা লেখা আছে এই তথ্য দেখালে ইউনিয়ন ভুমি অফিস থেকে ভুতুড়ে কারণ দেখিয়ে নামজারি করা যাবে না বলে আপত্তি করছে। একটার পর একটা নতুন অভিযোগ। বাবা ও দাদাদের খতিয়ান এবং বাবার নামের নামজারির কাগজ বিডিএস রেকর্ড দেখিয়েও সমাধান হয়নি। তারা পনেরো হাজার টাকা দাবী করে সমাধান করার জন্য। তারা জানায় এসিল্যান্ড অফিসার জানতে পারলে আর নামজারি হবে না। তাকে না জানিয়েই করতে হবে। অথচ আমার সকল কাগজ আপডেট করা। হাল সালের খাজনাও পরিশোধ করা।
আমি ৩ শতাংশের একটু বেশি ক্রয়কৃত জায়গার নামজারি করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগাযোগ করলে তারা আমাকে চুক্তিতে ৭ হাজার টাকা দাবি করে। কিন্তু আমি তা প্রত্যাখ্যান করি।