নামজারি
আমার বাবা নিরক্ষর মানুষ একটা জমি কিনসিলাম তারপর সেটার নামজারি করতে গেলে বলে ২০০০০ হাজার টাকা লাগবে, না হলে হবে না পরে অনেক অনুরোধ এর পর ১৭০০০ হাজার টাকায় রাজি হয়ে কাজ করে দেয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বাবা নিরক্ষর মানুষ একটা জমি কিনসিলাম তারপর সেটার নামজারি করতে গেলে বলে ২০০০০ হাজার টাকা লাগবে, না হলে হবে না পরে অনেক অনুরোধ এর পর ১৭০০০ হাজার টাকায় রাজি হয়ে কাজ করে দেয়
বহু বছর নামজারি কারার জন্য অফিসে ঘুরেছি। কিন্তু করতে পারি নাই, হবেনা বলে তাড়িয়ে দিয়েছে। পরে দালাল ধরে ১০০০০ টাকায় কন্টাক্ট করি, দালাল ৪ বছর ঘুরানোর পরে বলে অফিস থেকে ৩৫,০০০ চেয়েছে, ৩৫০০০ দিলে কাজ হবে। তারপর ৩৫,০০০ পরিশোধ করে নামজারি করাই।
আমার দুলাভাইয়ের নামজারির জন্য ভাঙ্গুরা পৌর ভূমি অফিস থেকে ফোন দেয়। তারা বলল আমাদের কাছে নাম জারির আবেদন এসেছে আপনারা কালকে আসেন তো আমি পরের দিন গেলাম। নায়েব আমার থেকে দলিল এবং অন্যান্য কাগজের ফটোকপি গুলা চাইল, আমি তাকে দিলাম তারপরে সে বলতেছে আপনার এই নামজারি কাজ করতে হবে সেটার খরচ দরকার সেই খরচ পাতি গুলো দেন, আমি করে দিচ্ছি। আমি বললাম সরকারি কাজে আবার খরচ পাতি কেন? পরে সে বলল তাহলে আবেদন বাতিল করে দিব। আমি তাকে এক হাজার টাকা দিলাম সে বলল ২ হাজার টাকা দিতে হবে তারপর আমি তাকে ১৫০০ টাকা দিলাম।
বারবার আবেদন করেও যখন কাজ হচ্ছিল না। তখন অফিসে গিয়ে জানতে পারলাম ঘুষ ছাড়া আমার কাজ করা হবে না।কাগজপত্র ঠিক থাকলে দিতে হয় ৮০০০ টাকা আর আমার বাবার নাম — এর জায়গায় — থাকায় আমাকে দিতে হয়েছে ১৬০০০ টাকা।
একই খতিয়ানে একাধিক মালিকের/ অংশিদার এর জায়গা। এখন একজন তার অংশের খাজনা দিবে কারণ তার জমি বিক্রি করবে। অনলাইনে আলাদা ভাবে পরিশোধ হয়না, একই খতিয়ানের সম্পুর্ণ দাগের খাজনা দিতে হয় যা ১৫০০০ টাকা। তহশিলদার বলে একজনের অংশ দিতে হলে ৫০০০ টাকা দিবেন আর আমি ৫০০ টাকার অনলাইন রশিদ দিব, কোন কথা নাই নতুবা সবই দেন। তখন বাধ্যহয়ে আমি ৫০০০ দিলাম। তারা ৫০০ টাকার রশিদ দিল। এ থেকে পরিত্রাণের উপায় কি।
মেহেরপুর সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন অনলাইনে সাবমিট করার জন্য প্রতিটা নামজারি কেসের জন্য ৩০০ টাকা রিপোর্ট খরচ চায়। আমি জানি এটা সরকারি কোনো ফি না। তাই টাকা না দিয়ে চলে এসেছি।
অফিস স্পেসের নামজারির জন্য ৩৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছে । আমি বাধ্য ছিলাম
নামজারির ফাইল জমা দিতে গেলেই ১০০ টাকা দিতে হয় এটা সেখানে রেওয়াজ
জমির নামজারি করার জন্য ঘুষ ছাড়া ৪বার আবেদন করেছিলাম। প্রতিবারই ফেরত দিয়েছে। শুনানি ছাড়া আবেদন বাতিল করে দিত। ৫ম বার ঘুষের টাকার পরিষদের পরপরই মিউটেশন হয়ে যায়।
৩ শতক জমি নামজারি করার জন্য ১৬ হাজার টাকা দাবী করে তাহার পিয়ন/সহকারীর মাধ্যমে, অবশেষে ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি করে নেওয়া হয়। যার সরকারি মূল্য ১১৭০৳। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের ঘটনা।
প্রথমে আমার কাছে ১২০০০ টাকা দাবি করা হয়েছিল। সবশেষে ৯০০০ টাকায় সমঝোতা হয়। যদিও সরকারি খরচ ১১৭০ টাকা মাত্র। এই ভোগান্তির শেষ কোথায়।
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়ন ভুমি অফিস ঘুষের আখড়াতে পরিণত হয়েছে। এখানে খারিজ করতে গেলেই ফাইল প্রতি মিনিমাম ৫০০০ টাকা দিতে হয়। তহস্দিার, কম্পিউটার অপারেটর এবং পিয়ন মিলেমিশে ঘুষ নেয়। উল্লেখ্য , সরকারিভাবে অনলাইনে আবেদন করেও খারিজ করা যায় এবং সরকারি ফি সব মিলে মাত্র ১১৭০ টাকা। পার্টি মালদার হলে ১০০০০ টাকা নিতেও কার্পণ্য করে না। এছাড়াও বার্ষিক ভুমি উন্নয়ন ফি ১০ টাকা(৫ শতাং জমির জন্য সর্বনিম্ন ১০ টাকা) দিতে গিয়ে গতবছর আমাকে ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য করা হয়েছিল।
নামজারির আবেদন করেছি ইউনিয়ন ভুমি অফিসে আসতে বলে রিপোর্ট দিতে হলে ১২০০০/ টাকা লাগবে,আরো বেশি চাইছিল আমি দিতে বাধ্য হয়েছে, এর আগেও টাকা না দেওয়ার ১ বার বাতিল করছে,আমি সব ভিডিও সহ অনেক আলামত এ্যসিল্যান্ড মহাদয়ের নিকেটে দিয়েছিলাম কিন্তু কোন বিচার পায়নি,
প্রথম অবস্থায় অনলাইন এপ্লিকেশন করি কাগজপত্র সব ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমা দেই (৭ নম্বর শ্রীমন্তপুর ইউনিয়ন অফিস), কয়েকদিন ফেলে রাখার পরে যখন তদারকি করা হয় তখন বলে কাগজে এই সমস্যা ওই সমস্যা। এরপরে প্রতি নামজারির জন্য তারা হাত খরচ চাই। কোনভাবেই কাগজপত্র আগানো সম্ভব হচ্ছে না। পরবর্তীতে তাদের পরিচিত মাধ্যম দিয়েই প্রতি নাম জারিতে পাঁচ হাজার টাকা করে দিতে বাধ্য হয়েছি অনলাইন ফ্রি বাদে ই। এই ঘটনা শুধু আমার জন্য না এখানে যারা নামজারি করতে আসে তাদের সবার জন্যই ।এর সাথে এসিল্যান্ড নেয়ামতপুর জড়িত। এই অফিসের সবাই ঘুষখোর কেউ টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না। হয় টাকা থাকতে হবে না হয় পাওয়ার থাকতে হবে। কোন অভিযোগ দিয়ে লাভ হয় না। এভাবে আমি তিনটা নামজারি করতে পেরেছি খুব মনে কষ্ট নিয়ে।
নানান ধরনের সমস্যা দেখাচ্ছিলো।
প্রায় ৬ মাস আগে আমার এক আত্মীয়ের বিরুদ্ধে আমি ২০২৩ এর ভূমি দখল আইনে এসি ল্যান্ড অফিসে অভিযোগ করি। কিন্তু তারা অভিযোগটি নিষ্পত্তির বদলে ফেলে রাখে। আমি সংশ্লিষ্ট তহশিল অফিসে যোগাযোগ করলে তারা ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি বাধ্য হয়ে ৬ হাজার টাকা দিয়েছি। কিন্তু এখনো তারা তদন্ত করতে যায়নি।
লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এক বছরের জমির খাজনায় ১৫০ টাকার বদলে অতিরিক্ত ১৮৫০ টাকা নেয়। এখন আপনি হয়তো বলতে পারেন আগের কোনো খাজনা দেওয়া বাকী ছিল,কিন্তু উত্তর হচ্ছে না আমি প্রতিবছর নিয়মিত খাজনা দিয়ে ফেলি। এই টাকা লোকজন বেদে আরও বেশি করে নিয়ে থাকে। তার উপর আবার কম্পিউটার চার্জের নাম দিয়ে জনপ্রতি ২০০-৫০০ টাকা করে রাখে। একি সাথে নামজারিতেও একই অবস্থা পুরো লক্ষ্মীপুর জেলাজুড়ে বেশির ভাগ ভুমি অফিস ১১২০৳ ফি বিগত বছরগুলোর ন্যায় ৭০০০-১২০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। না দিলে নামজারি করে না। বিভিন্ন ওজুহাত দিয়ে আবেদন বাতিল করে দেয়। উল্লেখ্য, আমাদের বর্তমান পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী ঐ মন্ত্রীর গ্রামের বাড়ি একই ইউনিয়নে।
নামজারি করতে পারছিলাম না। তাই খ গেজেট হতে অবমুক্তকরণ করছি
আমার নামে জমি না জানিয়ে নামপত্তন করে নেই ভুয়া পেপার দিয়ে।আমি জানতে পারলে অফিসে যায়।বলা হয় ১৫০ধারা করেন।আমি ১৪১/২০২৪-২৫মামলা করি।আমার কাছ থেকে ১২০০০/=ঘুস নেওয়া হয়।নাম জানা আছে।
৫০ টাকা খাজনা দেয়ার জন্য অতিরিক্ত ১০০ টাকা দিতে হয়েছে সহকারি নায়েব কে।