নামজারী করন
নামজারীতে জমির অংশ কম দেখিয়ে আবেদন বাতিল করার বা পুনরায় আবেদন করার জন্য ভয় দেখাচ্ছিলো।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নামজারীতে জমির অংশ কম দেখিয়ে আবেদন বাতিল করার বা পুনরায় আবেদন করার জন্য ভয় দেখাচ্ছিলো।
অনলাইনের মাধ্যমে খারিজের আবেদন করি। কি একটা সমস্যার কারণে খারিজটি করা যাচ্ছিল না। এসিল্যান্ড মহোদয় ও চেষ্টা করে কোনো সমাধান দিতে পারেনি। পরবর্তীতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব (মহিলা) আরেকজনের মাধ্যমে ৩৫০০০ টাকা চায় যে, যেকোনো মাধ্যমে যেকোনো প্রকার সমস্যা সমাধান করে জমি খারিজ করে দিবে।
অফিসে গেলে বেশি টাকা দাবি করে
নড়াইল সদর উপজেলার ৭ নাম্বার শেখহাটি ইউনিয়নের ৩ নং আফরা ওয়ার্ডের বেগ বাড়ি যাওয়ার দুইটা সরকারি রাস্তা ছিল একটা রাস্তা একজনের জমি রাস্তার দুই পাশের জমি হওয়ায় সে মাঝখানের যে সরকারের রাস্তাটি সেই রাস্তাটি টিনের বেড়া দিয়ে ঘিরে রেখেছিল এইটা মুক্ত করার জন্য আমি নড়াইল সদর ভূমি অফিসারটা, ডিসি, এসপি, বরাবর ১০১ জনের গণস্বাক্ষর সংবলিত আবেদন করেছিলাম। ভূমি অফিসার সরজমিনে পরি দর্শনের জন্য আমার কাছে পরোক্ষভাবে ৭ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছিল আমি প্রত্যাখ্যান করেছিলাম রাস্তাটি এখনো দখলমুক্ত হয়নি।
৩৮ বিঘা খাস জমির চেক নবায়ন বাবদ গ্রামের সাধারণ মানুষদের নিকট এই টাকা দাবি করা হয়, কিন্তু গ্রামের কিছু লোক ওই জমির জাল দলিল করে নিজের সম্পত্তি দাবি করে আসছিলো ফলে তা নিয়ে মামলা চলমান। তাই ভুমি অফিস চেক দিতে অপারগতা জানায়। মামলা নিস্পত্তি হলে এই ভুমি অফিস আবারও টাকা নিবে। সাধারণ জনগণ হচ্ছে বলির পাঠা।
জমির খারিজ করতে সরকারি টাকা লাগে ১১৭০ টাকা। আমার কাছ থেকে ঘুষ নিচে সাত হাজার টাকা।
আবেদন করে দিয়ে ১৫০০ টাকা ১৩ দিন ঘুরাঘুরি পর আবেদনটি রিভিউ করে তারপরে জমি সরজমিনে দেখতে যাওয়ার জন্য ৪০০০৳ জমির খাজনা পরিশোধ এবং এসি ল্যান্ড এর কাছে ফাইল পাঠানোর জন্য আরও ৪৫০০৳ দিতে হয়েছে । পৌর ভূমি অফিসের চাকরিজীবী আর এক দালাল বলে: "আমি এসিল্যান্ডের কাছ থেকে খারিজ মঞ্জুর করে এনে দেব আমাকে ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে" আমি ওকে টাকা না দিয়ে নিজে এসিলেন্ড এর কাছে আমার ফাইল নিয়ে গিয়েছিলাম উনি কোন টাকা ছাড়াই আমার ফাইল মঞ্জুর করে । তবে পৌর ভূমি অফিসে আমার ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
একটি EC সংক্রান্ত আবেদন করেছি। সরকারি নির্ধারিত ফি মাত্র ১৫০ টাকা । কিন্তু সেই কাজের জন্য আমার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ৩০০০ টাকা! প্রশ্ন হলো—সরকারি ফি ১৫০ টাকা হলে অতিরিক্ত ২৮৫০ টাকা কেন নেওয়া হলো? এটি কি সরকারি নিয়ম, নাকি প্রকাশ্য ঘুষ বাণিজ্য?
মাত্র এক শতক জমি খারিজ করার জন্য তাদের কাছে যাওয়ার পর তারা ২০ হাজার টাকা দাবি করে এবং আমার সব কাগজ পাতি ঠিকঠাক থাকার পরেও আমার জমি খারিজ করে দেওয়া হয়নি। এই পর্যন্ত আমি প্রায় তিন মাস ধরে তাদের পিছে ঘুরতে এসে কিন্তু কোন কাজ করে দেয় না। বিভিন্ন অজুহাত দেখায়। তাদের দিবিকৃত টাকা না দিলে তারা কোনো কাজ করে দেয়না। টাকা দিলেও বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে জমির খারিজ বন্ধ করে রাখে। আমরা ভুক্তভোগী। তারা অামাদের সঙ্গে এমন ভাবে ব্যবহার/আচারন করে যেন আমরা তাদের কছে জিম্মি। সাধারন ভাবে হিসাব করলে দেখা যায় , একজনের কাছে ২০০০০ টাকা করে নিলে এভাবে ২০ জনের কাছে থেকে ৪ লক্ষ টাকা এইসব টাকা তারা নিজের পকেটে ঢুকায় অনেকেই বিপদে পড়ে কাজ করে নেওয়ার জন্য তাদেরকে ঘুষ দিয়ে থাকে উপায় থাকে না কোন কিছু করার।
২০০ বছর ধরে পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার আদীবাসি রাখাইন সমপ্রদায় বসবাস, আদিবাসী দের নিকট হইতে মুসলিম বা হিন্দুদের নিকট জমি বিক্রয় করতে গেল শুরু হয় ,,,,,,, প্রথম আসা যাক জমির দালাল, ১, দর ঠিক করা হল লোকাল রেটেএর ৩ ভাগের ১ ভাগ, লাগবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর অনুমোতি পত্র , কাগজ পত্র নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর অফিস , ঘুষের টাকা ( চা খরচ ) দিতে হবে অফিস সহকারী ও পিয়ন কে জমির পরিমান বুঝে এর পর ১ সপ্তা থেকে মাস গড়াবে তাগেদা দিতে দিতে অফিস সহকারী বদলী অথবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ২ টি চিঠি ইসু করে উপজেলা ভুমি সহকারী কমিশনার ( ভুমি যাচাই বাচাই জন্য) ,অন্যটি চিঠি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বরাবর নাগরিত্ব যাচাইয়ের জন্য।ভুমি সহকারী তদন্ত প্রতিবেদন করতে পাঠান ইউনিয়ন ভুমি অফিসার বর
আমি একজন প্রবাসী ১৪ শতাংশ জমির হেবা দলিল রেজিস্ট্রি করার জন্য মুক্তার এর সাথে আমার চুক্তি হয়১২ হাজার টাকা তার পর মুক্তার আমাকে বলে অমুক তারিখে জমির দাদাকে রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠিয়ে দিবেন তখনআমি জানতে চাই কেমন সময় লাগতে পারে দলিল রেজিস্ট্রি করতে উনি বলেছে ১ ঘন্টার মধ্যে হয়ে যাবে তার পর ঐ তারিখে সকাল ১০ টার মধ্যে আমি আমার লোক জন পাঠিয়ে দেই কিন্ত উনি আমার লোকজনকে অপেক্ষা করাতে করাতে বিকাল ৪ টার পর বলে আজকে দলিল রেজিস্ট্রি করা যাবে না তখআমি কারণ জানতে চাইলে মুক্তার আমাকে বলে রেজিস্ট্রি অফিসে বিভিন্ন সাংবাদিকরা এসেছে তাদেরকে অনেক টাকা ঘুষ দিতে হবে তাই আজকে দলিল রেজিস্ট্রি করলে টাকা লাগবে ২৯০০০ হাজার আমি বললাম আপনার সাথে আমার চুক্তি হয়েছিলো তো 12 হাজার উনি বলে সকালে ১২ হাজারে করা যেতো এখন আর হবে
তুমি আমার বাড়ির খাজনা প্রথমবারের মতো দিতে গিয়েছিলাম, তখন বলে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে পরে অনেক ঘুরার পরে 10000 টাকার বিনিময়ে সে ১৩০ টাকার খাজনা আমাকে কেটে দেয়, ঠিকানা, ঝিটকা ভুমি অফিস, হরিরামপুর, মানিকগঞ্জ।
সব কাগজ ঠিক থাকার পরও এল.এ. কেস এর এর জন্য টাকা দাবি।
আমার জমির নামজারি করতে করতে গিয়েছিলাম ভাঙ্গুড়া পৌর ভূমি অফিসে, সেখানে 19000 টাকা ঘুস দাবি করে, কিন্তু আমি বাধ্য হয়ে শেষমেষ 13000 টাকা দিয়ে নামজারি করেছি।
খাজনা বাবদ আমার হয়েছিল ১২০ টাকা। এখন সেটা অনলাইনে করেছে ১৪৭৯৬ টাকা।
নামজারি করতে,টাকা বেশী নিতে বাহিরে,তাদের কম্পিওটার দোকানের সাথে সব কিছু জমা দিলে,সুন্দর মত করে দিবে।বলছে।
দাদার ৩.০৯ একর পৈত্রিক সম্পত্তি, বাবা চাচাদের মাঝে বন্টন নামা দলিল করতে ভূমি অফিস চার লক্ষ টাকা দাবি করে।
আমার ঘটনা পূর্বের। আমি আমার নিজ গ্রামের বাড়িতে বগুড়া জেলার গাবতলী থানার বাগবাড়ীতে। ২০২৫ সালের যখন আমার বোনের সাথে জমি বন্টননামা দলিল হয় তখন নামজারি তদন্ত ও খাজনা খারিজ এর অর্থ বাবদ সরাসরি আমার নিকট থেকে ২০০০০ টাকা পেচে ফেলে নিয়েছিল নশিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের প্রধান।সাথে আমার পারা পরশি ভাই সরাসরি উপস্থিত ছিল। টাকা না পাওয়া পর্যন্ত কাজ করে না।আবেদন এর ১ বছর পরে টাকা পাওয়ার পরই করেছিল। এখন আমি নামজারি করবো নিজের নামে আমার অংশ আমি খারিজ করবো এইজন্যই আমি আমার আইডিতে গত ২৮/০১/২৬ ইং তারিখে খাজনা দেবার উদ্দেশ্যে খতিয়ান আপলোড করি। কিন্তু আজ ০২/০৮/২৬ ইং এখন পর্যন্ত অঅনুমোদিত দেখাচ্ছে অনলাইনে।শুধু পার্শোনালি দেখা করতে বলে মোবাইলে বলে না সরাসরি দেখা হলেই বলে। আমি খাজনা দিতে পারবো না। ঘুষ ছাড়া।
তারা আমার কাছে সরাসরি কোন ঘুষ চায়নি তবে আমার ফাইল টি আটকে রেখেছে সেই জানুয়রি মাস, ২০২৬ থেকে । এবং ট্র্যাকিং এ কোন কিছু উল্লেখ করেনি যে কেন আটকে রেখেছে ।
জমির একটা কাজ করার জন্য আমার বাবা এবং চাচা গেছিলো তারা ১৫০০০ টাকা দাবি করে কাজটি দ্রুত করে দেয়ার জন্য অথচ তাদের বেতন হয় আমাদের ট্যাক্সের টাকায় এভাবেই চলছে আমাদের দেশ প্রতিটি এ ঘুষ বানিজ্য চলে