সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৩,৭৫৩ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ভূমি অফিস

ভূমি অফিস

আমার বাবা আমাদের ভাই-বোনের নামে জমি দলীল করে লিখে দিয়েছে,সেই জমি আমাদের ভাই-বোনের নামে নামজারি করতে গেলে জায়গার পরিমাণ বেশি এ কথা বলে ১লাখ টাকা চায় যদি দেয়া হয় তাহলে নামজারি করে দিতে পারবে অন্যথায় নয়। আমাদের জমির কাগজপত্র সব ঠিক আছে কোন ঝামেলা নেই কিন্তু মাঝখান দিয়ে জমির পরিমাণ বেশি দেখে এই টাকা দাবি করে বসে আছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর গাছা ভূমি অফিস ৳১.০০ লাখ
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

কোর্টে ও ভূমি অফিসে

জমির দলিল তল্যাশি দিছিলাম,,,তারপর তল্যাশি দিয়ে দলিল পেয়েছিল এই দলিল আনার জন্য আমার কাছ থেকে ১০০০০ টাকা দিতে হয়েছে,,, আর প্রত্যেকটা সাল যখন তল্যাশি দিলাম সাল অনুযায়ী ১০০০ টাকা করে দিতে হয়েছে

ঘুষ দিয়েছি
নেত্রকোনা ৳১০.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

খাজনা পরিশোধ

খাজনা টাকা বাদ দিয়ে অতিরিক্ত৭০০০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়ার কথা বলে কাগজের সমস্যা ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে অযাথা সমস্যা দেখিয়ে প্রতারণা করে।

ঘুষ দিইনি
শ্যামনগর, সাতক্ষীরা। ৳৭.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

জমির কাগজ পত্র উত্তোলন

দাদার জমি মায়ের নামে দলিল করে দেওয়ার পরেও সরকারি নথিতে এখনো দাদার নামেই বহাল থাকায় ঐ জমি দ্বীনী প্রতিষ্ঠানে দান করলে তাদের পক্ষ থেকে বক্রির ক্ষেত্রে জটিলতা পরিলক্ষিত হয়েছে।। সমাধানের জন্য ভূমি অফিসে গেলে একজন বলে তাকে টাকা দিলে তারা জেলা সদর থেকে করে আনতে পারবে।। আবার কেউ বলেছে যে, না! এখানে থেকে এটা করা সম্ভব না। আমি জমি সংক্রান্ত বিষয় গুলো খুব একটা বুঝি না! যার ফলে আমাকে একজন আইনজীবীর পরামর্শ ও সহযোগিতার মাধ্যমে করতে হয়েছে।। ঢাকা ভূমি অফিস থেকে ৫০০৳ এর বিনিময়ে নকশা উত্তোলন করতে হয়েছে।। উনার মাধ্যমে ৯টা খতিয়ান উত্তোলন করানো হয়েছে।। যার জন্যে আমাকে ১০ হাজার টাকা প্রধান করতে হয়েছে।।। অথচ আমি পরে জানতে পারি প্রতিটি খতিয়ান খরচ অতি সামান্য টাকা অর্থাৎ ১২০৳ (কম-বেশি) করে।।

ঘুষ দিয়েছি
রায়পুর, লক্ষ্মীপুর ৳১০.৫ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

জমি খারিজ

নেত্রকোনা জেলার নেত্রকোনা সদর উপজেলার ফচিকা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব প্রথমে ৫০০০ টাকা দাবি করে জমি খারিজ আবেদন গ্রহন করার সময়। আমি জানি এই দাবি অবৈধ এবং অন্যায় কিন্তু নিরুপায় হয়ে এই টাকা তাকে পরিশোধ করি। জমি খারিজ সম্পন্ন হওয়ার পর খারিজ খতিয়ান এবং নতুন হোল্ডিং আপডেট এর সময় আরো ২০০০ টাকা দাবি করে। আমি সেই ২০০০ টাকাও পরিশোধ করি। আমার কাগজপত্র একদম ফ্রেশ ছিল অর্থাৎ কোন ঝামেলা ছিলনা। ইভেন আমার জমির পূর্ববর্তী মালিক ৩ বছরের খাজনা অগ্রীম পরিশোধ করেছিল।

ঘুষ দিয়েছি
গ্রাম ৳৭.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

ভূমি অধিগ্রহণে সংবাদ আনায়ণ

সরকার আমার ১টি কেনা জমি থেকে কিছু অংশ সরকারি উন্নয়নের জন্য অধিগ্রহণ করে। যে কারণে আমি ভূমি অফিসে নামজারি করতে গেলে তারা আমাদের থেকে ভূমি অধিগ্রহণ সংবাদ আনতে বলে চট্টগ্রাম কোর্ট অফিস থেকে। আমি উক্ত সংবাদ যখন আনতে কোর্ট অফিস যায় তখন কোর্ট অফিসের ১জন কর্মকর্তা আমাকে বলেন ৩৫০০টাকা দিলে তিনি কাজটি আমাদের করে দিবেন।আমি নিরুপায় হয়ে ১০০০ টাকা অগ্রিম পরিশোধ করি কোন প্রমাণপত্র ছাড়া। এখনো আমি আমার কাগজটি পায়নি এবং বাকি টাকা এখনো পরিশোধ করিনি।

ঘুষ দিয়েছি
শহর ৳৩.৫ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

নামজারি

নামজারি আবেদন করেছিলাম, আমার কাগজপত্র সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু অতিরিক্ত টাকা না দেওয়াতে শুনানিতে উপস্থিত থাকার পরেও অনুপস্থিত দেখিয়ে আবেদন বাতিল করে দেয়। এই কাজের জন্য সরাসরি এসিল্যান্ডের সাথে কথা বলেও সম্পন্ন করতে পারিনি।

ঘুষ দিইনি
ইউনিয়ন ভূমি অফিস ৳৫.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

খাজনা উত্তোলন

শহরের কোতোয়ালী নিউমার্কেট এলাকায় আমাদের একটি জায়গা বিক্রির জন্য খাজনা উত্তোলন করতে গিয়েছিলাম।সেখানে প্রথমে ২/৩ শ টাকা দিয়ে চেক করতে হয়েছে।তারপর খাজনাসহ ৮ হাজার টাকার মতো পে করি,অথচ খাজনার সরকারি ফি আসছিলো ৬ হাজার সামান্য। বাকি টাকা ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের চা-নাস্তা খাওয়ার জন্য দিতে বলে না হলে খাজনা দিবে না।তাই বাধ্য হয়ে দিয়ে দিই।

ঘুষ দিয়েছি
কোতোয়ী সদর থানা ভূমি অফিস ৳২.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

নামজারি

একটি নামজারিতে,নায়েব ৫০০০০ টাকা দাবি করে,তারপর দরকষাকষি করে ৪০০০০ টাকা দেয়া হয়।

শুধু দাবি করেছে
যাদবপুর ইউনিয়ন, সখিপুর, টাংগাইল ৳৪০.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

নাম জারি

নামজারির জন্য বিশ হাজার টাকা দাবি করেছে অনেক ঘোরাঘুরির পর যে কাগজ সংগ্রহ করতে বলে সব কাগজেই ভুল ধরে কাগজ ক্লিয়ার না খারিজ করে দেওয়া হয়েছে এরকমের খুব একটা খারাপ অবস্থা ছিলাম অনেক হরণের ভিতর ছিলাম টাকা পরিশোধ না করলে দেখি যে কাজটা রাগ আচ্ছি না তারপর বিশ হাজার টাকা দিয়ে সে কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
পিরিজপুর ভান্ডারিয়া ৳২০.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

খতিয়ান সিজন

আমি আদালতের রায় ডিক্রি দিয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর খতিয়ান সিজনের আবেদন করি। ওই ভুমি অফিস আমার ফাইল দুইবছর আটক করে রাখে, পরে আমি তাদের চাহিত দালালের মাধ্যমে কিচু ঘুষ, বাকীগুলো সহ মোট ৫১ হাজার টাকা সরাসরি ভুমি অফিসের লোক জনদের দিলে আমার নামে খতিয়ান সিজন হয়।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳৫১.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

নথি অনুমোদন না দেওয়া

আমার জমির শ্রেণি পরিবর্তন করতে ইউনিয়ন ভুমি অফিস, এসি৷ ল্যান্ড অফিস, টি এন ও অফিসে প্রতিবেদন সহ অনুমোদন জন্য জেলা প্রশাসক কার্যালয় ২০২৩ সালে প্রেরণ করলে আজ পযর্ন্ত অনুমোদন না করে বিভিন্ন অজুহাত দেখায়। এ জন্য বিভিন্ন সময় জেলাপ্রশাসক কার্যালয় তদবির করেও কাজ হয় না ।

ঘুষ দিইনি
খুলনা ৳১৫.০০ লাখ
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

জমি মেপে দেওয়া নিয়ে নায়েব ঘুস

নায়েব আমার জমি মেপে দিয়ে সাথে সাথে আমার বাড়ি এসে আমার কাছে এক লক্ষ টাকা দাবি করে, আমি অনেক তর্কের পরে ২০ হাজার টাকা দেই সে এক লক্ষ টাকা নিতে চায় আমি এক লক্ষ টাকা না দেওয়ার কারনে, সে আমার জমির বিরুদ্ধে একটা মামলা দায়ের করেন, যে খাস করে দিবে জমি এই বলে এর বিরুদ্ধে এডিসি স্যার এর কাছে একটা আবেদন করেছি,

ঘুষ দিইনি
নায়েব পান্তা পাড়া ইউনিয়ন মহেশপুর উপজেলা ঝিনাই ৳১.০০ লাখ
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

নামজারি

নামজারি,২টি নামজারি ১৫০০ হাজার টাকা লাগবো বলে।আমি ১২০০০ দিছি

ঘুষ দিয়েছি
চাঁদপুর ৳৬.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

নামজারি

ভূমি অফিস গিয়েছিলাম নামজারি করার জন্য। প্রত্যেকটি দলিল ভালো করে খতিয়ে দেখে। কয়েকটা পৃষ্ঠায় নামের মধ্যে ভুল ধরেছে। ভুলগুলো হলো নামের আকার ইকার ভুল, একটার মধ্যে সরকার আছে অন্যটায় সরকার লেখা নেই এমন ভুল। এজন্য প্রথমে বলছে কাজ হবে না। তারপর বললো কোর্ট থেকে এভিডেভিড লাগবে। তাও নিয়ে আসলাম। সবকিছু জমা দেওয়ার পর বলে, ৩৫ হাজার লাগবে। পরে বাধ্য হয়ে ২৫ হাজার টাকায় করতে হয়েছে। নামজারি আসার পর কর দিতে হবে, সেটাও ২৪ হাজার টাকা চাইলো। পরে আমাকে বললো একদাম ১৪ হাজার টাকা লাগবে কিন্তু আমাকে যেই ভাউচার দিবে সেটা নিয়ে কোনো অভিযোগ করতে পারবো না। বাধ্য হয়ে বললাম ওকে। পরে আমাকে ৯০০+ টাকার ভাউচার দিলো। বাকি টাকা খেয়ে ফেললো। এই সবকিছুই আমাদের হোমনা থানার কাশিপুর ভূমি অফিসের ঘটনা। প্রত্যেকটা কর্মকর্তা এর সাথে জড়ি।

ঘুষ দিয়েছি
গ্রাম ৳২৫.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

Land registration

They demanded 8 thousand taka for registration above the registration fee. We had to give it, otherwise files were not processed

ঘুষ দিয়েছি
Jhenaidah ৳৮.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

ভূমি খারিজ

আমি খারিজ করার জন্য সম্পূর্ণ কাগজ পাতি জমা দেই এক মাস হয়ে যায় আমার জমি খারিজ হয় না ভূমি অফিসে গেলে বলে ৭ হাজার টাকা লাগবে এরপর আমি 7000 টাকা দেওয়ার পরে চার দিনের মধ্যে আমার খারিজ হয়ে যায়

ঘুষ দিয়েছি
টাঙ্গাইল ৳৭.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

পর্চা সার্টিফাই কপি এসি ল্যান্ড অফিস

আমার একটি জমি মালি মামলা শেষ করে সকল রায়ের আলোকে কালনা প্রদান করি আমার নামে পর্চা হয় নিয়ম অনুযায়ী সার্টি ফাই কপি এক্সিলেন্ট অফিস থেকে তুলতে হয় সেই পর্যাটি দিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং তালবাহানা করে পরে বুঝতে পারলাম তারা একটি টাকা দাবি করে যার পরিমাণ ৫০০০০ টাকা আমি দিতে অস্বীকার করিলে আমার কাজটি আজও পর্যন্ত সম্পূর্ণ করা হয়নি,

ঘুষ দিইনি
আশুলিয়া এসি ল্যান্ড অফিস ৳৫০.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

নামজারি

নামজারি করতে গিয়েছিলাম ইউনিয়ন ভুমি অফিসে, দাগ নাম্বার এর একটা সমস্যার কথা বলে আমার কাছে ১৫০০০/- টাকা দাবি করেছে। আমি বলেছি আচ্ছা মাই দেখছি, পড়ে করবো।

শুধু দাবি করেছে
গফরগাঁও। ৳১.৫০ লাখ
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূমি অফিস

কিনা জমি খারিজ

আমি একটা জমি কিনেছি সেই জমি খারিজ করার জন্য কারো শত্রু জমা দেয়ার পরে বলে এই জমি খারিজ হবে না যদি ২১ হাজার টাকা দাও তাহলে হবে তা না হলে হবে না এখন পর্যন্ত আমার জমিটা খারিজ করতে পারিনি

ঘুষ দিইনি
টাঙ্গাইল ৳২১.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬