New passport
3 Dine passport dibe bole pion taka nieche
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
3 Dine passport dibe bole pion taka nieche
বিদেশ যাবার উদ্দেশ্যে পাস পোর্ট করতে গিয়েছিলাম কিন্তু নিজে নিজে চেষ্টা করছিলাম এবং সম্পূর্ণ ফরম ফিলাপ নিজে নিজে করেছিলাম প্রতিটা অপশন খুব সুন্দরভাবে পূরণ করেছি তবুও পাসপোর্ট অফিসাররা বারবার ভুল করে আমাকে ফিরিয়ে দিয়েছে এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে দালালের শরণাপন্ন হয় এবং কাজটি সম্পন্ন হয় তবে ফরম ফিলাপে আমার যে ভুলগুলো পাসপোর্ট অফিসাররা ধরেছিল তার থেকে বেশি ভুল করছিল ওই দালালেরা তবুও টাকা দেওয়ার কারণে কোন ভুল ভুল ছিল না তারপর সেটা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার সময় পুলিশ কেউ টাকা দিতে হয় কি বলবো বাংলাদেশের প্রতিটা জায়গায় সঠিকভাবে কোন কাজ হয় না আর হলেও সে সংখ্যা অনেক কম
পাসপোর্ট নবায়ন করতে দিলে উনারা বলে আপনার ডকুমেন্টে সমস্যা আছে। কিন্ত কি সমস্যা সেটা বলেনা। পরে উনারা ১৫০০ টাকা দাবি করে এবং আমি সেটা পরিশোধ করি। টাকা পরিশোধ করলে আর কোন সাকুমেন্টস লাগেনি।
পাসপোর্ট করতে গেলে তারা বলে আমার অস্থায়ী ঠিকানা দেয়া আছে এইটার জন্য থানা থেকে ভ্যারিফিকেশন করে আনতে হবে, আমি বলি বাসা ভাড়া রশিদ দিলে কি হবে? তারা আমার সাথে কোন কথায় বলেনি।পাশে থেকে একজন ডেকে নিয়ে গিয়ে বলে ৩০০০ টাকা দিলে সমাধান।আমি ২০০০ টাকা দিয়ে কাজ করে নেই।এর পর বাইপাল এ পুলিশ ভ্যারুফিকেশন এর জন্য এস বি পুলিশ ১০০০ টাকা নেয়।এর পর আমার স্থায়ী ঠিকানায় পুলিশ ভ্যারিফিকেশন করার জন্য আরো ২০০০ টাকা দিতে হয়। মোট ৫০০০ টাকা ঘুস দিতে আমি বাধ্য হই।
আমি একজন সনাতন ধর্মালম্বী। আমার বর্তমান বয়স ৩৬।গত ৩ অগাস্ট আমি নিকটবর্তী পাসপোর্ট অফিসে যাই পাসপোর্ট করতে। ওখানে আমার ফাইল এক রুম থেকে আরেকরুমে বারবার পাঠায়। এখানে বলে রাখি আমি একজন ডিভোর্সি। একজন একক মা, আমার বাচ্চার বয়স ১৬ বছর, ওর ফাইল নিয়ে কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু ঐ যে ওনারা কারণ হিসেবে আমি সিঙ্গেল ঐটা ইস্যু করলো, আমার আগের পাসপোর্ট এ সিঙ্গেল ছিলো তো নতুন ফ্রমে ও সিঙ্গেল দেয়া, আগে নোটারি পাবলিক এর ডকুমেন্টস দিয়ে করেছিলাম,,, ভেবেছিলাম এইবারও এর ব্যতিক্রম হবে না। আগের মতো নোটারির সেই পেপার জমা দিলাম। কিন্তু এইবার ওনারা আমাকে বলছে আমাদের ডিভোর্স সার্টিফিকেট সাবমিট করতে,, যেহুতু আমি হিন্দু ধর্মালম্বী সেক্ষেত্রে আমাদের কোনো ডিভোর্স এর সার্টিফিকেট হয় না!! এরমধ্যে আমার এক ভাই সিভিল এ কর্মরত আছে।
আমি পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেছিলাম । সব কাগজ পত্র দিয়েছি। এমনকি আমার পূর্ববর্তী পাসপোর্ট এর মেয়াদ তখন ছিল। প্রয়োজনীয় সব মূল কাগজ পত্র দিয়েছি। পুরাতন পাসপোর্ট এর কপি অফ দিয়েছি। তার পর ও নিবে না। বলে কমিশনার সার্টিফিকেট লাগবে। অথচ আমি জানি পূর্ববর্তী পাসপোর্ট থাকলে নবায়নের জন্য সব কাগজ পত্র লাগে না। আমি এক লোকের সাথে কথা বললাম যে আমার পরিচিত। সে একটা ট্রাভেল এজেন্ট চালায়। সে বললো পাসপোর্ট জমা নিবে না যতক্ষণ পর্যন্ত ৩০০০ টাকা না দি। আমি বললাম আগে তো ২০০০ হাজার টাকা নিতো শুনতাম। সে বললো আমি তো ১০ বছরের জন্য পাসপোর্ট করছি। ১০ বছর পর্যন্ত আমাকে তো আর পাবে না। তাই ৩০০০ টাকা দিতে হবে। আমি ৩০০০ টাকা দেয়নি। ডিজি সাহেবের কাছে গিয়ে আমি আমার কোম্পানির রেফারেন্স দিলে তিনি কিছু একটা লিখে দেন। তারপর
আমি পাসপোর্ট অফিস এ যাওয়ার পর থেকে হকার এর মতো কতক্ষন পর পর কয়েক জন আসে ভাই আপনার কি পাসপোর্ট এর কাজ করাবে। আমি বলছি একজন কে দিছি এর পর বলে ওনার থেকে তারাতাড়ি হবে। দেন 2000/- আধা ঘন্টার মধ্যে বাড়িতে যাইতে পারবে। এই দিন 8 টার পর কাজ শেষ হয়েছে।
আমি পাসপোর্ট করার জন্য যায়, ছাত্র হিসেবে। তে আমার সব আসল ডকুমেন্টস নিয়ে যায় বিদ্যুৎ বিলের কাগজ থেকে শুরু করে সার্টিফিকেট পর্যন্ত তারপরেও পাসপোর্ট করতে পারি না, পটে দালাল বললো কিছু লাগবে না ২০০০ টা নিলো আর একটা মার্ক করে দিলো ফাইলে বেস কোনো ডকুমেন্টস লাগলোই না। হয়ে গেলো
আমার পাসপোর্ট এর জন্য আমার আইডি কার্ডে নাকি সমস্যা ছিলো ক্লিয়ার না তারা ঠিক করে নিবে
আমার আবেদন ভেরিফিকেশনের জন্য একজন পুলিশ (SI maybe), আমাকে থানায় ডেকে নেয়। থানা থেকে বের হয়ে একটা চায়ের দোকানে গিয়ে চা খাওয়ায়, পরে সেখান থেকে বের হয়ে আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা চাইছিল। আমি সেটা রিফুজ করি, ২০২২ সালের ঘটনা । পড়ে অবশ্য টাকা না দেয়ার আমার কোন সমস্যা হয় নাই। পুরো প্রক্রিয়া আমি নিজে করছিলাম আর, পাসপোর্ট অফিস বেশ জামেলা করছিল কিছু ছোট খাটো বিষয় নিয়ে (হয়রানি আরকি), তবুও আমি টাকা দেই নাই। আমার কাজটা বেশি আরজেন্ট না হওয়ায় হয়তো টাকা ছাড়া করতে পারছিলাম।
সময়টা ছিল ২০২২ আমার দাদা-দাদী ও চাচি সহ ওমরা হজ করার জন্য পাসপোর্ট করতে যাই নীলফামারী পাসপোর্ট অফিসে। কিন্তু অফিসে যাওয়ার পরে এটা ওটা ভুল ধরে প্রথম দিনে বাড়িতে ফিরে আসতে হয় আমাদের। পরের দিনে আবার গেলাম সংশোধন করে কিন্তু কাজ হলো না। কোন উপায় না পেয়ে টাকা দিতে হয় ৬০০০ টাকা। অফিসের সামনের কম্পিউটার দোকানের মানুষগুলোর সাথে অফিস স্টাফদের ভালই সম্পর্ক। বেশিরভাগ লেনদেন করে এদের মাধ্যমে কখনো আবার সরাসরি।
নতুন পাসপোর্টের আবেদন করতে গেছিলাম।কম্পিউটারের দোকানে আবেদন করতে গেলে একলোক এসে ১৫০০০ দিতে বলে।আর বলে ১৫ দিনের মধ্যে বের করে দিবে পাসপোর্ট। আমি তাকে টাকা না দিয়ে নিজে আবেদন করি,টাকা জমা দেই।৫ বছরের মেয়াদে ৬০০০ বা এর আশেপাশে লেগেছিলো।এর পর থেকে শুরু হয় নানান বিড়ম্বনা। একে একে ১২ বার গেছি পাসপোর্ট অফিসে।নানা সময় নানা কারন দেখিয়ে আমাকে ফিরিয়ে দেয়।শেষ পর্যন্ত আর পাসপোর্ট টা হাতে পাইনি।আজ ৫ বছর পার হবার পর এখন ফোন দিয়ে বলে আমার পাসপোর্ট রেডি।এখন নিতে যেতে বলে।আমার কথা হলো,ট বছরের মেয়াদে পাসপোর্ট করেছি।৫ বছর পর এখন ফোন দিয়ে বলে পাসপোর্ট রেডি।সবই দরবেশ বাবাকে প্রত্যাখ্যান করার ফল এখন বুঝতে পারতেছি।
পাবনা পাসপোর্ট অফিসে প্রথমে পাসপোর্টের আবেদ করি। কয়েক বার নানা অযুহাতে প্রত্যাখ্যান করে, তবে আশেপাশের দালাল ধরলে আর কোন সমস্যা নাই। আমি একজন সিভিল প্রকৌশলী, কেন দালাল ধরব এই জিদ করে ৩-৪ দিন ঘুরে ঘুরে অবশেষে জমা দিতে পারলেও পাসপোর্ট ডেলিভারির দিনও পাসপোর্ট না পেয়ে আবার অফিসে গিয়ে দেখি আমার পাসপোর্ট এর কাগজ ওভাবেই ফেলে রেখেছে, আমার সাথে যারা দালাল ধরেছিল সবার হয়ে গেছে অলরেডি। সেদিন আমার কাগজ আপডেট করে দিল, তার ৭/৮ দিন পর পুলিশ ভেরিফিকেশন এ চাটমোহর থানায় ডাকলে সকল তথ্য দিলাম SB অফিসার কে, আর বলল ২০০০ টাকা লাগবে, জোর করে ২০০০ টাকা নিয়েছিল। আমার জীবনে ২য় ঘুষ ছিল এটা
একটি ফটোকপির দোকানের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করা হয়েছিল।
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। আমার কাছে চেয়ারম্যান কর্তৃক চারিত্রিক সনদপত্র ছিল না। এইজন্য ৫ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছে।
পাসপোর্ট এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার জন্য । টাকা না দিলে নাকি ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে দেরি হবে।
আমি পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেছিলাম । সব কাগজ পত্র দিয়েছি। প্রয়োজনীয় সব মূল কাগজ পত্র দিয়েছি। পুরাতন পাসপোর্ট এর কপি অফ দিয়েছি। তার পর ও নিবে না। অভিযোগ নিয়ে পুলিশ এর কাছে গেলাম। পুলিশ বললো জমা নিবে না। টাকা দিতে হবে ২০০০। এমন কি আমার কম্পিউটার টাইপ করা কাগজ নিবে না। ওই পুলিশ পুলিশ বক্সে বসেই নিজের হাতে ফর্ম পূরণ করলো (লেখার অবস্থা যা তা)। তারপোর্ট আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে ফর্ম টা দিয়ে বললো জমা দেন। জমা নিয়ে নিলো। এক মিরাকল ঘটালো পুলিশ। মাঝখানে আমার টাকাটা গেলো। পালিশ আমাকে রক্ষা করল না। উল্টা মদন বানিয়ে দিলো।
সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের অব্যবস্থাপনা ও হয়রানির বাস্তব অভিজ্ঞতা সম্প্রতি সিরাজগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে আমার মায়ের পাসপোর্টের কাজ করতে গিয়ে এক তিক্ত ও হয়রানিমূলক পরিস্থিতির মুখোমুখি হই। আমাদের অ্যাপ্লিকেশনে এলাকার নামের আগে জেলার নাম উল্লেখ করায় সেটাকে "ভুল" হিসেবে গণ্য করা হয়। কিন্তু সমস্যাটি সমাধানের পরিবর্তে সেখানকার কর্মকর্তাদের আচরণ ছিল অপেশাদার এবং আপত্তিকর। আমি যখন বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে যাই, ১০১ নম্বর কাউন্টারে বসা এক দায়িত্বশীল ব্যক্তি (যিনি দেখতে ধর্মীয় লেবাসধারী) আমার সাথে চরম দুর্ব্যবহার করেন। আমি কম্পিউটার সায়েন্সের ছাত্র পরিচয় দেওয়ার পর তিনি আমাকে উদ্দেশ্য করে বলেন— "তোমার মায়ের সামনে তাই তোমাকে অপমান করলাম না।" একজন সেবাপ্রার্থীর সাথে এমন অহেতুক ও আক্রমণাত্মক আচরণ কোনোভাবেই
আসসালামু আলাইকুম,,, ২০২৩ সালে,আমার পাসপোর্ট এ বয়স এর সমস্যা ছিল সার্টিফিকেট এবং আইডি কার্ড এর সাথে পাসপোর্ট এর বয়স মিল ছিল না বিদায় পাসপোর্ট অফিসের তথ্য কেন্দ্র যোগাযোগ করি তারা জানায় এটা সংশোধন করা সম্ভব না,,পরবর্তী স্টিফে ৭০ হাজার টাকা দাবি করে ৪৫ হাজার টাকা দিয়ে আমাকে সংশোধন করতে হয়,
আমার পরিবারের তিন টি পাসপোর্ট করতে দেই। পাসপোর্টের সরকারি বিল পরিশোধ করার পরেও। অফিসে কর্মরত কর্মচারী বারবার ফাইল ফিরিয়ে দিচ্ছে। ঘরে বাইরে দোকানে লোক ছিল সে বলল প্রতি পাসপোর্ট পনেরশো টাকা করে দিলে সে পাসপোর্ট করে দিতে পারবে। পরে ৪৫০০ টাকা দেওয়ার পর সাথে সাথে কাজ হয়ে যায়।