ডকুমেন্টস যাচাই এর সময়
সকল ডকুমেন্টস সঠিক থাকার পরও তারা বলে ভুল আছে। এরপর বলে ২০০০ টাকা দিলে পাসপোর্ট করতে পারবো। আমি অনেকটা বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে পাসপোর্ট টি সম্পূর্ণ করি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সকল ডকুমেন্টস সঠিক থাকার পরও তারা বলে ভুল আছে। এরপর বলে ২০০০ টাকা দিলে পাসপোর্ট করতে পারবো। আমি অনেকটা বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে পাসপোর্ট টি সম্পূর্ণ করি।
পাসপোর্ট অফিসে গেলে কাগজপত্র দেখে বলে হবেনা আমি বের হয়ে আসলে একজন আনসার ডেকে বলে দিকে আসেন পাসপোর্ট করাবেন আমি বললাম জী তিন হাজার টাকা দেন কাজ হয়ে যাবে
আমি যতবার বাংলাদেশে পাসপোর্ট করেছি ততবার হয়রানি শিকার হয়েছি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া দালালদের প্রভাব এত বিস্তৃত যে সরাসরি পাসপোর্ট অফিসে গেলে পাসপোর্ট কর্মকর্তারা কোন না কোন ভুল ধরে বলবে সংশোধন করে আবার আসুন। দেখা যায় পায়ের জুতা ক্ষয় হয়ে যায় তবুও নিজের সরাসরি পাসপোর্ট করা যায় না অবশেষে বাধ্য হয়ে দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট করতে হয়। পাসপোর্ট অফিসের দুর্নীতির লাগাম না টানতে পারলে সুদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে দুর্নীতির মহারাষ্ট্র হয়ে যাবে।
আমার কাগজ পাতি সব ঠিক আছে,তারপর ও বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে আমাকে একাধারে ৫ দিন হয়রানি করা হয়েছে। তারপর আমাকে একটা দোকান দেখিয়ে দিল (আরেকজন বহিরাগত)বল্ল ওনার কাছে যান সব ঠিক করে আসেন, গেলাম ওনি ৫০০০ টাকা চাইলো অতিষ্ঠ হয়ে টাকা দিলাম এখন আর কোন ভুল নাই! দরবেশ বাবার কেরামতি passport done.
একজনের মাধ্যমে করতে হয়েছে । আমার আম্মুকে ওমরাহ করানোর জন্য পাসপোর্ট বানিয়ে ছিলাম 2023 সালে। আমাকে বলেছে এখনকার সিস্টেম এমনি আপনার পাসপোর্ট করাতে চাইলে বারতি টাকা পরিশোধ করতে হবে এবং কি থানা ভেরিফিকেশন করতে ও 1000 টাকা দিতে হয়েছে।
পাসপোর্টের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন । না দিলে নেগেটিভ রিপোর্ট দিবে বলে জানিয়েছে ।
নতুন পাসপোর্ট বানানো
আমি একজন সৌদি প্রবাসী, আমার মার বয়স ৭০/৬৮ এমন হবে ওনার ওমরা করার জন্য একটা নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য দিয়েছি সব কিছু হয়ে গেছে কিন্তু এক দিন না কি আমাদের বাড়িতে পুলিশ ভেরিফিকেশন জন্য লোক গিয়েছেন ওই দিন আমার মা বাড়িতে ছিলো না, পরে আমার বড় ভাই পাসপোর্ট আনার জন্য গিয়েছে বলছেন এখনো ভেরিফিকেশন হয় নাই, পরে আমার বড় ভাইকে একজন বললো আপনি ২০০০ হাজার টাকা দেন আমি তুলে নিয়ে আসবো কিন্তু আজ পরযন্ত এখনো আনতে পারে নাই, আমার কিন্তু ২হাজার টাকা চলে গেছে। এখন বলেন এমন যদি হয় তাহলে কি করে চলবে। আমার মার তো সব তথ্য দিয়েই পাসপোর্ট বানানো হইছে তাহলে আমার ভেরিফিকেশন বা পুলিশ ক্লিয়ারেস কেনো দরকার? ওনি তো আর এমন না উল্টাপাল্টা কিছু করবে!
I needed urgent passport renewal in Kuala Lumpur as a student, back in 2019, they only do renewal for Digital passport, but under the table they also do old ones. Then they gave me a date to collect it, I went there they said come tomorrow, I went again, they said it’s still not done, They demanded more money from me. I said if they don’t return my passport I will call one of my friend whose dad works at Ministry, the mans expression changed and out of fear he brought the passport out from the drawer of the very desk he was sitting on.
ঢাকাতে ভাড়া বাসায় থাকার সুবাদে পুরাতন পাসপোর্ট নবায়ন করতে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে গেলে বলা হয় বাসা ভাড়ার চুক্তিনামা,বিদ্যুৎ ও পানির বিলের কাগজ এবং বাড়িওয়ালার হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদানের কাগজ জমা দিতে। ভাড়ার চুক্তিনামা, বিদ্যুৎ ও পানির বিল বুজলাম আমার দায়িত্ব। কিন্তু বাড়িওয়ালার হোল্ডিং ট্যাক্স এর কাগজ তো বাড়িওয়ালা দিবে না। অগ্যত্যা দরবেশ বাবা ধরে ৬০০০ টাকা দিলে সেদিনই কোন লাইন ছাড়া ও চাওয়া কাগজ ছাড়া পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ ও বায়োমেট্রিক করা হয়।
passport korte gele taka chai
I lived most of my life abroad and never had NID, when i came back to BD to renew passport they said I need NID, for NID if i want the Digital passport, for old non-digital passport they said I need to pay 70000tk
জন্মসূত্রে আমি কুমিল্লার অধিবাসী সে হিসেবে আমার এনআইডি কুমিল্লায় করা হয়,কিন্তু আমরা এখন স্থায়ীভাবে ফেনীতে বসবাস করি ,এ বছর আমার পাসপোর্ট এর প্রয়োজন হলে আমি যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে ফেনী পাসপোর্ট অফিসে যাই, সেখানে প্রধান অফিসার যিনি ছিলেন তিনি কাগজপত্র নিয়ে ছেড়ে দেখে বললেন আপনি তো কুমিল্লার অধিবাসী সুতরাং আপনার এখানে পাসপোর্ট জমা নেওয়া হবে না, আমি বললাম বর্তমানে আমরা ফেনীতে জায়গা জমি কিনে নিয়েছি এবং জায়গার খতিয়ান দেখালাম তারপরও বলল যে হবে না, পরে আমি যার মাধ্যমে পাসপোর্ট এর আবেদন করিয়েছি তাকে বিষয়গুলো বললাম তিনি আমাকে বললেন যে অফিস টাইম শেষ হলে স্যারের সাথে দেখা করেন আর কিছু চা-নাস্তার জন্য ওনার হাতে দিলে আপনার আর পুলিশ ক্লিয়ারেন্সও লাগবেনা পাসপোর্ট অটোমেটিক আপনার হাতে পৌঁছে যাবে।
হয়রানি করতেছে
আমি সৌদি তে হজ করার উদ্দেশ্যে পাসপোর্ট বানানোর জন্য যাই। আমার সব কাগজপত্র ঠিক ছিল। শুধু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সার্টিফিকেটটা ছিল না। তো তারা আমাকে বলল এই সার্টিফিকেট নাকি লাগবে। যেকোনো ব্যক্তিগত কারণে আমি সেই কাগজটি আনতে ব্যর্থ হই। তারপর তারা আমার কাছে ৬ হাজার টাকা দাবি করে। এবং টাকা দেওয়ার পর আমি দেখলাম শুধু আইডি কার্ড দিয়ে আমার পাসপোর্টটা হয়ে গেল। যদি শুধু আইডি কার্ড দিয়ে পাসপোর্ট হয়ে যায় তাহলে এটা কেমন হয়রানি।
আমি নিজে আবেদন করছি একা একা পাসপোর্ট করবো কিন্তু আমাকে দেওয়া হয়নি বিভিন্ন অজুহাতে আমার থেকে ২০০০টাকা নিয়ে তারপর পাসপোর্ট এর ফিংগার নিয়েছে
Ami giyechilam passport office a tarpor amar kache get man anser tk nilo
নতুন পাসপোর্ট করার জন্যে অনলাইনে ফরম পূরণ করে সাবমিট করেছি, বিকাশের মাধ্যমে পাসপোর্ট এর ফি জমা দিয়ে পাসপোর্ট আবেদন ফরম ডাউনলোড করে ফাইল বানিয়ে জমা দিতে গিয়েছি গোপালগঞ্জ সদর পাসপোর্ট অফিসে, কোন ভুল না থাকা সত্ত্বেও তারা দুটি খালি ঘরে দাগ দিয়ে বলেছে ভুল আছে পরে অডিট অফিসারের ওখানে যাওয়ার পর বললাম আবেদন ফর্মটি ওই দুটি জায়গা সংশোধন করে দেওয়ার জন্য, যেহেতু ফি জমা দেওয়ার পরে এক্সেস একমাত্র তাদের কাছেই থাকে সংশোধন করার, সেই অফিসার সাফ না করে দিলেন বললেন যেখান থেকে আবেদন করেছি সেখানে গিয়ে সংশোধন করতে যেটা কোনোভাবেই সম্ভব নয়, পরবর্তীতে সেই ভুল সংশোধন করার কোন প্রয়োজন হয়নি দুই হাজার টাকার বিনিময়ে সেই অফিসে ফাইল পাস করে বায়োমেট্রিক এবং ছবি উঠানোর কাজ শেষ করতে হয়েছে, ২০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছ
আমার এমআরপি পাসপোর্টে বাবার নাম মায়ের নাম নিজের নাম জন্মস্থান ভুল ছিল , মানে প্রথমবার দালাল পাসপোর্ট বানানোর সময় সব কিছু ভুল দিয়ে বানিয়েছিল , আমার লিগাল সবকিছু দিয়ে যখন আমি ই পাসপোর্ট করতে যাই , পাসপোর্ট অফিসের লোকেরা অফিসাররা বলে, আমার পাসপোর্ট হবে না। কিন্তু অফিসের সহকারি একজন ( তিনি ভিতরেও কাজ করেন এবং বাইরে তার দোকান আছে) তিনি আমাকে প্রথমে ২০ হাজার টাকার বিনিময় পাসপোর্টটা করে দিতে পারবে বলে , তারপর আমি ২০ হাজার টাকা দিলে প্রায় দেড় থেকে দুই মাস পর কিছুটা ধাপ এগিয়ে যায় , তারপরে একটা পর্যায়ে বলে আরও এক লক্ষ টাকা লাগবে , তারপর প্রায় চার মাস ঘুরার পর , এলাকার মেম্বার এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কে নিয়ে তার কাছে গেলে ৬০ হাজার টাকায় রাজি হয় ,কয়েকদিনের মধ্যেই পাসপোর্ট হাতে পাই ।
২০২১ সালে চট্টগ্রাম পাঁচলাইশ পাসপোর্ট অফিসে কাগজপত্র জমা দেওয়া হয় সর্বপ্রথম উনি আমাকে বলে এই পেপার গুলো স্পষ্ট নয় তারপর বলে তুমি কোথায় কাজ করো এখানকার আইডি কার্ড লাগবে আমি বলতেছি আমি স্টুডেন্ট এখন বলে স্টুডেন্ট কার্ড লাগবে ওই মুহূর্তে আমি কার্ড কই পাব তারপর আমাকে ডেকে উনার পাশে প্রায় এক ঘন্টা পর্যন্ত দাঁড় করিয়ে রেখেছে পরবর্তীতে আমি বিরক্ত হয়ে ওখান থেকে বের হয়ে গেছি কাগজ নিয়ে ছোটাছুটি করতেছি একজন পুলিশ বলতেছে তুমি এজেন্সি ছাড়া আসছো তোমার কাজ হবে না তুমি কাজ করতে চাইলে আমার সাথে কথা বল তখন আমি উনাকে ২০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি এরপর উনি আমাকে বাইরে একটা লোকের কাছে নিয়ে গেছে উনি কাগজপত্র যাচাই করে দেখে কাগজ গুলা সঠিক কিনা তারপর উনি একটা স্বাক্ষর দিয়েছে এরপর পুলিশ আমাক সবকিছু সহযোগিত