নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসপোর্ট করাতে গিয়ে বাড়িতে ভেরিফিকেশনে ১০০০/- টাকা ঘুষ হিসেবে দেওয়া লেগেছে। টাকা দেওয়াতে সব কিছু কেমন যেন সমাধান হয়ে গেলো। তার আগ পর্যন্ত এটা লাগবে ওটা লাগবে বলে ঘুরিয়েছে।
আমি নিজে কম্পিউটারের দোকান থেকে এপ্পলাই করে গিয়েছি।আফতাব নগর পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর বলল আপনার পাসপোর্ট এখানে হবে না ময়মনসিংহ যেতে হবে। আমি বললাম তবে আমার টাকা ফেরত দেন আমি পাসপোর্ট করবব না। তারপর মন খারাপ করে বের হলাম হতাশ হয়ে, বের হয়ে দরবেশ (দালাল) এর মাথে দেখা হলো!বলল টাকা ছাড়া পাসপোর্ট হয় না। ২,০০০ টাকা চাওয়া হলো আমি দিলাম এবং আমার কাগজপত্র গুলোতে ২ টা পিন মেরে দিল এবং বলল সরকারি লাইনে যান হয়ে যাবে। সরকারি লাইনে যাওয়ার পর কোনো প্রশ্ন নেই কোনো কইফত নেই, একদম উপর পর্ন্তত রাস্তা ক্লিয়ার।
পাসপোর্ট এর জন্য আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করেছি। তারপর ছবি তোলা এবং বায়োমেট্রিকের জন্য যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছি। গেটে ঢুকতেই বলল আপনার বার কোড নেই। কম্পিউটারের দোকানে গেলাম ওখানে একটা নাম্বার লিখে দিল আমার কাগজের উপরে। এরপর আর বারকোড না থাকা সত্ত্বেও আমাকে আটকালো না। ২০০০ টাকার পাওয়ারে সরাসরি ছবি বায়োমেট্রিক পর্যন্ত চলে গেলাম কোন বাধা ছাড়া। আমি কম্পিউটার ওয়ালাকে জিজ্ঞেস করলাম এত টাকা ? তিনি বললেন ২০০০ টাকা দিতে হবে। আমি তাকে হাসির ছলে জিজ্ঞেস করলাম নাম্বারটা কিসের বা এ টাকা কে নেয়। সে আমাকে বলল পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা এখান থেকে টাকার ভাগ নেয়। এই নাম্বারটা অফিসারদের গোপন নাম্বার।
e passport application from জামালপুর অঞ্চলীক পাসপোর্ট অফিস এ আমি আমার e passport application জামা দেওয়ার জন্য আজ ৪০দিন ধরে ঘুরতেছি কিন্তু ঘোস ছাড়া জমা নেই না। এইটা নাই ওইটা নাই বলে rejected করে দেই। পাসপোর্ট অফিসার দের নিজের দালাল চক্রের থাকে অফিসের নিজে তাদের কে ২০০০টাকা থেকে ১৫০০টাকা ঘোস দিলে সাথে সাথে আবেদন ফর্ম জামা নেই। না দিলে পাসপোর্ট অফিসার নানারকম বাহানা দিয়ে rejected করে দেই পরে বাধ্য হয়ে অফিসার থেকে দালাল চক্রের সাথে টাকা দিয়ে কাজ করতে হয়।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য এসবি থেকে একজন অফিসার কল দিয়ে বলে সরাসরি কিছু কাগজপত্র নিয়ে দেখা করতে। সরাসরি না যেতে পারব না বলায়, হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাতে হলে এবং বিকাশ নাম্বারের কথা বলে ইঙ্গিতে ১০০০ টাকা চায়। কিন্তু আমি আর দিইনি টাকা।
E passport এর জন্য আবেদন ফর্ম জামা দেওয়ার জন্য আজ ৪০দিন ধরে আমাকে ঘুরাইতেছে এইটা নাই ওইটা নাই এগুলো নানার বাহানা করে। তাদের কে ১৫০০টাকা থেকে ২০০০টাকা ঘুস দিলে কোনো ধরনের কাজপত্র লাগেনা e passport officer যারা টাকা না দেয় তাদের কে এইটা নাই ওইটা নাই বলে reject করে দেই পরে বাধ্য হয়ে officer দের নিজের দালাল চক্রের কাজে টাকা দিলে জমা নেওয়া হয় না দিলে হয় না
এডি স্যারের সাথে সাক্ষাৎ । কথা বলতে যাওয়ার জন্য গেটে থাকা আনসার যেতে দেয় নাই । টাকা দিয়ে কথা বলা লেগেছে ।
আমি পাসপোর্ট এর আবেদন করছি আবেদনে উল্লেখ করছি প্রাইভেট সার্ভিস সেখানে সকল ডকুমেন্টস দিয়েছি দেওয়ার পরে বলেছে এটা হবে না এখানে কিছু টাকা খরচ করতে হবে কত টাকা? চাইলে ৫০০০, পড়ে সেটা ৩৫০০ টাকা নিয়ে পাসপোর্ট আছে প্রাইভেট সার্ভিস ক্যাটাগরি দিয়েই পাসপোর্ট করাই দিছে ।
পুলিশ ভেরিফিকেশনে এসবি পুলিশ 1000 টাকা দাবি করা হয়েছে।
কেউ নিজে আবেদন লিখে নিয়ে গেলে নানা অযুহাতে তা কেনচেল করার পরামর্শ দিয়ে ফেরৎ দেয়। অফিসের সামনে কম্পিউটার দোকান রয়েছে সেখান থেকে ঘুষের টাকা সহ সেইম আবেদনটি জমা নেন। দালালরা হুয়াটস এপপ এর মাধ্যমে তথ্য অফিসারদের সরবরাহ করে থাকে। রুন নং 101 এবং 205 নং কক্ষতে বসা অফিসার গনই সব নিয়ন্ত্রন করে। সরকারের দোষ দিয়ে লাভ নাই। যে সরবারই আসুক এই সমস্ত ঘোষখোর ভালো হবে না। প্রতি দিন লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। আমার ছেলের জন্য পাসপোট করতে গিয়ে আমি এর শিকার হই। বাধ্য হয়ে দালালকে টাকাি দিয়েছি পরে। তার আগে আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করে পেমেন্ট করি। নিজে ছেলেকে নিয়ে ফরম জমা দিতে গেলাম। সারাটা দিন আমার মাটি হলো। নিচে উপরের দুড়াতে দুড়াতে।
ডিসেম্বরে চট্টগ্রাম পাঁচলাইশ পাসপোর্ট অফিসে নিজে নিজে আবেদন করে নিয়ে যায়। কিন্তু জমা দিতে গিয়ে এই ভূল সেই ভূল বলে ২য় তলা নীচতলা ঘুরাতে থাকে। হতাশ হয়ে পাসপোর্ট অফিসের বাইরে বের হলে, দালাল পাসপোর্ট করার জন্য ২৫০০ টাকা দবি করে। দরদাম করে ২২০০ টাকা দিতে বলে। একি আবেদন পত্রে শুধু দালালের ইমেল লিখে দিয়ে আমাকে জমা দিতে পাঠায় কিন্তু পাসপোর্ট আফিস নেয় না আবেদন। আমি পুনঃরায় দালালের কাছে গেলে দালাল পাসপোর্ট অফিসের অফিসারকে ফোন দিলে বলে আমার আবেদন নাকি আজ নিবে না কারন আমিআবেদন কেন নিবেন না এসব বলার জন্য আমাকে শাস্তি দিবেন। আমি অসুস্থ ছিলাম অনেক কাকুতি মিনতি করেও ২২০০ টাকা ঘুষ দিয়েও ওদের মন গলাতে পারি নি। পরের দিন আবার জমা দিতে গেলে দালাল আরো ৫০০ দাবী করে। বাধ্য হয়ে আরো ৫০০ সহ ২৭০০ দিয়ে পাসপোর্ট হল।
আমি নিজে নিজে অনলাইনে আবেদন করে গিয়েছিলাম।আমার দেওয়া তথ্য সব ঠিক ছিল। কিন্তু, অফিসের বাহিরে তাদের দালাল থাকে যেগুলো কে আমরা এজেন্সি নামে জানি।ঐ এজেন্সি গুলোতে সরকার নির্ধারিত ফি থেকে ২০০০টাকা বেশি দিয়ে পাসর্পোট অফিসে যেতে হয়।এভাবে না গেলে আবেদন হয়নি বলে হয়রানির মধ্যে পেলে দেয় নয়তো, যেগুলো ফাইলে উল্লেখ নেই, এমন ডকুমেন্টস খুঁজে। যাতে করে আপনি বাধ্য হন দালালের মাধ্যমে আসতে।এটা প্রশাসনও জানে,সাংবাদিক যারা তারাও জানে।কিন্তু কেউ কিছু বলে না।
আগারগাঁও পাসপোর্ট হেড অফিসে পাসপোর্ট করতে গেলে + পাসপোর্ট মাল্টিমিপলে আটকে গেলে টাকার বিনিময়ে কাজ করে দেয় সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা + DIP আউটসোর্সিং কর্মচারীরা + ই পাসপোর্ট কর্মচারীরা। অনেক গুলো কর্মচারী টাকার বিনিময়ে পাসপোর্ট ফাইল করে দেয় + পাসপোর্ট বই উত্তোলন করে দেয়। অনেক সময় ডেলিভারি স্লিপ ছাড়া পাসপোর্ট উত্তোলন করে দেয়। মাল্টিমিপলের টাকা ৫০ হাজার থেকে শুরু হয়। পাসপোর্ট ফাইল জমা করানো ১০০০-২০০০ টাকা পাসপোর্ট বই উত্তোলন ৫০০-১০০ ০ টাকা।
আমি পাসপোর্ট করতে গেলে তারা আমাকে বিভিন্ন কায়দায় পাসপোর্ট দিবে না বলে বলে পরবর্তীতে অন্য এক জায়গার ঠিকানা দেয় এবং সেখানে দালাল নামে একজন পনেরশো টাকা দাবি করলে সে টাকা দিলে অল্প কিছুক্ষণের ভিতরেই একই ফাইল এপ্রুভ করা হয় এবং পাসপোর্ট প্রদান করে।
পাসপোর্ট করতে গিয়েছি যাওয়ার পরে আমার নামে কোন ভুল না থাকার পরও বলতেছে সে নামে ভুল আছে। বলতেছে সব ঠিক করে দেবো ৮হাজার টাকা লাগবে
It was when police verification was mandatory, we had to visit designated village for verification process where the police in charge began discussing how some of our data is missing and it may cause serious delay/cancelation in passport making process (Note that all our papers were in order, we checked as per instructions). Then told us how he would have to pay some people to ensure our passports are properly handled, and quoted an amount to pay while acting it was not for him but for the 'people'. Since we had no strong guardian with us to debate and we were in his territory, we had to pay up for his final approval. It truly left a bitter taste for us all.
আমি একজন প্রবাসী। দেশে গিয়ে টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেলে জন্মনিবন্ধন ও পাসপোর্টের জন্মতারিখে অমিল থাকায় আবেদন প্রত্যাখ্যান হয়। প্রায় এক মাস ঘুরেও সমাধান পাইনি। শেষ পর্যন্ত অফিসপ্রধানকে সব খুলে বললে তিনি কোনো সহানুভূতি না দেখিয়ে বলেন, “যেভাবেই হোক জন্মনিবন্ধন ঠিক করে আনেন, তা ছাড়া উপায় নেই। বারবার এখানে ভিড় করবেন না।” বারবার অফিসে আসার কারনে, এক আনসার সদস্য আমার অসহায়ত্ব দেখে একজনের নম্বর দেন। ফোন করলে তিনি বলেন, ২০ হাজার টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে। পরদিন টাকা দেওয়ার পর তিনি ফোনে কথা বলে দেন এবং আগের নিয়মেই ফাইল জমা দিতে বলেন। অবাক হয়ে দেখি, যারা আগে ফাইল দেখেই ফিরিয়ে দিত, এবার তারা কোনো প্রশ্ন ছাড়াই সব টেবিল পার করে ফাইল গ্রহণ করল। এই হলো অবস্থা ভাই
টাকা না হলে পাসপোর্ট হবে না
আমার পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এর জন্য একবার যাত্রাবাড়ী আর একবার আড়াইহাজার উপজেলায় ২০০০ প্লাস ১০০০ মোট তিন হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমার পাসপোর্ট এর নাম সংক্রান্ত সমস্যা দেখিয়ে টাকা দাবি করে পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে টাকা দিলে সমস্ত কাজ ওকে করে দেয়