Passport renewal
মনসুরাবাদ পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়ে স্বামীর নাম আইডি কার্ডে মো: এবং উনার পাসপোর্টে মোহাম্মদ থাকায় আবেদন বাতিল করে দেই, পরে আনসার সদস্যের ব্যাক কলে ৩০০০ টাকার বিনিময়ে নবায়ন করি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মনসুরাবাদ পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়ে স্বামীর নাম আইডি কার্ডে মো: এবং উনার পাসপোর্টে মোহাম্মদ থাকায় আবেদন বাতিল করে দেই, পরে আনসার সদস্যের ব্যাক কলে ৩০০০ টাকার বিনিময়ে নবায়ন করি।
When i go to passport office to submit my papers without any broker the officer told me that some papers are missing which is not actually needed and refused to accept my papers. The i pay the amount to a broker and he give a seal on my paper then officer imminently accept my application.
পরিবারের সবার পাসপোর্ট করতে যাই। কিন্তু সবার কাগজে ভুল ধরে। একজন কর্মী আমার ভার্সিটি থেকে চারিত্রিক সনদ আনতে বলেছিলো, আমার ছোট বোনের ছাত্রত্ব সনদ আনতে বলেছিলো, আমার মায়ের জমির দলিল আনতে বলেছিলো, আমার বাবার সব ঠিক থাকলেও সেদিন ছবি তুলতে রাজি হন নাই। এটা নিয়ে হতাশ হয়ে যাই। এর ৫ মিনিট পর পাসপোর্ট অফিসের একজন আনসার এসে আমাকে বলে প্রতিজন ১৫০০ করে দিলে ওই দিনেই সব করে দিবে। কোনো কাগজ লাগবে না। এর পর আমাকে সিসিটিভি ক্যামেরা নেই এমন জায়গায় নিয়ে যায় এবং তাকে হাতে হাতে টাকা দেই। এর ১০ মিনিট পরেই পাসপোর্টের সকল কাজ শেষ হয়ে ১৪ দিন পর পাসপোর্ট পাই।
পাসপোর্ট করতে যে সব কাজগ লাগে সব কিছু ঠিক থাকার পরও বিভিন্ন ভুল ধরে যেমন এনআইডি ভেরিফিকেশন, বউয়ের বাবা মায়ের এনআইডি, আমার কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র আরো অনেক কিছু যাতে আমি দালালের কাছে যায় পরিবর্ততে অনেক গেনজাম করে করতে সক্ষম হই যদিও আমার সামনেই ৫/৬ জন কে এরকম হইরানি করে দালালের কাছে পাঠালো জাস্ট এনআইডি কপি দিল আর পাসপোর্ট করল। এটা প্রমানের জন্য জাস্ট পাসপোর্ট অপিসে যান দেখবেন এভাবেই চুরি ডাকাতি করছে পাসপোর্ট অপিসের লোকেরা।
আমি পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে গিয়েছি। লাইন লম্বা ছিল।আমাকে আনসার বলে ৫০০ টাকা দেন আমি কুইক ভিতর হতে নিয়ে আসব
Passport er documents joma deyar por bivinno vul dhora suru korsilo, Pore r joma ney nai. Pore passport office er baire giye ek computer dokan e bolle tara 1600 taka chay. 1600 taka deyar por amar application e ekta jaigai ekta mark kore dey and again joma dile r kono question na kore joma niye ney.
Passport renewal er jonno gesilam. Passport kora silo rangpuer theke. Tokhon ami rangpur silam. Biguray thaki akhon so bogura theke korbo. Bollo rangpur jan. Ekhane hobe na. But amon kono rules silo na. Pore pasher ak dokane dekhanor por bollo, normal renewal a extra 1500tk office khoroj, r jhetu rangpur theke approve kora passport boguray renewal korben shei jonno aro 1500. Total 3000 and aita fixed.
বাংলাদেশের পাসপোর্ট প্রদানের নিয়ম অনুযায়ী পুলিশ নাগরিকের স্থায়ী ঠিকানা সঠিক কিনা অথবা নাগরিক সতি ই ঐ স্থানের স্থায়ী বাসিন্দা কিনা যাচাই করা তিনি নিজ খরচে যেহেতু নাগরিক পাসপোর্ট রাজস্ব বাবদ সরকারকে সেবা অনুযায়ী বেশ ভালো পরিমান রাজস্ব নিয়ে থাকেন। কিন্তু তিনি তার পরিবর্তে আমাকে ফোন করে খোদ নিজ জেলার এসবি. অফিসে নিয়ে গিয়ে ১০০০ টাকা রশিদ বা কোন রাজস্ব, চালান না দিয়ে ১০০০ টাকা ঘুষ চায়,
আমি একদিন এপয়েন্টমেন্ট এর একদিন পরে যাওয়ায় আমার কাগজে সিরিয়াল নাম্বার দেয় নাই, উপরে, নিচে সব ফ্লোরে ঘুরতে হইছে। অথচ ওয়েব সাইটে লেখা যেকোনো দিন গেলেই হবে। পরে উপরে এক আনসার আর পিয়ন মিলে আমার কাজ করে দেয়, বিনিময়ে ২০০০টাকা চায়। অনেক মূলামুলি করার পর ১৫০০তে রাজি হয়। মাত্র ০৭ মিনিটের মধ্যে কাগজ ও ফেস ফিংগার দেওয়া শেষ করে দেয়।
নতুন পাসপোর্ট করার সময় অফিস থেকে অ্যাপ্লিকেশন রিজেক্ট করে দেয়, বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা আনসার সদস্যরা আড়ালে ডেকে নিয়ে, সমাধান করে দিবে এই জন্য প্রথমে ১৩০০ টাকা দাবি করে পরে বারোশো টাকাতে রাজি হয়, এরপর ওই একই কাগজগুলো নিয়ে আমাকে লাইন থাকা সত্ত্বেও একবারে রুমে গিয়ে নিয়ে ছবি তোলা একজনের পরেই আমি ছবি তুলি
২০১৪/১৫ সালে রিটেন এ পাশ করে ভাইভা তে পাশ করি কনফার্ম করার জন্য ঘুষ চেয়েছে ১৫ লাখ
অতিরিক্ত ফিস ছাড়া পাসপোর্ট করা যাবেনা এটাই বাস্তব, অতিরিক্ত টাকা দিলে সব জেলার পাসপোর্ট হয় অথচ অতিরিক্ত টাকা না দিলে নিজ জেলায় লোকদের হয়রানি করে থাকে
I had paid 3000 taka to police officer during my police verification.
২০২০ সালে আমি পাসপোর্ট বানাই। ইউটিউব দেখে নিজে আত্মবিশ্বাস পাই নিজে নিজে আবেদন করার। আবেদন করিও। যে পাসপোর্ট বড়জোর ২ মাসে পাওয়ার কথা। সেই পাসপোর্ট আমার হাত পর্যন্ত পৌঁছাতে ৭ মাস সময় নেয়। কোনো প্রকার দালাল ছাড়া নিজে নিজে করায় সম্ভবত এই হয়রানি করা হয়। আমার কোনো আর্জেন্সি ছিলো এজন্য, আমিও রেখে দিসি। যদিও পাসপোর্ট হাতে পায়েছি, কিন্তু এই ৬/৭ মাস সময় নেয়া সম্পূর্ণ অবান্তর।
আমি গতকাল উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে , গিয়ে ছিলাম আমার নতুন পাসপোর্ট তৈরি করার জন্য। তারা আমার কাগজ পত্র দেখে সব ঠিক থাকার পরও আমাকে আরো নতুন নতুন কাগজ দেখাতে বলছিল । এগুলা পাসপোর্ট বানাতে কোন প্রয়োজনই নেই । বাহ আবেদনের রিক্রুটমেন্ট নেই। তাও শেষে যখন তারা আমাকে বিভিন্ন কাগজপত্র চেয়ে আটকাতে পারল না । শেষে তারা বলে আমার দাদার জন্ম নিবন্ধন লাগবে । এইটা কোনো কথা। এরা সরাসরি ঘুষ চাইতে পারবেনা বলে এরকমভাবে মানুষদের হয়রানি করে । তারপর আপনি যখন বাহিরে যাবেন তাদের পরিচিত দালালরা আপনাকে জিজ্ঞাসা করবে কি সমস্যা হয়েছে । তখন যদি আপনি বলেন যে এই সমস্যা হয়েছে তখন বলবে যে চলেন আমি ঠিক করে দেই । এই হলো তাদের অবস্থা? সরকারি দায়িত্বশীল লোকদের কাছে আবেদন তারা যেনো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে।
আমি কেয়ামতের মাঠে এই বারোশো টাকার দাবি না ছাড়া পর্যন্ত আর বিচার হইতে দেবো না আমি যেভাবে খুচরা ঢাকায় তার টাকা পরিশোধ করছি তাকেও সে টাকা পরিশোধ করে আল্লাহর বিচারের সম্মুখীন হতে হবে
পাসপোর্ট রিনিউ করেছিলাম।
১৫০০ টাকা না দিলে নতুন পাসপোর্ট পাওয়া যাবে না। ঘুষ না দিলে ভুল আর ভুল। দালালরা পাসপোর্ট ফর্মের ইমার্জেন্সির জায়গায় একটা কোড লেখে দেয়। পাসপোর্ট অফিসাররা ফর্ম হাতে নিয়েই ওই কোড দেখে
আমি নিজে অনলাইনে আমার পাসপৌর্টের ফরম ফিলাপ করে ফিঙ্গার প্রিন্ট দেয়ার তারিখে সিলেট পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হতে আমাকে প্রথমে রুহিঙ্গা টেষ্ট করতে বলা হয়। পরবর্তিতে একজন আনসার সদস্য দাবি করেন নিজে নিজে ফরম ফিলাপ করলে হবেনা, দালাল ওথভা কোন ট্রাভেন এজেন্সি দিয়ে করাতে হবে। আমাকে ৫০০০টাকা দিলে করে দিতে পারবেন বলে তার মোবাইল নাম্বার দেন। পরবর্তিতে আবার ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে ২য় তলায় গেলে অফিস থেকে কোন কারন ছাড়াই হবেনা বলে আমাকে বের করে দেয়া হয়। এভাবে অনেকবার এই রুম থেকে অই রুমে ঘুরতে ঘুরতে এক সময় কর্তব্য রত আর এক পুলিশ একই ভাবে ৫০০০টাকা দিলে করে দিতে পারবেন বলেন। উপায় না দেখে বাধ্য হয়ে ৫০০০টাকা দিয়ে ছবি ও ফিঙ্গার প্রিন্ট দিয়ে আসি। পরে তদন্ত কর্মকর্তা আমার ১০০০টাকা দাবি করেন।
নতুন পাসপোর্ট করতে গেছিলাম। ফটোকপির সাথে অরিজিনাল সব কপি ছিলো।খানকির পোলা বলে কি মূল NID কার্ড নাকি নির্বাচন কমিশন থেকে ভেরিফাই করা লাগবে।এরপর এক দালাল ৫০০০ টাকা নিছে।সুদানির পুয়া এবার আর কোনো পেপার চেক করেনি,ইভেন নাম পর্যন্ত জিজ্ঞেস করেনি।৫০০০টাকা পুনমেরে দিছে মাদাচ্চুদে