নতুন পাসপোর্ট
২০১৯ সালে পাসপোর্ট করতে অফিসে গেলে তারা অতিরিক্ত ১৫০০ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে বাধ্য হয়েই সে টাকা পরিশোধ করা লাগে।
17,743 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
২০১৯ সালে পাসপোর্ট করতে অফিসে গেলে তারা অতিরিক্ত ১৫০০ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে বাধ্য হয়েই সে টাকা পরিশোধ করা লাগে।
পাসপোর্ট করার কাগজ জমা দিয়েছিলাম সেটি নাইনি। পরবর্তী তার পাশের দোকানদারদের সাথে কম্পিউটারের মাধ্যমে টাকা নিয়েছে সেই কাগজ আবার নতুন তৈরির নাম করে।
পুলিশ ভেরিফিকেশন করছে, টাকা বিকাশে নিয়েছে।
পাসপোর্ট বানানোর কাম করে এবং আইডি কার্ড ঠিক করার নাম করে ৭০ হাজার টাকা দাবি করে। এর মধ্যে কিছু টাকা বিকাশে এবং টাকা হাতে হাতে নিয়ে থাকে। কিন্তু পরবর্তীতে আইডি কার্ড বা পাসপোর্ট কোনোটিই দেয় না এবং অধিক টাকা দাবি করে। আমাদেরকে জানিয়ে ছিল এই টাকা তিনি নিচ্ছেন সেটা নাকি সরকারি ফি। এর সাথে অফিসের অনেকেই জড়িত।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার সময় ১০০০ টাকা নিছে আমার থেকে
পাসপোর্ট করতে গিয়ে আমার ডকুমেন্ট সব থাকার পরও গুষ দিতে হয়েছে
টাকা না দিলে পাসপোর্ট করতে দিবে না
passport korar jonno amar kache 17000 taka chailo ami dilam karon passport amar dorkar chilo.
### তাকামুল পরীক্ষায় ঘুষ দাবির অভিযোগ সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় **তাকামুল পরীক্ষা** দিতে আমি ঢাকা যাই। পরীক্ষার নির্ধারিত ফি ছিল **৫০ ডলার (প্রায় ৬,৫০০ টাকা)**। কিন্তু পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও পাস করানোর নামে অনেকের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। আমরা মোট ১৫ জন পরীক্ষার্থী ছিলাম। তাদের মধ্যে কয়েকজন আগে একবার পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তারা জানান, তাদেরও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য **২৫–৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ/কন্টাক্ট করতে বাধ্য করা হয়েছিল**। তারা আমাকে বলেন, কন্টাক্ট ছাড়া পরীক্ষা দিলে পাস করার সম্ভাবনা নেই। আমি কোনো ঘুষ বা কন্টাক্ট না করে পরীক্ষা দিই। পরীক্ষা শেষ করে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমার ফলাফল প্রকাশ করা হয় এবং আ
প্রথমে আমার কাছে পাসপোর্ট করার জন্য ১৫০০০ টাকা চায় আমি তারপর ওইটা পরিশোধ করি শুধু আমার সমস্যা ছিল নামের মধ্যে আমার আগে মোঃ/ফ্যামিলির নাম ছিল না কিন্তু ভোটার আইডি তে সব ঠিক আছে পাসপোর্ট এর সাথে ভোটার আইডি মিল নেই তাই এম আর পি থেকে ই পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন করেছিলাম তো ওনারা আমার ফিঙ্গার সবকিছু নিয়ে আমার ফাইল জামা নেয় তারপর দশ দিন পরে বলে আপনার ফাইলটা ঢাকাতে আটকে আছে আপনাকে আরো ২০ হাজার টাকা দিতে হবে আমি দিয়ে দেই তারপরে বলে না এটা হয়নি আপনাকে আরো টাকা দিতে হবে তারা আরো ৩০০০০ টাকা দাবি করে আমি 15000হাজার টাকাও দিয়ে দেই তারা কয়েকদিন পরে শুনি ওই লোক নাকি ট্রান্সফার হয়ে খুলনা চলে গেছে তো আমি কি করলাম ওটা তো আর হবে না এপ্লিকেশন উইড্রো করে ময়মনসিং গিয়ে ১৫০০০ টাকা দিয়ে এমআর পি করে নিলাম,
The story back in 2015, I prepared my application, bank payment slip and each and everything to submit at passport office customer dex. However, the person should present there during office time but I never seen a single time. I visited there everyday morning and returned afternoon. It was day 3, two police man noticed me that, everyday I am coming and going back without any solution. He, offered me like this way, "what everybody do, you do so". Fist time i didn't understand, then he make it clear that, pay some extra money I will do it for you. I denied and left, then on day 4 the dex person I meet and he said your document are correct but we cannot accept it for unknown reason.then Police
আমি পাসপোর্ট করার জন্য সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে গেলে আমাকে জানানো হয় যে পাসপোর্টের জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি ৬,১৭০ টাকা। কিন্তু পরবর্তীতে আমার কাছ থেকে মোট ১২,০০০ টাকা নেওয়া হয়। সরকারি ফি ৬,১৭০ টাকা হওয়া সত্ত্বেও অতিরিক্ত ৫,৮৩০ টাকা কেন নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে আমাকে কোনো বৈধ সরকারি রসিদ বা সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। অতিরিক্ত এই অর্থ নেওয়ার বিষয়টি আমার কাছে অনিয়ম/ঘুষ গ্রহণের মতো মনে হয়েছে। আমি বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে দেখতে এবং অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার কারণ ও এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। প্রয়োজনে আমি পাসপোর্ট আবেদন, পেমেন্ট/রসিদ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ তদন্তকারী কর্তৃপক্ষকে প্রদান করতে প্রস্তুত আছি।
ডকুমেন্টস যাচাই করে বলা হলো এগুলো ভেরিফাই করা নাই,পরবর্তীতে পার্সপোট অফিসের দারোয়ান এর মাধ্যমে দেওয়া হলে কাজ হয়ে যায়, যেখানে আর কোন ভেরিফাই দরকার হয় নাই। দারোয়ান কতৃক ১৫০০ টাকাই ভেরিফাই,হায়রে বাংলাদেশ।
চান্দিনা, পুলিশ কর্তৃক আমার কাছ থেকে 500 টাকা দিয়েছে এবং দুইবার আমাকে যেতে হয়েছে। পার্সপোট অফিস অযথা ভূল ধরিয়ে দিয়ে আমাকে হয়রানি করছে। 1000 টাকা দেওয়াতে সব সমস্যা শেষ। করেছে। অথ্যাৎ অতিরিক্ত ছাড়া আমি পার্সপোট করতে পারিনি।
আমার আইডি কার্ড ঠিক থাকার পরে-ও বলে এই সমস্যা সেই সমস্যা পাশে কম্পিউটার এর দোকানে গেলাম বললো ১৫০০ টাকা লাগবে দিলাম। সেই লোক পাসপোর্ট অফিসার এর ফোনে আমার আইডি পাঠিয়ে দিলো। তার পর যাওয়ার পরে বলে সব ঠিক আছে। আমার কাজ হয়ে গেলো। এরেকম আরো অনেক অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছি।
আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করি, কোম্পানির আইডি কার্ডসহ আমি জমা দিয়েছি , উনি আমার কথা বিশ্বাস করে না , আমার মুখে দাড়ি আছে এনআইডি কার্ডে দাড়ি নাই, অজুহাত দিয়া আমার আবেদন ফরম জমায় নেবেন না, নিরুপায় হয়ে আমি দালালের মাধ্যমে উনাদের কে টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করি কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে যতগুলা লোক আছে সবাই দালালের মাধ্যমে কাজ করে. এটার অবস্থা পুলিশের মত টাকা দেবে না এক জায়গা থেকে সামনের টেবিলে আবেদন পত্র অন্য জায়গায় যাবে না আল্লাহ এটা হেদায়েতদেক আমাদের প্রশাসনের লোকগুলা কে আল্লাহতালা হেদায়েতদেক
আমি সাবেক সরকারি কর্মচারি ছিলাম যখন পাসপোর্ট করতে যাই আমার আইডি কার্ড ভেরিফাই করে পাওয়া যায় আমার পেশা লিখা ছিল সরকারি চাকুরিজীবি। তাহলে তো noc লাগবে চাকরি ছেড়ে আসছি ১৪ বছর আগে এনওসি কোথায় আছে জানিনা। noc ছারা রিজেক্ট করে তখন গেটে থাকা আনসার, পুলিশের লোকগুলোই তাদের এজেন্ট তাদের কাছে তথ্য চলে আসে এই লোক রিজেক্ট হয়েছে। তখন তারাই আমাকে অফার করে যে পাসপোর্ট হয়ে যাবে কিছুই লাগবে না শুধু টাকাটা বেশি দিতে হবে। আমিও বিভিন্ন যায়গা ঘুরেফিরে ক্লান্ত তখন আমি রাজি হয়ে যাই তখন আমাকে নিয়ে যায় তাদের বড় স্যারের কাছে উনার সাথে কথা হয় আনসার বাহিনী এক লোকের সাথে। আমার সাক্ষাৎ হয় স্যারের সাথে এবং ১৪ দিনে পাসপোর্ট রেডি ৪৫০০ টাকার পাসপোর্ট হয়ে যায় ৯০০০ টাকা আর কত ভিরম্বনা এই হলো সরকারি সেবা।
আমি সৌদি প্রবাসি। বাংলাদেশে এসে পাসপোর্ট ১০ বছরের করবো বলে আমার আগে সৌদি থাকা অবস্তায় পাসপোর্ট দিয়ে করতে গেলে তারা বলে, আপনার পাসপোর্ট সৌদি থেকে করা এখন আমাদের এখান থেকে করতে গেলে আপনাকে জবসলভেন্সি করা লাগবে যার কারনে আপনাকে তিনহাজার টাকা দিতে হবে,আমার প্রশ্ন হলো আমি আগে যে পাসপোর্ট করে ছিলাম সৌদি দুতাবাস থেকে তাহলে কেন আমাকে এত গুলো টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করতে হলো,,,,
পাসপোর্ট ভেরিফাই করতে গ্রামের বাড়িতে পুলিশ ২০০০/- নিয়েছে,ঢাকার বাসায় পুলিশ ভেরিফাই করতে এসে টাকা চেয়েছে।এবং দিতে বাধ্য হয়েছি।
আমি একজন ব্যবসায়ী, আমি ট্রাভেল ইন্ডাস্ট্রির সাথে জড়িত, দুঃখের বিষয় হচ্ছে একজন মানুষ নাগরিক অধিকার হিসেবে খুব সহজেই পাসপোর্ট করার অধিকার রাখে কিন্তু পাসপোর্ট অফিসের কর্মরত কর্মচারীদের ঘুষের সিস্টেমের কারণে এ কাজটি সহজে হয় না, উনারা এমন ভাবে পদ্ধতি গুলো রাখছে যা একটা মানুষের জন্য খুবই দুঃখ জনক যেমন উনারা যেসব দালাল মার্কেটে সেট করে রেখেছে উনাদের কাছ থেকে একটা ইউনিক ক নিতে হবে অথবা ওই দালালরা পাসপোর্ট এর টাকা জমা দেওয়ার সামারি কপি সরাসরি পাসপোর্ট এর কর্মকর্তাদেরকে পৌঁছে দেন,উনাদের হাতে পাওয়া ওইসব পাসপোর্ট যদি জমা দেওয়ার জন্য যায় তাহলে কোন কথাবার্তা ছাড়াই পাসপোর্ট জমা করে নেন যদি ভুলে থাকে তাও কোন সমস্যা না আর এটার বাইরে যদি কেউ জমা দিতে যায় তাকে হাজার রকমের প্রশ্ন হাজার রকমের হয়রানি