নবায়ন
পাসপোট নবায়ন করা জন্য আমি ফাইল নিজে জমা দিতে গেছিলাম জমা না নিয়ে ফেরত দিয়ে বলে যাও ঐ পারে দোকান আছে ঐখান থেকে ঠিক নিয়ে আস। ওখান গেলে ওরা বলে অতিরিক্ত ১৫০০ না দিলে আপনার এটা হবে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসপোট নবায়ন করা জন্য আমি ফাইল নিজে জমা দিতে গেছিলাম জমা না নিয়ে ফেরত দিয়ে বলে যাও ঐ পারে দোকান আছে ঐখান থেকে ঠিক নিয়ে আস। ওখান গেলে ওরা বলে অতিরিক্ত ১৫০০ না দিলে আপনার এটা হবে না।
Passport er Police Clearance korar somoy OC Nasta er jonno tk nilo. Na dile naki Passport next step e pathabe na.
নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে নতুন পাসপোর্ট ফাইল জমা দিলেই অতিরিক্ত এগারো শত টাকা দিতে হয়। দালালদের মাধ্যমে করলে টাকার পরিমাণ আরও ২/৩ হাজার টাকা বেশি দিতে। এমনকি দালাল দিয়ে পাসপোর্ট করলেও দালালদের পাসপোর্ট অফিসে ফাইল প্রতি জমা দিতে হয় ১১ শত টাকা । এই অফিসে প্রতিদিন ৩-৪ শত ফাইল জমা হয়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৩০ টি ফাইল সরাসরি হয় নানান ভোগান্তির পর। বাকী সব ফাইল চ্যানেল এর মাধ্যমে হয়।সেই হিসেবে প্রতিদিন সাড়ে ফাইল থেকে ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ঘুস আদায় হয়। প্রতি সপ্তাহের বুধবার ও বৃহস্পতিবার ঘুসের টাকা লেনদেন হয়। এখানে দালাল ছাড়া কোনো পাসপোর্ট হয়না। পাসপোর্টের ঊপপরিচালক থেকে আনসার সদস্য সবাই ভাগ পায়।
আমি এবং আমার পাসপোর্ট আনতে যাই গিয়ে দেখি পাসপোর্ট হয়নি কি জন্য হয়নি পুলিশ ভেরিফিকেশন হয়নি পরে ডিআইজি অফিসে গেলে ঐখানে একজন বললো কিছু টাকা দিয়ে দিতে হয়ে যাবে তাহলে পরে বললাম কতো বললো ৩ হাজার পরে আমার কাছে টাকা নেই পরে বিষয় টা আমার পরিচিত একজনকে জানায় উনি বললো আমরা বাড়িতে চলে যাইতাম বিষয়টা উনি দেখতেছে
আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম সেখানে সরকারি মূল্য নির্ধারিত হয়েছিল ৫৭৫০ টাকা কিন্তু অতিরিক্ত ঘোষ হিসাবে আমার লেগেছে ৭৫০০ টাকা প্রাইজ দেড় হাজার বেশি”
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম এক চাচাকে নিয়ে, উনার বয়স ৫৩, অবিবাহিত। কিন্তু পাসপোর্ট অফিসের লোকেরা বলছে যে উনি অবশ্যই বিবাহিত আর না হয় অবিবাহিত সনদ পত্র নিয়ে আসতে হবে না হলে পাসপোর্ট হবে না। শেষ পর্যন্ত ২০০০ টাকার বিনিময়ে উনি সেই অবিবাহিত সনদ ছাড়াই পাসপোর্ট করে দেন।
আমার সুধু মায়ের নামে বেগম এর খাতুন সার্টিফিকেট এ ভুল ছিলো তাই তিনি ঘুষ নিয়িছে
আমার পাসোর্ট রিনিউ আবেদন, আমার সহধর্মিণীর নতুন পাসপোর্ট আবেদন এবং আমার ৩ বছর বয়সী কন্যার নতুন পাসপোর্ট আবেদন জমা দেয়ার পর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য বাসায় এসে ৩০০০ টাকা দাবি করে এবং আমি ২০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমি একটি নতুন পাসপোর্ট করেতে গিয়েছিলাম আমার সব কাগজ সঠিক থাকার পড়েও তারা নানান কি ছু ভুল ধরে এক প্রকার হয়রানী করে । পড়ে ২০০০ টাকা দাবি করে বলে ২০০০ টাকা দিলে ফাইল টি জমা হবে ঘটনাঃ রাজশাহী বিভাক সিরাজগঞ্জ জেলা স্থান সিরাজগঞ্জ পাসপোর্ট অফিস
২ বছর যাবৎ আমার পাসপোর্ট রি-নিউ করা হয় নি, আর্জেন্ট প্রয়োজনে আমি সুপার এক্সপ্রেস পাসপোর্ট করার চেষ্টা করি। পাসপোর্ট বসিলা অফিস, আমার সব ডকুমেন্টস দেখে বলে আপনি কাবিননামার ফটোকপি জমা দিসেন, অরিজিনাল কপি লাগবে। আমি ধরে নেই আমার বিদেশ যাওয়া হবে না। কারন আমার কাছে সময় নাই, তখন এক দালাল যে সকাল থেকে আমার পিছনে ঘুরছিলো যে, ৩০০০ টাকা দিলে এখনি করে দিবে বাট আমি সকালে পাত্তা দেই নি কারন আমার সব ডকুমেন্টস ছিলো। দুপুরে নিরুপায় হয়ে ২৫০০ টাকা দিতে রাজি হই, এবং সে তখন পাসপোর্ট অফিসার এর রুমে আমাকে নিয়ে যায়, তখন সে আমার ডকুমেন্টস এপ্রুভ করে দেয়, সাথে সাথে আমার ছবি তুলে, পরদিন পাসপোর্ট পাই। বসিলাতে, লিস্ট এর বাহিরে ডকুমেন্টস চায়, এবং চাপে ফেলে টাকা খায়, অফিসার, আনসার, কম্পিউটার দোকানি সবাই সিন্ডিকেটে জড়িত
নোয়াখালীর পাসপোর্ট অফিস তিনবার পাসপোর্ট করেছি নরমাল আবার ডিজিটাল আবার এমআরপি প্রত্যেক বার বাড়তি টাকা দিতে হয়েছে সর্বশেষ এমআরপি পাসপোর্ট নিয়েছি 2024 এর জুন মাসে , পাসপোর্ট অফিসের বাইরের এমনকি সুবর্ণচর এর কম্পিউটার দোকান গুলো আবেদন করালে দোকানদার বলে তিন হাজার টাকা বাড়তি না দিলে আপনাকে হয়রানি করবে তখন আমার পরিচিত অনেকেই বাড়তি টাকা সহ পরিশোধ করে দেয় আর ওটার নাম লিখে দেয় চ্যানেল যা পাসপোর্ট অফিসের এক নাম্বার কাউন্টার দেখলেই বুঝে যায় এটা পেইড বাড়তি তাকে সেবা আর চ্যানেল দেখা না থাকলে তাকে নানা অজুহাতে দুই তিনবার ও ঘুরিয়ে দেয় । 2024 এর ঈদ ছুটির পর জুলাইয়ের প্রথম দিকে বাবার ওমরাহ যাবে তার পাসপোর্ট করতে আবেদন করি কিন্তু বাড়তি টাকা দিলাম না পরে বাবাকে অনেক হয়রানি করে
পাসপোর্ট অফিসের অফিসার ১ টা বাজলেই বের হয়ে যান তারপরে তিনি আর আসবেন না, অথচ তার থাকার কথা ৪ তা পর্যন্ত উপরন্তু লাইনের সবার দাইল ও তিনি দেখেন নি, যেহেতু ঢাকা আপ-ডাউন এই প্রায় ১৬০০৳ এর কম বেশি লাগে, তখন গেট দারোয়ান আমাকে ডাক দিয়ে বলে আজকেই আমার কাজ টা করে দিবে, কথা মত তাকে ১৬০০৳ দিলে আমার ফাইল টা ওকে করে দিয়েছিল।
একা একা সরকারি ওয়েবসাইটে ডুকে পাসপোর্ট করার জন্য সমস্ত তথ্যাদি দিয়েছি। এরপর নরসিংদী পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর আমার কোনো পেপারস তারা গ্রহন করে না। একেকসময় একেক ধারায় আটকিয়ে চলে যেতে বলে। শেষে এক সরকারি আনসার সদস্য আমাকে বলছে, ভাই দালাল ধরেন। দালালরা এসএমএস দিলে আপনারটা গ্রহন করা হবে। না হলে হবে না। পরে দালালকে ২,০০০/-টাকা দিলাম। দালাল বলছে, এই টাকা থেকে ৮,০০/-টাকা প্রথম যাচাইকৃত টেবিলের লোক খাবে, পরে যাবে ২,০০/-টাকা আরও দুইটেবিল ভাগ খাবে। আর ১,০০০/-টাকা আমি খাবো। পাসপোর্ট অফিসে দুর্নিতীর শেষ হবে কবে?
আমি নতুন সৌদি আরবে আসবো, আত্মীয়দের মাধ্যমে একটা ভিসা পাইছিলাম,, আত্মীয় বলল পাসপোর্ট করার জন্য, আমি পাসপোর্ট অফিসে গেলাম আমার কিছু ডকুমেন্ট চাইলো,কিন্তু ডকুমেন্ট বাইরের মানুষের মাধ্যমে নেয়া হলো,, অন্য এক দালাল বানায় দেবে, তারপর ডকুমেন্ট গ্রহণ করা হবে,, আমার ডকুমেন্টটা একসেপ্ট হলো না,, তারপর দালালের কাছে গেলাম,, দালাল বলল ৫০০০ টাকা লাগবে,, আমার হাতে সময় ছিল না,, আমি বাধ্য হয়ে দালালকে 5000 টাকা দিলাম,,, তারপর পুলিশ ভেরিফিকেশন হলো,,, পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময়,, পুলিশ আমাকে ফোন দিয়ে বলল আপনি কি পাসপোর্ট করতে দিছেন,,, আমি বললাম জি স্যার আমি পাসপোর্ট করতে দিছি,, তারপর উনি আমার সাথে দেখা করার কথা বলব, আমি দেখা করলাম, আমার কাছে ২০০০ টাকা চাইলো,,, আমি অন্য এক অনুরোধ -করে,৮০০ টাকায় মিটালাম,,
পাসপোর্ট এর ডকুমেন্টস এ উল্টাপাল্টা ভুল ধরতেছিল, যেখানে সব কাগজ ঠিক ছিলো। তারপর এই টাকা দিলেই নাকি একদিনের মধ্যে ছবি ফিঙ্গারপ্রিন্ট সব দেয়া যাবে।
আমি নতুন পাসপোর্টের জন্য উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। ওয়েবসাইটে উল্লেখিত সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আমি সঙ্গে নিয়ে জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু ফর্ম জমা দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে টোকেন চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আমার কাছে বিবাহের কাবিননামা দেখতে চান। আমি তাদের জানাই যে, ওয়েবসাইটে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকায় কাবিননামার কোনো উল্লেখ নেই। তা সত্ত্বেও তারা আমার আবেদন গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান এবং সরাসরি আমার ফর্মটি প্রত্যাখ্যান করেন। এ সময় সেখানকার একজন কর্মী আমাকে বলেন যে, তিনি বিষয়টি “সামলে নিতে” পারবেন এবং এর জন্য ২,০০০ টাকা লাগবে। পরবর্তীতে ২,০০০ টাকা দেওয়ার পর আমার আবেদনপত্রটি গ্রহণ করা হয় এবং বৈধ হিসেবে গণ্য করা হয়।
আমি পাসপোর্ট এর জন্য অনলাইনে এপ্লিকেশন করে, ছবি তোলার জন্য গিয়েছিলাম কিন্তু আমার ডকুমেন্ট দেখে তারা বললো আপনার প্রফেশনাল সার্টিফিকেট দেখান। আমি দেখালাম তারা বল্লো এপ্লিকেশন ঠিক হয় নাই,উপরের একটা রূম এ যেতে বল্লো এবং আমি গেলাম। উনি ডকুমেন্ট দেখে বল্লো কি সমস্যা আমি বললাম জানিনা নিচ থেকে বল্লো ঠিক নেই। তিনি বললেন এটা ঠিক করা এখন সম্ভব না ৭ দিন পরে আসেন।আমি বের হয়ে একজন ৩য় ব্যাক্তির কাছে গেলাম তিনি আমাকে বললেন ২০০০ টাকা এক্সটা দিন আজই করে দিচ্ছি,টাকা ছাড়া করবে না। আমি টাকা দিলাম এবং তিনি আমাকে সাথে নিয়ে অফিসে গেলেন এবং পাসপোর্ট এর কাজ হয়ে গেল।
পাসপোর্ট অফিসে সাধারণ ভাবে কোন আবেদন জমা নেয় না। জমা নিতে গেলে নানান ভুল দেখিয়ে কাগজ ফের দেয়। এছাড়া এমন এমন কাগজ বা ডকুমেন্ট চায় যার কোন প্রয়োজনীয়তা নেই। অতঃপর পাসপোর্ট অফিস থেকে কোন এক কর্মকর্তা বা কর্মচারী কোন এক দালালের নাম ঠিকানা দিয়ে দেয়, যোগাযোগ করার জন্য। তার কাছে পাসপোর্টের নির্ধারিত ফি এর চেয়ে বেশি টাকা দিয়ে কাগজ জমা দিতে হয়। পাসপোর্টের দালাল টাকা বুঝে পেলে কাগজে কোন একটি চিহ্ন দিয়ে দেয়, এবং ফোন দিয়ে পাসপোর্ট অফিসে জমাকারির নাম বলে দেয়। অতঃপর কাগজ জমা দিতে কাউন্টারে গেলে আর কোন ঝামেলা করে না। আবেদন পত্র জমা নিয়ে নেয়।
সকাল থেকেই রংপুর পাসপোর্ট অফিসে ছোট ভাইয়ের জন্য পাসপোর্ট করতে গেছি কিন্তু তারা একের পর এক আবেদনে ভুল বের করতেছে কিন্তু কোন ভুল নেই। সেটা ঠিক করে অন্য দিন গেছি সিদিনো আবার আর একটা ভুল ধরছে সেদিন নিরুপায় হয়ে তাদের দাবি মেনে নিছি। মোটকথা আবেদন ১০০% ঠিক থাকলেও তারা ভুল বের করবেই। এভাবে আর কতোদিন?
Police verifications work but take my taka but not work. SB police