পাসপোর্টের নামের ভুল সংশোধন
প্রতিটা অফিসের মধ্যে অফিসের লোকজন কিছু দরবেশ বাবা রাখছেন তাদের মাধ্যমে কাজ করাতে হয়। দরবেশ বাবা ছাড়া কাজ করতে গেলে ফাইল রিজেক্ট করে দেয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রতিটা অফিসের মধ্যে অফিসের লোকজন কিছু দরবেশ বাবা রাখছেন তাদের মাধ্যমে কাজ করাতে হয়। দরবেশ বাবা ছাড়া কাজ করতে গেলে ফাইল রিজেক্ট করে দেয়
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস,মাগুরা তে আমার নামের বানান ভূল সংশোধন এ যাই। ওখানকার লাল দাড়িওয়ালা এক মুরব্বি আমার দিকে এগিয়ে আসে এবং জিজ্ঞেস করে, কি সমস্যা। আমি তাকে জানানোর পর তিনি বলেন, এইটা তো কঠিণ বিষয়। যাইহোক তুমি ৭ হাজার টাকা দিয়ো, আমি স্যারকে বলে করায় দিবানে। এদিকে উপরে যাইতে গেলে আনসার সদস্যগণ বাধা দেন।পরে জানতে পারি লাল দাড়িওয়ালা ব্যক্তি ওখানকার অফিস সহায়ক। ওনাকে দিয়ে কাজটা জরুরিভাবে ঘুস দিয়ে করাতে বাধ্য হয়🥹
আমার ছোট ভাইয়ের পাসপোর্ট করতে আমি নিজেই এপ্লাই করেছিলাম। বারংবার বিভিন্ন ভুল ধরে আমাকে সংশোধন করতে ফেরত পাঠানো হয়। কয়েকদিন যাওয়ার পরে বিরক্ত হয়ে আনসারের সাথে কথা বললে, আনসার বলে, উপপরিচালক টাকা ছাড়া নিজে আবেদন করলে সেটা জমা নেয় না। দালালের মাধ্যমে হলে জমা নেয়া হয়। তখন উপপরিচালকের সাথে কথা হয় এবং ২০০০ টাকা প্রদান করতে হয়। সাথে সাথেই উনি বলেন যে টাকা ছাড়া এটা যে হবে না এটা এখন বুঝলেন? এর পরে কাগজ জমা রাখে এবং ছবি তুলে।। আমি যে পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে ২০০০ টাকা ক্যাশ আউট করেছি তার প্রমাণও আছে। এটা শুধু আমার সাথে না সেখানে দালাল মুক্ত যারা যাচ্ছে তারা সবাই এর শিকার।।
আমি বরগুনা জেলার পাথরঘাটা থানার একজন বাসিন্দা। পাথরঘাটা থেকে বরগুনা শহরে আসতে যেতে প্রায় ১০০০/- টাকা খরচ হয়। আমার জাতীয় পরিচয় পত্রে পেশা দেওয়া ছিলো জেলে। বর্তমানে আমি একজন লাইসেন্সধারী ড্রাইভার। অতঃপর পাসপোর্টের আবেদন করার সময় আমি আমার বর্তমান পেশা দিয়ে আবেদন করি। আবেদন জমা দিতে গেলে অফিস কর্তৃপক্ষ আমাকে বলে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের পেশাতো জেলে দেওয়া, আপনি ড্রাইভার কেনো লিখেছেন? আমি বললাম ভাই আমি বর্তমানে একজন ড্রাইভার। তারা বললো হবে না, আপনি হয় জাতীয় পরিচয় পত্রের পেশা পরিবর্তন করে ড্রাইভার করে নিয়ে আসেন না হয় পাসপোর্টের আবেদনে জেলে লিখে নিয়ে আসেন। নাহলে পাসপোর্ট করতে পারবেন না। এই কথা শুনে আমিতো বিপাকে পরে যাই। তখন ১৫০০/- টাকার বিনিময়ে আমার পাসপোর্টের সেই আবেদনটাই গ্রহন করা হয়।
পাসপোর্ট এপ্লিকেশন ফর্মে শুধুমাত্র এড্রেসে কমা থাকার অযুহাতে ৩ টা পাসপোর্ট এপ্লিকেশন ক্যান্সেল করেন, যিনি ডকুমেন্টস যাচাই করেন তাকে এর সমাধান কি জিজ্ঞাসা করলে বলেন আশেপাশে অনেকেই আছে সমাধান করে দিতে পারে, কারা করে তিনি জানেন না কিন্তু ইশারায় আনসার সদস্য কে দেখায়ে দেন, আনসার সদস্যার কাছে গেলে তিনি ভেতরের একজন কে ডেকে নিয়ে আসেন। পাসপোর্ট খুব জরুরি থাকায় উপায় না পেয়ে বাধ্য হই টাকা দিতে।
ইপাসপোর্ট আবেদনের পর অফিসে গিয়ে জমা দিতে হয় লম্বা একটি লাইনের ঝামেলা ফেস করে। সেটার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখলাম লাইনের সামনে দিয়ে লাইন অমান্য করে পেছন থেকে লোকদের এনে টাকার বিনিময়ে ভিতরে প্রবেশ করিয়ে দিচ্ছে এতে লাইনে থাকা লোকদের ভোগান্তির শেষ নাই। সেখানে পুলিশের একজন সাব ইন্সপেক্টর থাকার পরেও ভিতরের অফিসারদের সাথে লিয়াজু করে একটি দালাল চক্র টাকার বিনিময়ে পাসপোর্ট জমা ও পাইয়ে দেওয়ার কাজ করছে যা জনসাধারণের ভোগান্তির অন্যতম কারণ।
চট্টগ্রাম পাশলাইশ অফিস Passport কিভাবে কর্মকর্তরা কিভাবে সাধারণত জনগন হয়রানি করে একজন মানুষ ডকুমেন্ট যখন সব ঠিক থাকে তখন তারা ভিন্ন অযুহাতে মাধ্যমে তাদেরকে আবার ফেরত পাটিয়ে দে এরকম তারা ১০০ এর মধ্যে ৫৮ জনে ফাইল ইচ্ছা কৃত ভাবে ফেরত পাটায় আর বাকি গুলো নে কারণ তাদের ও বুজাতে হয় তারা লিগ্যাল ভাবে কাজ করছে, যাতে তাদের ব্যব সা টা চলতে পারে এখন আসি যারা ফেরত যায় তারা কি করে যারা ফেরত যায় তাদের মধ্যে যারা চালাক আছে তারা আবার লাইনে দাঁড়িয়ে ফাইল জমা দেওয়া চেষ্টা করে আর যারা এ সব বুজে না তাদের৷ বাধ্য হয়ে দালাল ধরতে হয় দালাল রা কিভাবে ফাইল তাদের জমা দে দালালদের আগে থেকে একটা মার্কা দিয়ে থাকে সেখানে পার্সপোর্ট কর্মকতরা। যা সাধারণ ফাইলে থাকা লাষ্ট পেজে তারা৷ কর্ম কর্তারা দেওয়া সেই ইম
আমি অন্য জেলার লোক টাঙ্গাইল থেকে পাসপোর্ট করতে যেয়ে ২০০০ টাকা অতিরিক্ত দিয়েও পাসপোর্ট করতে পারিনি।
প্রতিদিন নোয়াখালী জেলা পাসপোর্ট অফিসে শত শত পাসপোর্ট আবেদন পড়ে, বিভিন্ন অজুহাতে আবেদনের তথ্য বা ডকুমেন্টস সমস্যা দেখিয়ে, আবেদন বাতিলের চেষ্টা করা হয়, অন্যথায় পাসপোর্ট অফিসের বাইরে থাকা ভাসমান কিছু লোক অথবা কম্পিউটার দোকানদারেরা ২ হাজার টাকা নিয়ে পুনরায় পাঠালে সহজেই 'ভুল' বলে বাদ দেওয়া আবেদন গৃহিত হয়। সরকারি নাগরিক সেবা পেতে এভাবেই প্রতি মাসে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্য হয় এখানে। মানুষ নিরুপায়।
পার্সপোর্ট বানানোর জন্য বেশ কয়েকদিন ঘোরাঘুরি করি, মায়ের নামে বানানে একটু সমস্যা। সেটা সংশোধন এর জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিসে গেলে তারা ২০০০০ টাকা দিলে আসংশোধন করে দেবে বলে। এরপর পার্সপোর্ট অফিসের সাম্নের এক ফটোকপির দোকানে এক দালালের সাথে পরিচয় হয়, তাকে ৫০০০ টাকা দিয়ে ২৫ দিনের মধ্যে পার্সপোর্ট হাতে পেয়েছি।
আমি একজন সিংগাপুর প্রবাসী বাংলাদেশ পাসপোর্ট অফিস পাসপোর্ট করতে গেলে।তারা আমাকে বলে আমি সিংগাপুরে আগে পাসপোর্ট রিনিউ করছিলাম।সেই ৫বছর আগের পাসপোর্ট এর রিনিউ করছিলাম।সেই সময় আমকে একটা রিনিউ সিলিপ দিয়েছিলো।সেই কপি এখন চাইতাছে সেই কপি ছাড়া নাকি পাসপোর্ট রিনিউ হবে না। আচ্ছা ৫বছর আগে পাসপোর্ট রিনিউ করছি সেই রিনিউ পেপার কি কারো কাছে থাকার কথা বলেন।
আর্জেন্ট পাসপোর্ট করাতে চেয়েছি, সেই টাকাও ব্যাংকে জমা দিয়েছি। এরপর ভেতর থেকে ছবি তোলার সময় ওখানকার একজন ফটোগ্রাফার বললেন যে, এখানে আর্জেন্ট কোন কাজ হয় না। আমাকে ৫০০০ দেন, ৩/৪ দিনের মধ্যে পেয়ে যাবেন।
বিস্তারিত বলে আর কি বা লাভ হবে টাকা তো পকেটে থেকে চলে গিয়েছে
আমি বেলকুচি যাই পাসপোর্ট এর আবেদন করতে আবেদন করতে অনলাইনে দেখলাম 5হাজার টাকার কিছু উপরে কিন্তু দোকানদার বলো 7500 টাকা দিতে আমি বললাম এত কেনো? সে বলল পাসপোর্ট করতে চাও? আমি বললাম হ্যাঁ কিন্তু এখানে তো দেখাচ্ছে আরও কম টাকা । সে বলল এই টাকা আমার একা না এই টাকা দিলে তুমি আজকেই সব কাজ করে যেতে পারবা। কিছুদিন পর শুধু এসে পাসপোর্ট নিয়ে যাইবা। আরো বললো এখান থেকে পাসপোর্ট অফিসে টাকা দিতে হবে তুমি এখান থেকে সিরাজগঞ্জ যাওয়ার আগেই। তাই আমিও বেশি কথা বাড়ালাম না টাকা দিয়ে দিলাম কারণ আমি জানি টাকা না দিলে ওরা আমাকে শুধু হেনস্তা করবে আমার কাজ করে দিবে না এমনকি আমার পাসপোর্ট আসতে 3 মাসও লাগতে পারে তাই আমিও 15 দিনের মধ্যে পাসপোর্ট পেতে বেশি কিছু করলাম না ।
পাসপোর্টের সরকারি ওয়েবসাইটে বলা আছে, পাসপোর্ট করতে সরকারি ফি হিসেবে ৫,৭০০ টাকা লাগবে। কিন্তু আমি যখন নিজে অনলাইনে আবেদন করে টাকা পরিশোধ করি, তখন কোনো কারণ ছাড়াই বলা হয় যে এই পাসপোর্ট হবে না। আমার ছোট ভাইয়ের বিদেশ যাওয়ার জন্য জরুরি ভিত্তিতে পাসপোর্ট প্রয়োজন ছিল। তাই শেষ পর্যন্ত বাইরে থেকে একজন দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত ৫,০০০ টাকা দিয়ে পুরো কাজটি করাতে হয়েছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, দালাল আমার মুখ দেখেই যেন বুঝে ফেলেছিল যে সরাসরি আবেদন করলে কাজ হবে না। সে নিজে আবেদন করে বলেছে, “এই কাগজ দেখালেই হয়ে যাবে।” এতে আমার মনে হয়েছে, পাসপোর্ট অফিসের ভেতরে দালালদের মাধ্যমে একটি অনিয়মিত সিন্ডিকেট কাজ করছে। অভিযোগ আছে, প্রতিটি পাসপোর্টের জন্য দালালদের মাধ্যমে অফিসের ভেতরে ১,৫০০–২,০০০ টাকা করে অতিরিক্ত নেওয়া .
এক্সপ্রেস ফি দিয়ে পাসপোর্ট করার পরেও ৭ দিনের স্থানে ২১ দিন পার হয়ে যায়। এরপর অফিসে দেখা করলে তারা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করেনি দেখায়। শেষে পুলিশকে ৩০০০ টাকা দিতে হয়।
It was a regular police verification process for passport. I was called from the Dhamrai Police Station for the verification process. After checking all my documents, the police officer did a mockery by saying "তাহলে এখন তো কাজ শেষ, বাসায় যাবেন কীভাবে? আমি বললাম বাসে যাবো। তারপর সে বলে যে তাহলে বাসের ভাড়া টা দিয়ে দেই?" I went into deep shock hearing what he just said. To be sure, I asked him that I didn't quite understand what he had told. He then reiterated the same, but in more pronouncing gesture. This time I understood his language was different, not his intentions. So, I had to pay Tk 500. Otherwise he might have disproved the verification.
ঘটনাটি ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারী বা মার্চের দিকে। গেলাম পাসপোর্ট অফিসে বড় বড় ব্যানার পোস্টারে লিখা বিভিন্ন রকম পাসপোর্টের তৈরির সময়সীমা, মেয়াদ ও টাকার পরিমান। এসব দেখে ভালোই লাগলো কিন্তু মন খারাপ হলো যখন দ্বিতীয় তলায় একটা রুমে গেলাম, তার আচরণ খুবই ভালো কিন্তু টাকা লাগবে ৪ হাজারের জায়গায় ৮০০০ হাজার। শুধু নাম ঠিকানা পরিচয় আর ফিংগার প্রিন্ট আর ফটো দিয়ে আসলেই হবে। আমি রীতিমতো অবাক, গেলাম অফিস প্রধানের কাছে ওনি বলে এবিষয়ে তিনি কিছু জানেন না, তাড়াহুড়ো করে নামাজে চলে গেলেন। তারপর আবার আগের জায়গায় এসে দেখি এক ছাত্র লীগের নেতা বলতেছে আমি ছাএলীগ করি আমাকেও গত ১মাস ধরে দিচ্ছেন না, আমি আপনাকে দেখে নিবো। তখন ঐ কর্মকর্তা বলেন আমার ভাই সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তা কিছুই করতে পারবি না, আর আমার বাসা শেরপুর।
পাসপোর্টটি খুব দ্রুত প্রয়োজন ছিল। তখন এসবের আশ্রয় নিতে হয়েছিলো। দালাল ছাড়া পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য যোগ্য হিসেবে গণ্য করা হতো না।
আমি আমার স্ত্রী এবং আমার সন্তানদের পাসপোর্ট এর জন্য চারটি পাসপোর্ট এপ্লাই করি করি সব কিছু ঠিক থাকার পরও তারা এটাকে ফিরিয়ে দিচ্ছিল এই সমস্যা ওই সমস্যা এটা বলে যখন আমি একটা দালালের মাধ্যমে যোগাযোগ করি তখন তারা বলে 6800 টাকা দিতে হবে চারটে পাসপোর্ট এর জন্য তখন আমি কি করবো