নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
5 tk er zaigai 10 tk nei
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হসপিটালে আমি কিছু বছর আগে বদলী হয়ে এসেছি। কিন্তু এই হসপিটালের নার্সিং সুপারভাইজার আনেক নার্সিং অফিসারের সাথে অমানবিক আচরণ করেন। তিনি ট্রেনিং থেকে শুরু করে সব কিছু অথের বিনিময়ে দিয়ে থাকেন। প্রতিটি ট্রেনিং এর পর প্রাপ্ত অর্থ থেকে(১০০০-৫০০০) কমিশন নেন। যারা দেন শুধু তারাই বার বার ট্রেনিং পান বাকি দের ওনি দেন না। এছাড়াও হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ দ্বায়িত্ব বন্টন করার ক্ষেত্রেও অর্থের লেনদেন করেন। যেমন ওয়ার্ড ইনচার্জ নির্বাচনে ওনি যোগ্য লোক মূল্যয়ন না করে অর্থ ও সুবিধা কে মূল্যয়ন করেন। উদাহরণ স্বরূপ হাসপাতালে ২০১৩-২০২০ এর পোস্টিং অনেক সিনিয়র নার্সিং অফিসার থাকালেও ওনেক ২০২২-২০২৫ পোস্টিং এর অফিসারকে ইনচার্জ নির্বাচন করে ওয়ার্ড পরিচালনা করছেন।অভিযোগ দিলে ওনি হুমকি দেন
গতকাল আত্মীয়র চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল এর Emergency ৩য় তলায় গেলে ENT OT রুমে ৫০০০ টাকা চায় এবং না দিলে সেলাই করবে না বলে জানায় ।রোগী সিরিয়াস থাকায় বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে সেলাই করতে হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভায়া টেস্টের জন্য প্রতি টা রোগী থেকে ৫০ টাকা করে নেওয়া হয় কোনো রিসিট ছাড়া। এবং বলা এ টাকা টেস্টের মেডিসিনের জন্য।
আমি আমার নানাকে নিয়ে হসপিটালে গেলে, কর্মরত ডাক্তার তাকে কিছু টেস্ট লিখে দেয়, আমার নানা একজন হার্টের রোগী তার শ্বাসকষ্ট আছে তাই আমি হুইল চেয়ার আনতে গেলে দেখি যেটা ফ্রি দেওয়ার কথা সেটা তারা বিভিন্ন কর্মীর হাতে হস্তান্তর করে দিয়ে রেখেছে, তাদের থেকে চাইতে গেলাম সে বলল এটা এভাবে দেয়া যাবে না আমরা নিয়ে যাব তার বিনিময়ে একশো টাকা প্রদান করতে হবে, আমি বললাম এটাতো ফ্রি সে আমাকে উত্তরে বলল প্রসাব করতে গেলেও দশ টাকা লাগে, আর এটা তো হুইলচেয়ার, ১০০ টাকা লাগবে, আমিও নিরুপায় কিছু করার নেই তাই ১০০ টাকা দিয়ে কাজ শেষ করলাম, কিন্তু এটা ফ্রি দেয়ার কথা ছিল
ওইখানের হসপিটালের পেলে বিভিন্ন দালাল চক্র থাকে সহজ সরল রোগীদের কে ভুল ভুল বুঝিয়ে অন্য হসপিটালে নিয়ে নিয়ে যায় এবং সেখান থেকে তারা পার্সেন্টেজ নিয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে হসপিটাল কর্তৃপক্ষ এইসব দালালদের বিপরীতে কোন ধরনের পদক্ষেপে নেয় না বা কোন ধরনের সতর্কীকরণ করে না যার ফলে গ্রাম বাঞ্চল থেকে আসা রোগীরা তাদের খপ্পরে পড়ে যায়
একটা এক্স রে করতে সরকারি ভাবে লাগে ২৫০ টাকা... ২৫০ টাকা পেমেন্ট করার পর যখন সিরিয়াল ধরে এক্স রে করতে যাই যেখানে গিয়ে গোপন রুমে নিয়ে অতিরিক্ত টাকা দাবি করে এক্স রের সাথে সংযুক্ত যারা রয়েছে অতিরিক্ত টাকা ৫০/১০০ দিতে হবে তাহলে হলে রিপোর্ট দিবে না। জিম্মি করে টাকা নিয়ে তারপর রিপোর্ট দিছে। ঘটনা শেরে বাংলার অর্থোপেডিক হাসপাতালে।
আমার ভাগিনার বাম হাতের ২ টা হাড় ভেংগে যাওয়ার কারনে। দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ এ আউটডোর ডাক্তার দেখিয়ে ভর্তি করাই। অর্থপেডিক ওয়ার্ড ৫ম তলা তে। তার হাত সার্জারী রুম এ প্লাস্টার করার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এবং যারা প্লাস্টার করে দিবেন তারা ২ জন ছিলো। প্লাস্টার করা শেষ হলে সেই ২ জন ব্যক্তি ২০০ টাকা চায় চা নাস্তা খাওয়ার জন্য। আমি প্রথমে দিতে চায়নি। সেই ব্যক্তি ২ জন মানে না। টাকা তাদের দিতেই হবে। পরে বাধ্য হয়ে ১০০ টাকা দিতে হয়েছে। মেডিকেল থেকে যেদিন রিলিজ হয় ঐ দিন। ঔ ওয়ার্ড এর আয়া রিলিজ এর ছাড়পত্র নিয়ে আসছে। তাকে ও নাকি ১০০ টাকা দিতে হবে। নাহলে ছাড়পত্র দিবে না। বাধ্য হয়ে ৫০ টাকা দিয়েছি। আমার কথা হচ্ছে দিনাজপুর সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ এই ব্যক্তি বা মানুষ গুলো কে কেনো টাকা দিতে হব। আমি জানতে চাই।
একজন গুরুতর অসুস্থ রোগীকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি করার পর চিকিৎসকরা ICU প্রয়োজন বলে জানান। পরিবারের পক্ষ থেকে ICU বেডের জন্য বারবার যোগাযোগ করা হলেও তাদের জানানো হয় কোনো সিট খালি নেই। অথচ তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা ICU-তে রোগী ভর্তি ও ছাড়ার ঘটনা নিজের চোখে দেখেছেন। পরদিনও রোগী ওয়ার্ডে থাকার পর পরিবারের একজন সদস্য ওয়ার্ডের একজন নিরাপত্তাকর্মীর কাছে সাহায্য চান। দীর্ঘ যোগাযোগের পর তাকে বলা হয়, টাকা দিলে ICU বেড “ম্যানেজ” করে দেওয়া সম্ভব। প্রথমে ১০,০০০ টাকা চাওয়া হয় এবং পরে ১১,৫০০ টাকা নেওয়া হয় বলে পরিবার জানায়। এরপর রোগী ICU-তে স্থানান্তরিত হয়ে চিকিৎসা শুরু হয়।
আমার চাচা কে নিয়ে কুমিল্লা সরকারি হাসপাতালে গিয়েছিলাম। সেখানে রোগী ভর্তির টিকিটের মূল্য সরকারি নির্ধারিত টাকা থেকে ৫ টাকা বেশী নেওয়া হয় সবার কাছ থেকে আমাকেও বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে । ওখানের আয়া, ট্রলিবয় রা ২০০/৩০০ টাকার বিনিময়ে রোগী বেডে নিয়ে যায়। টাকা দিতে না চাইলে গালাগালি এমনকি রোগী মেরে ফেলারও হুমকি দেয়। তাদের সিন্ডিকেট এত বড়ো যে কতৃপক্ষ কে জানানোর পরও আশানুরূপ কোনো ফল আজ পর্যন্ত পেলাম না। বরং কেউ প্রতিবাদ করলে হাসপাতালে যারা তাদের দলের সদস্য তাদের ডেকে এনে ভুক্তভোগী কে হেনস্তা করা হয়। চিকিৎসার মান অনেক খারাপ। নার্সরা গুরুত্ব দিয়ে রোগীর সেবা পর্যালেচনা করে না। রোগীর অভিভাবকদের সাথে দুব্যবহার করে অনেক। আপনারা তদন্ত করে দেখতে পারেন। সিন্ডিকেটে যুক্ত আয়া এবং ট্রলিবয়ের ২ টা ছবি আছে।
কুলিয়ারচর সরকারি হসপিটালের ডাক্তার তারা সব সময় টাইম মতো হসপিটালের আসে না, আসলে ও বেশি ভাব ডাক্তার কুলিয়ারচর বাজারে যে ছোট ছোট হসপিটালের আছে তাদের কাছে পাঠিয়ে দেয় পরিক্ষা করার জন্য কারন ডাক্তার রা পার্সেন্টেজ পাই এবং সরকারি হাসপাতালের ভিতরে যে কোন সমস্যা হলে দুইটাই ওষুধ দেয় নাপা ও প্যারাসিটামল আর কোন ওষুধ দেয় না তারা এক থেকে দেড় ঘন্টা রোগী দেখার পর বেশিরভাগ ফার্মেসিকেল লোকগুলো এসে ডাক্তারের সাথে তা বলে এবং ডাক্তাররা সে ফার্মেসিকেলের ওষুধ গুলা লিখে দেয় বলে ফার্মেসি থেকে কিরে খাওয়ার জন্য তার মানে কি হলো সবকিছু যদি কিনে তাহলে সরকারি হসপিটাল কেন পাইভেট হসপিটালে রক্ত পরীক্ষার জন্য ১২ শ বারোশো টাকা দিতে হয়েছে আমাকে
আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকার কারনে সরকারি হাসপাতালে আমার ছেলেকে চিকিৎসা করাতে পারি নাই৷ ৩০০০০ হাজার টাকা দিতে পারলে ভর্তি করতে পারতাম। বর্তমানে আমার ছেলে অন্ধ।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ডেন্টালে দাঁতের চিকিৎসা নিতে গিয়ে সিরিয়াল দিয়েছে ২০ দিন পর। পরে ডেট এগিয়ে দিতে বলায় এগিয়ে দিয়ে টাকা দাবি করে। ২০ টাকা দিলে নেয়নি, পরে ৫০ টাকা দিতে হয়েছে।
হাসপাতালের টলি বয় কে দিতে হয়েছে তা ছাড়া টাকা ছাড়া কোন রোগীর বেড পাওয়া যায় না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় টাকা দিলে সকল কিছু পাওয়া যায় হাসপাতালের X rey kora jay
I am new to here so I am straight gonna go to the actual problem, The "kerani" of adamdighi 150 or 250 "shojja" hospital (forgot the exact shojja number) are too much professional at the bribe. They take big numbers like some lac for retiring. You maybe get half crore retirement fund at retirement. They want big percentage. So much so tons of people there are that even after paying they don't work so one has to pay multiple times of 2 lac bribe. They spent maybe 10% of thier retirement funds crazy ain't it? So after taking the first payment that kerani literally retired and didn't do the job, so one had to pay another time for it. situation is absolutely shit. Prob THA is part as well
চট্টগ্রাম মেডিকেলে ওয়ার্ডে রোগী ভর্তি করাতে হলে একটি বেড পাওয়ার জন্য ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত স্টাফ/মাসিদেরকে ১০০টাকা করে চাদা দিতে হয়।তারা প্রত্যেক রোগির কাছ থেকে জোর করে এই চাদা আদায় করে থাকে।চাদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গালিগালাজ করে।সম্প্রতি আমি ১৯ নং ওয়ার্ডে (নাক,কান, গলা)বিভাগে ভর্তির জন্য গেলে এই ঘটনার সম্মুখীন হয়েছি।এবং বাধ্য হয়ে ১০০ টাকা চাদা পরিশোধ করেছি।যদি চাদা পরিশোধ না করি তাহলে তারা আমাকে বেড দিবে না বলে জানিয়ে দেয় ।
আমার শাশুড়ি মা এর সিজার এ মেয়ে বাবু হয়েছিল। মিটফোর্ড এর সলিমুল্লাহ হাসপাতাল এ আয়া গুলো ১০০০ টাকার নিচে বেবি দিবে না। বেবি কে নিয়ে ওয়ার্ড এ যেতে হলে ১০০০ টাকা তাদের দিতেই হয়। ওদের কে টাকা দেওয়ার পর যখন বেডে ট্রান্সফার করে তখন আবার অন্য আয়াদের টাকা দিতে হয় বেড দেওয়ার জন্য। রিলিজ নিয়ে বাসায় যাওয়ার সময় ও চা নাস্তার টাকা দিতে হয়েছে ।
একটা টেস্টের জন্য অনেক সিরিয়াল দিতে হয় পিজিতে, ডাক্তারের এক সহচর (পড়ুন চামচা) ও আনসার বলল টাকা দিলে সিরিয়াল ছারাই কাজ হয়ে যাবে। অথবা সারের অন্য একটি প্রাইভেট হাসপাতালে করান কমে করে দিবে।
শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ, বগুড়ায় ইমার্জেন্সি রোগীকে নিয়ে উপরে ওঠা নামার জন্য ট্রলি চাইলে ওয়ার্ড বয়/ঝাড়ুদার/অন্যান্য স্টাফ টাকা দাবী করেন। রোগী জরুরী অবস্থায় থাকায় প্রতিবার ২৫০ টাকা করে তিনবার উঠানামা করে ৭৫০ টাকা দিতে হয়েছে এবং ৪র্থ বার দামাদামি করে ১৫০ টাকায় রফা হয়। প্রতিবাদ করার উপায় বা সময় কোনটাই ছিল না কারণ পেশেন্টের অবস্থা খারাপ ছিল। অথচ হাসপাতালের প্রতিটি কোনায় কোনায় লাল কালি দিয়ে লিখা ট্রলিম্যানদের ৩০ টাকার বেশী দিবেন না..
আমার একজন রোগীর জন্য ইমারজেন্সি এ পজেটিভ ব্লাড এর প্রয়োজন। তিন ইউনিট ব্লাড এর প্রয়োজন ছিল।যখন আমি ব্লাড ব্যাংকে যাই। আমার ইমারজেন্সি খুব দরকার। বললাম ভাই আমার ব্লাডটা খুবই ইমারজেন্সি দরকার। উনারা বলল ক্রস মেশিনের জন্য দেড় ঘন্টা সময় লাগবে। আর একশত টাকা দিলে দুই মিনিট লাগবে। তারপর ১০০ টাকা দিয়ে দুই মিনিটে করে নিয়ে আসলাম কি করার বলেন। এই হচ্ছে বাংলাদেশ।