সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৬৭০ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
সরকারি হাসপাতাল

বাবার জন্য চিকিৎসা করতে গিয়ে

আমার বাবা হার্ট অ্যাটাক করেন প্রথমে হাইমচর উপজেলায় নেই, সেখানে ইসিজি করায় তবে কোনো সরকারি রশিদ ছাড়াই ২০০টাকা নেয়। অবস্থা খারাপ বলে চাঁদপুর ২৫০ শস্য বিশিষ্ট হাসপাতালে আমার বাবা কে নিতে বলে সেখানে গেলে আবারো ই,সি,জি করাই এবং সেখানেও ৩০০টাকা নেয়। পরে আমার বাবাকে ভর্তি করার কথা বল্লে বাবা না বলে, তারপরে আমরা ডাক্তার বলার কারনে ভর্তি করাই। পরে আরো ৪টা টেস্ট করি সেখানে বাবার রক্ত নিয়ে সরকারি কর্মীরাই ডায়াগনস্টিকে নিয়ে যায় আর আমাকে সেখানে ৭৫০০ টাকার টেস্টের জন্য টাকা দিতে হয়।টেস্টের কাজগ আনার পরে ডাক্তার মেডিসিন লিখে দেয়, তবে সব মেডিসিন কিনে আনতে হয়১৭০০টাকা,প রুমে নার্সরা পেশার আর ডায়বেটিস মাপার কারনে ১০০ টাকা নেয় সরকারি কোনো রশিদ ছাড়াই। তারপরে বেড পাইছি বালিশের জন্য এক আন্টিকে ৫০ টাকা দিতে হইছে।

শুধু দাবি করেছে
চাঁদপুর ৳১১.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি হাসপাতাল

সেবা

Nitor hospital a trali free 200 tk ata akdom free but akhnay taka nay word boy ra.onk dalal ase

ঘুষ দিইনি
Dhaka ৳২০০
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি হাসপাতাল

হাত ভাঙা

আমি অনুমানিক সকাল ৮ টা বাজে আমার আব্বুর হাত ভাঙা নিয়ে জাতীয় পঙ্গু হসপিটাল এ যাই যাওয়ার পর emergency doctor রা x rey করতে বলে X rey report নেওয়ার সময় আমার কাছে চা খাওয়ার জন্য 100 টাকা চায় তারপর x rey report নিয়ে যখন ডাক্তার কাছে যাই তখন ডাক্তার সাময়িক প্লাস্টার করতে দেয় প্লাস্টার করতে গেলে আমার চা খাওয়ার টাকা চায় 🙂

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা পঙ্গু হসপিটাল ৳২০০
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি হাসপাতাল

স্যারের চা নাস্তা বাবদ প্রত্যেকে ৫০০+৮০০+৬০০ টাকা দিবেন,অথবা এক মাস পরে আসবেন

ঘটনা ০১) ২০১৮ সালের নভেম্বর মাস, MATS থেকে মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট কোর্স শেষ করে এই সরকারি অফিসে যেতে হয় সার্টিফিকেট তুলতে, এখানে সাধারণত ডিপ্লোমা মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট,নার্স এদেরকে নানাভাবে হ্যানস্তা করা হয়। প্রভিশনাল সার্টিফিকেট উঠাতে সকাল ১০ টা থেকে এখানে অপেক্ষা করা হয় এবং বিকাল ৪ টা পর্জন্ত বসে থাকার পর, উপস্থিত দপ্তরি আমাকে বলে যে স্যারকে চা নাস্তা বাবদ কিছু দিলেই সার্টিফিকেট হাতে পেয়ে যাবেন। অতঃপর ৫০০ টাকার চা নাস্তা খরচ দেবার পর প্রভিশনাল সার্টিফিকেট হাতে পায় আমি। উলেক্ষ্য উনি প্রথমে ৭০০ টাকা চেয়েছিলেন কিন্তু দরদাম বার্গেনিং করে তবেই সেটা ৫০০ টাকায় নেমে আসে। ঘটনা ০২) ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস, ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট এর অরিজিনাল কপি উঠানোর জন্য সকল কাগজপত্র নিয়ে পুনরায় এই অফিসে যাওয়া লাগলো, একই স্টাফ একই অফিসার, একই ঘটনা, সকাল ১০ টা থেকে বসে বসে অপেক্ষা করার পর বিকাল ৪ টা বাজলে দপ্তরি এসে বললেন, স্যারকে চা নাস্তা বাবদ কিছু খাওয়ালেই উনি সার্টিফিকেট দিয়ে দেবেন। এবার চার নাস্তা বাবদ ৮০০ টাকা দেয়া লাগলো। এদিন আমি ওই অফিসে ঝুলিয়ে রাখা দুর্নিতি দমন কমিশনের রিপোর্ট বক্স দেখেছিলাম, সেখানে খাটি বাংলা ভাষায় স্টাফ ও অফিসারের নাম সহকারে এই চা নাস্তা খাবার কাহিনি লিখে রিপোর্ট জমা করেছিলাম। মনে হয়না কাজ হয়েছিল। ঘটনা ০৩) ২০২৩ সালের জুলাই মাস, পুনরায় এই স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি অফিসে যেতে হয়, একই স্টাফ একই অফিসার। এবার কাজ ছিল ট্রান্সক্রিপ নিয়ে। বরাবরের মত বহু অপেক্ষা শেষে এবারো বিকাল ৪ টায় চা নাস্তা বাবদ ভদ্রলোক অফিসার কে ৬০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এদিন আমি উনাকে খুব অপমান জনক কথা শুনিয়েছিলাম, অথচ লোকটা কি বিশ্রিভাবে হেসেই চলেছিল। এই ফ্রাস্ট্রেশন লিখে বুঝানো যাবেনা। এই দিনো আমি রিপোর্ট বক্সে রিপোর্ট লিখে জমা দিয়েছিলাম। পরিশেষে, আমার এই ঘটনা আরো অনেক ডিপ্লোমা মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট ও নার্সদের সাথে প্রতিদিন ঘটেই চলেছে। "চা নাস্তা বাবদ কিছু খরচ দিলেই হবে" এই ভাবে প্রতিদিন উক্ত অফিসের স্টাফ থেকে শুরু করে অফিসার সকলেই হাজার লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে থাকে। ব্যাপারটা এরকম যে যদি ৭ জন একসাথে যায় সার্টিফিকেট উঠাতে, তো বিকাল ৪ টা বাজলে প্রত্যেকে কাছ থেকে "চা নাস্তা" বাবদ ৫০০-১০০০ টাকার ঘুষ আদায় করে তবেই সার্টিফিকেট ছাড়া হয়। আরেকটা উপায় হল যদি কেউ ঘুষ দিতে না চায় তো ১৫ দিন থেকে ১ মাস পর সেই অফিসে গেলে তখন উক্ত কাগজ পাওয়া যায়। এখন এইটা কি কোনো যুক্তিসংগত সলুশন হল? আমি জানি এই সাইটে আমার এই রিপোর্ট পাব্লিশ হবার পরেও কোনো সমাধান হবেনা। এত দিন পর্জন্ত যখন সামাধান হয়নি এবারো হবেনা। আমি রিপোর্ট করলাম, নিজের মনকে শান্ত করতে যে এট লিস্ট এই অভাগার দেশে এরকম ডিজিটাল মাধ্যমে রিপোর্ট করার সিস্টেম রয়েছে। এবং অন্যারের বিরুদ্ধে জীবিত অবস্থায় রিপোর্ট করেছিলাম। এটাই মনের শান্তনা।

ঘুষ দিয়েছি
পল্টন ৳১.৯ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি হাসপাতাল

সাস্থ সেবা

তারা আমাকে বলেছিল আপনি যদি ৫শ,১হাজার, টাকা দেন, তার বিনিময়ে রোগীর জন্য এক্সট্রা সার্ভিস দিব।

ঘুষ দিয়েছি
জামালপুর সদর ৳৫০০
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি হাসপাতাল

পরীক্ষা

জাতীয় হৃদরোগ হসপিটাল থেকে পরীক্ষার রেফার করার পর বাচ্চার জরুরি টেস্ট এর জন্য ২০২৩ সালের দিকে বাতজ্বর হাসপাতালে যাই।কিন্তু সরকারি কোষাগারে টাকা জমা দিয়ে ৫ টাকার টিকেট কিনে যদি পরীক্ষার জন্য ফি জমা দিলে নাকি রিপোর্ট পেতে ১/২ দিন লাগতে পারে তাই ওই বাতজ্বর হাসপাতালের কর্মচারীদের একজন বললো আমাদের ভিতরে একজন মহিলা আছে ওনাকে ৩৫০ টাকা দিলে রিপোর্ট ১ ঘন্টার মধ্যেই পাওয়া যাবে।তখন আমার বাচ্চার জরুরি হার্টের চিকিৎসায় নিরুপায় হয়ে আমি ৩৫০ টাকা দিতে বাধ্য হই এবং ঠিক স্যাম্পল কালেকশনের ১ ঘন্টা পরেই রিপোর্ট পেয়ে যাই।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৩৫০
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি হাসপাতাল

রোগী নিয়ে যাওয়া

কাজিন এক্সিডেন্ট করেছিল। ইমারেন্সিতে নেওয়া পর আনুসঙ্গিক জিনিস লাগবে ১ টা করে দেওয়া হচ্ছে ২ টা। যেমন গ্লাবস ১ জোড়া লাগলেও ২ জোড়া লেখা হচ্ছে ক্যানুলা ১ টার জায়গায় ২ টা এমন। ওখান থেকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার সময় দেওয়া হলো বকশিশ। আবার অপারেশন থিরেটারে নিয়ে সেখানেও বকশিশ এবং জিনিস ডাবল ডাবল লেখা হলো। হাসপাতালের পরিবেশ + অন্য সবকিছু বিবেচনা করে সেখানে না রেখে নিয়ে চলে আসলাম।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা পঙ্গু হাসপাতাল (নিটোর) ৳২.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি হাসপাতাল

রোগীর পরীক্ষা নিরিক্ষার অতিরিক্ত টাকা আদায়

সরকারি নির্ধারিত ফি পরিশোধ করারা পর ও সেবা নিতে ওয়ার্ড বয় ৫০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে বাধ্য করে।

ঘুষ দিয়েছি
শের- ই - বাংলা নগর, পঙ্গু হাসপাতাল ৳৫০০
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি হাসপাতাল

রোগী ভর্তি

দুই হাজার টাকা চাইলে আমি তা দিতে অস্বীকার করি এবং আমাকে ভর্তি না করে অন্যত্র যেতে বলে।

ঘুষ দিইনি
Bagerhat ৳২.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি হাসপাতাল

আমি খুবই হতাশ

পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলাম অবস্থা খুবই খারাপ ছিল একটি হুইল চেয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছে ১০০ টাকার বিনিময় একটি টিকেট ফেরজনের আগে দিয়েছে ৫০ টাকার বিনিময় এক্সে রিপোর্ট করার সময় ১০০ টাকা দাবি করেছে না দিলে এক্সে রিপোর্ট নাকি ভালোবাসবে না প্লাস্টার করার সময় বলতেছি ১৫০০ টাকা লাগবে বাইরে থেকে নাকি চুন কিনতে হবে আর তাদের বকশিশ না দিলে ভালোভাবে প্লাস্টার হবে না

ঘুষ দিয়েছি
আগারগাঁও পঙ্গু হাসপাতাল ৳১.৫ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি হাসপাতাল

ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ডোপ টেস্ট করতে গিয়েছিলাম শেরেবাংলা নগরে National Institute of Mental Health

লাইসেন্সের জন্য ডোপ টেস্ট করতে হয়। আমার মেসের পাশে শেরেবাংলা নগরে National Institute of Mental Health-এ ডোপ টেস্ট করতে গিয়েছিলাম। ডোপ টেস্ট যেদিন করলাম রিপোর্ট পাইলাম তারপরের দিন। আবেদনের পরবর্তী ধাপে রিপোর্ট এটাচ করে আবেদন পত্রটি সাবমিট করি। কিন্তু বারবার BRTA থেকে রিজেক্ট আসতেছিল, বলছিল যে ডোপ টেস্টের রিপোর্টটি "হাসপাতাল থেকে ডোপ টেস্টের স্ক্যান কপির ইমেইল পাই নি"। এভাবে দুই সপ্তাহ চলে যাওয়ার পরে আমি আবার হসপিটালে যাই ওইখানে Department of Clinical Pathology তে গিয়ে কথা বলে জানতে পারি যে ওরা BRTA-তে মেইল পাঠাই নাই আমার রিপোর্টটি। এবং অনেকের রিপোর্ট এখনো পাঠায়নি অথচ ২ সপ্তাহ হয়ে গেল। পরে এক দালাল আসলো বললো ২০০০টাকা দিলে এখনই পাঠাবে আর তা না হলে কমপক্ষে এক মাস লাগবে।

ঘুষ দিয়েছি
শেরে বাংলা নগর, ঢাকা ৳২.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০
সরকারি হাসপাতাল

রাশিয়ার জন্য মেডিকেল করেছিলাম

আমি মেডিকেল দিয়েছিলাম সকাল ৯টায়,, রিপোর্ট বলে দুই দিন পরে দিবে, আমার দরকার আর্জেন্ট, বলে ৫০০ দেন আজকের মধ্যে দিব,

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ধানমন্ডি ৳৫০০
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি হাসপাতাল

অসুস্থ রোগী

আমার মায়ের পায়ের ব্যান্ডেজ খুলে দেবে এজন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল থেকে আমার কাছে থেকে ১০০ টাকা নিয়েছিল

ঘুষ দিয়েছি
টাঙ্গাইল ৳১০০
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি হাসপাতাল

হসপিটালের দায়িত্ব থাকা কর্মি

সরকারি হসপিটাল আমার রোগীর জন্য একটা বেড এর জন্য এক হাজার টাকা দাবি করে,

ঘুষ দিইনি
শেরপুর ৳১.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি হাসপাতাল

স্থানীয় সরকারি হাসপাতাল

সরকারি হাসপাতালে সেবা নিতে গেলে টাকা দাবি করে, তাহলে এক্সট্রা ভাবে দেখবে, তার ভিসিট ২০০ টাকা , যতবার তাকে আপনি এক্সট্রা ভাবে দেখাবেন ততবার ২০০ করে টাকা নিবে আমার স্ত্রীকে তিনটি স্যালাইন লিখে দিয়েছিলেন লাইনগুলোর নাম তিনি লিখে দিয়েছিলেন প্রেসক্রিপশনে, পরবর্তীতে আমি বাহিরে থেকে কিনে আনি তিনি পর্যায়ে কর্মে তিনটি লাইন দিয়েছিলেন ২০০ করে টাকা নিয়েছে, যতবার তার কাছে আমার স্ত্রী চিকিৎসার জন্য গিয়েছে ততবারই তাকে অর্থ প্রদান করতে হয়েছে আমি যতটুক জানি প্রায় দুই হাজার টাকার মত দেয়া হয়েছে। আমার মত এরকম অনেকেই ভুক্তভোগী আছেন, চিকন্দি সরকারি হাসপাত

ঘুষ দিয়েছি
শরীয়তপুর জেলা পালং থানা চিকন্দি ইউনিয়ন ৳২.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি হাসপাতাল

রোগী সিরিয়াল

ঢাকা মেডিকেলে রোগী সিয়ায়াল দেওয়া নিয়ে একজন আনসার অফিসার ইমার্জেন্সি গেটে ৫০ টাকা করে নিচ্ছিলো চুপিচুপি। যে বা যারা টাকা দিচ্ছে তাদেরকে সিরিয়াল গড়মিল করে আগেই ঢুকিয়ে দিচ্ছে।।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৫০
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি হাসপাতাল

নোয়াখালী, মাইজদী সদর হাসপাতালে বেডরের জন্য ঘুসের নিয়েছে

নোয়াখালী, মাইজদী সদর হাসপাতালে বেডরের জন্য ঘুসের নিয়েছে পরিবেশ একেবারে বাজে অবস্থা

ঘুষ দিয়েছি
নোয়াখালী, মাইজদি, সদর হাসপাতাল ৳৩.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি হাসপাতাল

Doctor dekhanor jonno jai

আমি আমার বোনের বাসায় বেড়াতে যাই তখন আমার ভাগ্নে খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে। ওকে নিয়ে যখন হাসপাতালে যাই তখন ডাক্তার কিছু টেস্ট দেয়। আরে ডাক্তার কে বললাম এখানে কি করা যাবে ডাক্তার বলল না। কিন্তু হাসপাতালে সবকিছু ছিল। পরবর্তীতে বাহিরের একটা প্রতিষ্ঠানকে উনি সাজেস্ট করল পরবর্তীতে ওখানে গিয়ে টেস্ট করে রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তারকে দেখালাম। পরবর্তীতে আমি ওই প্রতিষ্ঠানে আমার পরিচয় দিলে তারা স্বীকার করে যে টেস্ট প্রতি ডাক্তারকে ২০০ টাকা করে দিতে হয়। ডাক্তার দেখানোর শেষে ডাক্তারকে হাতেনাতে ধরলে সে না স্বীকার করে। আমার সাথে আমার বোন থাকার কারণে সমাধান না করেই চলে আসতে হয়। আমি উপস্থিত থাকা অবস্থায় প্রায় ২০ জন রোগী দেখছে সবাইকে টেস্ট করতে দিছে। প্রায় ২০ জনই গরিব পরিবার ছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Jhalokathi ৳২০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি হাসপাতাল

সরকারি ঔষধ অব্যবস্থাপনা ও দালালদের সাথে ডাক্তারদের যোগসাজশ।

সরকারি ঔষধ সরবরাহ থাকলেও সাধারণ রোগীদের দেওয়া হয়না। নেতাকর্মী ও স্টাফদের শুধু দেওয়া হয়। তবে দুষ্টু প্রকৃতির স্টাফদের মাঝে কিছু অফিস সহায়ক থাকে তাদের ৩০০ টাকা দিলে এক মাসের এন্টিবায়োটিক, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন এর ঔষধ মেনেজ করে এনে দেয়। এভাবেই সরকারি ঔষধ বিক্রি হয়। যা গোপনীয় ভাবে। অন্যদিকে ডাক্তারের সামনেই দালাল রা বাহিরে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্ররোচনায় ফেলে। ডাক্তার নিরব ভূমিকা পালন করে কারণ ওই ডাক্তারই বাহিরে বসে রোগী দেখে, সেখানে কমিশন নেয়। এভাবেই ডাক্তারদের ছত্রছায়ায় দালাল রা সক্রিয় থাকে। সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার কেনই বা হাসপাতালের সামনে ডায়াগনস্টিক এ বসে ভালো সেবা দেয়? হাসপাতালে গেলে সে সেবাটুকু পাওয়া যায়না।

শুধু দাবি করেছে
নকলা ৳৩০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি হাসপাতাল

ডাক্তার দেখাতে

ডাক্তার লাঞ্চ করতে যাবে,, ১০০ টাকা দিলে আমার রোগীটা লাঞ্চের আগে দেখার জন্য ভিতরে ডুকতে দিবে,, না হয় ১:৩০ মিনিট পরে আসতে,, আমার ইমারজেন্সি হাত কাটা রুগি ছিলো,, রগ কেটে গেছে সন্দেহে মেট্রোপলিটন হাসপাতাল থেকে ট্রান্সপার করছে,,তাই আমার ইমারজেন্সি ছিলো দিতে আাদ্য হলাম,,, সে ভিতরে ডুকতে দিছে আমাকে কিন্তু সিকিৎসার করছে ২ ঘন্টা পরে,, আমার টাকাটাই বৃথা গেলো,,এতে আমার তেমন সমস্যা না,, কিন্তু ইমার্জেন্সি টাইমে ১০০ টাকা অনেক কিছু,,তাকে টাকা দিয়ে ঔসুদ কিনে আমার পকেট খালি হয়ে গিয়েছিলো আসার ভাডাও ছিলো না,, রোগি এবং আমি দুপুরে না খেয়েই ছিলাম পরে ৪ টার দিকে,, একটা রিকশা নিয়ে বাসায় এসে বাসা থেকে বাডা নিয়ে দিতে হলো,,

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬