সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৬৮৩ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমির ওয়ারিশ অনুযায়ী বন্টন ও রেজিস্ট্রেশন

আমার নানারবাড়ির সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা হচ্ছে। এর মধ্যে এক মামা ১বছর ধরে দেশে পড়ে আছে, উনি বর্তমানে অন্য দেশের নাগরিক। আর আরো দুই মামা মারা গিয়েছেন। যার কারনে উনি ছাড়া এই কাজ করার কেউ নাই। সম্পত্তি আমার সকল মামা-খালা ও তাদের ওয়ারিশ দের মধ্যে বন্টন করে সবার নামে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট প্রায় ৬মাস ঘুরানোর পর এই মাসে ১৫লাখ টাকায় তারা সব কাজ সম্পূর্ন করে দিতে রাজী হয়। যেহেতু নানার বাজারে বেশ কিছু দামী সম্পত্তি ছিলো এরিয়ার নাম উল্লেখ করলাম না, তার জন্য তারা এত বেশি পরিমান টাকা দাবি করে।

ঘুষ দিয়েছি
নোয়াখালি ৳১.৫০ লাখ
২৯ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমির মিউটেশন বাবদ

আমি একটি জমি ক্রয় করেছি, জমিটি মালিকানা সমস্যার কারনে মামলা হইয়েছিল, সেই মামলার রায় হয় আমার পূর্ববর্তী মালিকের পক্ষে, জমিতে মামলা নিষ্পত্তি থাকার কারনে নাকি এইটা মিউটেশন করতে ঝামেলা হবে, তাই এইটা করতে হলে আমাকে দিতে হবে 1,10,000-1,20,000 টাকা, এই ছারাও তাদের নরমাল মিউটেশন খরচ নিতেছে ২৫,০০০-৪০,০০০ টাকা করে,

ঘুষ দিইনি
সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ৳১.১০ লাখ
২৯ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

রেজিষ্ট্রি

ফেনী সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে সাব রেজিস্ট্রার একজন সর্বোচ্চ দূর্নীতিবাজ অফিসার। তার কাছে কারো রক্ষা নেই। ১৫% থেকে শুরু করে ৩০% টাকা তাকে আগে পরিশোধ না করলে জায়গা রেজিস্ট্রি দেয় না। পুরো জেলা তার জন্য অতিসঠ। একাধিক গণমাধ্যম তাকে নিয়ে রিপোর্ট করলেও কাউকে পাত্তা দেয়ার এখতিয়ার মনে করে না।

ঘুষ দিইনি
ফেনী ৳১.৮০ লাখ
২৯ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জেলা রেজিষ্টার অফিস নোয়াখালী-অনলাইন কাবিন যাচাই মোটা অংকের ঘুষ ছাড়া হয় না ।

জেলা রেজিষ্টার অফিস নোয়াখালী- কম্পিউটার অপারেটর এবং প্রধান সহকারীর চাহিদামত ঘুষ না দিলে প্রবাসীদের কাবিন অনলাইন যাচাই হয় না । সংশ্লিষ্ট কাজী, ভলিয়ম বই এবং সেবাপ্রত্যাশী হাজির হলে ও ঘুষ অব্শ্যই দিতে হয় । আমি এজেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করেছি । স্কিনশট দেয়ার অপশন নাই তাই দেয়া যাচ্ছে না । স্থানীয় মিডিয়া অনেক নিউজ করছে তার পরে ও নোয়াখালী জেলা রেজিষ্টার অফিসে প্রবাসীদের হয়রানি বন্ধ হয় নাই । নতুন নতুন নিয়মের দোহাই দিয়ে ঘুষের অংক নির্ধারন করে থাকে । আমরা প্রবাসীরা অসহায় । অনেকের কাছে জানতে পারলাম শুধুা আমাদের নোয়াখালী জেলা নয় প্রত্যেক জেলায় ই রেজিষ্টার অফিস এবং কাজীদের চাহিদামত টাকা ছাড়া সেবা পাওয়া যায় না ।

ঘুষ দিয়েছি
নোয়াখালী ৳৫.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জেলা রেজিষ্টার অফিস/ কাবিন নামা অনলাইন যাচাই প্রক্রিয়ার জন্য জেলা রেজিষ্টার অফিস এবং সংশ্লিষ্ট কাজী

আমারা প্রবাসীদের নিকাহ নামা সত্যায়নের জন্য নতুন নিয়মে জেলা রেজিষ্টার অফিস হতে যাচাই করতে হয় । এই প্রক্রিয়ায় আমাদের লক্ষীপুর জেলা রেজিষ্টার অফিস এবং সংশ্লিষ্ট কাজীগন উচ্চহারে ঘুষ ছাড়া কোন কাবিন যাচাই করে না । জেলা রেজিষ্টার অফিসের কম্পিউটার অপারেটর এবং জেলা রেজিষ্টার কাজীর মাধ্যমে সরাসরি ঘুষ গ্রহন করে । ঘুষ ছাড়া কোন কাবিন যাচাই করা সম্ভভ হয় না । রেজিষ্টার অফিসে যোগাযোগ করলে ওরা বলে কাজির সাথে যোগাযোগ করেন । কাজী জেলা রেজিষ্টার অফিস এবং তার চাহিদা মত টাকা না পেলে কোন তথ্য দেয় না । জেলা রেজিষ্টার অফিস বেশ কিছুদিনের মধ্যে টাকা না পেলে । আবেদন সরাসরি বাতিল করে দেয় । মন্তব্যে লেখে কাজীর কাছ থেকে কোন তথ্য পাওয়া যায় নাই/ অথবা কাজীর অসহযোগিতার জন্য বাতিল করা হলো । প্রত্যেক জেলায় বর্তমানে একই অবস্থা

ঘুষ দিইনি
লক্ষীপুর ৳২৫.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

রেজিষ্ট্রেশন

৫ কাঠা জায়গা গাজীপুর বাসন থানার রেজিষ্ট্রেশন করতে যাই । সরকারি সকল ফি দিয়ে সকল নিম মেনেও সাব রেজিস্ট্রার আটকে রেখেছিলেন । ফেরত দিলে তার পাশে ২/৩ জন লেক থাকে যারা দলিল গুলো এগিয়ে দেয় , তারা যখন টাকার কথা বললো তারপর টাকা দিলাম এবং কাজ সাথে সাথে করে দিল । যদিও সকল কাগজ পত্র এবং সরকারি ফি দেওয়া হয়েছিল ।

ঘুষ দিয়েছি
গাজীপুর ৳১৫.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল নিবন্ধন

খতিয়ান এ যার নাম দেওয়া আছে তিনি মৃত এবং তার এক ছেলে ওয়ারিশ রেখে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। খতিয়ান এ মালিক এর নামের সাথে তার রেখে যাওয়া ওয়ারিশ এর এনআইডি কার্ডে উল্লেখিত মালিকের নামের ভিন্নতা আছে। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একই নামের প্রত্যয়নপত্র নেওয়া হয়েছে, তারপরেও ঘুষ দাবি করেছে । ঘুষ না দিলে দলিলে স্বাক্ষর করবে না এমন কথা বলেছে। পরবর্তীতে আমি ৳১০০০ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই। এছাড়াও দলিল এ ছিল ও অন্যান্য স্বাক্ষর এর জন্য ৳৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। এবং দলিল লেখক, ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ের জমি দলিল করার জন্য সাব-কবলা দলিল এর জন্য ৳২০০০০০ লক্ষ টাকায় ক্রয়কৃত ২.৭৫ শতাংশ জমির জন্য সরকারি ফি/চালান এর কথা বলে ৳১৮০০০ টাকা নিয়েছিল। এছাড়াও অন্যান্য ভুয়া সার্ভিস এর কথা বলে অতিরিক্ত ৳৩৫০০ টাকা নেয়।

ঘুষ দিয়েছি
মাদারীপুর ৳১.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

সার্টিফাইড কপি উত্তোলন

একটি দলিলের নকল কপি প্রয়োজন হওয়ায় নকল কপি তোলার জন্য যাই। সরকারি খরচ সহ ৩০০০ টাকা প্রদান করতে হয়েছে। সম্ভবত সরকারি কোষাগারে ৫০০-৭০০ টাকা লাগে। বাকিটা কই গেল। প্রশ্ন করার সুযোগ না। এটাই অলিখিত নিয়ম।

ঘুষ দিয়েছি
রাজশাহী ৳৩.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল রেজিষ্ট্রেশনে বিভিন্ন ভুল ধরে প্রতিনিয়ত প্রকাশে নেওয়া হচ্ছে বড় অনেক ঘুষ

শ্রীবরদী উপজেলার সাব রেজিষ্ট্রেশন অফিসে কোন দলিল করতে গেলে যদি ভুল খতিয়ানের কপি না থেকে ফটো কপি থাকে তাহলে ৪ হাজার টাকা ঘুষ ছাড়া দলিল হয় না নামের প্রত্যয়ন থাকলে দিতে হবে ৫০০০ টাকা মিস কেস খতিয়ান হলে দিতে হবে ৫০০০ টাকা ১৮ বছরের উপরের দাতা বা গ্রহীতার এনআইডি না থাকলে সনদ হলে দিতে হবে ৫০০০ টাকা আদালতের রায় ডিগ্রির মাধ্যমে দাতা জমির মালিক হলে দিতে হবে ৫০০০ টাকা ইত্যাদি আরো অনেক ঘুষ লেনদেন হচ্ছে প্রতি নিয়ত আরো অনেক অভিযোগ আছে এই সবগুলোর সত্যতা পাবেন সাব রেজিষ্ট্রেশন অফিসে গিয়ে কোন দলিল লেখকের সাথে জমি রেজিষ্ট্রেশন বিষয়ে কথা বললেই

শুধু দাবি করেছে
শ্রীবরদী ৳৫.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রি

হেবা দলিল রেজিস্ট্রি করার জন্য প্রতিটা টেবিলে টাকা দিতে হয়। সরাসরি টাকা নেয় না কেউ। সবার পকেটে দালালের মাধ্যমে টাকা যায়। আর দালাল ছাড়া কাজ ও হয়না। যে ছেলেটা টিপসই নেয় সরাসরি ও টাকা নেয় ২০০ করে প্রতিটা টিপসই এর জন্য। দালালকে দিসি ১৭০০০ টাকা সরকারি খরচ ৩-৫ হাজারের মত। বাকিটা প্রতিটা টেবিলে যায়। আর দালাল ৫ হাজারের মত খায়।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১৭.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

বন্টননামা করা প্রসঙ্গে

যে কোন সাব রেজিষ্ট্র অফিসে বন্টন নামার জন‍্য সর্বোচ্চ সরকারি ফি বা খরচ ২০০০-২৫০০ টাকা হয়ে থাকে। কিন্তু বন্টন নামা রেজিষ্ট্রি করতে ১০০০০০ টাকার উপরে নিয়ে থাকে। আমার এক গ্রাহক যশোর সদর সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে বন্টননামা করতে গেলে উক্ত টাকা দাবি করে।

শুধু দাবি করেছে
সমগ‍্র বাংলাদেশের সব সাব রেজিস্ট্র অফিস ৳১.০০ লাখ
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল রেজিস্ট্রি করতে দলিল লেখক ও সাব রেজিস্ট্রার কে অতিরিক্ত টাকা প্রদান করতে হয়

দলিল রেজিস্ট্রি করতে যাওয়ার পরে দলিল লেখক বললো বাড়তি ১০০০০ টাকা না দিলে দলিল রেজিস্ট্রি অফিসার রেজিস্ট্রি করবে না। পরে বাড়তি টাকা দিতে হয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৬.০ হাজার
২৮ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

সহায্যের আকুল আবেদন

মনগড়া টাকা চায় জায়গা জমি রেজিস্ট্রি করতে গেলে, একটা প্রকাশ নামের জন্য ১০/২০হাজার টাকা চায়, দানপত্র,হেবা কোনটাতেই ছাড় দেয়না, গরীব দুঃখী দেখার টাইম ওদের নেই, কক্সবাজার জেলার রামু সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের মত দুর্নীতি আর কোথাও নেই, সেখানের সাব-রেজিস্টার একটা আস্ত বিবেকহীন জানোয়ার আর তার সহচরেরা তো আরও বেশি অমানুষ। প্লিজ, যদি সম্ভব হয় তাহলে এই রামু সাব রেজিস্ট্রি অফিসের এমন দুর্নীতি রোধে কিছু একটার ব্যাবস্হা নিন.....

ঘুষ দিইনি
রামু,কক্সবাজার ৳১.০০ লাখ
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিষ্ট্রেশন

জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে অতিরিক্ত ৫০০০ টাকা দিতে হয়।না হলে কাজ ফেলে রাখে।সবাই এই টাকা দিয়েছে। তাই আামাকে ও দিতে।সবার সমনে ওপেট কাটা নিয়ে ড্রয়ারে রাখছে।

ঘুষ দিয়েছি
কক্সবাজার ৳৫.০ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য