সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৬৫৮ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমির দলিল

দলিল পুরনো হয়ে যাওয়ায়, লেখা ঠিক মতো বুঝা যাচ্ছিলো না। আর এই দলিল আমার বিশেষ প্রয়োজনে দ্রুত লাগছিলো। পরে সেটি বাইর করার জন্য একজন লোক ১৫০০০ টাকা দাবি করে। ওনি বলেন এটা অনেক পুরোনো দলিল এসব এর নতি আছে কি না ঠিক নাই। এরকম আরো অনেক কিছু বুঝাতে শুরু করলেন। পরে নিরুপায় হয়ে টাকা দিয়ে ২ দিনের মধ্যে নতুন করে পেয়ে গেছি।যেহেতু জরুরি প্রয়োজন ছিলো তাই কোনোরকম ঝামেলা করতে চাইনি।

ঘুষ দিয়েছি
কুড়িগ্রাম ৳১৫.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

নামজারি

আমার ব্যক্তিগত জমির রেকর্ডের নাম সংশোধনের সেবা নিতে গেলে সাব রেজিস্টার কর্মকর্তা এক লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি প্রত্যাখ্যান করি। কিন্তু অনেক অসহায় গরিব ব্যক্তি হয়রানি না হওয়ার জন্য ঘুষ দিয়ে সেবা গ্রহণ করে। বাংলাদেশ সরকারের দুর্নীতি দমন কমিশন সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যেন বাংলাদেশের সকল সাব রেজিস্টার অফিসে ঘুষ ছাড়া সাধারণ জনগণ সেবা নিতে পারে।

ঘুষ দিইনি
নবাবগঞ্জ,দিনাজপুর ৳১.০০ লাখ
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

অসন্তোষ জনক

সাব রেজিস্ট্রার অফিসের আগে থেকে একজনের সাথে পরিচয় ছিল, আমার একটা জমির নকল তুলতে হবে তাকে ফোন করি, অফিসিয়াল এর চেয়ে অনেক বেশি টাকা চেয়ে বসে তখন আমার নকলটা প্রয়োজন তাই বেশি টাকা দিয়ে জমির নকল বের করতে হইছে

ঘুষ দিয়েছি
নওগাঁ ৳৩.৫ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিলের ডিপি খতিয়ান ভুল থাকায় সংশোধন

২০২৫ সালের জুলাই মাসের দিকে রংপুর শহরের একটি জমি কেনার জন্য কাগজ পত্র যাচাই করতে গিয়ে দলিলে ডি পি খতিয়ান নম্বর ভুল দেখতে পাই। পরে দলিল লেখক কে সাথে নিয়ে সাব রেজিষ্টার এর কাছে গেলে উনি বলেন এটা সংশোধন করতে হলে কোর্টে যেতে হবে। পরে উনি দলিল লেখকের মাধ্যমে আমাকে ৮০০০০ টাকার বিনিময়ে কাজ করে দেয়ার প্রস্তাব দেয়। আমি বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে জমির মালিককে বলি আমি আপনার জমি নিব না। আপনি কাগজ ঠিক করে দেন তাহলে বায়না করবো। জমির মালিকের জরুরি টাকার প্রয়োজন ছিল। তাই তিনি আমাকে টাকার বিনিময়ে কাজটি করে দিতে অনুরোধ করেন আর বলেন যে টাকা খরচ হবে সেটা জমির দাম থেকে বাদ দিবেন। পরবর্তীতে আমি ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি করে নিই।

ঘুষ দিয়েছি
রংপুর সাব রেজিস্ট্রার এর অফিস ৳৮০.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

ভিটা বাড়ি জমির জন্য শতাংশ প্রতি 1000 টাকা ঘুষ দিতে হয় একজন সাব রেজিস্টার অফিসার কে।

আমি ৬ শতাংশ জমি বিক্রি করেছিলাম । সাব রেজিস্টার বলল ৫০০০ টাকা ঘুষ না দিলে দলিল হবে না। তারপর ৫ হাজার টাকা দিয়ে দলিল করতে হয় আমকে।

ঘুষ দিয়েছি
পাথরঘাটা উপজেলা, বরগুনা, বরিশাল। ৳১.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

পাওয়ার অব এটর্নি

আমি আমার আত্নিয়ের পাওয়ার অব এটর্নি সাব রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্টার করতে চাচ্চিলাম। সে জন্য একজন মোহরীর সাথে কথা বলেছিলাম। ত পাওয়ার অব এটর্নিতে সম্পদের কথা এবং পরিমান সব একত্রে উল্লেখ আছে কিন্তু মোহরি বলল যে উক্ত পাওয়ার অব এটর্নিতে নাকি সম্পদের কথা আলাদা করে উল্যেখ করতে হবে। তারপর যেহেতু ভুল হয়েছে সেহেতু আমি চলে যাচ্ছিলাম। তখন হটাত করে সে আমাকে আড়ালে নিয়ে বলল যে এটা রেজিস্টারি হবে যদি কিছু সালামী দেই। ত আমি বললাম কত।।তখন সে ভিতরে গিয়ে সাবরেজিস্ট্রার এর কাছে থেকে জেনে এসে আমাকে বলে ৬০,০০০. আমি বললাম ৬০,০০০ টাকা তুমাকে পুটকি দিয়ে ঢুকিয়ে দিব, বলে চলে আসি । পরে আমার আত্নীয় লন্ডন থেকে দেশে আসেন ও সামনা সামনি থেকে জমির বণ্ঠন নিষ্পত্তি করে । আসলে আমলাদের জন্য শত শত কোটি টাকা সরকার পাচ্ছে না।

ঘুষ দিইনি
সিলেট ৳৬০.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

অবৈধভাবে আমার জমি অন্য আরেকজনের নামে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছে

আমার তুমি অন্য একজনের কাছে রেজিস্ট্রি করে দিচ্ছিল। এটা আটকানোর জন্য তাকে বিশ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
নাজিরপুর উপজেলা সাব রেজিস্টার অফিস ৳২০.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

Marriage certificate Apostle

আমি নরসিংদী সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অধীনে অনলাইনের মাধ্যমে ম্যারেজ সার্টিফিকেটের অ্যাপোস্টিল (Apostille) ভেরিফিকেশনের আবেদন করেছিলাম।আবেদন করার পর প্রায় সাড়ে তিন মাস পার হয়ে গেলেও ফাইলের কোনো অগ্রগতি হচ্ছিল না। অনলাইন ট্র্যাকিংয়ে শুধু প্রথম ধাপে 'রিসিভড' দেখাচ্ছিল, কিন্তু কাজ আর সামনে এগোচ্ছিল না। অনেকদিন অপেক্ষার পর অনলাইনে অভিযোগ জানিয়েছি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ইমেইল করার কথাও ভেবেছিলাম। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছিল না। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারি যে, এখানে মূলত ঘুষ ছাড়া কোনো ফাইল অনুমোদন পায় না। আগের নিয়মে কাজগুলো স্বাভাবিকভাবে হলেও সাম্প্রতিক সময়ে এই ঘুষের প্রবণতা অতিরিক্ত মাত্রায় বেড়ে গেছে।কোনো উপায় না দেখে আমি আমার পরিবারের সদস্যদের সরাসরি নরসিংদী সদর অফিসসেখানে যাওয়ার

ঘুষ দিয়েছি
Narsingdi ৳৫.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিষ্ট্রেশন

আমি ১৯.০৮.২৬ ইং তারিখে জমি রেজিষ্ট্রেশনের জন্য মহুরি দারা পেপারস রেডি করি। জানতে সাব-রেজি. সেই দিন ১৫০ -১৮০ দলিলের কাজ সম্পূর্ণ করবেন। কিন্তু সাব-রেজি. ১১৬ টি দলিল দেখার পর ওনি চলে যেতে চান। সাব-রেজি. মহুরি সমিতির সভাপতিকে বলেন আমি যদি থাকি তাহলে দলিল প্রতি আমাকে ১০০০ টাকা করে দিতে হবে। অথচ আমার দলিল সিরিয়াল ছিল ১৩১ নম্বর। ওনি ১১৬ টি করার পর যখন ১০০০ টাকার চুক্তি হয়, তারপর আরও তিনি ৩০-৩৫ টা দলিল পার করে দেন। সেক্ষেত্রে আমাকেও ১০০০ টাকা দিয়ে দলিল কাজ সম্পূর্ণ করে নিতে হয়। আমাত ছুটি শেষ হওয়ার কারণে পরবর্তী কার্যদিবসের অপেক্ষায় থাকতে পারবো না, সে কারনে আমাকেও এই ১০০০ টাকা দিয়ে পার করে নিতে হয় দলিল। এখানে সাব-রেজি. কৌশল করে এই ঘুষ গুলো করেন।

ঘুষ দিয়েছি
সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা ৳১.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

মিউটেশন

আমি আমার জমি মিউটেশন করাতে কি ৫,০০০ টাকা দাবী করে। পরে দেখলাম সবাই ই এই আমল করে। পরে নিরুপায় হয়ে টাকা দিছি কাজ শেষ!

ঘুষ দিয়েছি
কলাপাড়া ৳৫.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রি

জমি রেজিস্ট্রি করতে সরকারি টেক্স ছাড়াও অতিরিক্ত টাকা ছাড়া একটা দলিল রেজিস্ট্রি করা সম্ভব না। এই চিরন্তন সত্য নিরবে সবাই হজম করে। সাব রেজিস্ট্রার এই ধরনের ঘুষ লেনদেন ছাড়া জমি কেনা/বেচার দলিলে স্বাক্ষর করেন না। এই দপ্তরের ঘুষ লেনদেন কখনো বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

ঘুষ দিইনি
সাব রেজিস্ট্রার অফিস ৳১.২০ লাখ
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য