সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৬৮৩ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳১.০০ লাখ

দলিল রেজিষ্ট্রেশন ও বন্ধকী দলিল

ঢাকার তেজগাঁও রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্সে বাড্ডা এলাকা দায়িত্বে থাকা ""সাবরেজিস্ট্রার —"" তার অফিসের কর্মচারীদের মাধ্যমে দলিল লেখককে দিয়ে বাধ্যতামুলকভাবে Unofficially সরকারি ফি'র অতিরিক্ত হিসেবে "" ব্যাংক লোনের মাধ্যমে রাজধানীর আফতাবনগরে ফ্ল্যাট ক্রয়ে রেজিষ্ট্রেশন ও ব্যাংক মর্টগেজ দলিল" বাবদ প্রায় ০১ লক্ষ টাকা নিয়েছেন। সাধারণ মানুষ এদের কাছে অসহায় কারণ এখানে সকল সাবরেজিস্ট্রাররা মিলেমিশে "সিন্ডিকেট করে" ঘুষ দিতে বাধ্য করেন।

তেজগাঁও, ঢাকা ২৭ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৬০.০ হাজার

ফ্ল্যাট রেজিষ্ট্রেশন

আমার ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি করার জন্য ৬০০০০হাজার টাকা দাবি করেছিল । এর কম হলে লয়ার রাজি হচ্ছে না কারণ ঘুষ ছাড়া সাব রেজিস্ট্রি কাজ করে না।পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে ৫০০০০হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে আমার ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি করতে হয়েছিল । ভুমি, সাব রেজিস্ট্রি, সিটি কর্পোরেশন এইসব জায়গায় সব দুর্নীতিবাজ লোকজনের আড্ডাখানা ।

চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳১৮.০ হাজার

নাম জারী

আমি ১ গন্ডা জমি নামজারী সরকারী ফি ১৫০০ টাকা,ঘটনাটা ঘটে চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা থানার সাব রেজিস্ট্রার অফিসে, আমার কাজ থেকে ১ গন্ডা জমির নামবজারী নাবদ ১৮,০০০ টাকা নিয়েছে,সাব রেজিস্ট্রার অফিসে টাকা না দিলে কাজ হয় না। ওনার বিষয়ে মানব বন্দন ও করা হয়েছে। কিছুই হয়নও

চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৮০.০ হাজার

দলিলের ডিপি খতিয়ান ভুল থাকায় সংশোধন

২০২৫ সালের জুলাই মাসের দিকে রংপুর শহরের একটি জমি কেনার জন্য কাগজ পত্র যাচাই করতে গিয়ে দলিলে ডি পি খতিয়ান নম্বর ভুল দেখতে পাই। পরে দলিল লেখক কে সাথে নিয়ে সাব রেজিষ্টার এর কাছে গেলে উনি বলেন এটা সংশোধন করতে হলে কোর্টে যেতে হবে। পরে উনি দলিল লেখকের মাধ্যমে আমাকে ৮০০০০ টাকার বিনিময়ে কাজ করে দেয়ার প্রস্তাব দেয়। আমি বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে জমির মালিককে বলি আমি আপনার জমি নিব না। আপনি কাগজ ঠিক করে দেন তাহলে বায়না করবো। জমির মালিকের জরুরি টাকার প্রয়োজন ছিল। তাই তিনি আমাকে টাকার বিনিময়ে কাজটি করে দিতে অনুরোধ করেন আর বলেন যে টাকা খরচ হবে সেটা জমির দাম থেকে বাদ দিবেন। পরবর্তীতে আমি ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি করে নিই।

রংপুর সাব রেজিস্ট্রার এর অফিস, রংপুর ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳১.০০ লাখ

নামজারি

আমার ব্যক্তিগত জমির রেকর্ডের নাম সংশোধনের সেবা নিতে গেলে সাব রেজিস্টার কর্মকর্তা এক লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি প্রত্যাখ্যান করি। কিন্তু অনেক অসহায় গরিব ব্যক্তি হয়রানি না হওয়ার জন্য ঘুষ দিয়ে সেবা গ্রহণ করে। বাংলাদেশ সরকারের দুর্নীতি দমন কমিশন সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যেন বাংলাদেশের সকল সাব রেজিস্টার অফিসে ঘুষ ছাড়া সাধারণ জনগণ সেবা নিতে পারে।

নবাবগঞ্জ,দিনাজপুর, রংপুর ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳১৫.০ হাজার

জমির দলিল

দলিল পুরনো হয়ে যাওয়ায়, লেখা ঠিক মতো বুঝা যাচ্ছিলো না। আর এই দলিল আমার বিশেষ প্রয়োজনে দ্রুত লাগছিলো। পরে সেটি বাইর করার জন্য একজন লোক ১৫০০০ টাকা দাবি করে। ওনি বলেন এটা অনেক পুরোনো দলিল এসব এর নতি আছে কি না ঠিক নাই। এরকম আরো অনেক কিছু বুঝাতে শুরু করলেন। পরে নিরুপায় হয়ে টাকা দিয়ে ২ দিনের মধ্যে নতুন করে পেয়ে গেছি।যেহেতু জরুরি প্রয়োজন ছিলো তাই কোনোরকম ঝামেলা করতে চাইনি।

কুড়িগ্রাম, রংপুর ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৩.৫ হাজার

অসন্তোষ জনক

সাব রেজিস্ট্রার অফিসের আগে থেকে একজনের সাথে পরিচয় ছিল, আমার একটা জমির নকল তুলতে হবে তাকে ফোন করি, অফিসিয়াল এর চেয়ে অনেক বেশি টাকা চেয়ে বসে তখন আমার নকলটা প্রয়োজন তাই বেশি টাকা দিয়ে জমির নকল বের করতে হইছে

নওগাঁ, রাজশাহী ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৫.০ হাজার

Marriage certificate Apostle

আমি নরসিংদী সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অধীনে অনলাইনের মাধ্যমে ম্যারেজ সার্টিফিকেটের অ্যাপোস্টিল (Apostille) ভেরিফিকেশনের আবেদন করেছিলাম।আবেদন করার পর প্রায় সাড়ে তিন মাস পার হয়ে গেলেও ফাইলের কোনো অগ্রগতি হচ্ছিল না। অনলাইন ট্র্যাকিংয়ে শুধু প্রথম ধাপে 'রিসিভড' দেখাচ্ছিল, কিন্তু কাজ আর সামনে এগোচ্ছিল না। অনেকদিন অপেক্ষার পর অনলাইনে অভিযোগ জানিয়েছি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ইমেইল করার কথাও ভেবেছিলাম। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছিল না। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারি যে, এখানে মূলত ঘুষ ছাড়া কোনো ফাইল অনুমোদন পায় না। আগের নিয়মে কাজগুলো স্বাভাবিকভাবে হলেও সাম্প্রতিক সময়ে এই ঘুষের প্রবণতা অতিরিক্ত মাত্রায় বেড়ে গেছে।কোনো উপায় না দেখে আমি আমার পরিবারের সদস্যদের সরাসরি নরসিংদী সদর অফিসসেখানে যাওয়ার

Narsingdi, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳১.০ হাজার

ভিটা বাড়ি জমির জন্য শতাংশ প্রতি 1000 টাকা ঘুষ দিতে হয় একজন সাব রেজিস্টার অফিসার কে।

আমি ৬ শতাংশ জমি বিক্রি করেছিলাম । সাব রেজিস্টার বলল ৫০০০ টাকা ঘুষ না দিলে দলিল হবে না। তারপর ৫ হাজার টাকা দিয়ে দলিল করতে হয় আমকে।

পাথরঘাটা উপজেলা, বরগুনা, বরিশাল।, বরিশাল ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৬০.০ হাজার

পাওয়ার অব এটর্নি

আমি আমার আত্নিয়ের পাওয়ার অব এটর্নি সাব রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্টার করতে চাচ্চিলাম। সে জন্য একজন মোহরীর সাথে কথা বলেছিলাম। ত পাওয়ার অব এটর্নিতে সম্পদের কথা এবং পরিমান সব একত্রে উল্লেখ আছে কিন্তু মোহরি বলল যে উক্ত পাওয়ার অব এটর্নিতে নাকি সম্পদের কথা আলাদা করে উল্যেখ করতে হবে। তারপর যেহেতু ভুল হয়েছে সেহেতু আমি চলে যাচ্ছিলাম। তখন হটাত করে সে আমাকে আড়ালে নিয়ে বলল যে এটা রেজিস্টারি হবে যদি কিছু সালামী দেই। ত আমি বললাম কত।।তখন সে ভিতরে গিয়ে সাবরেজিস্ট্রার এর কাছে থেকে জেনে এসে আমাকে বলে ৬০,০০০. আমি বললাম ৬০,০০০ টাকা তুমাকে পুটকি দিয়ে ঢুকিয়ে দিব, বলে চলে আসি । পরে আমার আত্নীয় লন্ডন থেকে দেশে আসেন ও সামনা সামনি থেকে জমির বণ্ঠন নিষ্পত্তি করে । আসলে আমলাদের জন্য শত শত কোটি টাকা সরকার পাচ্ছে না।

সিলেট, সিলেট ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳১.০ হাজার

জমি রেজিষ্ট্রেশন

আমি ১৯.০৮.২৬ ইং তারিখে জমি রেজিষ্ট্রেশনের জন্য মহুরি দারা পেপারস রেডি করি। জানতে সাব-রেজি. সেই দিন ১৫০ -১৮০ দলিলের কাজ সম্পূর্ণ করবেন। কিন্তু সাব-রেজি. ১১৬ টি দলিল দেখার পর ওনি চলে যেতে চান। সাব-রেজি. মহুরি সমিতির সভাপতিকে বলেন আমি যদি থাকি তাহলে দলিল প্রতি আমাকে ১০০০ টাকা করে দিতে হবে। অথচ আমার দলিল সিরিয়াল ছিল ১৩১ নম্বর। ওনি ১১৬ টি করার পর যখন ১০০০ টাকার চুক্তি হয়, তারপর আরও তিনি ৩০-৩৫ টা দলিল পার করে দেন। সেক্ষেত্রে আমাকেও ১০০০ টাকা দিয়ে দলিল কাজ সম্পূর্ণ করে নিতে হয়। আমাত ছুটি শেষ হওয়ার কারণে পরবর্তী কার্যদিবসের অপেক্ষায় থাকতে পারবো না, সে কারনে আমাকেও এই ১০০০ টাকা দিয়ে পার করে নিতে হয় দলিল। এখানে সাব-রেজি. কৌশল করে এই ঘুষ গুলো করেন।

সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা, রংপুর ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳২০.০ হাজার

অবৈধভাবে আমার জমি অন্য আরেকজনের নামে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছে

আমার তুমি অন্য একজনের কাছে রেজিস্ট্রি করে দিচ্ছিল। এটা আটকানোর জন্য তাকে বিশ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল।

নাজিরপুর উপজেলা সাব রেজিস্টার অফিস, বরিশাল ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳১০.০ হাজার

ই নামজারি

দলিলের দাগ নম্বর ঠিক আছে নকশাও ঠিক আছে ভুল করছে মুড়ি বই এ পুরাতন দাগ নম্বর চেঞ্জ করার জন্য

ময়মনসিংহ নান্দাইল, ময়মনসিংহ ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৪০.০ হাজার

রেজিষ্ট্রেশন করতে অনেক বাড়তি টাকা নেয়, আনোয়ারা সাব রেজিষ্ট্রি অফিস

একটি পাওয়ার অব এর্টনি রেজিষ্ট্রি করাইছি

আনোয়ারা, চট্টগ্রাম ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য