Marriage certificate registration
সেবা পেতে টাকা দিতে হবে, নইলে হয়রানির শেষ নাই
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সেবা পেতে টাকা দিতে হবে, নইলে হয়রানির শেষ নাই
জমি রেজিস্ট্রি করতে সরকারি টেক্স ছাড়াও অতিরিক্ত টাকা ছাড়া একটা দলিল রেজিস্ট্রি করা সম্ভব না। এই চিরন্তন সত্য নিরবে সবাই হজম করে। সাব রেজিস্ট্রার এই ধরনের ঘুষ লেনদেন ছাড়া জমি কেনা/বেচার দলিলে স্বাক্ষর করেন না। এই দপ্তরের ঘুষ লেনদেন কখনো বন্ধ করা সম্ভব হবে না।
Ami A porjonto 10+ dolil korsi,sob dolil ei 10k kore taka disi
দলিল খোজার নাম করে টাকা নিয়েছে কিন্তু কাজ করে দেয় নাই।
আমি আমার জমি মিউটেশন করাতে কি ৫,০০০ টাকা দাবী করে। পরে দেখলাম সবাই ই এই আমল করে। পরে নিরুপায় হয়ে টাকা দিছি কাজ শেষ!
আমার অত্তান্ত প্রয়োজনে জমি বিক্রি করতে যাই আমার আব্বু মারা যাওয়াই কিন্তু আমি আমার আব্বুর ওয়ারিস হওয়ার পরও আমি নাকি জমি বিক্রি করতে পারব না তাই বলে আমাকে অপেক্ষা করানো হয় পরে বলেন সাব রেজিস্টার নাকি মানবিক ভাবে রেজিস্ট্রি করে দেই তাতে আমার কিছু টাকা দিয়া লাগবে বলে রেজিস্ট্রি করে দিয়ে ২৫০০০ টাকা দাবি করে জোর করে আমার থেকে নিয়া হয়
মূলত, খাজনা খারিজে নাল (আবাসিক) আছে, কিন্তু কোম্পানি আইনের সরকারের নির্ধারিত হারে উৎসকর প্রদান করতে আগ্রহী হই, কিন্তুু সাব- রেজিস্ট্রার বলে এটা বানিজ্যিক হারে উৎসকর দিতে হবে না আমাকে ৫,০০,০০০/- টাকা দিলে করে দিবো।
My grand father name land, my father dead 2002, We are middle class family. our lands dag number is wrong & recently we want to correct it & warise wise we want to name-jari. So i went registry office, may be government fees with total cost will be 2000/= to 3000/= but registry office person demanded= 1,50,000/= now after discount =70,000/=this is our country, acutely, government followup not possible, need change our blood & sole.
আমি গত জুলাই মাসে কেদারপুর গ্রামে একটি জমি ক্রয় করতে চাই। সাব রেজিস্ট্রার ও দলিল লেখক সকল কাগজপত্র যাচাই করে নতুন দলিল প্রস্তুত করেন কিন্তু সি এস খতিয়ান এ দাতার ফুফুর পিতার নাম ভুল থাকায় আবার নামের এভিডেভিড করতে বলেন আমরা সেটা ঠিক করে আনি এবং সাব রেজিস্ট্রার কে দেখাই সে সারাদিন বসিয়ে রেখে গত ২৩ আগস্ট বলেন এতকিছুর করার দরকার ছিল না অন্য রাস্তা খোলা আছে তখন আমরা বুঝতে পারি সে টাকা ছাড়া কাজ করবে না সে আরো ঘুরাতে থাকে এক পর্যায়ে তাকে ৭৫ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে গতকাল ২৫ আগস্ট জমিটি রেজিষ্ট্রি করেছি। এই সাব রেজিস্ট্রার ২০২১ সালে ২ এপ্রিল কক্সবাজার এর চকরিয়ায় ঘুষের ৬ লাখ টাকা সহ দুদকের অভিযানে ধরা পড়ে এবং জেল খাটেন। আমার প্রশ্ন এই জানোয়ার আবার চাকরি ফিরে পেল কি করে। এর নাম —
আমি দশ কাঠা জমি রেজিস্ট্রি করেছি রেজিস্ট্রেশন ফ্রি এই টাকা দিয়েছি জমির মূল্য 5800000
জমি দলিল করতে গেলে, সরকারি ফি হিসেব করে ৬০০০০ টাকা জানানোর পর দলিল নিবন্ধনকারী তাদের সমিতি ফি এবং সাব রেজিস্ট্রার এর ঘুষ বাবদ ৯০০০০ টাকা দাবি করে। এতে আমি অন্য নিবন্ধনকারীদের কাছে গেলে তারাও সম পরিমাণ টাকা দাবি করে। পরে বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
সরকারি শুল্কের পারসেন্ট হিসেবে টাকা নিছে।
Registry Purpose and we have to paid Tk. 85,000/-
Amake bivinno hishab dakhea bollo 150000 tk dite habe. 5 ber ghurease bole file okay na.
জমির নামজারির জন্য খরচ মাত্র ২১০০ টাকা কিন্তু আমার দেয়া লাগছে ৮৫০০ টাকা
স্থানীয় দালাল ও দলিল লেখকের প্ররোচনায় জমির শ্রেনি বদল করে মৌজা দরে রেজিঃ করার জন্য চুক্তি করে ৩৫০০০ টাকা গ্রহন করে। জমির আসল দাম ১২৭০০০০ টাকা। মৌজা দরে ছিলো ২০০০০০ টাকা। দালাল দালালি বাবদ নগদ ৭০০০০ নিলো । জমি দলিলে দাম ২০০০০০ দেখাইয়া আমার টাকা ঝূঁকিপূর্ণ করে দিলো । পরে প্রিয়েমশন বা অগ্রক্রয় মামলা করে একতরফা রায় নিয়ে জরুরি ভাবে নামজারি করে ২৫০০০০০ টাকা মূল্য হিসাবে বিক্রি দলিল করে । দালাল, দলিল লেখক, সাব রেজিস্ট্রার এর লোকজন, উকিল, জরুরি ভিত্তিতে নামজারি করতে ডিসি অফিসের অনুমোদনে ডিসি অফিসের লোকজন ও ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারী, পেশকারের মাধ্যমে জজ, পেশকার , সমন জারি গোপন করতে নাজির, মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার জন্য তিনজন স্বাক্ষী, যোগসাজশী জবাব দিতে আরো লোক সকলে দশ লাখ খায় ।
আমার বাবা, আমার চাচার কাছ থেকে জমি কিনেছিলো, কিন্তু রেজিস্ট্রি করা হয়েছিল না, অল্প সময়ের ব্যবধানে বাবা মারা যান, বাবা মারা যাওয়ার পর, জমির সব নাম অনলাইন করার জন্য সরকার থেকে তাগাদা দিল, তখন চাচা বললো যে এই সুযোগে তোদের দুই ভাই এর নাম রেজিস্ট্রিকরে নে, তো রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে চার নামের বানান ভুল ধরা পরে, আর সেই ভুল শোধরানোর জন্য আমাদের অতিরিক্ত 12000 টাকা চাওয়া হয়
name jari korle ay taka lage
আমি আমার দাদার বাড়ি জমি নামজারী খারিজ করতে গেলে তারা করে দিতে অসিকার করে, বার বার আবেদন বাদ করে দেয়, তার পর দালাল এর মধ্যেই ৫০ হাজার টাকায় করে দেয়, আমি বাধ্য হই টাকা দিতে, শুনেছি কিছু দিন আগে সে রিটায়ার করেন চাকরি সময় শেষ, সে বার ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন 🙂 এ দেশে এ অবিচার থেকে কে আমাদের মুক্ত করবে? এদের জনগনের কোনো মুক্তি কি নেই? লোঃ নরসিংদী , হাসনাবাদ বাজার সাব রেজিস্ট্রার
দলিল সমস্যা থাকার কারণে নতুন ভাবে রেজিস্ট্রি করার সময় বিভিন্ন সমস্যা দেখে আমার কাছ থেকে ৪০০০০ হাজার টাকা নিয়েছে। যা সাব রেজিস্টার নিজেই সংগ্রহ করে রেজিস্টার সমিতি ও এদের সাথে সম্পর্কিত আছে টাকা না দিলে আবেদন না মঞ্জুর করে । সাব রেজিস্টার মডেল সম্পত্তি বিদ্যমান