দলিল রেজিষ্ট্রেশন
দলিলে নামের ভুলের জন্য ৫০,০০০ টাকা চেয়েছে। জুরুরি ছিল তাই নেগোসিয়েশন করতে হয়েছে। শেষে ৩০,০০০ টাকা দিতে হয়েছে। সাব রেজিস্ট্রার টাকা ছাড়া রেজিষ্ট্রেশন করে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দলিলে নামের ভুলের জন্য ৫০,০০০ টাকা চেয়েছে। জুরুরি ছিল তাই নেগোসিয়েশন করতে হয়েছে। শেষে ৩০,০০০ টাকা দিতে হয়েছে। সাব রেজিস্ট্রার টাকা ছাড়া রেজিষ্ট্রেশন করে না।
জমির সব কিছু ঠিক থাকার পরও, অতিরিক্ত টাকা আদায় করে
টাকা ছাড়া ছয় মাস সময় লাগবে
আমি টাকা দেই নাই, কারণ আমার এতো টাকা নাই
পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মঠবাড়িয়া পৌরসভা ও ৫ নং মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের মধ্যে সীমানা নির্ধারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হাইকোর্টে মামলা চলমান আছে এমতাবস্থায় আমরা ইউনিয়নের নাগরিক হিসেবে এখনও সকল ধরনের সুযোগ সুবিধা বা ইউনিয়নের নাগরিক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত এবং সকল কাজ আমরা এখনও ইউনিয়নএর সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করে থাকি, কিন্তু গত এক বছর ধরে জমি ক্রয় বিক্রয় করতে গেলেই বলে আপনারা পৌরসভার রেট দিয়ে দলিল করতে হবে এবং লক্ষ লক্ষ টাকা দলিল লেখক ( মোক্তার ) সাব রেজিস্ট্রার অফিসার এবং তার অফিসের অন্যান্য লোকজন ভাগ বাটোয়ারা করে এই কাজ করে থাকে। এর থেকে কি কোন নিস্তার আছে? আমারা নাগরিকরা সকল কাজ কর্মে ইউনিয়নেয় জনসাধারণ কিন্তু দলিল করতে গেলেই আমরা পৌরসভা বলে অতিরিক্ত লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়
একটা জমি রেজিস্ট্রি করতে অন্যান্য খরচ বাদে শুধুমাত্র সাব রেজিস্ট্রারের সম্মানী বাবদ ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হয়।
রেজিস্ট্রেশন এর সময় বিভিন্ন ভুলের অজুহাতে আমাদের হয়রানি করছিল। আমাদের জমির মূল্য ছিল ১,২৩,০০০০০ টাকা। পরে এক দালাল এসে বললো এখানে টাকা ছাড়া কাজ হয় না। আমরা চাকরিজীবী একটা গ্ৰূপ এটা কিনেছি। বারবার অফিস থেকে ছুটি নেওয়া অসম্ভব, তাই ঘূষ দিতে বাধ্য হই।
দলিল রেজিস্ট্রি করি ২০১৯ সালে। সেই সময় সরকার নির্ধারিত সকল ফিস পরিশোধ করি। অতিরিক্ত একাধিক টেবিলে টাকা দিতে হয়েছিল।যিনি টীপসহি গ্রহন করেন তাকেও দিতে হয়েছিল ১০০ টাকা।অবশেষে ২০২৫ সালের মে মাসে যখন মূল দলিল উঠাতে যাই তখন বলে সরকারী ফি বাবদ ১২০০ টাকা দিতে হবে। আমি করলেও নানান ধানায় পানায় শরু করে। আমি টাকা দতে বাধ্য হই। এর বিনিময়ে রশিদ চাইলে দেয়নি।
আমরা যদি, জন্মসনদ বানাতে চাই। তারা আমাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণসহ নিয়ে, আমাদের কাছ থেকে তাদের অনুযায়ী পরিমাণ মতো ধরে টাকা দাবী করে ।এখানে যদি আমরা তাড়াতাড়ি করতে বলি, তাহলে তাদের টাকার পরিমাণটা বেশি হয়ে যায়। আবার যদি বলি একটু দেরি হবে তখন বলে," ঠিক আছে " ২০০ কিংবা ২৫০ টাকা দেন।
আমি একটা ডেভেলপমেন্ট চাকরি করি আমাদের একটা প্লটের আম মোক্তার রেজিস্ট্রি করার জন্য কমিশন করায়,আমাদের জমির মালিক বোবা কথা বলতে পারেনা শুনতেও পারেনা কিন্তু ইশারায় সব কিছু করতে পারে, আর উনার প্লট টা রাজউক এর ক্ষতিগ্রস্ত প্লট উনার নামে লিজ দলিল করা নাম জারী জরা খাজনা দেওয়া, কমিশন বাসায় যাওয়ার পর সাব রেজিস্ট্রার কে কল দিয়ে বলে বোবা তখন সাব রেজিস্ট্রার তাকে চলে আসতে বলে কাজ না করে আর আমাকে বলা হয়েছে সকালে যেতে যাওয়ার পর সেই রাগারাগি করলো আমার সাথে পড়ে যে কমিশন করতে গিয়েছে সে জানায় কাজটা করা যাবে ৫ লাখ দিতে হবে স্যারকে, হতাশ হয়ে ফিরে আসি, পরবর্তীতে লিখিত আবেদন করি জেলা রেজিস্ট্রার বরাবর এখনও কোন খবর আসেনি,করনীয় কি?
জমি রেজিষ্ট্রেশন করার সময় সরকারি বাজার মূলের চেয়ে অতিরিক্ত মূল লেখলে ২% ঘুষ দিতে হবে। তা না হলে জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে পরব না। তাই সমতায় আইসা ১% ঘুষ দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রী করলাম।
বাবার নামে মোহাম্মদ এভাবে না থেকে মোঃ এভাবে ছিলো তাই বন্টন নামা দলিল করতে ৬০০০০/- (ষাট হাজার) টাকা ঘুষ চান।
ফুলপুর উপজেলার যে সাবরেজিস্ট্রি অফিস আছে, এই সাবরেজিস্ট্রি অফিসের সামনে একজন ব্যক্তি বসে থাকে যিনি দলিলগুলো সাবরেজিস্ট্রার স্বাক্ষর করার পর তার কাছে নিয়ে আসে এবং তিনি প্রত্যেকটি একশ টাকা, অনেকের কাছে এক হাজার টাকাও দাবি করে থাকে।
দলিল অনুসন্ধানের জন্য বছর প্রতি ২০০ ও দলিলের নকল উত্তোলনের জন্য ১৬০০ থেকে ২৫০০ টাকা ফিস দিতে হয়। সব মিলিয়ে মনে আছে প্রায় ১৬৫০০টাকা দিয়েছি।
আমি জমি কিনে রেজিস্ট্রি করার জন্য গেলে সরকারি হিসাবে ফ্রী আসে ৫৪২৬০ আমার থেকে উকিলে নিছে ৮০০০০ টাকা
আমার একটি দলিলের তারিখ মাস ও সাল জানা আছে দাতা গ্রহীতাও জানি শুধু দলিল নাম্বার আমার কাছে নেই। সেই দলিলটি শুধু খুঁজে বের করতে আমার কাছে ৩০০০ টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু আমার কিছু করার ছিল না জিনিসটা আমার প্রয়োজন। অফিস থেকে জানানো হয় আমাদের ইনডেক্স নষ্ট হয়ে গেছে । বাংলাদেশে সবথেকে দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয় হচ্ছে ভূমি মন্ত্রণালয়। যদিও সব রেজিস্টার অফিস আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে। সব মিলিয়ে ভূমি সেবা মানেই দুর্নীতি
আমি আমার জাতীয় পরিচয় পত্র বানানোর জন্য যাই, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বলে যে, আপনার পরিচয় পত্র বানাতে হলে 10000 টাকা লাগবে কারন হিসেবে বলে আপনি বিদেশে ছিলেন এই জন্য আপনার পরিচয় পত্র রেজিস্ট্রেশন করা হয় নাই তাই এখন রেজিস্ট্রেশন করতে হলে 10 হাজার টাকা দিতে হবে। আমার আবার বিদেশে যাওয়ার সময় হয়ে আসছে তাই 7500 টাকা দিয়ে আমার জাতীয় পরিচয় পত্র বানাতে হয় ২০২২ সালে। এই টাকাটা নেয় দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের অফিসার আর দুর্গাপুর ইউনিয়ন এর এক মেম্বার।
আর্জেন্ট দলিলের নকলে ৫০০০/- আর ২০/৩০ দিনে ২৫০০-৩০০০/-টাকা,আমি দিয়েছি নকলের জন্য। এর হাজার প্রমান আছে। যে কোন লোক দলিল উঠালে এই টাকা দিতে হয়।
রেজিষ্ট্রী করতে গিয়েছি টাকা ছাড়া রেজিষ্ট্রী হবে না কারণ দাতার নাম স্মার্ট কার্ড এবং দলিলে পার্থক্য। তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েই রেজিষ্ট্রী করা লাগলো। আমার প্রশ্ন? ৫০০০০ টাকার বিনিময়ে কি দুই নাম এক হয়ে গেলো?
দাবী করা হয়েছিল। মা তার সম্পত্তি দুই মেয়েকে দিবে, যেহেতু তার কোনো ছেলে নাই। এই সম্পত্তির ভাগ যেন কেউ না পায়। মা অসুস্থ ছিল তাই অফিসে যেতে সক্ষম ছিল না। এটাই মায়ের অপরাধ।