name correction
govt officer under the table
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
govt officer under the table
ধরুন আপনি প্রত্যেকদিন বিজ্ঞ আদালতে কোন মামলার সহিমোহর নকল তুলবেন তখন আপনাকে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে হবেই অন্যথায় আপনি সহিমোহর নকল তুলতে পারবেন না
মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ/পোষ্ট মর্টেম রিপোর্ট সংগ্রহ। ঢাকা সরাসরি দাবি করা হয়নি। তবে দীর্ঘদিন কাগজ ফেলে রাখা হয়েছিল। নানা অজুহাতে রিপোর্ট দিয়ে দিতে লেট করেছিল। পরে বাধ্য হয়ে আমাকে টাকা দিতে হয়েছে। এই ঘটনার ডাক্তাররা জড়িত নয়। অফিসের কর্মচারীরা যারা মেডিকেল সার্টিফিকেটের কাগজ প্রসেসিং করে তারা জড়িত।
আমার বাবা হেবা আইনের মাধ্যমে আমাদের তিন ভাইকে মাটি লিখে দেয়। আমার বাবা আজীবন করদিয়া আসছে। এখন যখন জমি খারিজ করতে যাই নিজের নামে তখন ভূমি অফিস অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা চাই। উনাদের ভাষ্যমতে এই জমির মালিক হিন্দু ছিল এখন আমরা নির্যাতন করছি কিনা তা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ১০ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছে। এই মাটিটা আমার বাবা যার কাছে কিনছে সেও ছিল মুসলমান এবং উনি যার কাছে কিনছে সেও ছিল মুসলমান। আমার বাবা আনুমানিক 1995 সালে এই মাটি কিনে এবং খাজনা দেয়। এখন ভূমি অফিস হিন্দুদের মাটি বলে ভয় দেখিয়ে খারিজ হতে দিবা না এই মর্মে দশ হাজার টাকা দাবি করে। আমার খারিজ একটু জরুরী ছিল বিধায় ১০ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছে নিরুপায় হয়ে। ভূমি অফিসে দৌরাত্ম অনেক বেশি।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বগুড়ার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ডাক পড়ল। বাবা পকেটে ৫০০ টাকার দুইটা নোট দিয়ে বলেছিল, “চাইলে দিস, একটায় না হলে দুইটা।” উনি কাগজপত্র দেখার সময় গল্প করতে গিয়ে জানলাম, উনি আমার চেয়ে ২-৩ বছরের সিনিয়র, EEE পড়েছেন। আমি বললাম, “আপনি তো আমার বড়ভাই!” ভাবলাম, বড়ভাই বলার পর অন্তত লজ্জায় টাকা চাইবেন না। কাজ শেষ। মনে মনে বললাম, যাক, বেঁচে গেলাম। ঠিক তখনই উনি হাত বাড়িয়ে বললেন, “৫০০ টাকা দেন।” উনার নির্লজ্জ মুখের দিকে তাকিয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে চলে আসলাম। বাবা ঠিকই বলেছিল।
আমার ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি করার জন্য ৬০০০০হাজার টাকা দাবি করেছিল । এর কম হলে লয়ার রাজি হচ্ছে না কারণ ঘুষ ছাড়া সাব রেজিস্ট্রি কাজ করে না।পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে ৫০০০০হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে আমার ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি করতে হয়েছিল । ভুমি, সাব রেজিস্ট্রি, সিটি কর্পোরেশন এইসব জায়গায় সব দুর্নীতিবাজ লোকজনের আড্ডাখানা ।
আমার বাবা পাবলিক হেলথে চাকুরী করতো।বাবা চাকুরী অবস্থায়ই মারা যায়।বাবা চাকুরী করতো সিলেট হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলায়। তো এই পেনশনের টাকা তুলতে গিয়ে সীমাহীন হয়রানির মুখোমুখি হইছি।সিলেট বিভাগের পাবলিক হেলথ অফিসে আমরা ছয়-সাত বার চার ভাইবোন ও আমার মা গিয়েছি। টাকা দেড় লাখ আগেই দিয়ে দিছি তাও কাগজ পত্র ওকে করে নাই।একটা মহিলা অফিসার ছিলো আল্লাহ ওনাকে হেদায়েত করুক।ওনার মত জঘন্য মানুষ আমি দেখি নাই। টাকা দেড় লাখ দিছি এবং কুমিল্লা থেকে ছয় সাত বার সিলেট গিয়েছি আমাদের পুরো পরিবার।এভাবেও আমরা ভালো ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি।যখনই সিলেট গিয়েছি ১৫থেকে ১৬হাজার টাকা খরচ হয়ে যেত।
যে ভূমির উপর ভবন নির্মাণ হবে তার উপজেলা ভূমি অফিস থেকে সার্ভে টিমের মাধ্যমে সার্ভেইং করাতে হয়।ঘটনাটি গত দু'মাস পূর্বে এই মর্মে উপজেলা এল জি ইডি অফিস থেকে উপজেলা প্ল্যানের এপ্রোবাল এর প্রয়োজনে সীতাকুণ্ড উপজেলা ভূমি অফিসে সার্ভে রিপোর্টের জন্য আবেদন করি, সার্ভেয়াররা আবেদনে প্রেক্ষিতে প্রায় এক সপ্তাহ পরে ভূমির স্থলে যায় এবং আরো এক সপ্তাহ পরে রিপোর্ট তৈরি করে প্রতিবেদন আকারে এসিল্যান্ড অফিসে পাঠায় যার জন্য ৫০০০/- টাকা নগদ আদায় করে। পরবর্তীতে এসিল্যান্ডের সহ কর্মকর্তা দালাল মারফতে ২৫০০০/- টাকা দাবি করে আমরা নিরুপায় হয়ে ২০০০০/- টাকায় এসিল্যান্ডের সাইন নিতে পেরেছি। এভাবে নিয়মিত ল্যান্ড ক্লিয়ারেন্স রিপোর্টের নামে এই রিপোর্ট পেতে ভূমি মালিকদের ঘাম ছুটে যাচ্ছে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ৫ম শ্রেণি থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে উর্ত্তীণ ৩৬ জন শিক্ষার্থীদের কাছে ৫ম শ্রেণির প্রত্যয়ন পত্রের জন্য ২০০ টাকা করে দাবি করে। টাকা না দিলে ৫ম শ্রেণির প্রত্যয়ন পত্র দিবে না। আমি বাধ্য হয়ে ২০০ টাকা দিয়ে ৫ম শ্রেণির প্রত্যয়ন পত্র সংগ্রহ করি। এছাড়া ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে যারা ভর্তি হয়েছে তাদের কাছ থেকে গড়ে ১০০ টাকা ভর্তি ফি নিয়েছে। সব কিছু মিলিয়ে প্রধান শিক্ষক আনুমানিক ৬০০০ টাকার বেশি ঘুষ নিয়েছে।
আমার বাবা শেরপুর উপজেলার একটি সমবায় সমিতির সভাপতি । বাবা অসুস্থ থাকায় সমিতির সম্পাদক এর সাথে আমাকে উপজেলায় পাঠায় যে, সমিতির ৩ বছর পরপর ভোট করতে হয় । ব্যবস্থাপনা কমিটির জন্য । আমি যাওয়ার পর ভোট করিয়ে দেওয়ার জন্য সমবায় অফিসার ৩০ হাজার টাকা দাবি করে । অন্যথায় ভোট না হইলো আমাদের এলকার সমিতি বাতিল হয়ে যাবে বলে হুমকি দেয় । কোন উপায় না পেয়ে আমরা অফিসের অন্য মহিলা স্টাফ নতুন জয়েনিং এর কাছে যায় , গিয়ে তারপর সব খুলে বলি , তিনি অফিসার এর কাছে গিয়ে কথা বলে পরে আমাদের জানায় ১৫ হাজার দিলে কাজ করে দিবে । পরে বিষয়টি বাবাকে জানালে , বাবা বলে একটু খরচ হয় সর্বোচ্চ তা ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা এত টাকা কেমনে ? পরে বিষয়টি আমরা এলাকায় জানানোর পরে মিটিং করে সিদ্ধান্ত হয় সভাপতি অসুস্থ আপাতত এটা করে নেওয়া যাক ।
ট্রেড লাইসেন্স করার সময় যাবতীয় সকল প্রকার কাগজ দেয়ার পরেও,আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত চা বাবদ ১০০০ টাকা দাবি করা হয়। ট্রেড লাইসেন্সটা আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিধায় আমি এই টাকা দিয়ে দেই।
প্রতি বছর গ্রাম পুলিশকে দিয়ে বাড়ির খাজনা দিয়ে থাকি। কিন্তু এইবার ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার পর শুনি আমাদের বাড়ির খাজনা পরিশোধ করা হয়নি। পরে গ্রাম পুলিশ আমাদের কাছে দুই হাজার টাকা দাবি করে বলে, নতুনভাবে বাড়ির ট্যাক্স টোকেন করে দিবে। পরে তাকে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছে।
কক্সবাজার ভ্যাট অফিস প্রতি মাসে হোটেল রেস্টুরেন্ট দোকান থেকে সরকারি চালান কতৃক ভ্যাট ব্যাতিত অফিসার দের নির্ধারিত ঘুষের টাকা প্রদান করতে হয় প্রদানে অস্বীকৃতি জানালে এ প্রতিষ্ঠানের মালিক এর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এনে হয়রানি আরম্ভ করে এবং একজন উদ্যোক্তা কে মানসিকভাবে খুব বেশি প্রেশার দিয়ে থাকে তাদের জন্য ব্যবসা পরিচালনা করা খুবই কষ্ট।
কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন অফিসে সরকারী চাকরিতে যোগদানের কাগজ দেওয়ার সময় মেডিকেল সনদ নিতে গেলে সেখানকার কর্মচারী ঘুষ দাবি করে এবং সবাই সেই টাকা দিতে বাধ্য হয়।
বিদেশ যাবার জন্য মাধবপুর থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর আবেদন করেছিলাম
আমার নাম ভুল হয়েছিল। তাছাড়া ঐখানে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল কিন্তু বাড়ি ছিল না এই জন্য
আমাকে বলল আবাদিজমি কিন্তু শ্রেণি ভিটা আছে ১ একর খাজনা পরবে ৪২ হাজার,১০০০০ টাকায় সেই খাজনা হলো ৪৫০০
১৩০০০০০ টাকা পরিশোধ করেছি, আরো কত টাকা লাগে জানি না। ইউনিয়ন ভুমি অফিস, উপজেলা ভুমি অফিস, ডিসি, এডিসি রেভিনিও, বিভাগীয় কমিশনারের অফিস পর্যন্ত এত টাকা খরচ হয়েছে। যা আরো চলমান রয়েছে। কত টাকা যাবে এখন ও জানিনা। এখন ও কোন সমাধান পাইনি।আল্লা ভালো জানে।
জন্ম নিবন্ধন করতে সরকারী ফি ব্যাতিত ঘুষ দাবি করে। সবাই দিয়ে আসতেছে। কারও জন্য ছাড় নেই।
ইনস্টিটিউট অফ মেরিন টেকনোলজি মুন্সিগঞ্জ এর দপ্তরি — Sicip সরকারি ফ্রি কোর্সের জন্য ফর্ম তুলতে ১০০ করে টাকা নিয়েছে। যেটা সম্পূর্ণ ফ্রিতে দেওয়ার কথা ছিল। ফর্ম জমা দেওয়ার সময় আরো ২০ টাকা করে দাবি করে।