পেনসন
আমার আব্বু মূত্যুর পরে তার পেনসন এর টাকা কনভার্ট করে আমার আম্মুর একাউন্ট এ দিবে তার জন্য তারা প্রতি লক্ষতে ১০০০ টাকা চায়!! আপাতত একটা ফান্ড থেকে টাকা আসছে তার হিসেবে ৪০০০ টাকা দাবি করতে টাকা না দিলে কাজ ফালাইয়া রাখবে কাজ নিয়া ঘুরাবে!
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার আব্বু মূত্যুর পরে তার পেনসন এর টাকা কনভার্ট করে আমার আম্মুর একাউন্ট এ দিবে তার জন্য তারা প্রতি লক্ষতে ১০০০ টাকা চায়!! আপাতত একটা ফান্ড থেকে টাকা আসছে তার হিসেবে ৪০০০ টাকা দাবি করতে টাকা না দিলে কাজ ফালাইয়া রাখবে কাজ নিয়া ঘুরাবে!
আমার বাবার নাম সংশোধনের আবেদন করি। নাম সংশোধন ও মিউটেশন সহ ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এক লাখ টাকা দাবী করেন যার কোন প্রমাণাদি নাই।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব নাম — (17830) উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকার পরেও জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য এই অর্থ দাবি করেন, এবং বলেন তিনি আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে বাধ্য নন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব গাইবান্ধা খুবই একজন খারাপ মানুষ, টাকা ছাড়া তার দপ্তরে কোন ফাইল ই সই হয় না। অনেক অনেক ফাইল পেনডিং করে রাখে টাকার জন্য। এর বিরুদ্ধে সরকারের আসু পদক্ষেপ প্রয়োজন।
মাতুয়াইল মাও শিশু হাসপাতাল ঘুষের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে। ব্লাড টেস্ট করতে পরের দিন দূপুরে রিপোর্ট দেয়ার কথা বলে। কিন্তু আপনি ২০০টাকা দিলেই ১৫মিনিটের মধ্যে রিপোর্ট রেডি। ওয়ার্ডগুলোতে যে আয়া নিয়োজিত থাকে ঐ খবিসগুলো টাকা ছাড়া বিছানা চাদর বালিস কিছুই দিবেনা। ক্লিনাররা রোগী রিলিজ দিলে টাকা ছাড়া ছাড়েনা। কোনো বাচ্চাশিশু কে ইমারজেন্সী NSU তে ভর্তি করা লাগলে সিট খালি থাকলেও আপনাকে বলা হবে সিট নেই। আনসার বা গার্ডের মাধ্যমে অন্য হাসপাতালে কথা বলিয়ে দিবে। সেখানে ভর্তি হবেন মোটা অংকের খরচ বহন করতে হবে প্রতিদিন। আর সেই খরচের কমিশন যায় ঐ আনসার আর যে ডাক্তার আপনাকে সিট নাই বলে বিদায় করেছে। কিছু সংখ্যক নার্সের আচরন দেখলে নিজেকে তাদের কাছে অসহায় ভাবতে বাধ্য হবেন। তবে সব নার্স না। যারা নতুন তারা কিছুটা ভাল।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিট স্ক্যান ও এমআরআই করাতে গেলে দীর্ঘ লাইনে ১০-১২ ঘণ্টাও বসে থাকা লাগে। সকালে ৯ টায় কাগজ জমা দিশে রাত ১০ টায় কাজ সম্পন্ন হয়। সেটাতো সমস্যাই কিন্তু অভিযোগ হলো অনেক লোক ১০ মিনিটে এসে আনসারের হাতে ১০০-২০০ টাকা গুজে দিয়ে স্ক্যান/এমআরআই করে বের হয়ে যায় কিন্তু সকাল থেকে বসে থেকেও সিরিয়াল পাওয়া যায় না। কোন রোগী সিরিয়াস কন্ডিশন হলে সেটা মেনে নেওয়া যায় বা তাকে সুযোগ দেওয়া যায় তবে এটা গণহারে যে টাকা দিতে পারে তার কাজই আগে শেষ করে দেয়।
আমার কাছে সরাসরি টাকা চাওয়া হয়
বগুড়া জেলার ১টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে খাজনা বাবদ ৩৭৮০০০/- অনলাইনে জমা দিতে হবে দাবি করে বসে, পরবর্তীতে বলে আচ্ছা আপনি ১৫০০০০/- আমাকে দিয়ে যাবেন যা করার করে দিব, আপনি এসে জমা রিসিভ নিয়ে যাবেন। মানে ১৫০০০০/- টাকা থেকে সরকারি কোষাগারে সর্বোচ্চ ১৮/২০ হাজার টাকা জমা দিবে বাকি টাকা উনার পকেটে। এর আগে যেগুলো খাজনা জমা দিয়েছি প্রতিটি খাজনার মূল রশিদ আমার কাছে আছে কিন্তু উনাদের রেজিস্টারে একটাও উঠায় নাই সব টাকা পকেটে ঢুকাইছে, জেলা প্রশাসক বরাবর ২বার লিখিত অভিযোগ দেয়ার ২বছর পর অবশেষে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সরাসরি হস্তক্ষেপে সমাধান পেয়েছি, মজার বিষয় উনার নামে এতো অভিযোগ থাকার পরও কিছুদিন আগে কানুনগো পদে পদোন্নতি পেয়েছে। শহরে উনার গৃহিনী স্ত্রীর নামে ৫ তলা বাড়ী, উনার নামে ২ টি ফ্লাট, বিভিন্ন যায়গায় জমি।
জমির খাজনার কাগজ দিচ্ছিলো না কৌশলে বুঝাচ্ছিলো যে ঘুষ লাগবে এটার সাথে ইওওনও সরাসরি যুক্ত
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলির জন্য উপজেলা পর্যায়ে যে কমিটি হয়েছে, সেই কমিটির সভাপতি ২ লক্ষ টাকার কমে কোন বদলির অনুমোদন করেন না।
জমি খারিজ করার জন্য ময়মনসিংহ সদর দাপুনি ইউনিয়ন ভূমি অফিস নায়েব আমার কাছে 9000 টাকা চেয়েছিল জমি খারিজ করার জন্য এক শতাংশ জমি,
নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার কাচপুর রাজস্ব অঞ্চলের সাদিপুর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা, নামজারি আবেদন নং-১৬১০২০৬৬ তদন্ত প্রতিবেদন প্রদানের জন্য ৫০০০ টাকা চাইলে বিকাশে ৩০০০ টাকা দিলে একদিন পর টাকা ফেরত দেন। ভূমি মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে নামজারি আবেদন নিষ্পত্তির জন্য সর্বোচ্চ ২৮ দিন নির্ধারণ করে দিলেও কাচপুর রাজস্ব অঞ্চলের কানুনগোর শোনানীর তারিখ ছিল ১৭/০৮/২০২৬ আবেদনকারী যোগাযোগ না করায় আজ ২৫/০৮/২৬ তারিখ হলেও ফাইল্টিতে হাত দেয়নি, চাইলে অনলাইনে দেখতে পারেন,কানুনগোর শোনানী সিস্টেমটাই ঘুষ খাওয়ার একটি রাস্তা কারণ অনলাইনে কাগজপত্র দেওয়ার পর আবার আবেদনকারীকে ডাকা হয়, আমার মনে হয় কেবলমাত্র টাকা আদাইয়ের জন্য
নামজারির ফাইল আটকে রেখে প্রথমবার শুনানিতে উপস্থিত হই নাই বলে বাতিল করে। দ্বিতীয় বার সফটওয়্যার সমস্যা বলে বাতিল করে।।তৃতীয়বারের আবেদন চলমান আছে। ইতোমধ্যে ভাড়া ও অন্যান্য খরচ বাবদ আমার ১০০০০টাকা শেষ।
জমি নামজারি করতে গেছিলাম 15000 টাকা নিছে
লম্বা সিরিয়ালে দাড়াতে হয় , একবার জমা - একবার যাচাই - তারপর বায়োমেট্রিক ............ ২০০০ টাকা দিলে কোনো সিরিয়াল লাগবে না। না দিলে অধিকাংশই প্রত্যাখ্যাত............... উত্তরার বাসিন্দা হওয়ায় আর স্টুডেন্ট হওয়ায় দুইবার হয়রানি করতে চেয়েও পারেনি তবে আশে পাশের সবাই (৭০% আবেদনকারী) হয়রানির শিকার হয়েছে। সামান্য কিছু কারণ দেখিয়ে হয়রানি করা হয়, যাতে দালালের মাধ্যমে কাজ করানো যায়। রেট পার পার্সন ২০০০ টাকা, এর বেশি কেও দেবেন না, দালাল ছাড়া যেহেতু কাজ হয়ই না সেহেতু ১০০০ বা ১৫০০ তে দামাদামি করাই ভালো ।
ইন্টারনেটের নতুন সংযোগ স্থাপন করার জন্য বলেছিল যে আলাদা করে যদি আমি 500 টাকা দেই তাহলে দ্রুত কাজ করা হবে আর এর সাথে এটাও বলেছিল যে অনেক দেরি হবে লাইন ম্যান কার কথা শোনে না কাজ করে না কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে সবার আগে সে আমাকে এটা জিজ্ঞেস করেছিল যে ইন্টারনেট আমরা সেবা প্রোভাইড করি এটার ব্যাপার আপনাকে কে বলেছে। মিরপুর দুই স্টেডিয়াম ম্যাচ সাথে যে বিটিসিএল এর অফিসে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও সোনারগাঁও উপজেলা প্রশাসন এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোনারগাঁয়ের উপর সরাসরি মহামান্য হাইকোর্টের রিট পিটিশন নং-১৬৩৭০/২৪ এর আদেশ থাকলেও অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সরকার দলীয় লোক পরিচয় দিয়ে মব সৃষ্টি করে মসজিদ দখল করে দানের টাকা লুটপাট করে নিলেও স্থানীয় প্রশাসন হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবানের জন্য কোনো প্রকার উদ্যোগ গ্রহন করছেনা। এই বিষয়ে আপনাদের সহায়তা একান্ত কাম্য।
দিয়ার সেটেলমেন্ট অপারেশন এ নিয়োজিত ব্যক্তিরা বিডিএস জরিপের মাঠ নকশা শেষ করে, কাগজপত্র সব ঠিক থাকার পরও সৃষ্ট খতিয়ানের সত্যায়ন পর্যায়ে বা ২য় ধাপে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ঘুষ দাবি করতেছেন,,,
অফিসার ফাইলে সংকেত থাকলে দিনে দিনে করে দেয়। যারা কন্ট্রাক করে তাদের ফাইলে সংকেত দেয় দালালেরা, আর যদি সংকেত না থাকে অফিসার শুধু ঘুরাই , সব ঠিক থাকলেও আবার ডেট দেয়। টাকা দিলে সাথে সাথে করে দেয়। সরেজমিনে গেলে তা হাতে নাতে প্রমাণ পাবেন। সরাসরি ফাইল চেক করে। যত অপকর্ম সেই করে। জাল ডকুমেন্স দিয়ে অন্য উপজেলার লোককে হাটহাজারীতে ভোটার করে। টাকা দিলে সব করে।
জমি সংক্রান্ত টাকা চাচ্ছিলো আমরা দেইনি
ডিলার হিসেবে নিয়োগ করার জন্য ঘুষ দাবি করেছে