পেনশন
পেনশনের টাকা উঠাতে এ জি অফিস এবং সড়ক বিভাগ নোয়াখালীর একাউন্ট হেড ক্লার্ক কে দেড় লক্ষ থেকে 2 লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পেনশনের টাকা উঠাতে এ জি অফিস এবং সড়ক বিভাগ নোয়াখালীর একাউন্ট হেড ক্লার্ক কে দেড় লক্ষ থেকে 2 লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়।
আমার এসএসসি এর মার্কশিট টা হারায় সেজন্য বোর্ড থেকে সে মার্কশিটটা পুনরায় তোলার জন্য জিডির কাগজ লাগে সেটার জন্য আমি টঙ্গী পশ্চিম থানায় গিয়েছিলাম সেখানে সকল প্রসেস করার পরে আমাকে বলা হয়েছে লেখালেখি বাবদ টাকা দিতে ২০০ টাকা দাবি করেছিল পরে বললাম যে আমি স্টুডেন্ট আর টাকা তো কিসের জন্য দিতে হবে? জিডি করতে তো টাকা লাগে না। বলল লেখালেখি বাবদ যা পারো দাও। আমার কাছে টাকা ছিলনা তেমন তাও ১০০ টাকা দিয়ে আসছি প্রথমে বুঝতে পারিনি কারণ প্রথম থানায় গেছিলাম।
যোগ্যতার মাধ্যমে NTRCA পরীক্ষায় উত্তীর্ণ, গণ বিজ্ঞপ্তিতে সিলেক্ট হয়েও ফাইল রিজেক্ট হওয়ায় ২০১৯ সালে New MPO এর জন্য উপজেলা, জেলা ও ঢাকা DD অফিসে এই টাকা বাধ্য হয়ে দিতে হয়।
ভূয়া রিপোর্ট সহ গুস ছাড়া যশোর বি আর টি এ অফিসে কাজ হয় না।
২ টি নামজারী আবেদনের প্রস্তাব পাঠানোর জন্য তহসিলদার সাহেব ৪,০০০ (চার হাজার) টাকা দাবী করেন, উপায়ান্তর না দেখে বাধ্য হয়ে MFS এর মাধ্যমে পরিশোধ করি।
40 শতক জমির নামজারি করতে ১০ হাজার টাকা চাইছে এবং ১০ হাজার টাকা ই নিছে।
NTRCA কতৃক সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে MPO শিক্ষক হিসাবে যোগদানের পর স্যালারির আবেদন শিক্ষা অফিসার (উপজেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা শিক্ষা অফিসার, বিভাগীয় অফিস) থেকে ফাইল এপ্রুভ করে ঢাকাতে পাঠাতে স্কুলের প্রদান শিক্ষকের মাধ্যমে টাকা চায়। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এ যেকোন ফাইল এপ্রুভ করে আনতে কমপক্ষে ৬ মাস- ১ বছর লেগে যায়। পুরো বাংলাদেশ সব শিক্ষা অফিসে কম/বেশি টাকা দিতে হয়।
আমি আমার বাবার নামের জমিতে নামজারি করতে গিয়েছিলাম কিন্তু ইউনিয়ন ভুুমি সহকারি আমার কাছে বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে আমাকে কিছুদিন ঘুরিয়ে, একদিন বলল কিছু খরছাপাতির ব্যাবস্থা করেন কাজ করে দিচ্ছি, আমি বললাম কত দিতে হবে, তিনি বল্লেন এই বেশী না ৮ হাজার টাকা দিলেই হবে, তার পরে আমি অনেক রিকোয়েস্ট করে ৬ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটা করে নিয়েছিলাম উনাকে দিয়ে ।
যেখানে সরকার থেকে এই সেবাটি দেয়ার জন্য ৫০ টাকা চার্জ নির্ধারণ করা, সেখানে আমার থেকে ৩০০ টাকা চার্জ নিয়েছে, অর্থাৎ যেই টাকা সরকার থেকে নির্ধারণ করা তার পাঁচ গুণ...!বেশি এবং আমাকে অনেক কাগজ পাতি হয়রানি করেছে, যেহেতু ভুলটা তাদের ছিল, তারা ভুল করেছে আমাকে সেই ভুলের মাশুল দিতে হয়েছে....!
আমি পর পর ২ বার ড্রাইভিং পরিক্ষা দিয়ে ফেইল করি, সন পাস করলেও প্র্যাকটিকাল টাকা ছাড়া পাশ করাবে না, এটাঈ সিস্টেম। পরে সেখানে একজন বয়স্ক দারিওয়ালা ( দারিতে সুন্দর করে মেহেদী দেয়া ছিলো, মুখে ছিলো সুন্দর হাসি) ব্যাক্তি, খুব সম্ভবত সে কোন স্যার এর পিয়ন, আমি দেখে সিস্টেম কি পাস করার জিজ্ঞাসা করার পরে, ৩০০০ টাকা সিস্টেম এ আসলে, কালকেই পাস, কোন পরিক্ষা দেয়া লাগবে না বলে টাকা চেয়ে বসে। এবং বলেই দেয়, কে কে কত কত করে এই টাকা থেকে ভাগ নিবে। উচ্চ শিক্ষিত লোকেরা, অনেক বছর সিস্টেম এ থাকা লোকেরা সকলেই এই টাকা ভাগ করে নেয়, এটা এক রকমের তাদের দাবী। এখন আমি যেমনি হই না কেনো, এটা ব্যাপার না। এবং বিকাশ এ করে টাকা দেয়ার পরে, আমি পরের দিন পাশ হয়ে যাই। এবং সত্যি বলতে টাকা দেয়ার জন্য আমার দিকে তাকায় দেখেও নি।
আমাদের একটি জমির ৩০ বছর আগে ক্রয় করা হয়েছিল, পারিবারিক ভাবে জমি সংক্রান্ত জ্ঞান বা শিক্ষা তখন না থাকায় আমরা সেটার খতিয়ান করতে পারিনি। বর্তমানে সব কাগজপত্র ও ভূমির খাজনা ও সরকারি বিধি মোতাবেক কোর্টে যাই,ভূমি অফিস ৫০ হাজার টাকা ঘুষ খেয়েছে এখন কোর্ট কতৃপক্ষ সব ওকে থাকার পরেও রায় দিচ্ছে না, ২০ হাজার টাকা ঘুষ চাচ্ছে।
আমার বাবার পেনশনের টাকা ছিল। একটি সমস্যা বাহির করে প্রায় ১২ লক্ষ টাকা কর্তন যাবে বলে আমাদের জানায় এবং টোটাল কর্তনের অর্ধেক ঘুষ দাবি করে। পরবর্তীতে ৫ লক্ষ টাকায় চুক্তি হয় এবং অন্যান্য টাকা তুলতে গিয়ে সর্বমোট প্রায় ৫.৫ লক্ষ টাকা দিতে হয়েছে।
আমি একটা পুরাতন বাইক ক্রয়করি বরিশালের একটা শো-রুম থেকে। তারা জানায় গাড়ির কাজগপত্র তৈরী করতে ১০০০০ টাকা লাগবে। আমি শো-রমের মালিককে ১০০০০ টাকা দিয়ে দেই। তিনি কাগজপত্র আপডেট করে দেন। অনলাইনে আপডেট হয়ে যায়, কিন্তু সমস্যা বাধে আমি ১ মাস পরে ফিঙ্গার দিতে গেলে তারা আমাকে ঘুরানো শুরু করে। পরে ৪ মাস পরে জানতে পারলাম আমার বাইকের ফাইল নাকি পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টা জানার পরে আমি শোরুমের মালিককে ধরি তিনি আমাকে জানান যে বিএরটিএর যে কর্মকর্তা কাজটি শুরু করেছিলেন তিনি নাকি বদলী হয়ে গিয়েছেন। তার বদলীর পরে অফিসের লোকজন আমার ফাইল গায়েব করে দেন। বর্তমানে এটা পেন্ডীং অবস্থায় আছে।
কিছুদিন আগে চাকরী স্থায়ীকরণের জন্য আমাদের নিয়ন্ত্রণকারী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চট্টগ্রাম এর রাজস্ব শাখায় কাগজপত্র জমা দিতে গেলে আমাদেরই সহকর্মীকে এই অর্থ দিতে হয়েছে।
মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্ম নেওয়া আমি, চাকুরী পাওয়ার পর আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি। কিন্তু কিছুদিন পর পুলিশ ভেরিফিকেশনে আসে, জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তা। দাবি করে ৫০০০ হাজার টাকা। নয়লে শিবিরে নাম ঢুকিয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়। পরিবারের মুখের দিকে তাকিয়ে, এবং স্থানীয় মেম্বারের কথায় বাধ্য হয়েছিলাম ৩০০০টাকা দিতে।
টাকা না দিলে ফেইল করিয়ে দিবে এবং কার্ড দিবে না
এইচ এস সি সার্টিফিকেট সংশোধন আবেদন কলেজে গিয়ে বাধ্যতামুলক ভাবে আবেদন করতে হয়, কম্পিউটর অপরাটের পদে যিনি আছে তিনি চা নাস্তা হিসেবে ছয়শো টাকা দাবি করে নাহয় আবেদন করবে না নাকি, তিন বছর আগে আমার এক ফ্রেন্ডের কাছে আবেদনের জন্য দশহাজার টাকা ও দাবি করেছিল। পরে ও আর তাই আবেদন ই করে নাই। অথচ এস এস সির আবেদন আমি ঘরে বসেই বিনা টাকা খরচ করে আবেদন করতে পেরেছিলাম।
গত মার্চে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদনের পর নির্ধারিত সময়ে কাজ না হওয়ায় বাজিতপুর থানায় যাই। সেখানে থানার মুন্সী আমাকে অযথা হয়রানি করেন এবং নতুন করে আবেদনের চাপ দেন। একই সাথে এক কম্পিউটার অপারেটর রাতে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের অনৈতিক প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে দ্রুত কাজ শেষ করার উদ্দেশ্যে মুন্সীকে ১,০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই। ঘুষ দেওয়ার পরও সনদ পেতে ২০ দিন বিলম্ব হয় এবং শেষ পর্যন্ত বাজিতপুর থেকে কিশোরগঞ্জ এসবি অফিসে গিয়ে সেটি সংগ্রহ করতে হয়।
১২০০ টাকার যায়গায় ৮০০০ চেয়েছে। তাহলে ৭ দিনের মধ্যে নামজারি হয়ে যাবে, না হলে ২ মাস লাগবে। বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়েছি। আমিও সমান অপরাধী
অফিস সহকারী ও হিসাবরক্ষক আমার কাছ থেকে ১০০০০ দশ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ছে বিনিময়ে আমার বাবার পেনশনের কাজ করে দিয়েছে