Driving license
টাকা না দিলে written এই fail করায়ে দেয় । আমার exam hall এর 99% মানুষ ই 10k to 15k ঘুষ দিয়েই এসেছিল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা না দিলে written এই fail করায়ে দেয় । আমার exam hall এর 99% মানুষ ই 10k to 15k ঘুষ দিয়েই এসেছিল।
Theres no way to complete it without additional amount.
Return joma dite giye ghusher kotha othe Office theke Office sohayok dabi.koren khorchopati dite hobe sir der ke 2000 taka.,na hole tader list er othbena return joma er list Ekporjay na pere 1000 taka diye aste hoyese.😈
পাসপোর্ট এর জন্য পুলিশি ভেরিফিকেশনে টাকার জন্য আটকে রেখেছিল কর্তব্যরত থানার অফিসার পরবর্তীতে 1200 টাকার বিনিময়ে রাজি হয়ে যায় তারপরে আমার ভেরিফিকেশনটি সাকসেসফুল হয়।
এমপিওভুক্তকরণের জন্য দাবি করেছিল এবং আমি পরিশোধ করেছি।
আমি নামজারি এর জন্য যাই কিন্তু এই কাগজ কম আছে নানা রকম বাহান করে। যখন ২০০০ টাকা পরিষোধ করি তখন আর কিছুই লাগে নাই৷ দিয়ে দিছে ফাইল
নোয়াখালী মাইজদী পাসপোর্ট অফিসে কর্মকর্তারা কাগজপত্র সব ঠিক থাকার পরও দালালের সিল সই না থাকলে কাগজপত্র জমা নেয় না।মোট কথা পাসপোর্ট বানাতে হলে সব কাগজপত্র নিয়ে আগে দালালের সাথে দেখা করে টাকা দিতে হবে দশ হাজার অথচ লিগাল সরকারি বিল ৫৭৫০টাকা তারপর দালাল কাগজপত্রের পিছনে সিল দিয়ে সাইন করে দেয়,এরপর ঐ সিল সম্বলিত কাগজপত্র নিয়ে কর্মকর্তাদের কাছে নিয়ে গেলে ওরা শুধু কাগজটা উলটিয়ে দালালের সিল সাইন দেখেই কাগজ জমা নিয়ে নেয়।
আমার দোকানে প্রতি মাসে বেড বাবদ সরকারিভাবে জমা দিতে হয় ১০ হাজার টাকা তাকে দিতে হয় ৮ হাজার টাকা মোট ১৮ হাজার টাকা দিতে হয় । কিন্তু আমি সেটা না দিয়ে পুরাটাই সরকারি দপ্তরে জমা দিতে চাই বিদায় তার সে আমার দোকানের নামে মামলা করে দে। সে মামলা সে মামলা নিষ্পত্তি করতে গিয়ে আমি যখন উকিল দরি। উকিলের মারফতে নগর ভবনের সাত তলায় তার অফিসে আমাকে ডেকে নিয়ে যায় এবং ডেকে নিয়ে সে আমার কাছ থেকে এই মামলার নিষ্পত্তির জন্য ম্যাজিস্ট্রেট ৭ লক্ষ টাকা দাবি করে । পরবর্তীতে উকিলের উপস্থিতিতে অনেক দর কষাকষি করে ৬ লক্ষ টাকা দিয়ে এই মামলা থেকে আমি বের হয়ে আসি।অর্থাৎ ঢাকা শহরে আমি চাইলেও সঠিকভাবে আয়কর দিয়ে পরিদর্শকদের কোন টাকা না দিয়ে কোন প্রকার দোকান করতে পারি না।
আমি তখন ইন্টারণ ডাক্তার। অন্য সরকারি মেডিকেল কলেকে। আব্বার হঠাৎ ড্রাগ রি একশন করায়, আব্বাকে চট্রগ্রাম মেডিকেলে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করায়৷ আব্বা ১০ /১৫ দিন হাসপাতালে ছিলেন। পরে যখন ছাড়পত্র দে, নার্স/আয়া বুয়া সবাই উঠে পড়ে লাগে আমার আম্মাকে বকশিস দেওয়ার জন্য। ওরা না কি অনেক কষ্ট করছে। কি কষ্ট করছে, ওরাই জানে। শুধু রুটিন দায়িত্ব পালন করছে। সারাদিন ওদেরকে ডাকতে ডাকতে আমি ক্লান্ত হয়ে যেতাম। এস এ ডাক্তার হয়েও। যদীও আমার মা থেকে ওরা জোর করে ১০০০ টাকা আদায় করেছিল..
একজন কর্মচারী নাফিউল্্লিাম
আমি নিজ জেলা চট্টগ্রামের বাহিরে। আমার বাবার চাকরিসূত্রে ছোট থেকেই চট্টগ্রামেই বড় হওয়া। আমি নিজে নিজে কোনো দালাল মাধ্যম ছাড়া পাসপোর্ট করতে গেলে আমাকে নানা অহেতুক প্রশ্ন এবং হয়রানির শিকার করে। সব তথ্য সঠিক হওয়ার পরও আমার কাছে অহেতুক কিছু ডকুমেন্টস দাবি করে। তাদের চাহিদা মতো ডকুমেন্টস নিয়ে গেলে আবার ভিন্ন কাহিনি শুরু করে। পরবর্তীতে বিরক্ত হয়ে একজন দালালের কাছে যাই। দালাল ঐদিনই ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিবে বলে আশ্বাস দেয় এবং ৪০০০ টাকা দাবি করে। দালাল পাসপোর্টে ফাইলের সাথে একটি বিশেষ কোড সংবলিত একটি কাগজ ধরিয়ে দেয়। পরে ঐ কাগজ নিয়ে সরাসরি উপপরিচালকের রুমে যেতে বলে। কোডটি দেখার সাথে সাথে সই করে দিয়ে আমাকে ছবি তুলতে পাঠায় এবং কোনো লাইনে দাড়ানো ছাড়া ছবি তুলি। পরবর্তী ৬ কর্মদিবসেই পাসপোর্ট
রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১ বলদিপুকুর সাব জোনাল অফিস এটি বৈরীগঞ্জ উত্তরবঙ্গের টোল প্লাজার পাশে অফিস বর্তমানে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১- এর বলদী পুকুর সাব জানার অফিসে মিটারের আবেদন দিলে প্রতিটি মিটার পরিদর্শন করে মিটার পাস করার জন্য ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেয় টাকা না দিলে আবেদন যেকোনো কারণ দেখিয়ে বাতিল করে দেয় উনার নাম হচ্ছে — উনি প্রায় বেতন এর চেয়ে ডাবল টাকা প্রতি মাসে ঘুষ নেয় আর হয়রানি করায় রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১ এর যে মহোদয়কে জানানো হলে উনি এ বিষয়ে কোন ব্যবস্থা নেননি এবং উক্ত বন্দি পুকুর সাব জোনাল অফিসের এজিএম মহোদয় বিষয়টি জানেন যেওনার অফিসের কর্মচারী ঘুষ নেন কিন্তু উনি কোন পদক্ষেপ নেন না প্রতিমাসে ২০০ থেকে ৪০০ মিটারের আবেদন জমা হয় দেড় ২ লাখ ঘুষ নেয়
পাসপোর্ট করতে যেয়ে সব কাগজ ঠিকঠাক থাকার পরেও আমাকে ৩ বার এইটা নাই ওইটা নাই বলে ঘুরাচ্ছে। কিন্তু পাসপোর্ট করার সাইটে যেগুলো লিখা ছিলো সবগুলোই নিয়ে গেছি। এতোবার ঘুরানোর পরে বুঝলাম আর হবেনা এভাবে। তখন পাসপোর্ট অফিসের সামনের দোকানে কথা বলার পরে উনি আরো ২০০০ টাকা এক্সট্রা দাবি করলেন আর বললেন সোজা ঢুকে যান, নিয়ে নেবে। মজার ব্যাপার হলো যিনি প্রতিবার আমাকে ফেরত দিচ্ছিলেন এবার কোনো কথা না বলে কাগজ জমা নিয়ে নিলেন এবং সবকিছু ২০ মিনিটের মধ্যে শেষ।
প্রায় ৫ জাবত আমি আমার জমির নামজারি/খারিজ করার জন্য সিঙ্গাইর, জয়মণ্ডপ ভূমি অফিসে যাই। সেখানে নায়েব আমার জমির নামজারি/খারিজের কাজ করে দেওয়ার জন্য আমার কাছে ৫০,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি এত টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় এবং টাকা দিতে না পারায় আমার জমির নামজারি/খারিজের কাজ সম্পন্ন করতে পারিনি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আমার নামজারি/খারিজের কাজ সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করছি। আমি একজন মহিলা মানুষ আমার কেও নাই 🙏
আমাদের বাড়ীতে গ্রিল কেটে চুরি করে ৬০-৭০ হাজার টাকার জিনিসপএ নিয়ে যাওয়া হয়েচে। অতপর আমি মামলা করতে গেলে প্রথমে অভিযোগ পত্র নেয় এবং সাথে ৫০০ টাকা নেয়। এরপর ধাপে ধাপে ৬০০০ টাকা নেয়, পরবর্তীতে বলা হয় কোর্টে মামলা করতে। মামলা করার পর আসামীর বাড়ীতে যায় এবং আমার থেকে ২০০০ টাকা নেয়। লাস্টে আবার বলে ১০০০০ টাকা দিতে হবে। সেজন্য আর কিছু বলিনি তাদের।
আমি রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালিয়ে আসতেছি হঠাৎ একজন সার্জেন্ট আমার গাড়ি সিংনেল দিল আমি গাড়ি থামাতে দেখলাম সামনে আরো একটি বাইক দাঁড়িয়ে আছে ঐ সার্জেন্ট বাইক চালকে বলছে 500 টাকা দাও উনি বলছে আমার তো সবকিছু ঠিক আছে আমি কেন টাকা দিব তখন উনি বলছে 42 লক্ষ্য টাকা দিয়ে এখানে আইছি টাকা উঠাতে হবে 500 টাকা দে আর চলে যা কাগজ দেখাতে হবে না আমি যখন আসলাম তখন উনি আমাকে বলল আপনাকে কি নতুন করে কিছু বলতে হবে নাকি তখন আমি ও 500 টাকা দিয়ে চলে আসলাম তাহলে দৈনিক কত টাকা উঠায় ঐ লোক
আমি একজন প্রবাসী।দেশের বাইরে থাকার কারণে আমার এনআইডি কাড সংশোধন করতে পারিনি। যখন আমি দেশে যাই। তখন উপজেলা নির্বাচনে এন আই ডি সংশোধনের জন্য যাই। উপজেলা কর্মকতা আমার কাছ থেকে তিন লক্ষ টাকা দাবি করে.
আশামি শর্তে বলেন আমি একলা
Trade license approval purposes minimum range 10000 tk. Layout approval 40 k to 100k
কক্সবাজার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার — চরম ঘুষখোর সে সব ঠিকাদারদের কাছ থেকে এক পারসেন্ট থেকে দুই পার্সেন্ট পর্যন্ত ঘুষ নিয়ে থাকে এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার — একই পরিমাণে সব ঠিকাদারদের কাছ থেকে নিয়ে থাকে তাদের তত্ত্বাবধানে চলা সমস্ত কাজের ওয়ার্ক অর্ডার অ্যামাউন্ট যাচাই করলে জানতে পারবেন তারা ঠিক কি পরিমান ঘুষ নিয়েছে এটি অনেক বেশি পরিমাণ আপনারা হিসাব করলে পাবেন,