নতুন ট্রেড লাইসেন্স বানানো
আমি নতুন উদ্যোক্তা, নতুন ভাবে লাইসেন্স করতে গিয়ে হাজার টা সমস্যা এবং সময় লাগবে দেখিয়ে অনেক দিন ঘুরানো হয়, ঘুষ এর জন্য।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি নতুন উদ্যোক্তা, নতুন ভাবে লাইসেন্স করতে গিয়ে হাজার টা সমস্যা এবং সময় লাগবে দেখিয়ে অনেক দিন ঘুরানো হয়, ঘুষ এর জন্য।
২০২২ সালে আমি পাসপোর্ট করার জন্য যে ডকুমেন্টগুলো লাগে আমার সকল বৈধ কাগজপত্র জমা দিয়েছিলাম, আমাকে অফিস থেকে বলছে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য আমাকে কল দিবে, এখানে বলে রাখি আমি পাসপোর্ট করার সময় আমার বর্তমান ঠিকানা উত্তরা দিয়েছি এবং গ্রামের ঠিকানা দিয়েছি স্থায়ী ঠিকানা, এজন্য দুইটা ঠিকানাতেই আমার পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে, ভেরিফিকেশনে পুলিশ আমাকে কল দিয়ে সরাসরি সাক্ষাৎ করতে বলেছিল, আমার গ্রামের ঠিকানায় আমি সরাসরি সাক্ষাৎ করি এবং আমার একজন আত্মীয় সরকারি সার্ভিস হোল্ডারে আছে তার সাথে পুলিশের সাথে কথা বলিয়ে দেই, তাই গ্রামের ঠিকানায় পুলিশ আর টাকা দাবি করে নাই, সেইমভাবে উত্তরার ঠিকানায়ও চেষ্টা করি, কিন্তু আমার কাছে টাকা দাবী করে, আমি এস বি পুলিশকে ১০০০ টাকা দেই।
আমার জমি আমি অন্য জনকে টাকা ছাড়া দিয়ে দিতাম,, আমাদের চেয়ারম্যান র দাবি,,
License renewal er jonno 30k ditey hoye chilo.
আমি বাড়ির প্লান পাশের জন্য পিরোজপুর পৌরসভায় আবেদন করেছিলাম ,পৌরসভার একজন ইন্জিনিয়ার বড় অংকের টাকা দাবি করে না দেওযায় আমার বাড়ির প্ল্যানটি দুই বছরেও পাশ করেনি । এভাবে সে প্লান পাশের জন্য কেউ গেলে টাকার জন্য হয়রানি করে ।
আমার একটি ২৮,০০০ হাজার টাকা দামের মোবাইল হারিয়ে গেছে, আমি থানায় জিটি করলে, আমার জিটির দায়িত্ব অফিসার আমার কাছে খরজ বাবদ ২৫০০ শত টাকা দাবি করে, আমি নিরুপমায় হয়ে ১৫০০ শত টাকা দেই। আমি তার সঙ্গে অনেক বার যোগাযোগ করছি ফলাফল জিরো। আমার মোবাইল গেল আবার ১৫০০ টাকাও গেল।
বিভাগ : রাজশাহী, জেলা: পাবনা, উপজেলা: সাঁথিয়া আমাদের এলাকার ভূমি অফিস গুলো খারিজ এর আবেদন তফসিল অফিস থেকে করলে ৭-৮ দিনের মধ্যে বের করে দেয় বদলে টাকা নেয় ৮০০০-১০০০০ টাকা।। কিন্তু নিজে নিজে আবেদন করলে মাস এর উপর লেগে যায় তাও ফাইল আগাতে চায় না সব কাগজপত্র ঠিকঠাক থাকলেও। আর খাজনা দেয়ার আবেদনের জন্য অনুমোদন দিতে চায় না বিভিন্ন কারণ দেখায়। তারা একই কাজ না সবার থেকে আলাদা আলাদা ভাবে টাকা নেয় আর একটা করে কপি দেয়।মানে খাজনা একবার দেয়া লাগে কিন্তু সবার থেকে টাকা নেয় বার বার যার যখন লাগে।। আর টাকা ছাড়া ফাইল নড়তেই চায় না। এটি একেবারে সত্য ঘটনা দরকার হইলে লোক লাগিয়ে পরীক্ষা করতে পারেন। আমরা যারা সাধারন মানুষ তাদের তো টাকার গাছে ধরে না কষ্টের টাকা দিয়ে সব কাজকর্ম করতে হয় না করেও কোন উপায় নাই
প্রথমবার অনলাইন চিটিং এর মাধ্যমে খারিজ বাতিল করে। পুনরায় আবেদন করার পর দীর্ঘসুত্রিতা করে। ১ম ও ২য় বার মিলে প্রায় ৩ মাস পর শুনানির তারিখ পড়ে। ঐদিন পূর্ব মালিকের খাজনা বাকি থাকায় অফিস প্রধান জমি খারিজ করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং জমি অধিগ্রহণের হুমকি দেয়। পরে অফিস সময়ের মধ্যে অনেক হয়রানি স্বত্ত্বেও প্রতিনিধি খাজনা পরিশোধ করে রশিদ জমা দিলে তা খারিজ হয়।
আমি বরগুনা জেলার পাথরঘাটা থানার একজন বাসিন্দা। পাথরঘাটা থেকে বরগুনা শহরে আসতে যেতে প্রায় ১০০০/- টাকা খরচ হয়। আমার জাতীয় পরিচয় পত্রে পেশা দেওয়া ছিলো জেলে। বর্তমানে আমি একজন লাইসেন্সধারী ড্রাইভার। অতঃপর পাসপোর্টের আবেদন করার সময় আমি আমার বর্তমান পেশা দিয়ে আবেদন করি। আবেদন জমা দিতে গেলে অফিস কর্তৃপক্ষ আমাকে বলে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের পেশাতো জেলে দেওয়া, আপনি ড্রাইভার কেনো লিখেছেন? আমি বললাম ভাই আমি বর্তমানে একজন ড্রাইভার। তারা বললো হবে না, আপনি হয় জাতীয় পরিচয় পত্রের পেশা পরিবর্তন করে ড্রাইভার করে নিয়ে আসেন না হয় পাসপোর্টের আবেদনে জেলে লিখে নিয়ে আসেন। নাহলে পাসপোর্ট করতে পারবেন না। এই কথা শুনে আমিতো বিপাকে পরে যাই। তখন ১৫০০/- টাকার বিনিময়ে আমার পাসপোর্টের সেই আবেদনটাই গ্রহন করা হয়।
জাতীয় ক্যান্সার হাস্পাতাল, মহাখালী, মেডিকেল অনকোলজি বিভাগ বিভিন্ন ঔষধ কম্পানির কাছ থেকে পগ্রামের নাম করে টাকা ঘুষ চাচ্ছে। প্রতিটি কোম্পানির কাছ থেকে ৫৫ লক্ষ টাকা করে। যেই কোম্পানি টাকা দিতে পারবে সেই কোম্পানির ঔষধ লিখবে। যারা দিতে পারবে না তাদের ঔষধ লিখবে না। যার ফলে দিনে দিনে মেডিসিন এর দাম বাড়ছে। সাধারণ মানুষ হয়রানির সিকার হচ্ছে। এর প্রতিকার চাই।
আমাকে বলা হয়েছিল খাজনা পনেরো টাকা দিতে হবে । আমি বললাম একটু কম রাখেন। তিনি বলেছিলেন সরকারের খাতায় এগারো হাজার টাকা জমা দেবো এবং ৪০০০ টাকা কাগজ পাতি ঠিক করার মূল্য লাগবে। এর কমে পারবোনা
আমি ২০২৫ সালের ২৯ জুন সিভিল সার্জনের কার্যালয় বরিশাল এ স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে জোগদান করি।এর পরে আমাকে উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্স, গৌরনদীতে পদায়ন দেয়া হয়।গৌরনদী হাসপাতালে — নামে এক ৪৫ বছর বা ৪৮ বছর বয়ষি লোক চাকুরী করে প্রধান সহকারী হিসেবে।অই ব্যক্তি আমাদের ব্যাচের পাচ জনের কাছে বেতন ফিক্সেসন এর জন্য ১০০০ টাকা করে দাবী করে,আমি ছাড়া বাকি সবাই দিয়েছেন,আমি রিজেক্ট করায় আমার বেতন অতিরিক্ত দেড় মাস ঘুরপাক খায়।আবার অফিসিয়াল কাজ করতে — ভাই(প্রধান সহকারী) এর কাছে গেলে অযথা বকাঝকা করত।আমার কাজ গায়ে লাগাইয়তো না।কতৃপক্ষকে জানাইলে ও কাজ হইত না,মা হার্টের রোগি বাবা রোড এক্সিডেন্ট এ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় ঘুষের টাকা দিয়ে আমার বেতন উঠাই।কিন্তু পুলিশ ভেরিফিকেসন টা আজ ও হয়নি।টাকা দেইনি বলে।
আমার বাবা মারা গেছে 2011 সালে। 2024 সালে আমার মা বিধবা ভাতার আবেদন করা জন্য ইউনিয়ন আমাদের ওয়াডের মেম্বারে কাছে গিয়ে ছিলেন মেম্বার এটি করার জন্য 1000 টাকা ঘুস চেয়েছে । বাঘা ইউনিয়ন সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘা ইউনিয়ন আমাদের বাড়ি । ওনার facebook Id- — নাম — 3 নং ওয়াড বাঘা ইউনিয়ন
License renewal er jonno ditey hoise 50k.
আমি অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন করে টাকা জমা করে সব কিছু সম্পন্ন করে নিয়ে যাই, আর এটা দেখেই যে কাগজপত্র জমা নেয় উনি রেগে গিয়ে বলে এটা কে ফিলআপ করেছে বললাম আমি, তখন আমাকে জিজ্ঞেস করা হয় আপনি কি করেন আর আমি বললাম তারপর কোন ত্রুটি খোজে না পেয়ে আমা মায়ের নামের একটা স্পেস ভুল ধরে বলল আবেদন বাতিল করে ঠিক করে নিয়ে আসেন। তারপর পাসপোর্ট অফিসের সামনে দাললা আছে তারা আমাকে বলল কি সমস্যা আমি বললাম এই সমস্যা, পরে দালাল রা বলল এটা কোন সমস্যা না আপনি ৩০০০/- টাকা দেন আমি করে দিচ্ছি বললাম কিভাবে?? বলে আমাদের রেফারেন্স এ গেলেই করে দিবে আমি কোন উপায় না পেয়ে আমার ইমারজেন্সি দরকার তাই বললাম করে দেন, উনি জা্স্ট একটা Word এর উপর টিক দিয়ে দিল আর বলল এখন নিয়ে যান, আর টাকাটা দেন গেলাম আর সাথে সাথে নিয়ে নিল তারমানে এই চিহ্
আমি কুষ্টিয়াতে একটি ক্যাডার প্রতিষ্ঠানে চাকুরিতে যোগদান করি। প্রথম বেতন চালু করতে টাকা দিতে হয় জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে। আর মাধ্যম হিসেবে কাজ করে আমার নিজ অফিসের একাউন্টস অফিসার। হিসাবরক্ষণ অফিস বা এজি অফিসে নিজে উপস্থিত হয়েও কাজ করাতে গেলে বলে (উক্ত প্রতিষ্ঠানের অডিটর) আপনার অফিসের অমুক (সহিকারী একাউন্টস অফিসার) আছে না, উনাকে দিয়ে কাগজ পত্র পাঠিয়ে দিয়েন; কাজ হয়ে যাবে। এজি অফিস এটাকে বলে মিষ্টির টাকা। সবার আড়াই থেকে তিন হাজার লেগেছে। আমার কম লাগার কারণ হলো বেতন চালুর পূর্বেই আমার অন্যত্র পোস্টিং হয়। তারা শুধু ১০০০ টাকার বিনিময়ে এলপিসিটা নতুন কর্মস্থলে ফরওয়ার্ড করেছে।
একজন শিক্ষক সারাজীবন কস্ট করে তার ফ্যামিলি চালায়। নিজের শেষ বয়সে চাকুরি শেষ হবার পর পেনশন চালু করতে প্রতিটি শিক্ষকের পোহাতে হয় এই বিড়ম্বনা। সরকার ঘোষিত দ্রুত সেবা বাস্তবায়নের কথা থাকলেও। নেই কোন মনিটরিং ব্যবস্থা। যে বা যিনি এই হিসাব টা করবেন কতজন ব্যাক্তি অবসরে যাচ্ছেন। তারা কখন থেকে পেনশন ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। অর্থাৎ চাকুরি শেষ করে তখন আপনি দারে দারে ঘুরে বেড়াবেন তাও টাকা না দিলে মিলবে না সেবা মাসের পর মাস চলে গেলেও আপনাকে ঘুরিয়ে নিয়ে বেড়াবে।
Without Exam Passed.100% sure
আমি নতুন করে পাসপোর্ট করার জন্য মেহেরপুর পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করতে যাই। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও আমাকে বারবার বলা হয় যে, কোনো একটি কাগজে ভুল আছে, কোনো তথ্য ঠিক নেই—এভাবে বিভিন্ন অজুহাতে আমাকে একাধিকবার ঘোরানো হয়। অথচ আমার জমা দেওয়া কাগজপত্র ও তথ্য সঠিক ছিল। পরবর্তীতে অফিসের পাশে থাকা একটি দোকানে গেলে সেখান থেকে আমাকে প্রায় ২,৫০০ টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়। পরে ২,০০০ টাকা দেওয়ার পর। এরপর কোনো অতিরিক্ত সমস্যা ছাড়াই একই দিনে আমার আবেদন গ্রহণ করা হয় এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ছবি তোলা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
ফেনী কোর্টে একটা ব্যবসায়িক লেনদেনের ব্যাপারে মামলা করলে পিবিআই তে মামলাটা তদন্তের জন্য গেলে ওই পুলিশ অফিসার ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে এবং দি পরবর্তীতে বিবাদী থেকে 2 লক্ষ টাকা নিয়ে আমার 50 হাজার টাকা খেয়ে আমার বিপক্ষে বিবাদীর পক্ষে রিপোর্ট দায়ের করে আশ্চর্য বিষয় হলো ওই পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত কোন আইনি পদক্ষেপ নেইনি প্রশাসন আমি পুরো নাম ঠিকানা তার ভিপি নম্বরসহ সবগুলা প্রকাশ করতে চাই যদি এই সাইটটা আমাকে সাহায্য করে ছবিও দেব