ড্রাইভিং লাইসেন্স
আমি নিজে নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্স করেছি। কাউকে কোন প্রকার টাকা দিতে হয়নি। ্ওইখানে কিছু দালাল টাইপের লোক থাকে তারা মুলত ভুলভাল বুঝিয়ে টাকা দাবি করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি নিজে নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্স করেছি। কাউকে কোন প্রকার টাকা দিতে হয়নি। ্ওইখানে কিছু দালাল টাইপের লোক থাকে তারা মুলত ভুলভাল বুঝিয়ে টাকা দাবি করে।
Amar akti post e 8 yrs running.generally 3 yrs por por amdr bank e promotion hoy.amr serial agey thakar por o amr 2 yrs por join kora officerder promotion hoye gelo.akti govt.bank e promotion ayvabe konodin hoy ni ja last 1 yrs dhore holo.amr aktai question ami ato service dilam ay bank e tahole bank kno amk viva niye o promotion dilo naa abr rules change kore amr 2 yrs junior der promotion pelo.sunechi protity post e aunek tk r lenden holo.ay amr sonar bangladesh!!!
আমি খাজনা দিতে গিয়ে দেখি অন্য একজন আমার রেকর্ড কেটে নিছে এখন তাদের কে বলি আমি এতো দিন খাজনা দিছি এখন কেন দিতে পারবো না পরে বলে আমাকে এসিলেন্ড যাইতে পরে এসিলেন্ড গেছি আমার রেকর্ড নাকি তারা ভুলে কেটে নিছে এখন আমি বললাম ভুল হইছে আপনারা করছেন এখন ঠিক করে দেন এখন তারা বলে এই ভাবে সরকারি কাজ হয় না ভুল হলে ঠিক করতে অনেক দাপ লাগে উফফ আমি কোন বিপদে পরলাম পরে আমি বললাম ভাই কি করা যায় সে বলে একটা উপায় আছে ১০০০০ টাকা দেন ঠিক করে দিবো সে বলে এসিলেন্ড তার পর খাজনা সবাইকে টাকা দিয়া ঠিক করা লাগবে পরে আমি ৫০০০ টাকা বলি কারণ আমি নিরুপায় এদের কাছে গেলে নিজেকে আর মানুষ লাগে না যাক সে ২ দিন সময় নিয়া আবার রেকর্ড ঠিক করে ভলিউম খাজনা নেয় এখন এই টা কার ভুল আমার না সরকার আমলাদের এমন কাহিনি আর কার কার সাথে হইছে
বিদ্যালয় পরিচালনা সংক্রান্ত সেবা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসের অফিস সহকারী টাকা ব্যতীত কোন সেবা প্রদানে অসম্মতি।
টাকা দিলে ১ মাসে পাব না দিলে কবে পাব আল্লাহ জানে এই হল তাদের ডায়লগ।
পিআরএল মন্জুরির আবেদন জমা দেওয়ার ১মাসে ফাইল ধরেইনি। দাবিকৃত ৫০০০ টাকা দেওয়ার পর কথা ২ মাস পর মঞ্জুর হয়েছে।
পিজি হাসপাতালের আউটডোর অনলাইন টিকেট কেটে দেবে বলে কিছু ষ্টাপ ৩০০ টাকা দাবি করেছেন এটা পতিদিনের সমস্যা মানুষের ভোগান্তি চরমে।
বি আর টি এ অফিসে গাড়ির ফিটনেস, রুটপারমিট ও টিনলক খোলা বাবদ ১০০০০টাকা দিয়ে করতে হয়েছে।
টিকিটের জন্য সিরিয়ালে দাড়ানোর পর নিরধারিত সময়ের আগে বলে আর সিরিয়াল দেওয়া যাবে না। আমি বল্লাম ভাই অনেক কষ্টে গাজীপুর থেকে এসেছি দয়া করে একটু ব্যাবস্থা করেন সে বল্লো কিছু খরচ দিতে হবে তারপর ১০০ টাকা নিয়ে সিরিয়াল দিয়ে দিলো।
আমার ছোট ভাইকে সন্দেহজনক ভাবে পুলিশ গ্রেফতার করে। তারপর বিভিন্ন অজুহাতে আইও টাকা দাবি করে যেমন ছেরে দিবে বা মামলা হালকা করে দিবে ।
আমার গ্রামের বাড়ি বরিশাল এর ঝালকাঠি। বর্তমানে চাকরীর সুবাদে ঢাকায় বসবাস করি। তার প্রমান স্বরুপ আমার অফিস আইডি ও বর্তমান বাসার বিদ্যুৎ বিলের কপি দেখানোর পর ও আমাকে রিজেক্ট করে ঝালকাঠি থেকে পাসপোর্ট করার জন্য বলা হয়।নিরুপায় হয়ে ফিরে আসার জন্য বের হলাম।কিন্তু বিপত্তি তখন ই বাধ। ফটোকপির দোকান থেকে ডাক দিয়ে জানতে চায়।কি সমস্যা? সব শুনে তারা জানায়। ঢাকা থেকে ই পাসপোর্ট করে দেয়া যাবে বাট তাদের খরচ দিতে হবে ৩০০০ টাকা নিরুপায় হয়ে ২০০০ টাকায় রাজি হয়ে যাই আর সেই কাগজ পত্র দিয়ে ই আমার পাসপোর্ট হয়ে যায়।এভাবে হাজারে মানুষকে নানাণ সমস্যার কথা বলে বিপদে ফেলে ঘুষ এর মাধ্যমে কাজ হয়।
অনেকদিন পরে কাজটি হয়েছিল।
আমার প্রবাসী বন্ধুর ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড দেওয়ার জন্য। সে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। শুধুমাত্র প্রবাসে থাকে বলে Card প্রিন্ট এর জন্য নিয়েছে। নইলে কখনোই স্মার্ট কার্ড হাতে পাওয়া যেত না।
৬৬ শতক জমি ১৯৭২ সালে দলিল করা হয়। কিন্তু খারিজ করা হয় নি, এখন খারিজের জন্য ৬৬০০০/= লাগবে বলতেছে।
I went to file a simple General Diary; I don't want to mention why, as that would make it obvious who I am to them. They made me wait all day and were trying to make it complicated, accusing me, and finally they asked me to visit the small office on the right and told me they would take care of everything, but I needed to pay. So I felt powerless and obligated. The next time I went to file another GD, they recognized me and took the money straight away.
জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে আমরা একটি মামলা করি যেখানে আমাদের দুই তিন জন সাক্ষীর বক্তব্য একটি কাগজে লেখা হয় শুধুমাত্র এই বক্তব্যটি কাগজে লিখার কারণে উনি আমাদের থেকে ২০০০ টাকা চান শেষমেষ আমাদের ৫০০ টাকা দেওয়া লাগছে
লালমনিরহাট সরকারি নার্সিং ইন্সটিটিউট, সদর। এখান থেকে নার্সিং শেষ করার পর, লাইসেন্স পরীক্ষা ঢাকায় দেয়া হয় এবং পাস করলে একটা লাইসেন্স নাম্বার পাওয়া যায় যা কলেজ থেকে দেয়া হয় আর এই নাম্বার ছাড়া চাকরির পরীক্ষায় আবেদন করা যায় না। লাইসেন্স এর কোনো কাগজ পত্র কাউকে দেওয়া হয়নি শুধু নাম্বার জানিয়ে দিছে তাতেই প্রতি জনের কাছে ২০০০ টাকা করে নিয়েছে। আমি ও দিতে বাধ্য নাম্বার না পেলে জব পরীক্ষায় আবেদন করতে পারবো না।
ভূমির খজনার মূল্য দাবী করেছিল কয়েক বছরের বকেয়া সহ ৭৫০০.০০ টাকা। হিসাবটির প্রক্রিয়া স্পষ্ট ছিলনা। একজন নেগোসিয়েট করলো মোট ৫০০০/- টাকা দেন। জানতে চাইলাম কত টাকার টেক্স রশিদ দেবেন। বলল আপনার কোন বকেয়া থাকবেনা, রশিদ যাই দিনা কেন। আমি রাজি হলাম। আমাকে ৮৫০.০০ টাকার রশিদ দিয়ে বকেয়ার ঘরে ০ টাকা দেখিয়ে দিল।
বাবার শেষ বয়সে অসুস্থ হয়ে পড়ায় চাকরি থেকে অবসর নিবেন ভাবলেন, তিনি চাকরি করতেন নিরাপত্তা প্রহরীর , তারপর শুরু হল কাগজপত্র আর এ দপ্তর থেকে ও দপ্তর, বাবা স্টক করায় একহাত এবং পা প্রায় অকেজো, চিকিৎসা করার মত সঞ্চয় ছিল না, সবাই বলেছিল পেনশনের টাকা দিয়ে হয়তো চিকিৎসা করাবো, কিন্তু টাকা আর পাওয়া হলো না, তারপর বাধ্য হয়ে ঘুষের বিনিময়ে, মাত্র এক মাসের মধ্যে টাকা পাই, কিন্তু এরই মধ্যে অনেক দেরি হয়ে গেছে, কিছু দিন পরে বাবা মারা যায়, তার পরে মায়ের নামে পেনশন চালু করতে একই সিন্ডিকেটর কবলে পরতে হয়, তাই আর কি করার আগে তো চিনতাম ওদের তাই আবার দুই নাম্বারি পন্থায় যেতে হলো, এই হলো সোনার বাংলাদেশ
নওগাঁ পৌরসভা আমি ওয়ারিশিয়ান সার্টিফিকেট উঠাতে যাওয়ার পরে ৫০০ টাকা সরকারি ফ্রি এটা জানার পরেও আমি সেখানে বলি 500 টাকা তো নিতে হবে তারা বলে এইটা দিয়ে ওয়ারিসান হবে না পনেরশো টাকা দিতে হবে আমার সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও আমাকে আমার কাছ থেকে পনেরশো টাকা নিয়েছে এবং বলেছে বিভিন্ন স্বাক্ষর করতে সেখানে নাকি টাকা দিতে হয় তাদের নাকি টাকা থাকে না তারা নাকি সরকারি চাকরি করে না তাদের বেতন কম।