জিপিএফ ফান্ড খোলা
টাকা না দিলে আমার কোন কাজ করেনা আমার সাথে কথা ও বলে না, আজকে আসেন কালকে আসেন না হয় পরশু কাজ আর হয় না।টাকা দেওয়া মাত্রই কাজ হয়ে যায়
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
টাকা না দিলে আমার কোন কাজ করেনা আমার সাথে কথা ও বলে না, আজকে আসেন কালকে আসেন না হয় পরশু কাজ আর হয় না।টাকা দেওয়া মাত্রই কাজ হয়ে যায়
পেশকার মামলা তুলে নিতে দাখিলি দরখাস্ত জমা নিতে দাবী করেন
জেলা পরিষদে নামজারি ফাইল আটকিয়ে রাখে বিগত ৬ মাস যাবৎ, দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ না করার কারণে। নিজের প্রয়োজনে দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ করি তারপর প্রতিশ্রুতি দেয় যে ফাইল পৌঁছে যাবে এবং কোনো সমস্যা হবে না
সিটি কর্পোরেশন হোল্ডিং ট্যাক্স সর্বনিম্ন মূল্য ৪১৩৭ টাকা প্রতি বছর, এই সর্ব নিম্ন ট্যাক্সটির জন্য ওনারা সব কাগজ পত্র আপিল সহ রেডি করে দিবেন, তাই প্রতি ফ্ল্যাট ১৫,০০০ টাকা ঘুষ নিচ্ছেন। ঘুষ না দিলে ওনারা বেশি এমাউন্ট এর ট্যাক্স ধরবেন।
আমি বিদেশ যাওয়া উদ্দেশ্য অনলাইনে পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন পর্ম পুরন করি, তার পর সে কপি নিয়ে পাসপোর্ট করতে নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে যাই, তার আমান ফর্ম টি দেখে বলতো পেশায় ভুল আছে আমি পেশা ছাত্র দিয়েছে তাই তারা বল্লো ছাত্র বসানো যাবে না পাইভেট কোম্পানি চাকরি দিতে হবে, এবং বল্লো এইটি গ্রহণ করা হবে না তারা আমাকে পিরিয়ে দিলো আমি বেড় হয়ে যাচ্ছি গেটেই একটা লোক আমাকে এসে বরে সে বলে দেয় আপনার সমস্যাটি আমি সমাধান করে দিবো, ২০০০ টাকা লাগবে সে আমার সমস্যাটি জানেও না দেখেও নাই কিন্তু সে জানে কি সমস্যা হয়েছে আমার মনে হচ্ছে আমি বেড় হওয়ার আগেই কর্মকর্তা সেই লোক কে জানিয়ে দিয়েছে আমাকে ধরার জন্য আমার সমস্যা সমাধান করার জন্য, তার পর আমি ২০০০ টাকা দিতে রাজি হই এবং সাথে সাথে সেই লোকটাই আমার ফর্ম এপ্রুভ করে দেয়।
এটা ছিল একটা জেনারেল ডায়েরি করার জন্য আমরা থানায় গিয়েছিলাম বিষয়টা ছিল একজন ব্যক্তি নিখোঁজ হওয়ার জন্য জিডি করা সেই জিডিটা কোনভাবেই থানার কোন পুলিশ নিচ্ছিল না। এক্ষেত্রে চাঁদা বাবত এক লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। আমরা ২৫ হাজার টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে জেনারেল ডায়েরি করিয়েছি বাকি টাকাও পরিশোধ করবো এই শর্তে।
খতিয়ান তুলতে অতিরিক্ত টাকা লাগছে।
প্রথমে আমি নিজে অনলাইনে পাসপোর্ট এর এপ্লাই নিজের ফোন থেকে করি।সেটা প্রাথমিকভাবে আবেদনপত্র পাসপোর্ট অফিসে জমা দিই। দায়িত্বরত লোকটি আমার কোনোপ্রকার ভুলত্রুটি না ধরে, জাস্ট 2/1 টা পেজ চোখের পলকে উল্টিয়ে আমার আবেদনপত্রটি বর্জন করেন। আমি চিন্তায় পড়ে যাই। তারপর সাথে একজন ছেলে বললো যে ভাই, এখানে নিজের করা এপ্লিকেশন এলাউ হবে না, যদি না পার্শ্ববর্তী দোকান থেকে এক্সট্রা 2000/ দিয়ে এপ্লিকেশন না করেন। কিছুক্ষণ পরিস্থিতি নিজ চোখে দেখে সত্যিটা উপলব্ধি করলাম। আমি যখন কোনো উপায় না দেখে 1500/ এক্সট্রা জরিমানা দিতে দোকানদারকে স্বীকৃতি জানালাম। দেখলাম আমার আবেদন করা সেই এপ্লিকেশনেই পরের পেজে শুধুমাত্র একটা চিন্হ দিয়ে দিলেন, আর পরবর্তীতে একই এপ্লিকেশন ম্যাজিকের মতো এক্সেপ্ট ও হয়ে গেল।
পর্যায়ক্রমে তিন টি জমি ক্রয় করার পর মিউটেশনের জন্য আবেদন করার পরে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আমার কাগজ পত্র যাওয়ার পরে ইউনিয়ন ভূমি সরকারি কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে ঘুষ দাবি করে সেই মোতাবেক ঘুষ প্রদান না করলে আমার কাজটা হবে না বিদায় আমি তিনবার তিন হাজার টাকা ঘুষ প্রদান করি বাধ্য হয়ে
সেবাটি ছিল জন্ম সনদে ভুল সংশোধ অতিরিক্ত ২০০ টাকা নেওয়ার পরও ২ বছর হলো কাজ করে দেয় নি
বকেয়া বেতন প্রাপ্তির জন্য জেলা শিক্ষা অফিসারের প্রতিবেদন দরকার ছিল। বিভিন্ন কাগজপত্রের বাহানায় ২ দিন ঘুরানো হয়েছে। তারপর আমার থেকে সরাসরি ২০০০ টাকা দাবি করেছে জেলা শিক্ষা অফিসে কর্মরত একজন কর্মচারী। পরে আমি ১৫০০ টাকা দিয়ে প্রতিবেদন নিয়ে এসেছি। টাকা দেওয়ার পরে ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে আমার কাজ হয়েছে।
আমার রিলেটিভ ওর সুনিধার্থে ওর পছন্দনীয় জেলায় ট্রান্সফার নিতে হেডঅফিসে ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমার বাবা গত ২০২৫ এর অক্টোবর মাসে ১৫ তারিখ আখিরাত এর বাসিন্দা হয়ে যায়, আল্লাহ তাকে জন্নাত বাসী করুন আমিন। আমি তার ছেলে ওয়ারিশ হিসাবে, আব্বার রেখে যাওয়া সম্পদ সকল ওয়ারিশ এর নামে নাম জারি প্রয়োজন মনে করে স্থানী একটি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ নাম জারি আবেদন করতে যায়। তারা এই কাজ সঠিক ভাবে করিয়ে দিতে চায়, তবে অতিক্রম অর্থ দাবি করে। “তারপর নামজারি ১১৭০ টাকার কথা বললে তারা বলে, ঠিক আছে আবেদন করে দিচ্ছি, এর পর সকল কাজ আপনি নিজে থেকে করে নিয়েন। বিষয়টি সমস্যা দেখে আমার খালু (পূর্বে অভিজ্ঞতা) থেকে তাদের কিছু টাকা দিয়ে কাজ টি করিয়ে নিতে বলে। এর পর বিভিন্ন কিছু বুঝার পর তাদের হতে টাকা দিয়ে কাজটা করিয়ে নেই। #এগুলো প্রথম অভিজ্ঞতা ছিলো, তাই বেশ অবাক হয়েছি।
২০২৫ সালে ঢাকা মিরপুর বি,আর,টি,এ, তে গারির ফিটনেস করাতে যাই। বি,আর,টি,এ, এর গেট এ ঢোকার আগ পর্যন্ত আমার গারির হেড লাইট ১০০% ঠিক ছিল। যেই রাম্প এ ওঠাল, আমার গারির হেড লাইট ফিউস হয়ে যায়। আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে ফিরনেস দিতে। এটি একটি সিন্ডিকেট যার সাথে অফিস কর্মকর্তারাও জড়িত। আপনি একজন অসহায় সেবাপ্রার্থী বাংলাদেশী নাগরিক।
আমি নতুন পাসপোর্ট করতে পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। অফিসের সামনে কম্পিউটারের দোকান থেকে আবেদন করি। এবং যখন ভেতরে যায়। সাড়ে বারোটার দিকে তারা বলে তারা দুপুরের খাবার খেতে যাবেন। দুইটা দেখে আসতে বলল। আমি যখন দুইটার দিকে যাই কোন সিরিয়াল ছিল না তবু তারা আমাকে চারটা পর্যন্ত বসিয়ে রাখেন। চারটার দিকে যখন আমি আবার যাই তখন আমাকে বলে আজকে সময় নাই আগামীকাল আসেন। যখন পরের দিন যাই। তখন আমার আবেদন করা ফর্মে। মায়ের নামের সঙ্গে একটু সমস্যা ছিল। ওরে তাদের কাছে যাই না বলে এটা হবে না। বাইরে আসার সময় এক ভদ্রলোক আমাকে ডেকে বলেন কি সমস্যা সমস্যা বললাম। তখন বলে ৫০০০ টাকা লাগবে। কোন সময় লাগবে না এক মিনিটও সময় লাগবে না। অনেক কথা কাটাকাটির পর তাকে আমি ২৫০০ টাকা দেই। সরাসরি ছবি এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেই।
আমার পরিচিত এক বড় ভাই উনি কোনো এক কারনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাধ্যমে জেলহাজতে থাকাকালীন জামিন করাতে সক্ষম হই। তবে জামিনের কপি উঠানোর জন্য হাইকোর্টের বিভিন্ন দপ্তরে দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করে জামিনের কপি বের করাতে দাপ্তরিক কর্মকর্তাদের প্রায় ২০০০০ টাকার মত দিতে হয়েছে। এমনও হয়েছে কোনো একসময় ফাইলও লুকিয়ে রাখা হয়েছে। দুঃখ করা ছাড়া টাকা পয়সা দেওয়া ছাড়া আর কোনোকিছু করার উপায় ছিল।
Taka diyechi office cerani jonno 19lakh army officer niyeche gush kintu Amar letter dey nay shudhu ghuray 1year
পারিবারিক সম্পত্তি বন্টন দলিল হওয়ার পরে মেডিটেশন করানোর জন্য যখন গিয়েছি ভূমি অফিস থেকে বিভিন্ন জাহাজ বিভিন্ন ভুলত্রুটি দেখিয়ে টাকা নেয়ার জন্য জিম্মি করেছিল আমরাও অপারগস্ত হয়ে বহু বছরের রঙিল একটা সম্পত্তি দলিল হয়ে যাওয়ার পরও সামান্য একটা টিউশনের জন্য কেন ঝুলে থাকব টাকার বিনিময়ে হলেও করিনি যেখানে ১১৭০ টাকা সরকারি বিল পরিশোধ করার কথা ওখানে এক দলিলে 20 থেকে 25000 করে নিয়েছিল। উপরে কর্মকর্তারা তাদের কিছু পিওন রেখেছে দাম দর করার জন্য ,,তাদের কাজ হচ্ছে শুধু ভুল ধরে দিবে সমাধান দিবে পিয়ন।
ওড়াকান্দি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা প্রত্যেক ফাইলের জন্য এক হাজার টাকা করে ঘুষ নেয়
বেশ কয়েক দিন পৌরসভা অফিসে ঘুরেও কোনো কূলকিনারা হলো না। থাকি যশোরে। স্থায়ী টিকানা। গোপালগঞ্জ। এই যুগে কার এতো সময় বের করার সুযোগ আছে! সে বিড়ম্বনার কথা আর কি বলবো! পৌরসভা অফিসে গেলে কোনো দামই দেয় না। পরিচিত একজন (তিনি পৌরসভা অফিসের কেউ না) ভদ্রলোক এক দালালের সন্ধান দিলেন। তিনি ৩ হাজার টাকা চাইলেন। দিলাম। কাজ হলো। মূলত এই দালাল গুলোর মাধ্যমেই তারা ৯০% কাজ করে থাকে।