Police clearance certificate
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
সব কিছু কাগজপত্র জমা দেয়ার পর ও কমিটি গঠন ও নবায়ন করা জন্য দিতে হয়েছে।
পাসপোর্ট করার সময় বিভিন্ন ভুল ধরছিল। এবং বলে যে পাসপোর্ট হবে না কিন্তু এক পিয়ন বলে যে ভাই স্যারকে এক হাজার টাকা দিন তাহলে পাসপোর্ট হয়ে যাবে। যখন এক হাজার টাকা দিলাম তখন ওই ফর্ম নিয়ে আবার পাসপোর্ট করে দিয়েছে।
ami nije nije amar passport apply kori, korar por ami joma dite jai , oikhane proffesion diyechilam privet service sobai etai dey, uni amk jigges korlen ki koro ami bole chilam student uni oita mark kore diye bolen eta thik kore asun. kintu amar ager joner o same privet service likha cilo oi chele ssame kotha bolce student or file nice amar file ne nai karon ami dalal dore jai nai ,tokon dalal der sign chilo sottayito joonno seal mara hoto oi nam er seal tai bujaito eta kon dalal theke asce, pore jokhn dalal dore aslam same kagoj diyai joma disilam.
আমি মোহাম্মদপুর পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম,, সেখানে আমার সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও তারা ফিরিয়ে দিয়েছিল,, বাহিরে আসার পরে এক লোক আমাকে বলতেছে কিছু টাকার বিনিময়ে সে পাসপোর্টটি করে দিতে পারবে, তারপর আমি নিরুপায় হয়ে তাকে তিন হাজার পাঁচশত টাকা দিয়ে এবং সে তোমার পাসপোর্ট ঠিক করে দেয়
সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ লক্ষ টাকা বিআরটিএ হতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। আমার বাবার সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যুর পর আমরা আবেদন করি ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে। ১ বছর পর বিআরটিএ-র একজন কর্মচারী আমাদের ফোন করে ১ লক্ষ টাকা দাবি করে। অন্যথায়, আমাদের সে ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তি হতে বঞ্চিত করার হুমকি প্রদান করে। আমরা তাকে ৫০,০০০ টাকা অফার করলে সে রাজি হয় এবং আমাদের কয়েকদিন পর সরাসরি ঢাকার বিআরটিএর হেড অফিসে ডেকে নিয়ে যায় এবং একজন সহকারি পরিচালকের উপস্থিতিতে আমাদের ৫ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করেন। আমরা পরবর্তীতে জানতে পারি সে অবসরপ্রাপ্ত একজন প্রাক্তন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী ছিলেন তবে অবসরের পরও এখনো বিআরটিএর কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাথে যোগসাজস করে তিনি নিয়মিত অর্থ আত্মসাৎ করেন।
আমি বাংলাদেশ টেলিভিশনের একজন সহকারী হিসাবরক্ষক। আমাদের ১ম বেতন নির্ধারনী পাস করাতে প্রত্যেকের কাছ থেকে ২০০০ টাকা করে সিএএফও তথ্য এর অডিটর দাবি করে। অনেক অনুরোধের পর জনপ্রতি ১৫০০ টাকা দিয়ে তা পাস করাই। তারা পদোন্নতি জনিত/ উচ্চতর গ্রেডের বেতন নির্ধারনী পাস করে সমপরিমাণ টাকা আদায় করে। কর্মচারীদের জিপিএফ এর অর্থ উত্তোলনে কমপক্ষে ২০০০-৫০০০ টাকা করে অর্থ আদায় করে। সকল ধরণের বিল পাস করতে অডিটর ও অডিট সুপারিন্টেনডেন্ট গং ১% কমিশন আদায় করে। তারা তাচ্ছিল্য করে বলে দোকান একটাই! বিল পাস করতে কমিশন দিতেই হবে।
পাসপের্ট আবেদন সরাসরি জমা নেয়া হয়না। অফিসের নির্ধারিত দালাল ফাইলে চিহ্ন দিলে সেগুলো প্রশ্ন করা ছাড়াই জমা নেয়। যেমন জন্মনিবন্ধন দ্বারা আবেদন করা পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান কতৃক অনলাইন কপি ভেরিফাই, আইডি কার্ড ইসি থেকে ভেরি ফাই করে আনতে বলে যা অনর্থক। কেননা ভেরিফাই হয়েই আব্নেটি সম্পন্ন হয়েছে। বেকার লিখলে বেকার সনদ চায়। আগের পাসপোর্টে স্বামী স্ত্রীর নাম আছে তাও কাবিন নামা চায়। এভাবে হয়রানী করে। সব ঠিক থাকলে বলবে কোথায় ফিলাপ করেছেন নতুন করে আবেতন করেন, ১টি জন্মনিবন্ধন বা এনআইডি দিয়ে ২য় বার আবেদন অসম্ভব। টাকা ২০০০দিলে সব ওকে।
আমরা ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগপ্রাপ্ত ১২ জন ভুক্তভোগী শিক্ষক। বাড়ি থেকে অনেক দূরের স্কুলে ntrca এর মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ায় ব্যাপকভাবে হয়রানির শিকার হয়ে এসেছি। একপ্রকার আতঙ্কিত করে নানান ভয়ভীতি দেখিয়ে জেলা শিক্ষা অফিসের সিন্ডিকেট সদস্য যে নিজেই একজন শিক্ষক নাম —, টেকনাফে একটা স্কুলে চাকরি করে সে আমাদের কাছ থেকে এক লাখ আশি হাজার টাকা নেয়। শুনেছি তার মাধ্যম ছাড়া অন্য কোন মাধ্যমে ফাইল ফরওয়ার্ডিং এর কাজ সফল হয়। নিজের স্কুল, উপজেলা শিক্ষা অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস সবজায়গার সিন্ডিকেট। আমার জানামতে আমরা ১২ জনে, জনপ্রতি এককালীন প্রতিজনে ১৫ হাজার টাকা করে দিলেও ভিতরে ভিতরে আরও টাকা নিয়েছেন সেই শিক্ষক। আমরা নিরুপায় ছিলাম। এই সিস্টেমের প্রতিকার চাই।
যারা দেয় তারা সেবা দ্রুত পায়, না দিলে ওয়েটিং এ থাকে।
আমি আমার চোট ভাই দিয়ে ময়ের ওয়ারিশ সার্টিফিকেট তুলতে পারিয়েছিলাম ঐ সচিব ৬০০ টাকা নিয়ে সাটিফিকেট দেয়। কোন রিসিট দেয় নি। পরে অন লাইন মাধ্যমে জানতে পারি ৩১ টাকা লাগে মাএ।
২০২৫ সালের জুলাই মাসের দিকে রংপুর শহরের একটি জমি কেনার জন্য কাগজ পত্র যাচাই করতে গিয়ে দলিলে ডি পি খতিয়ান নম্বর ভুল দেখতে পাই। পরে দলিল লেখক কে সাথে নিয়ে সাব রেজিষ্টার এর কাছে গেলে উনি বলেন এটা সংশোধন করতে হলে কোর্টে যেতে হবে। পরে উনি দলিল লেখকের মাধ্যমে আমাকে ৮০০০০ টাকার বিনিময়ে কাজ করে দেয়ার প্রস্তাব দেয়। আমি বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে জমির মালিককে বলি আমি আপনার জমি নিব না। আপনি কাগজ ঠিক করে দেন তাহলে বায়না করবো। জমির মালিকের জরুরি টাকার প্রয়োজন ছিল। তাই তিনি আমাকে টাকার বিনিময়ে কাজটি করে দিতে অনুরোধ করেন আর বলেন যে টাকা খরচ হবে সেটা জমির দাম থেকে বাদ দিবেন। পরবর্তীতে আমি ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি করে নিই।
This is the procedure we must followed as few details need to change during trade license renewal.
Borleka Upojela marito sutir jonno abedon joma dite taka disi 5000 aroyo onek bar jokhon kunu kajer jonno gesi taka dite hoise na dile kaj hoina
দাবি করেছিল, আমি পরিশোধ করেছি।
খালাতো ভাইকে পাসপোর্ট রি-ইস্যুর জন্য আবেদনসহ ফি পেইড করে ডকুমেন্ট সহ পাঠিয়েছি পাসপোর্ট অফিস, পাসপোর্ট টি তার নিজের। সে ততটা শিক্ষিত নয়। তার স্পাউস তথা স্ত্রীর নাম স্ত্রীর NID অনুযায়ী দিলেও পাসপোর্ট অফিস কর্মকর্তারা ভাইয়ের NID তথ্য সার্ভার থেকে খুজে দেখে যে ডাকনাম সহ দেয়া আছে, মানে এক কথায় ভাইয়ের বিবাহ সম্পর্কিত ডাটা বের করে। এটা নিয়ে তারা কাহিনী করে বলে হবে হবেনা নতুন করে আবেদন করতে হবে। এটা কোন কথা বা রুলস হল? যতদূর জানি পরিচয় ইনফো হয়ে থাকে যার তথ্য তার NID অনুযায়ী। অথচ তারা তালবাহানা করে। শেষশেষ ২ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে আবেদন টি বাতিলও করে, তারপর নতুন করে আবেদন করে কম্পিউটার দোকানদার দিয়ে। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, ভাইয়ের পূর্ববর্তী পাসপোর্ট এ ভাবীর NID অনুযায়ী নাম ছিল তাতেও কোন সমস্যা করেনি।
দলিল পুরনো হয়ে যাওয়ায়, লেখা ঠিক মতো বুঝা যাচ্ছিলো না। আর এই দলিল আমার বিশেষ প্রয়োজনে দ্রুত লাগছিলো। পরে সেটি বাইর করার জন্য একজন লোক ১৫০০০ টাকা দাবি করে। ওনি বলেন এটা অনেক পুরোনো দলিল এসব এর নতি আছে কি না ঠিক নাই। এরকম আরো অনেক কিছু বুঝাতে শুরু করলেন। পরে নিরুপায় হয়ে টাকা দিয়ে ২ দিনের মধ্যে নতুন করে পেয়ে গেছি।যেহেতু জরুরি প্রয়োজন ছিলো তাই কোনোরকম ঝামেলা করতে চাইনি।
আমি সৌদি প্রবাসী । সৌদি থেকে টাকা পাঠায় রেমিটেন্সের মাধ্যমে প্রোপার চ্যানেলে । হুন্ডির মাধ্যমে নয়। সে এক কোটি টাকা আমার ফাইলে দেখানোর জন্য আমার কাছে চল্লিশ লক্ষ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে অনেক দর কষাকষি করে ৩০ লক্ষ টাকা দিতে বাধ্য । তো বাংলাদেশের নিয়ম অনুযায়ী রেমিটেন্সের টাকা অটোমেটিক ফাইলে হোয়াইট মানি হওয়ার কথা । কিন্তু আমার ক্ষেত্রে আমাকে ৩০ লক্ষ টাকা ঘোষ দিয়া লেগেছে শুধুমাত্র আমার ফাইলে সেটা হোয়াট মানি দেখানোর জন্য।
আমাদের শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের লাইসেন্স নবায়নের জন্য, বিশ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, সরাসরি জড়িত। কাগজপত্র সব ঠিক থাকার পরও, ঘুষ দিয়ে ছাড়পত্র নিতে হয়। কি বলব দেশের সব জায়গায় একই অবস্থা।
আমাদের ইউনিয়ন পরিষদে ছোট ভাইয়ের জন্য জম্ম নিবন্ধন করতে গেলে বলে যে, আবেদন পত্রে নামের ভুল আছে। নাম সংশোধন করার পর নতুন আবেদন করতে হবে। এই জন্যে তিন হাজার টাকা লাগবে। তা না হলে জম্ম নিবন্ধন করা যাবে না।