চাকরির ভেরিফিকেশন
চাকুরির ভেরিফিকেশন করার জন্য এসে ৭০০০ টাকা চেয়ে ছিলো, চা মিষ্টি খাওয়ার জন্য। ৩০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে, যদিও আমার সকল কাগজ ঠিক ছিলো।
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
চাকুরির ভেরিফিকেশন করার জন্য এসে ৭০০০ টাকা চেয়ে ছিলো, চা মিষ্টি খাওয়ার জন্য। ৩০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে, যদিও আমার সকল কাগজ ঠিক ছিলো।
Barite 2 ta Meter er jonnno abedho korte 21K taka legeche.
হুইল চেয়ার এর সার্ভিস দিয়ে ২০০ টাকা দাবি প্রায় সবার কাছেই নিচ্ছে রংপুর মেডিকেল
জিনিস পত্র চুরি হয়েছে, এই কারণে থানায় জিডি করতে গিয়েছিলাম, তো খরচ হিসেবে এটা নাকি লাগবে, তাই ১০০০ টাকা দিয়েছে, তবে জিডি হচ্ছে ফ্রী।
নামজারি আবেদন করিছি। ৫০০০ টাকা নিয়েছে। টাকা ছাড়া খসড়া প্রতিবেদন দিবে না। জুলুম এর শিকার হয়ে টাকা পরিশোধ করছি। না করলে তো নামজারি হবে না। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার অধীনে খোকশাবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘটনা। ঘটনা টি ঘটেছে আর তিন বছর আগে। আজকে এই প্লাটফর্ম পেয়ে মনের আবেগ প্রকাশ করলাম। ঘুষ নেওয়া বাক্তির নাম। —। ইউনিয়ন উপ সহকারী ভূমি কর্তা দুর্নীতির এক আখড়া কেন্দ্র খোকসা বাড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিস। সেখানে একই জমির খাজনা বার বার নেয়। বাইরের কয়েকটা দালাল সবসময় অফিসের ভিতরে থাকে তারা কম্পিটার কাজ করে। কিন্তু তারা কোনো সরকারি কর্মচারী না। তাদের একজন নাম — খোকশাবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে মুলত তার মাধ্যমে সকল লেনদেন করে। আশা করি ব্যবস্থা নিবেন।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে কোন প্লান অনুমোদন করতে গেলে প্রতিটি টেবিলে টেবিলে একাধিক বার টাকা দিতে হয়। LUC প্লান ফ্রম নিতে টাকা, LUC ফ্রম জমা দিতে টাকা, সার্ভেয়ার —, — সাইট ভিজিট করবে তাতে ৩০০০ - ৫০০০ করে নিবে। রাস্তা ছোট থাকলে, — ৫০০০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করে। টাউন প্লানার সহকারি — টাকা দাবি করে। গেল LUC.। এর পর প্লান সহকারি —, — ( বড় সিন্ডিকেট) , — এরা ছোট প্লান ববদ ১-১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। — সিটি কর্পোরেশনের প্লান শাখায় বড় মাপের সিন্ডিকেট। বরিশাল শহরে যত বড় বিল্ডিং হয়েছে, সব তার হাতে হয়েছে। তাকে টাকা না দিয়ে কেউ প্লান করতে পারেনি৷ প্লান পাস হলে চালান নিতে ১০০০ করে দাবি করে —, —। প্লান শাখায় আরও বড় বাটপার —র সহকারি —।
লাইসেন্স পাইনি আজ অবধি।
সরকারি প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামে অবস্থিত একটি সরকারি অফিসে একটি ট্রান্সফর্মার লাগানোর জন্য আনা হয়। ট্রান্সফর্মার লাগানোর পূর্বে ইলেকট্রিক লাইসেন্সিং বোর্ড কর্তৃক একটি সার্টিফিকেট লাগে এবং তার জন্য একজন পরিদর্শনে আসেন। পরিদর্শনে আসা-যাওয়া, খাওয়া বাদ দিয়েও উক্ত টাকা ঠিকাদার কর্তৃক পরিশোধ করা হয়। কিন্তু ঠিকাদার তো ঠিকই উক্ত সরকারি অফিস থেকে ধরে দিবেন। অর্থাৎ সরকারি এক অফিসের কাজের জন্য অন্য অফিসকেও ঘুষ দিতে হয়। এখনও কিন্তু বৈদ্যুতিক সংযোগ দেয়া হয়নি। জানিনা সংযোগ বাবদ ব্যয় কত টাকা লাগবে!
ইউনিয়ন ভূমি অফিসার ১০০০০ টাকা দাবি করে, আর যদি না দেয় তাহলে অন্যদের মত দিনের পর দিন ঘুরতে হবে, তাই দিয়েদিয়েছি। এবং সে রিপোর্ট দেয়, তারপর কাজ সমাপ্ত করি।
আমি কিশোরগঞ্জ থেকে কমলাপুর যাচ্ছিলাম রেলগাড়ির ভিতর একজন আমার কাছ থেকে টাকা নেই পরে উনি আমাকে একটি রিসেট দিবেন বলে সামনে যান এবং পরে উনি আসেন নাই ঠিক তার পরেই আমি বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে নেমে পড়ি সেখানে একজন টিকেট চেকার আমাকে বিভিন্ন রকম হুমকি এবং চোর বাটপার এরকম কথা বলে ৩০০ টাকা আমার কাছ থেকে নিয়ে নেয় এবং আমাকে একটি রুমে নিয়ে তারা বিভিন্নভাবে মানসিক টর্চার করে
আমার আন্টি শামছুন্নাহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা। তিনি অসহায় তার কোনো ছেলে মেয়ে নেই। স্বামী মারা গেছেন অনেক আগে। তিনি 22 সালে রিটাড করেছেন তার পর থেকে পেনসন এর টাকা জন্য — নামে ঐ কর্মকর্তার প্রতারণা শিকার হয়েছেন ধাপে ধাপে মোট 17000 তার। পর.50000.দিয়েছেন কাগজ পত্র ঠিক করে দিবেন বলে এর পর এখন 100000 টাকা চাচ্ছেন
ট্রেড লাইসেন্স করতে গিয়ে ব্যবসার ধরন গেজেট এ থাকার পর ও দিতে চান না। পরে অনেক ইনিয়ে বিনিয়ে দিয়েছেন।
পাসপোর্ট রেনু করতে 1300 টাকা দেওয়া লাগবে না হলে কাজ হবে না। আমাকে দুইবার ফেরত পাঠানো হয়েছে পরবর্তীকালে টাকা দিয়ে কাজ হয়েছে
নামজারির খসড়া উপজেলায় পাটানোর জন্য ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
আমার বোনের ছেলের নতুন পাসপোর্ট করবো ও ভোটার হয় নাই বয়স ১৯ বছর ৫ মাসের মতো অনলাইন জন্ম নিবন্ধ দিয়ে পাসপোর্ট করবো। অনলাইনে আবেদন করে পাসপোর্ট অফিসে গেলাম বললো ১৯ বছরে ভোটার হতে হবে ভোটার কার্ড ছাড়া পাসপোর্ট হবে না। আমি বললাম এখান কি করবো বললো ভোটার হয়ে আসেন। পরে পাসপোর্ট অফিসের সামনে একজন বললো ৩০০০ হাজার টাকা লাগবো টাকা দিলে হবে। আমি ৩০০০ টাকা দিলাম উনি ভিতরের একজন কে কল দিলো পাসপোর্ট হয়ে গেলো
টাঙ্গাইল জেলা, কালিহাতি থানা, এখানে সব তথ্য ঠিক থাকার পরও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট বাবদ আমার কাছ থেকে ৩০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে, এখানে টাকা ছাড়া কোন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেওয়া হয় না, আমি সহ আরো অনেককে দেখেছি ঘুষ দিতে,ঘুষ না দিলে ফাইল নড়েনা।
খুলনা থেকে ঢাকা গামী, ঢাকা থেকে বেনাপোল ও বেনাপোল থেকে ঢাকা এবং ঢাকা থেকে খুলনা.. গামী জাহানাবাদ এক্সপ্রেস/রূপসী বাংলা ট্রেনের টিটি রা মিলে। গার্ড রুমে স্ট্যান্ডিং টিকিট না কাটিয়ে প্রত্যেকদিন ২০/২৫ জন লোককে, যাতায়াত করার সুযোগ করে দেয়। যার ফলে,তাদের পকেট ভারি হয় কিন্তু সরকারের ক্ষতি হয়।
পাবনা BRTA-তে গাড়ির ফিটনেস আপডেট করতে গেলে প্রায় ২,৬০০–২,৮০০ টাকা অতিরিক্ত ঘুষ দিতে হয়। গাড়ি একেবারে নতুন ও ভালো অবস্থায় থাকলেও। আমি নিজে দুইটি নতুন/আপডেট মডেলের গাড়ির ফিটনেস কয়েকবার আপডেট করতে গিয়ে প্রতিবারই এই টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। বলা হয়, এটি নাকি এখানকার নিয়ম বা “সিস্টেম”। বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। যে কেউ যেকোনো দিন গিয়ে বিষয়টি যাচাই করতে পারবেন। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, গাড়ির অবস্থা খারাপ হলেও একইভাবে টাকা নিয়ে ফিটনেস পাস করিয়ে দেয়। অন্যদিকে, একই গাড়ির ফিটনেস অন্য BRTA অফিসে আপডেট করতে গিয়ে আমাকে কোনো অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়নি। তাই পাবনা BRTA-তে ফিটনেস আপডেটের নামে এই অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে গেলে , গ্রামের গরীব অসহায় মানুষদের কাছ থেকে বাধ্যতামূলক টাকা পয়সা নেওয়া হয় , এটা সবার উপর সমান হয় না , কারো থেকে বেশী কারো থেকে কম , তবে শুধু জন্ম নিবন্ধনই নয় আরো অনেক সেবা আমাদের ইউনিয়ন পরিষদে টাকা ছাড়া হয় না , আমি 333 থেকে অনেক অনেক সেবা যেগুলো ফ্রিতে পাওয়া যায় সেগুলো সম্পর্কেও জেনেছি, সে সকল সার্ভিস ও বিপুল পরিমাণ টাকার মাধ্যমে দেওয়া হয় , যেগুলো আইনত অপরাধ আমাদের পুলিশ কিংবা এমপি মহোদয় কখনো এগুলো দেখেনা
আমার পাসপোর্ট এর সব কাগজ গুলো ঠিক ছিল। পাসপোর্ট অফিসে একটু ঝামেলা করছিল বাট আমি ওটা সংশোধন করে ঠিক করছি। যখন পুলিশ ভেরিফিকেশন সময় আসছে তখন আমাকে এসপি অফিস থেকে ফোন দিয়ে এসপি অফিসে যেতে বলছে। আমি এসপি অফিসে গেছি। তারা বলছে যে ভাড়া বাসায় নাকি কোন পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন হয় না। আমার সব কাগজ ঠিক থাকার পর শুধু সেই ইউটিলিটি বিলে যখন অন্য মানে আমাদের ঘর মালিকের নাম দেখছে তখন সে বলছে যে ভাড়া বাসায় নাকি পাসপোর্ট না, পুলিশ ভেরিফিকেশন হয় না। সে বলছে ডাইরেক্ট ভাড়া বাসায় পাসপোর্ট হয় না। তখন আমি বলছি যে আমরা এখানে স্থানীয় এবং হচ্ছে আমরা বাবা এখানে জন্ম থেকে উনার জন্ম থেকে প্রায় 60 বছর ধরে এখানে ব্যবসা করতেছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছে। কিন্তু আমরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে এর কারণে হচ্ছে কাছে