জন্ম সনদ সংশোধন
ফাইল আটকে রেখে চা পানি খেতে চায় না দিলে এপ্র্রুভ করে না বরিশাল ডিসি অফিস এ
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ফাইল আটকে রেখে চা পানি খেতে চায় না দিলে এপ্র্রুভ করে না বরিশাল ডিসি অফিস এ
Bideshe jawar somoy medical korte gechilam, 3din por call dia bole ami unfit. 10 k dite hoibo taile naki fit online e submit dia dibo.... tara amake bipode fele 10k niche... ami pore saudi ese medical kore akama i mean work permit pai.. prosno holo Saudi hospital e ami fit , ar amar deshe amare unfit banaya 10k nia niche, tk bkash e niche , bksh statement jodi bahir kori ekhono tar proman pawa jabe.. Amar moto osohay manus allah kache bicar dewa chara kono kaj e nai
সরকারি চার্জ ১১০০ টাকা নামজারি করতে সেখানে টাকা নেওয়া হয় ১২০০০ টাকা
ফাইল ছাড়াতে হলে দেখা করেন হার্ডকপি জমা দিন।
আমার বোনের জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম পরিষদের পক্ষ থেকে আমার কাছে অনলাইনে আবেদনের জন্য অতিরিক্ত চার্জ করেছে এটি সাধারণ ব্যাপার কিন্তু সচিব ২৫ টাকার আবেদন 50 টাকা থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত রাখে আর যদি সেটি সংশোধন হয় সে তো ১০০ টাকা রাখবেই যে কোন আবেদনের ক্ষেত্রে যা নিয়মের বহির্ভূত । আর যদি সেটিং থানা কার্যালয় প্রধান অফিসে যায় সংশোধনের জন্য ওইখানে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয় প্রতিদিন এরকম কিছু না কিছু ভুল তো তারাই করে এবং এটির জন্য আমাদেরকে ভুক্তভোগী হতে হয় এবং মাসে কম করে 25 জন তো এরকম হয়।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে কোন প্লান অনুমোদন করতে গেলে প্রতিটি টেবিলে টেবিলে একাধিক বার টাকা দিতে হয়। LUC প্লান ফ্রম নিতে টাকা, LUC ফ্রম জমা দিতে টাকা, সার্ভেয়ার —, — সাইট ভিজিট করবে তাতে ৩০০০ - ৫০০০ করে নিবে। রাস্তা ছোট থাকলে, — ৫০০০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করে। টাউন প্লানার সহকারি — টাকা দাবি করে। গেল LUC.। এর পর প্লান সহকারি —, — ( বড় সিন্ডিকেট) , — এরা ছোট প্লান ববদ ১-১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। — সিটি কর্পোরেশনের প্লান শাখায় বড় মাপের সিন্ডিকেট। বরিশাল শহরে যত বড় বিল্ডিং হয়েছে, সব তার হাতে হয়েছে। তাকে টাকা না দিয়ে কেউ প্লান করতে পারেনি৷ প্লান পাস হলে চালান নিতে ১০০০ করে দাবি করে —, —। প্লান শাখায় আরও বড় বাটপার —র সহকারি —।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্লীপ ফান্ডের তদারকিতে থাকেন একজন সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। উপরন্তু গত জুলাই আন্দোলনের পর থেকে তিনি পদাধিকার বলে বিদ্যালয়ের সভাপতি। প্রতিষ্ঠানের অর্থ আসে সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের যৌথ একাউন্টে। চেকে স্বাক্ষরের জন্য তিনি আকার ইঙ্গিতে অর্থ দাবি করেন এবং তারা চাইলেই যে কোন ত্রুটি দেখিয়ে যে কোন শিক্ষককে হয়রানি করতে পারে এরকম ভয় দেখান । এজন্য ক্লাস্টারের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়; বিদ্যালয়ের বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে তাকে ২০০০-৩০০০ টাকা করে ঘুষ প্রদান করে। জানামতে তিনি তার ক্লাস্টারের ৩০ টি বিদ্যালয় থেকে গড়ে ২৫০০ টাকা করে মোট ৭৫০০০ টাকা ঘুস নিয়েছেন।
দুই বছর এর জন্য বাইক রেজিষ্ট্রেশন সরকার নির্ধারিত খরচ প্রায় ১২০০০ টাকা। আমার কাছে মিরপুর বি আর টি এ নিয়েছে ১৮০০০ টাকা। এই বারতি টাকা ছাড়া কোন ভাবেই রেজিষ্ট্রেশন সম্ভব না। প্রচুর হয়রানি হতে হয়।
গাড়ির ট্যাক্সটোকেন এর মেয়াদ ১০বছর পার হওয়ায় ব্যাংকে টাকা জমা করে সেই স্লিপ নিয়ে অফিসে যাই। অফিস শুধু এটি যাচাই করে আমাকে ট্যাক্সটোকেন দেওয়ার কথা। অথচ সেখানে থাকা কর্মচারী এজন্য আমার থেকে ১০০০টাকা চায়। আমি বাধ্য হয়ে দিয়ে দেই।
Previously I was applied for a mutation. This officer reject this application after 2 month without any reason. Then I meet with him and he demand 10000 taka for mutation. After negotiation I was paid him 9500 taka.
চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশন জন্য দিতে হয়েছে
Plan disse na eto tk khawor por bolse apnr far kom rastar pashe jomi 2035 sal er por ei khan dea rasta jabe
আমার বাবা একজন অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক। ভোলা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কেরানী — বাবার কাগজ পত্র গোছানোর দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ৫০০০ টাকা না দিলে কাজ করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। যথাসময়ে টাকা না দেওয়ায় তিনি কাজ প্রচুর ঘুরিয়ে ছিলেন। কাগজ পত্রে গড়মিলের মিথ্যা ভয় দেখিয়ে আরো টাকা দাবি করলে জেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয়ের হস্তক্ষেপে সেই যাত্রায় বেচে যাই। এই — প্রবীণ মানুষের কাছ থেকে টাকা খেয়েছে। প্রতিটি প্রবীণ টিচার তার আর্থিক লালসার শিকার হয়েছে।
কর্মচারী আমাকে একটা তালিকা ধরিয়ে দিয়ে বললো আমার মোট জমির খাজনা ৫০০০০ টাকা তাদেরকে ১৫০০০ টাকা দিলে সেই কাজটা হয়ে যাবে, শেষমেশ ১০০০০ টাকায় কাজটা করে দেয়।
পাসপোর্ট তদন্ত করার জন্য পেকুয়া থানার তৎকালীন ডিএসবি অফিাসারকে ১০০০ টাকা দিতে হয়েছিল।
পিতা মাতার রেখে যাওয়া ০.০৭৩৩৩০ একর জমি নামজারি করতে গিয়ে, ভেন্ডর মারফত , গাজীপুর জেলা ভূমি অফিসের সাব রেজিস্টার, কানুন গো সহ বিভিন্ন টেবিলে সব মিলিয়ে প্রায় ১৮০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে। যেখানে রেজিস্টার করতে ১২০০ টাকার বেশি খরচ কথা ছিল না। এমন দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারি কর্মচারীদের বেতন , বোনাস সব কিছু জনগণের টাকায় হওয়ার পর ও তাদের ঘুষ দুর্নীতি কমে না। কারণ তারা উক্ত পজিশনে এসেছেই ঘুষ দিয়ে। সেই টাকা তারা দুর্নীতি করেই উঠিয়ে ফেলে। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দুর্নীতির আখড়া হলো ভূমি অফিস গুলো। এগুলার কোনো বিচার ইহকালে হবেনা। কারণ কাজ গুলোর জন্যে যাদের রাখা হয়েছে, তাদের দিয়ে দ্রুত কাজ করিয়ে নিয়েই আমরা ঘুষ দেই। আর এই কাজ গুলো বহির্বিশ্বে অনলাইনে হয়ে যায়। ঘুষবিহীন ভাবে।
রীট মামলাটি কোন ভাবেও শুনানির সিরিয়ালে আসছিলো না। সংশ্লিষ্ট অফিসার কে অনুরোধ করলে ১৫ হাজার টাকা দাবী করে। পরবর্তীতে মহুরির মাধ্যমে ১০ হাজারে রফা দফা হয়।
আমার পিলন পারসন জ্যাম বসে থেকে হেলমেট খুলে গরম এর জন্য তারপর যখন জ্যাম ছেড়ে দেয় সে আবার হেলমেট পরে তাই পুলিশ এটা দেখে আমার গাড়ি আটকায় এর পর কাগজ চেক করে বলে হেলমেট এর জন্য মামলা দিবো আপনাকে কারণ আপনার লোক পুলিশ দেখে হেলমেট পড়েছে। আমি রিকোয়েস্ট করলাম ভাই একটা সাধারণ বিষয় নিয়ে এভাবে মামলা দেয়ার কিছু নাই হেলমেট না থাকলে আপনে মামলা দিলে আমি মেনে নিতাম এভাবে কোনো যুক্তিক কারণ দেখি না আমি । আমার এ কথা শুনে তিনি তার কনস্টেবল কে বলে ওনার সাথে কথা বলেন । এর পর কনস্টেবল আমাকে বলে ভাই কি দরকার মামলা নিয়া পুঁটকি মারা খাওয়ার ওই সাইটে চাচির চা এর দোকান যান আমি আশতাসি রেকার বিল করলেই হইবো। আমি বললাম কত টাকা বলে ১২০০ টাকা । বললাম ভাই এত টাকা নেই আপনি মামলা রেকার এগুলাতে কেন যাইতেসে।......
আমি বিদেশ যাত্রার জন্য অনলাইনে আবেদন করে শাহরাস্তি মডেল থানায় পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য হার্ড কপি জমা দিতে গেলে দায়িত্বরত পুলিশ আমাকে থানার বাহিরে একটি কম্পিউটার দোকানে জমা দিয়ে যেতে বলে। দোকানে জমা দিতে গেলে সে বলে খরচ ১৫০০টাকা দিয়ে যান। আমি বলি, কেনো? সে বলে এটা খরচ। আমি আবার ঐ পুলিশের কাছে গেলে বলে দিয়ে দেন, না হলে বাদ দেন। পরে দোকানে গিয়ে ১২০০টাকা দি। তারপর কিছুদিনের মধ্যে কাজটি হয়।
বাঁশখালী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে একজন অফিস সহায়ক মহিলা আছে। এই মহিলাকে সালাম দিতেও টাকা লাগে।