অনলাইন ভ্যাট রশিদ সাবমিট
প্রতিমাসে ভ্যাট প্রদান করার পর এগুলো অনলাইনে সাবমিট করা লাগে। আমরা নিজেরা সাবমিট করতে গেলে ওনারা দেখি আমাদের আইডি থেকে ব্লক করে রাখছে। সাবমিট করার জন্য ১০ হাজার টাকা লেগেছে।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
প্রতিমাসে ভ্যাট প্রদান করার পর এগুলো অনলাইনে সাবমিট করা লাগে। আমরা নিজেরা সাবমিট করতে গেলে ওনারা দেখি আমাদের আইডি থেকে ব্লক করে রাখছে। সাবমিট করার জন্য ১০ হাজার টাকা লেগেছে।
জমি নামজারি কারতে গেলে তারা বলে দলিলে হাল দাগ উল্লেখ নাই তাই নাম জারি হবে না। কিন্তু ৫০০০০ পঞ্চাশ হাজার টাকা দিলে ১ দিনের ভিতর করে দিবে।
পরিবারে সদস্যদের প্রতিটি জন্মনিবন্ধন করেত হিসাব সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর কে ১০০০/১৫০০ টাকা দিতে হয়।
আমার বিরুদ্ধে নামজারি খতিয়ান মিস কেইস ছিল, আমার কাছ থেকে ৩০০০ টাকা নেয়। পরে কৌশল অবলম্বন করে আরো দিতে বলে, আমারা দি নায়, আমাদের কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরেও, আমার বিরুদ্ধে রিপোর্ট প্রকাশ করে। বাদীর পক্ষ থেকে অধিক টাকা নিয়েছে।
আদালতে একটি মামলা চলমান ২০২০ সাল থেকে, কিন্তু এখন যেই স্তরে আছে, সেই স্তর থেকে সামনের স্তরে নিতে, ৫ হাজার টাকা চাওয়া হয়, (মুরি) পেশকারের কাছে গেলে তিনি বলেন মহুরির সাথে কথা বলতে, তবে উকিল সাহেব এর এই খানে অপরাধ নেই, কিন্তু তিনি কিছু বলতে পারছেন না,
It was when police verification was mandatory, we had to visit designated village for verification process where the police in charge began discussing how some of our data is missing and it may cause serious delay/cancelation in passport making process (Note that all our papers were in order, we checked as per instructions). Then told us how he would have to pay some people to ensure our passports are properly handled, and quoted an amount to pay while acting it was not for him but for the 'people'. Since we had no strong guardian with us to debate and we were in his territory, we had to pay up for his final approval. It truly left a bitter taste for us all.
ভৈরব ভূমি অফিসের সিএস ও এসএ খতিয়ানের দুটি করে চারটি মূল বইয়ের মধ্যে একটি করে বই দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ। অভিযোগ রয়েছে, ১৯৭১ সালের পর এগুলো চুরি/সরিয়ে নেওয়া হয় এবং বর্তমানে জেলা প্রধান ভূমি অফিস, এমনকি দেশের প্রধান ভূমি অফিস ঢাকা তে ও নথি পাওয়া যায় না। আরও অভিযোগ রয়েছে, ভৈরব ভূমি অফিসের কিছু কর্মচারীকে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিলে ওই নিখোঁজ নথি থেকে কপি দেওয়া হয়। বিষয়টি তদন্ত করে নথি উদ্ধার ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি। লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি টাকার উপার্জন চলমান প্রক্রিয়ায় করে যাচ্ছে এই অসাধুচক্র। এবং এই ভোগান্তি দীর্ঘদিনের নয় দীর্ঘ বছরের।
পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলাম অবস্থা খুবই খারাপ ছিল একটি হুইল চেয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছে ১০০ টাকার বিনিময় একটি টিকেট ফেরজনের আগে দিয়েছে ৫০ টাকার বিনিময় এক্সে রিপোর্ট করার সময় ১০০ টাকা দাবি করেছে না দিলে এক্সে রিপোর্ট নাকি ভালোবাসবে না প্লাস্টার করার সময় বলতেছি ১৫০০ টাকা লাগবে বাইরে থেকে নাকি চুন কিনতে হবে আর তাদের বকশিশ না দিলে ভালোভাবে প্লাস্টার হবে না
আমার জমির গাছ বিক্রি করার পর ক্রেতার নিকট স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী ৫০০০০টাকা চাঁদা দাবি করলে আইনের আশ্রয় নিতে গেলে অভিযোগ পত্র জমা দেওয়ার পরের দিন আমার নিকট হতে তদন্ত করত ডিবি পুলিশ ১০০০০ টাকা দাবি করলে তা পরিশোধ করতে বাধ্য করা হয়। অন্যথায় চাঁদাদাবির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন ।
পাসপোর্ট অফিসের অফিসারদের সাথে কিছু জড়িত লোক তারা অফিসের বাহিরে ঘোরাফেরা করে, আমি সরকারিভাবে রিনিউ করতে টাকা দিয়েছিলাম ৬000 হাজার টাকা, যখন পাসপোর্ট ডেলিভারি কথা ছিল তখন গিয়েছিলাম সে বলেছে মেশিনের সমস্যার কারণে একমাস পরে ডেলিভারি দিবে, একমাস পরে আবার গিয়েছিলাম তখন ঐ মেশিন সমস্যা আর এক মাস পরে ডেলিভারি দিবেন, এরকম করে চার মাস ঘুরানোর পর বাহিরে যে পাসপোর্ট অফিসের লোক ছিলো (দালাল) সে বলল দুই দিনের মধ্যে পাসপোর্ট আমার হাতে পৌঁছে দেবে ১০০০০ টাকার বিনিময়, তার সাথে চুক্তি যে কথা সে কাজ ঠিক দুদিনের মাথাই আমি হাতে পেয়েছি পাসপোর্ট।
নতুন বৈদ্যুতিক মিটার নামিয়েছি গত ২ বছর আগে, তখন জানতাম না কত টাকা লাগে, আমাদের থেকে ১২ হাজার টাকা নিয়েছে + খাম্বা থেকে আমার বাড়ি পর্যন্ত সার্ভিস তার আমাদের টাকা দিয়ে কেনাইছে। আমাদের মিটারে লোড ১ কিলোওয়াট ও লাগেনা কিন্তু ওনারা ইচ্ছা করে ৪ কিলোওয়াট দিয়ে দিছে আমাদের না জানিয়ে। প্রতি মাসে এর জন্য বারতি ১২৬ টাকা করে কেটে নিচ্ছে কোনো প্রয়োজন ছাড়া। যখন তাদের সাথে যোগাযোগ করলাম কিলোওয়াট কমানোর জন্য আমার কাছে ৭০০ টাকা ঘুষ চাইলো। মানে এমন একটা কারনে ঘুষ চাইলো যাতে আমার কোনো দ্বায় ই নেই। তখন বুঝতে পারলাম ওরা ঘুষ খাওয়ার জন্যেই ইচ্ছাকৃত ভাবে সবার মিটারে কিলোওয়াট বাড়িয়ে দেয়। খুলনা পাওয়ার হাউস মোরে অবস্থিত ওয়েস্ট জোন পাওয়ার
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দিবে তার জন্য ১৩ হাজার টাকা দিতে হবে
ঢাকা দোহার উপজেলায় কিডনি,কেন্সার সহ কয়েকটা রোগের জন্য সরকার থেকে ১ লক্ষ টাকা অর্থায়ন করা হয়। সেখানে রোগিদের আবেদন করার জন্য অফিসের কর্মচারিরা জন প্রতি ১০,০০০ টাকা কন্টাক দাবি করে। কর্মচারিরা দাবি করে সরকারি অনুদান ১ লক্ষ টাকা পেতে হলে তাদের ১০,০০০ টাকা দিতে হবে। এভাবেই প্রত্যেক রোগির কাছে তারা ১০,০০০ টাকা দাবি করেন।
আমি বিআরটিএ অফিসে যাই আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির কাগজ করার জন্য তখন অফিস সহকারি আমার কাছে ১০০০০ টাকা চায় যা থেকে আমি ৯০০০ টাকা পরিশোধ করি।
একটি কারখানার লে-আউট প্ল্যান অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে আবেদন করা হলে অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিনিময়ে আনুমানিক ৫,০০,০০০ (পাঁচ লাখ) টাকা অনানুষ্ঠানিকভাবে দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দাবিকৃত অর্থটি সরকারি নির্ধারিত ফি বা চালানের অংশ হিসেবে জানানো হয়নি। অর্থ প্রদান না করলে লে-আউট প্ল্যানের অনুমোদন প্রক্রিয়া বিলম্বিত বা জটিল হতে পারে—এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি সরকারি সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ, ঘটনাটি গোপনীয়ভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অভিযোগকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখার অনুরোধ করা হচ্ছে।
বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।
নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য প্রয়োজন 2500 টাকা কিন্তু আমার কাছ থেকে নিয়েছে 4500 টাকা.
আমার পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এর জন্য একবার যাত্রাবাড়ী আর একবার আড়াইহাজার উপজেলায় ২০০০ প্লাস ১০০০ মোট তিন হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নেওয়ার জন্য দিনাজপুর সদর কোতোয়ালী থানায় টাকা নিয়েছিল। টাকা না দিলে কাজ হবে না তাই বাধ্য হয়ে পরিশোধ করেছি।
আমি জমির খারিজের জন্য একজন ব্যক্তির সহায়তা নিই। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কাজ করে দেওয়ার আশ্বাসে তিনি ধাপে ধাপে আমার কাছ থেকে ৪৪,০০০ টাকা নেন। পরে জানতে পারি, সরকারি ফি প্রায় ১,১১০ টাকা। বৈধ কাগজপত্র নিয়ে রাজাবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে নায়েব তা গ্রহণে অস্বীকার করেন। পরে শ্রীপুর উপজেলা ভূমি অফিসে পূর্বের ব্যক্তিকে সঙ্গে আনতে বলা হয়। সেখানে এক কর্মচারী টাকা দাবি করেন; 5000 টাকা, কথনের ভয়েস রেকর্ড সংরক্ষিত আছে। চাপের মুখে আরও ৫,০০০ টাকা দেওয়ার পরই খারিজের কাজ সম্পন্ন হয় আর সেখানে আগের ব্যাক্তি কে ডাকা সম্ভব ছিল না কারণ সে আরো টাকা দাবি করছিল যা না দিলে সে খারিজ এর কাগজ দিবে না বলেছে । মানে টোটালি ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিস সব chained corrupted ।