ভূমি উন্নয়ন কর ও নামজারি
উন্নয়ন কর দিতে চাইলে ৭০০০ টাকা দিতে হবে এবং রশিদে কম টাকা থাকবে বলা যাবে না এবং নামজারী করতে হলে রিপোর্টের জন্য টাকা দিতে হবে
19,110 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
উন্নয়ন কর দিতে চাইলে ৭০০০ টাকা দিতে হবে এবং রশিদে কম টাকা থাকবে বলা যাবে না এবং নামজারী করতে হলে রিপোর্টের জন্য টাকা দিতে হবে
আমারা যারা সরকারি চাকুরী তাদের এক কর্মস্থল থেকে অন্য কর্মস্থলে বদলি হলে একাউন্স অফিস থেকে একটা শেষ বেতনের প্রত্যয়ন নিতে হয়। এটা নিতে গেলে ও তাদের টাকা দিতে হয়। আবার নতুন কর্ম স্থলে রিসিভ করালেও তাদের কমপক্ষে 500 টাকা দিতে হয়। এবং যে কোন সরকারি বিলে তাদের 5% কমিশন দিতে হয়। যে কোন নিয়ম এর মধ্যে নেই। টাকা না দিলে অযথা ঘুরাবে। টাকা দিলে আর কোন আইনের বাধ্যবাদগতা থাকে না।
কিছুদিন আগে আমার মোবাইল হারিয়ে যায়। আমি চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানায় যাই জিডি করতে। আমার সাথে খুব ভালো ভাবে ব্যবহার করেছে। আমিতো খুব অবাক তাদের ব্যবহার দেখে। জিডি করার প্রক্রিয়া শেষে হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি আমাকে বলে অনেক কষ্ট করেছি। খরচের টাকা দেন। আমি নিরুপায় হয়ে মোবাইল ফেরত পাওয়ার আশায় টাকা দেই। হায়রে দেশ! সরাসরি টাকা চায়।
সমাজ সেবায় চিকিৎসার জন্য যে টাকা হয় সেটার জন্য সমাজ সেবা অফিসের কর্মচারী আইডি কার্ড নেয়, যা যা কাগজ লাগে সব তিনিই পূরন করেন, পরবর্তীতে বলেন যে ব্যাংক একাউন্ট লাগবে, একাউন্ট না থাকলে খুলতে হবে, যখন টাকা আসে তখন বলে তোমার কাজটা এখনো হয় নাই তবে এই নামে অন্য একজনের টাকা আছে, তবে ঔ লোক মারা গেছে, ঔ লোকের টাকাটা তুলে দিতে হবে, যেহেতু একই নাম তাই, তবে এ কাজের জন্য ৫০০০/- টাকা দিবো, পরবর্তীতে জানা যায়, ঔ টাকা (৫০,০০০)আমার নামেই ছিলো, আমার কিছু করার ছিলো না, আমি নিরূপায়, এমটা অনেক লোকের সাথেই ঘটেছে, তা এখনো চলোমান।
আমার মায়ের ও ভাগিনার পাসপোর্ট জমা দিতে গিয়ে জমা গ্রহণকারি যখন ফাইল গুলো দেখল দালালের মাধ্যমে হয়নি তখন তিনি ফাইল গুলো ফেরত দিয়ে দিল, পরে যখন বাহিরে এসে একজন দালালের মাধ্যমে গেলাম তখন ৩:৩০pm মানে ২টার পরে কাউন্টার বন্ধ হয়ে গিয়েছে জমা নিবে না, দালাল যখন টাকা নিয়ে ঐ একই জমা কারিকে কল দিয়ে আমাদেরকে পাঠাল ও ৩ তালাই অফিসে সাথে আমাদের রিসিভ করে কাজ করে দিল, আমার মা বয়স্ক বলে আমার টাকা দিয়ে দিতে হল
আমি একজন উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী। দারুল উলুম নেছারিয়া কামিল মডেল মাদ্রাসার একজন সাবেক ছাত্র। আজকে প্রাক্তন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বরগুনা দারুল উলুম নেছারিয়া কামিল মডেল মাদ্রাসা থেকে বিশেষ প্রয়োজনে সার্টিফিকেট আনতে গিয়েছিলাম। কিন্তু তারা সার্টিফিকেট দিতে ৩০০ টাকা দাবি করে। এর আগে প্রশংসা পত্র নেওয়া জন্য ৫০০ টাকা এবং মার্কশিট আনার জন্য ৩০০ টাকা প্রদান করা লাগছিলো। যদি শুধু মাত্র কয়েকটা কাগজের জন্য ১০০০-১৫০০ টাকা প্রদান করা লাগে, তাহলে এটা ঘুষের পর্যায় পরে কিনা? শিক্ষার্থীদের যেখানে হাফ ভাড়া নেওয়া হয় সেখানে যদি শিক্ষার্থীরাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেই এভাবে আর্থিক ভাবে প্রতারিত হয়, সেখান থেকে কীভাবে ভাবে সভ্য জাতি তৈরি হবে?
বগুড়া সদর, নিশিন্দাড়া ভূমি অফিস, নামজারি খারিজের জন্য গিয়েছিলাম। আমার কাছ থেকে ১০০০০ টাকা দাবি করেন বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে কিন্তু আমি সমস্ত কাগজপত্র দেওয়ার পরও তারা টাকা দাবি করছেন নিরুপায় হয়ে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে নাম জানি খারিজ এর জন্য আবেদন করেছি।
শ্রান্তি বিনোদনের ভাতা উত্তোলন এর জন্য অফিসে গিয়ে সারাদিন ঘুরাঘুরি করেছি। দায়িত্বরত অফিসার বলে, বড় স্যার ছুটিতে আছেন, আজকে হবে না, ৭দিন পর আসেন, এখন এপ্লিকেশন করে যান, এরপর স্যার আসলে ফরোয়ার্ড করে দিব, ভাতা পেতে আরও প্রায় ২/৩ মাস লেগে যাবে। সারাদিন ঘুরাঘুরি করে অবশেষে যখন ক্লান্ত, তখন একজন বলল এসব কাজ এত সহজে হয় না, ৫০০০টাকা দেন দেখি কিছু করা যায় কিনা। তখন নিরুপায় হয়ে পকেটে ৩০০০ ছিল, সেটা দিয়ে দেই। যে কাজ সারাদিন ঘুরেও হচ্ছিল না, সে কাজ টাকা দেয়ার পর ৫ মিনিটের মধ্যে হয়ে গেল। ২দিনের মধ্যে ভাতাও পেয়ে গেলাম। দিজ ওয়াজ ম্যাজিক। সরকারী কর্মকর্তাদের যদি ঘুষ দিয়েই টাকা উদ্ধার করতে হয়, তাহলে সরকার কেন তাদের বেতন দিচ্ছে???
আমি ২০ বছর সৌদি আরব। আসতে হাতে লেখা পাসপোর্ট ছিলো। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে আধুনিক হয়েছে পাসপোর্ট। মায়ের নামের সাথে NID অমিল।কিন্তু বাংলাদেশের নাগরিক হয়েও পাসপোর্ট সংশোধন করতে পারিনি। ঘুস দিয়ে পাসপোর্ট বের করে সৌদি ছলে আসলাম ২০২৩ সালে নতুন ভিসায়। আসলে শিক্ষত লোকেরা লেখা পড়া করে মা বাবার মূখ উজ্জ্বল করেনা।বরং ৩৫ বছর সরকারি চাকরী করে ৩৫ বছরই প্রায় সরকারী কর্মকর্তারা মা বাবা কে গাল মন্দ শুনাই।
সরকারি কর্মকর্তারা ভোটার করার সময়ে নাম ভুল করে। একাধিকবার উপজেলা নির্বাচন অফিসে গেলেও প্রতিবার ৩০০/৫০০ টাকা করে নিত এবং বলত ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু প্রতিবার হতাশ হয়েছি। সবশেষ বিভাগীয় নির্বাচন অফিসে যায় এবং সেখানে অফিসারের সাথে সাক্ষাৎ করা যায় না। পিএস আবেদনপত্রটি জমা নিয়ে সাথে ৫০০ টাকা দিতে হয়! এগুলো নাকি খরচ লাগে। আমি অপারগ থেকে তা প্রতিবার পরিশোধ করেছি কিন্তু তা সবসময় ব্যর্থ হওয়া লেগেছে। এরকম মিনিমাম ৮/১০ বার হয়েছে। সবশেষে ID কার্ড সংশোধন হয়েছে। অনেক হয়রানি হওয়া লেগেছে! এ দেশে। মানুষ কখনো তার ন্যায্য অধিকার পাইনি। বাশখালী চট্টগ্রাম।
"চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার ভূউপরিস্থ পানির মাধ্যমে সেচ উন্নয়ন প্রকল্প"। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) ৬০২ কোটি টাকার প্রকল্প। এই প্রকল্পের কাজ করতে হলে কোন কাজের ১০ ভাগ বা তারও বেশি টাকা পিডিকে আগেই দিয়ে দিতে হয়। এছাড়াও অফিসের সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জি. এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জি.দের ১-২ ভাগ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এছাড়াও অফিসের অন্যান্য স্টাফদেরও বিভিন্ন অংকের ঘুষ দিতে হয়। এছাড়া পিজির ও ট্যান্ডার সিকিউরিটির টাকা তুলতেও ঘুষ প্রদান করতে হয়।
আমার জায়গায় জমির সমস্যা খতিয়ায় নং ঠিক করতে ৬০০০০ টাকা লাগবে কিন্তু ৭০০০ না হকে এসিলেন্ড সাইন করবে না..! ২ বার ফাইনল বাতিল করছে
Ami dui bar online a namzari abedon kori dui bar e reject kora hoise, karon hisabe dekhaise documents thik nai. Last a ami jokhn same bhabe online a apply kore bhumi office er Nayeb k bollam amar kaj ta kore den, uni bollo khoroch lagebe. taka delam 7 diner modhe kaj hoya gelo.
নির্বাচন অফিসে আমি যাই নতুন ভোটার হওয়ার জন্য এর আগে দুইবার আবেদন কফি জমা দেয়ার জন্য নিয়ে গেছিলাম নেই নাই যেকোনো বাহানায় জমা নেই নাই পরে তৃতীয় বার যাই জমা দিতে আমাকে ফাকে ডেকে 200 টাকা দাবি করে পরে 200 টাকা দেওয়ার পর জমা নেয় তার 7 দিন পর ছবি ও হাতের ছাপ দেওয়ার জন্য ডাকা হয় আমি যাই আবার ওই একি কাহিনী বলে আপনার আজ হবে না সাভার সমস্যা এই রকম নানান অজুহাত দেখায় আমি তাদের বললাম ভাই এটা আমার খুব জরুরী আমার এটা করে দিলে ভালো হয় পরে 2000 টাকা দাবি করে আমি বাধ্য হয়ে দেওয়ার লাগছে
আমার পিতা মাতা মারা যাওয়ার পর মায়ের সম্পত্তি আমরা ভাই বোন মিলে মিউটেশন করার জন্য আবেদন করি। সেখানে তারা আমার কাছে 10000 টাকা দাবী করে মিউটিশন, খাজনা/চেক কেটে দিবে। আমি প্রথমে 1000 টাকা এবং পরবর্ত ীতে 2000 টাকা দিয়েছি। কেননা সেখানে নাকি টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না। তাই বাধ্য হয়ে টাকাটা দিয়েছি। কিন্তু এখনও কাজ হয়নি। বলছে এই খতিয়ানে একটু সমস্যা আছে, এক্ষনি করা যাবে না একটু সময় লাগবে। আর জরুরী করতে হলে আরো 10,000 টাকা (অতিরিক্ত) দিতে হবে। তাহলে আমার মিউটিশন করে দিবে। তা না হলে হবে না। এখন জমির দলিল ঠিক আছে। মায়ের ওয়ারেশ কায়েম সার্টিফিকেট আছে। মায়ের নামে মিউটিশন করা আছে। তারপরও আমাদের ভাই-বোনদের নামে মিউটিশন করতে টাকা লাগবে। (তাও এত পরিমাণ) যা সরকারি কোন খরচের মধ্যে পড়ে না।
জমি দখল করায় জেলা কোর্টে কেচ করা হয়েছিলো সেখান থেকে পুলিশ নোটিশ দিতে এসেছিলো তখন ১০০০ টাকা নেয় এবং সে জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা পরও জমি তে নির্মাণ কাজ করতে থাকায় থানায় সেই পুলিশ এর কাছে গেলে সেখানে ২০০০ টাকা জোর করে নিয়ে নেওয়ার মতন করে নিয়েছিলো। মোট ৩০০০ টাকা। তবে কাজের কাজ কিছুই করেনাই।
আমার ছেলের বয়স প্রায় দেড় বছর। ওর পাসপোর্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গেলাম। কিন্তু সেখানে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ নিয়ে সমস্যা দেখিয়ে আমার ছেলের ফাইলটা রিজেক্ট করে দেয়। এরপর সেখানকার একজন আনসারের সঙ্গে আমার কথা হয়। তিনি ২,০০০ টাকার বিনিময়ে কাজটা করে দেওয়ার কথা বলেন। মজার বিষয় হলো, শেষ পর্যন্ত আমার সেই জন্মনিবন্ধনের কাগজটাই বাইরে একটা দোকান থেকে শুধু লেমিনেটিং করে নিয়ে আসে। এরপর ওপর থেকে একজন সরকারি কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিয়ে ফাইলটা রেডি করে দেয়। আমি আবার সেই ফাইলটা জমা দিই এবং শেষ পর্যন্ত আমার ছেলের পাসপোর্টের কাজও হয়ে যায়। ঘটনাটা দেখে সত্যিই অবাক হয়েছি—যে কাগজের কারণে প্রথমে ফাইল রিজেক্ট করা হলো, শেষ পর্যন্ত সেটাই শুধু লেমিনেটিং আর একজন কর্মকর্তার স্বাক্ষর দিয়ে ঠিক
ট্রেন ভ্রমণের উদ্দেশ্যে। যদি টাকা দেই তাহলে ট্রেন ভ্রমন করতে দেবে আর যদি না দেয় তাহলে ঠিক হবে না।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর এসিল্যান্ড অফিসের অফিস সহকারি উনি টাকা ছাড়া মানুষকে প্রচন্ড রকমের ভোগান্তিতে ফেলেন এবং ঘুরাতে থাকেন। উনি আমার কাছে ১০০০০ টাকা চেয়েছিলেন কিন্তুু এসিল্যান্ড স্যার আমার জানামতে ভালো মানুষ যখন আমি উনাকে স্যারের ভয় দেখালাম যে স্যারের সাথে এ ব্যাপারে কথা বলব, তখন অফিস সহকারী আমাকে সংশোধিত খতিয়ানের কপিটা দিয়েছেন।
আমি পাসপোট করতে যায় ২০২৫ সালে আমার স্থায়ি ঠিকানা যেটা ছিল আইডি কার্ডে এখানে আমরা তখন ছিলাম না তাই পুলিশ আমাকে ফোন করেছে বিদুৎ বিলের কপি নিয়ে এসপি অফিসে দেখা করতে বর্তমানে যে বাসায় ছিলাম সেটার বিদুৎ বিলের কাগজ নিয়ে দেখা করি তার পর পুলিশ বলে এটাতে হবে না যে ঠিকানায় আগে ছিলেন এটা লাগবে আমি বললাম এটাতে নাই আমার কাছে বাসা বিক্রি করে দিয়েছি পুলিশ বলে তাহলে আপনার পাসপোট হবে না তখন সে ১০০০০ টাকা দাবি করে অনেক বলে কয়ে ৫০০০ টাকাতে রাজি করে আমি পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষ করলাম