ওয়ারীশ সার্টিফিকেট তুলার জন্য
ওয়ারীশ সার্টিফিকেট তুলার জন্য গ্রামের চৌকিদার এর কাছে গেলে তিনি বললো যাতায়াত বাবদত ২০০০ লাগবে না হলে কাজ করতে পারবে না। ওয়ারীশ সার্টিফিকেট টা আমার দরকার ছিলো খুব তাই বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করতে হয়েছিলো আমার।
19,197 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ওয়ারীশ সার্টিফিকেট তুলার জন্য গ্রামের চৌকিদার এর কাছে গেলে তিনি বললো যাতায়াত বাবদত ২০০০ লাগবে না হলে কাজ করতে পারবে না। ওয়ারীশ সার্টিফিকেট টা আমার দরকার ছিলো খুব তাই বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করতে হয়েছিলো আমার।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করি পরিক্ষার আগামীকাল তারিখ ০২-০৯-২০২৬ইং- এই পরিক্ষা পাস/অংশগ্রহনের জন্য আমার কাছে ৫ হাজার টাকা দাবী করছে।
সরকারি ফি এর বাইরে অতিরিক্ত টাকা পরিশোধ না করলে কাজ হয়না। জন্ম নিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদ, মৃত্যু সনদ সবকিছুতে প্রায় দ্বিগুণ টাকা প্রদান করতে হয়।
গাজীপুর পাসপোর্ট অফিসে নবায়ন জন্য ১ হাজার টাকা অতিরিক্ত নিয়েছে পাসপোর্ট অফিসে কর্মকর্তারা।
আমি জমির নামজারি করতে গেলে আমার কাছে ৮০০০ হাজার টাকা দাবি করে। পরিস্কার বলে টাকা দিলে কাজ হবে। পারে আমি যতোদিন টাকা দেয়নি আমার কাজটা হয়নি। আবেদন বতিল করে দিবে বলে হুমকি দিয়েছেন। পরে আমি বাধ্য হয়ে টাকা দিয়।
গোপালগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে আবেদনপত্র জমা দেবার সময়, তারা একসেপ্টই করছিল না, এটা সেটা ভুল ধরতেছিল। প্রথমে বলে কিউ আর কোড ভুল আছে,। আমি বললাম এটা তো অনলাইনে সংয়ক্রিয় তৈরি হয়েছে আমার তথ্যে কোন ভুল থাকলে সেটা বলুন। তারপর জিমেইল অ্যাড্রেসে ভুল ধরেছিল। সেটা ফোন খুলে দেখিয়েছি যে এটাই আমার জিমেইল অ্যাড্রেস। বহুৎ বাগবিতণ্ডা করার পর আমার অরিজিনাল স্মার্ট কার্ড থাকা সত্ত্বেও বলে অনলাইন কপি লাগবে। অতবর বের হবার সময় ডিউটিরত পুলিশ (কনস্টেবল) সদস্য আমাকে ডেকে জিজ্ঞেস করে, তাকে সবটা বলতেই বলে ২০০০ টাকা দিলে ওসব কিছুই লাগবে না। তারা নাকি কাগজ জমা দিয়ে দিতে পারবে। আমি রাজি হই নি। অনলাইন কপি বের করে জমা দিয়ে কাজটা করাই। কিন্তু কিছুদিন পর আমার ভাইয়ের পাসপোর্ট করতে গেলে ভুল ধরে ২০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করায়।🥲
আমার ফুফাতো ভাই গত ৭ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন এবং তাকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়। কবরস্থানের নিয়ম অনুযায়ী, একটি কবর নির্দিষ্ট সময়—প্রায় দুই বছর পর্যন্ত—সংরক্ষণ করা হয়, এরপর সেখানে নতুন করে কবর দেওয়া হয়। এ অবস্থায় কবরস্থানের রক্ষণাবেক্ষণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন ব্যক্তি আমাদের কাছে দুই বছর পর্যন্ত কবর খেদমত করার জন্য প্রতি মাসে ১,০০০ টাকা দাবি করেছেন। অর্থাৎ দুই বছরে মোট ২৪,০০০ টাকা। বিষয়টি আমাদের কাছে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমার প্রশ্ন হলো, আজিমপুর কবরস্থান কর্তৃপক্ষ বা সিটি কর্পোরেশন কি কবরস্থান রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বেতন বা পারিশ্রমিক প্রদান করে না? যদি করে থাকে, তাহলে মৃত ব্যক্তির স্বজনদের কাছ থেকে আবার এভাবে মাসিক টাকা দাবি করার সুযোগ কোথা থেকে আসে?
সরকারি হিসাবে যেখানে আনুমানিক 2000 টাকা দরকার সেখানে 5000 টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
পূর্বের ফ্যাসিস্ট সরকার এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার এর আমলে কিছু টাকা পরিশোধ করলেও নির্বাচন এর পর থেকে নির্বাচিত সরকার নানা টালবাহানা করে টাকা পরিশোধ করছে না। আমরা এখনও প্রায় ৩ কোটির বেশি টাকা পাবো। ভেঙে ভেঙে ১ কোটি টাকা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট অফিস /ব্যাংক প্রতি কোটিতে ৩২% অর্থাৎ ৩২ লক্ষ টাকা করে দাবি করেছে টাকা দেওয়ার আগে। আমাদের এই মুহূর্তে ৩২ লক্ষ টাকা জোগাড় করার উপায় নেই। এইজন্য আমাদের পাওনা টাকা থেকে আমরা বঞ্চিত এবং লাঞ্ছিত হচ্ছি।
পাসপোর্ট অফিসে যে ফাইল চেক করে সে আমার কাগজগুলো চেক করলো করে বলল যে কমিশনার সার্টিফিকেট লাগবে বলে আমাকে অফিস থেকে বের করে দিল কিছুক্ষণ পরে আমার কাছে অফিসার এসে ৫০০ টাকা দাবি করে ৫০০ টাকা দিলে ফাইজলামা দিয়ে দিবে। পাসপোর্ট অফিস কেরানীগঞ্জ নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে যে কাগজগুলো চেক করে তার রুমের ঘটনা
ভূমির করে দিতে যাই তখন তারা চায় ১০০০ টাকা কিন্তু টাকা যখন দিয়ে দেই তখন তারা একটা রিসিভ দেয় সেখানে লেখা মাত্র ১৯১ টাকা।
আমি এখানে এক্সরে করাই এক্সরে রিপোর্ট নিতে গেছি বলে বকশিস দাও আমি বললাম কিসের দিব বললে বকশিশ না দিলে রিপোর্ট পাবেন না, আমি গেছিলাম চিকিৎসা নিতে ড্রেসিং করা দিও নাকি বক্স দিতে হয় ওখানে সেটা হল শ্যামলী নিটর হসপিটাল মানে হল পঙ্গু হাসপাতাল প্রত্যেকের কাছ থেকে ওরা চাই কিছু দিয়ে যান ওখানে পাবলিক গেছে সেবা নেওয়ার জন্য গরিব মানুষেরা তাদের কাছ থেকে হয়রানি করে টাকা নিচ্ছে অনেক মানুষ এরকম আমার কাছে কম আরো অনেকের কাছে অনেক কিছুই বলছে
শোরুমের মাধ্যমে আবেদন করি ১০ বছরের জন্য ২৩৫০০ টাকা নেয়। গাড়ি দেখানোর দিন বলে ডাটা এন্টি্র জন্য ৫০০ টাকা দিতে হবে,দিলাম আবার কাগজ নেওয়ার সময় নম্বর প্লেট চাইলে বলে ১ মাস পর ১১৭ নম্বর রুমে যাবেন নিতে না চাইলে ৪০০-৫০০ টাকা দিবেন সেদিনই নিবে।
ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট করতে গিয়ে প্রথমে বলে ১০০০ পরে ৫০০ টকা। কারণ তাদের নাকি কারেন্ট বিল দেওয়া লাগে
আমার দাদার সম্পত্তি তার সন্তানদের মাঝে বাটোয়ারা দলিল করার জন্য যাই ধুনট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে।তো আমার বড় চাচা স্ট্রোক জনিত কারনে অচলাবস্থা থাকায় তার স্ত্রী সন্তান ও সাথে যায়।সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের যে ম্যাজিস্ট্রেটের পিএ থাকে সে দাবি করে বসে যে ২৫০০০ টাকা লাগবে।বললাম কেন?সে বলে উনি কথা বলতে পারে না। তার জন্য। বললাম তার স্ত্রী সন্তান তো এসেছে সাথে করে।তারা তো বলতে পারে।তখন সে বলে ওসব হবে না।টাকা দিলে দলিল হবে না হলে হবে না।তখন নিরুপায় হয়ে আমরা ১০৫০০ টাকা দেই।কারণ ওই দিন দলিল না করলে পুনঃরায় আবার আসতে হবে।আবার আসতে গেলে এতোগুলো লোকজনের যাতায়াত ভাড়া খাবার খরচ সব মিলিয়ে অনেক টাকা লাগতো আর ওই দিন না হলে যে পরে ঘুষ ছাড়াই দলিল হবে তার ও নিশ্চয়তা নাই। কারন ওই লোক সব সময় সেখানেই থাকে।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে যায় পরিক্ষায় পাশ হওয়ার পরেও আমাকে পাশ করিয়ে দিওয়া হয়নি জখন আমি দালালের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা দিলাম তখন আমাকে পাশ করিয়ে দিলো
প্রতিটা দলিল লেখনী বাবদ বি এন সি নেতাদের 5000 টাকা করে বেশী দিতে হয়
বরিশালে ফায়ার সার্ভিস লাইসেন্স করতে গেলে ঘুষ দেওয়া ছাড়া টাকা লাইসেন্স হয় না, কলকারখানা ঘুষ দেওয়া লাগে যে কোন লাইসেন্স করতে গেলে ঘুষ দেওয়া লাগে
জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে সচিব দুই বাচ্চার জন্য ৩০০ টাকা নেন
নামজারির জন্য ১২ হাজার টাকা চেয়েছিলো। সেখানে প্রায় প্রতিজনের থেকেই এই ঘুষ নিয়ে থাকে। যারা টাকা দেয় তাদের নামজারি ১-৩ কর্ম দিবসের মধ্যেই সম্পন্ন হয়। টাকা না দিলে এটি হতে অনেক ভোগান্তি দিনের পর দিন অফিসে ঘুরতে হয়। যতোবার যান না কেনো ততোবারই বললে সাইট অপেন হচ্ছে বা সাইটে সমস্যা, এই মৌজায় এখন নামজারি হচ্ছে না, আবার কয়েক দিন পর গেলে বলবে কিচ্ছু করার নেই, হেড অফিস সার্ভার ঠিক করছে। সার্ভার ঠিক হলেই হয়ে যাবে। আসলে এমন কিছুই না। শেষমেশ ২৬-২৭ তম দিনে নামজারি হয়।