হ্যা
সুইলপুর ভূমি অফিস, খারিজের জন্য ১১০০০ টাকা নিছে,,আমি নগদ ২০০০ টাকা দিছি,আর বিকাশে ৯০০০ টাকা দিছি,যা রেকর্ড আছে।
19,230 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সুইলপুর ভূমি অফিস, খারিজের জন্য ১১০০০ টাকা নিছে,,আমি নগদ ২০০০ টাকা দিছি,আর বিকাশে ৯০০০ টাকা দিছি,যা রেকর্ড আছে।
পে ফিক্সেশন এর জন্য মিষ্টি খেতে সরাসরি ২০০০/- টাকা চাইছে।
ডিপিডিসি প্রি পেইড মিটারে ব্যাটারী শেষ হলেই এরা টাকা দাবী করে, অথচ এসব ব্যাটারী কতৃপক্ষ দিবে, আমাদের গ্রাহক থেকে প্রতি মাসে মিটার ভাড়া ও অন্যান্য চার্জ টাকা দিয়েই থাকি, এরা বিশাল সিন্ডিকেট এদের মতো টাকা না দিলে ব্যাটারী লাগিয়ে দেয় না যার ফলে বাসায় কারেন্ট ও থাকে না। (শ্যামপুর ডিপিডিসি জোন)
আমাদের গার্মেন্টস কারখানা। কারখানার লাইসেন্স গ্রহণের সময় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ায় আমাদের ৬০,০০০ টাকা ও প্রতি বছর লাইসেন্স নবায়নের সময় ৫০,০০০ টাকা হিসেবে ঘুষ খরচ করতে হয়। গত বছর কলকারখানা অধিদপ্তরের একজন পরিদর্শক আমাদের কারখানা পরিদর্শন করে কিছু ছোটখাটো ত্রুটি চিহ্নিত করেন। আমরা আইন অনুযায়ী ওই ত্রুটিগুলো সংশোধনের জন্য যুক্তিসঙ্গত সময় চেয়েছিলাম। কিন্তু সংশ্লিষ্ট পরিদর্শক সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার পরিবর্তে আমাদের কাছে ১,২০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। আমরা কোনো অবৈধ অর্থ প্রদান না করে কারখানার ত্রুটিগুলো সংশোধন এবং শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ উন্নত করার সিদ্ধান্ত নিই। প্রয়োজনীয় সংশোধন করার পরও আমাদের বিরুদ্ধে মামলা হয় ও আমরা বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছি
ফুফাতো ভাইয়ের সাথে জায়গা সমস্যা নিরসনে সাবেক বিএনপি পন্থি ইউপি চেয়ারম্যান কে ১৫,০০০৳ ঘুষ দিতে হয়েছে। এই টাকা দেয়া হয়েছে বায়নাপত্র কনফার্ম করার জন্য কিন্তু শেষ পর্যন্ত বায়না পত্র হয়েছে জায়গার সমস্যা নিরসনে ইউপি চেয়ারম্যান ব্যার্থ
আমার গাড়ির সঠিক ডকুমেন্ট না থাকায় পুলিশ আমার কাছ থেকে ৫০০০ টাকা দাবি করে আমি টাকা না দেওয়ায় আমার গাড়িটিও Tow দে। যখন গাড়ি আনতে গেছি তখন দেখি আমার মামলার পরিমান ১৫ হাজার টাকা। তখন তারা আমাকে বলে ১৩ হাজার টাকা দিলে আমাকে আমাকে ৪০০ টাকার রশিদ ধরিয়ে দে। পরে গাড়ি আনতে পারলাম। দালালকে দিলাম ১০০০ টাকা। এখন কথা হল আমি যদি ১৩০০০ টাকা দিয়ে গাড়িটা আনি আমাকে রশিদ কেন ৪০০ টাকা দিল?
নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের পদটি তাই করনের জন্য প্রতি প্রধান শিক্ষক হতে ১০০০ এবং সহকারী শিক্ষক হতে জনপ্রতি ৭০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয় এতে প্রায় ৪৫০ শিক্ষক হতে মোট ৩,১৫০০০ টাকা এবং প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি ফাইল প্রস্তুত করা সাপেক্ষে জনপ্রতি ১৫০০ টাকা হিসেবে ১৮২ জন শিক্ষক হতে কেন্দুয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ ঘুষ হিসেবে মোট ৫,৮৫,০০০ টাকা উত্তোলন করেছেন।
আমি পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করেছিলাম। তারা আমাকে সিরিয়াল (ডেইট) দিয়ে বাড়িতে পাঠেয়ে দেয়। পরবর্তী তে গেলে পেশা কি প্রমাণ দেখান, বাকি সব ওকে, প্রমাণের ছবি দেখাছি হবে না ফিজিক্যাল আনতে হবে, আইডি কার্ড ফটোকপি নিয়ে গেছি, বলে অরজিনিয়াল টা সো করতে হবে NIDW থেকে ডাওনলোড করে লেমেনেটিন করে নিছি, ওরা বলে আপনি যে ফটোকপি জমা দিছেন, ওটার সাথে প্রদান এর তারিখ এর মিল নেই। বাড়ি থেকে নিয়ে আসেন, বাহিরে পুলিশ কনস্টেবল বলে ৩০০০ টাকা দিলে করে দিবে। আমি দিই নাই। পরে বাড়ি থেকে আইডি কার্ড এনে সো করি।
মামলা তদন্তে ভিকটিমের মেডিকেল সার্টিফিকেট না পেলে মামলা নিষ্পত্তি করা যায় না,এমতাবস্থায় ভিকটিমের মেডিকেল রিপোর্ট পাওয়ার জন্য সরেজমিনে নিজে গিয়েও পাওয়া সার্টিফিকেট আনতে হয়, কেননা টাকা লেনদেন না হলে ঐ রিপোর্ট শুধু ফাইলেই থাকে সরবরাহ হয় না, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেকর্ড রুমে গেলে দেখতে পারবেন তাদের কাজের গতি আর লেনদেন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মেজর জেনারেল স্যার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, নাম মেনশন করলাম না,তবে তাদের কাজের মান এবং গতি দেখলেই বুঝা যায় কেন এত বিলম্ব, আমি জাস্ট এইটুকু বলবো স্যারকে যে রিপোর্ট রেডি ঐগুলো সরবরাহ হয়েছে কি না, করলে রিসিভ স্মারক গুলো মিলিয়ে দেখলেই বুঝতে পারবেন, ওনার টাকা চাইতে হয় না কাজ আদায় করিতে এমনিতেই টাকা হাতে চলে যায়।।
it was 3 years ago, after my father retired from govt primary school. He wanted to withdraw his pension money and went to the required office i cant exactly remeber the office name but sure it was on the final stage who approve the money. The officer ask for 20k but my father at first refused to give any money as he was religious person. he shared the situation with an junior officer at that office , he told him to contact with me and take action against the officer. Then my father consulted with me i didnt find any way to take a legal action also it was emergency to get the money. So in fear of not getting the money at the right time we decided to give them the money. After providing they a
পাসপোর্ট তৈরির জন্য যখন পাসপোর্ট তৈরীর জন্য নিয়োজিত ব্যাক্তিদের কাছে জানতে চাই তখন তারা ওখানকার আনসার সদস্যদের দেখিয়ে দেয়। তখন ঐ আনসাররা প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নেয়। তারপর পাসপোর্ট তৈরি করে।
নির্ধারিত ফি এর চেয়ে বেশী + extra হয়রানি
On my flight from Dhaka to Toronto on a Biman Bangladesh Airlines tonight, an officer at the check-in counter asked for USD 100, not because my check-in bags were overweight, but because my carry-on weighed 6 kg and luggages weighed 42 kg so the total of 48 kg exceeded the limit of 46 kg by 2kg. He insisted on the extra money which was clearly an attempted extortion because there’s usually a weight allowance for carry-ons which he was not considering. I removed some items from the bag and handed it over to another passenger, got my luggages checked in, and then put those back in my carry on 🙄
জমির খাজনা দেওয়ার সপ্তাহ চলতেছিলো,,, ভুমি অফিসের পিওন অথবা কে,,, সাতশত টাকা লেখা হবে তবেঃ ,,, টাকা দিতে হবে ৩৫০০, অনেক দিন খাজনা দেওয়া হয়না তাই জরিমানা অনেক হয়েছ,,, জরিমানা কমানোর জন্যএই ব্যবস্তা,,,
Amr Boro vai ekjon probasi, last 4 years holo tar NID card Nam er vul thik korar jonno ki proriman kosto korce seta Ami cara valo kuw bolte parbena. Sese 2lac tk dabi kore, amr Boro vai 150000 tk diye ses porjonto NID Card er Nam er banan thik kore! Ey desh e jonmo neya O pap
বাবা মারা জাওয়ার পর জমি আমাদের নামে নামজারি করতে গিয়েছিলাম।ওয়ারিশ সনদ উপস্থাপন করে আমাদের নামে নামজারির আবেদন করতে গেলে উনি বিরক্তি ভাব দেখিয়ে বলেন অন্যদিন আসতে।তারপরের দিন যাওয়ার পর বলেন অই সহকারী নায়েব মলিলা ভেরিফাই এর জন্য জমি দেখবে মাপবেন,জমির পরিমান কমও দেখাতে পারবে ওনারা তখন।তাছাড়া সরকারি এতগুলো লোক গেলেও ঐখানে আপনার খরচ আছে মানুষ দেখবে ইত্যাদি ইত্যাদি।তারচেয়ে বরং আপনি টাকা দিয়ে দেন সব আমরা করে দিব আপনার কোনো ঝামেলা নাই।আমার মা একজন শিক্ষক। মার স্কুল থেকে ছুটি নিয়ে দুই দিন পর আবার যাই উনার কাছে।অনুনয় বিনয় করে ঐ টাকা ৮০০০ দিই।
Amar name er spelling correction er jnno ghush dite hoi
আমি তিনটা পাসপোর্ট নবায়ন করতে দেবো আমার কাছে থেকে ২৪ হাজার টাকা চেয়েছে দালাল। অফিস কাজ করে না সেজন্য দালালকে ধরা।
আমাদের কাছ থেকে এক একটা জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করার জন্য ৩০০ করে টাকা নেন তিনটার জন্য ৯০০ টাকা নিন কিন্তু সব কাজ ঠিকমতো করেন না এরপর কিছুদিন পরে আমার জন্ম নিবন্ধন এ তার করা কিছু ভুলের কারণে আমাকে আবারো কাজ করতে আসতে হয় তার কাছে সে তখনও আমার কাছে পুনরায় ৩০০ টাকা নেই তিনি এরকমভাবে সবার থেকেই সর্বনিম্ন ৩০০ থেকে সর্বস্ব ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকেন সরকার নির্ধারিত যে নাম জন্য আলাদা টাকা নির্ধারণ করার আছে বয়স পরিবর্তন করার জন্য আলাদা টাকা নির্ধারণ করা আছে এটার ধার ধারেনা সবার থেকে তার ইচ্ছেমতো টাকা আদায় করে থাকেন এবং সকলকেই একের পর এক ঘোরাঘুরি করেন
বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের ভূমির নামজারি (মিউটেশন) আবেদনের উদ্যোগ নিই। প্রথম আবেদনটি দলিলের ঘাটতিতে বাতিল হয়। পরে কাগজপত্র পরীক্ষা করিয়ে দ্বিতীয়বার আবেদন করি। মতিঝিল রাজস্ব সার্কেলের ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয়ে নথি পৌঁছালেও সার্ভার সমস্যা ও ম্যাজিস্ট্রেটের বদলির কারণে দেড় মাস বিলম্ব হয়। দ্রুত শুনানির তারিখ পেতে এক দোকানদারকে ৩,০০০ টাকা দিই।শুনানির দিন কর্মকর্তা সব নথি ঠিক আছে জানালেও, দুই দিন পর মৌজা ম্যাপ অনুপস্থিতির ভুয়া অজুহাতে আবেদনটি বাতিল করা হয়। অফিসে যোগাযোগ করলে এক কর্মকর্তা ৫০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন, না হলে কাজ হলে ৬+মাস লাগবে। স্বাভাবিক নিয়মে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে, শেষ পর্যন্ত ৪২,০০০ টাকায় রফাদফা করে ১৫ দিনের মধ্যে নামজারির খতিয়ান হাতে পাই।