অগ্রণী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট ওপেনিং
অগ্রণী ব্যাংকের একাউন্ট ওপেন করার সময় ২০০ টাকা ঘুষ দাবি করে ব্যাংকের কর্মকর্তা না দিলে একাউন্ট ওপেনিং করবেনা আমার জরুরী বিদায় আমি দিতে বাধ্য হয়েছি দুঃখিত
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
অগ্রণী ব্যাংকের একাউন্ট ওপেন করার সময় ২০০ টাকা ঘুষ দাবি করে ব্যাংকের কর্মকর্তা না দিলে একাউন্ট ওপেনিং করবেনা আমার জরুরী বিদায় আমি দিতে বাধ্য হয়েছি দুঃখিত
কাগজ পত্র সব ঠিক থাকার পর ও নামজারি খতিয়ান করতে ১৫০০০ টাকা ঘুুষ চাইছে
আমি নামজারি করতে গিয়েছি, আমার সম্পত্তির কাগজপত্র দেখে সে বলছে এটা নাকি খাস খতিয়ান, অথচ সে কোন প্রমাণ দিতে পারেনি। নামধারী হবে ১৫ দিনে, আমাকে গত তিন বছর যাবত ঘোরাচ্ছে।
একটা মিস কেইসের আবেদন করেছি, সেটা ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে শুনানি পর্যন্ত মোট ৫০০০ টাকার মতো ঘুষ লাগছে, কতবার যে যাওয়া লাগছে তার কোন হিসেব নাই, এখন কানুনগোর কাছে আটকে আছে আরো টাকা পরিশোধ না করার কারণে। আরো কত টাকা লাগবে জানিনা। আর মিউটেশন করতে আরো অনেক দিতে হবে।
আমি একজন স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে সরকারকে ২৪ বছর সেবা দিয়ে এসেছি। আমি চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর আমার পেনশন এর কাগজ পত্র ক্লিয়ারেন্স নিতে যাওয়ার সময়, ফটিকছড়ি উপজেলা অডিট অফিসার আমার কাছে ৩০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। তার নাম উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম। পরবর্তীতে তাকে ঘুষ দেওয়ার পর সে পেনশন এর কাগজপত্র ক্লিয়ার করে।
আমার শাশুড়ির জিপিএফ এর টাকা উত্তোলনের জন্য ধাপে ধাপে উপজেলা শিক্ষা অফিস চরভদ্রাসন ফরিদপুর ২১০০০ টাকা নেয় । এখনও পেনশন এর টাকা পাই নাই। তবে ওই টাকা দেওয়ার পর জিপিএফ এর টাকা পেয়েছি।
নৌপরিবহন অধিদপ্তরের EGIMNS প্রকল্পের জনবলকে প্রায় ২কোটি টাকা ব্যয় করে দেশী-বিদেশী প্রশিক্ষণ দ্বারা দক্ষ করে তোলা হয়। যারা অনেকে প্রায় ১০ বছর যাবত কর্মরত ছিলো। এই জনবলকে রাজস্বখাতে স্থানান্তরের জন্য নির্ধারিত ডিপিপিতে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিব কর্তৃক এই জনবলের রাজস্বখাতে স্থানান্তরের ফাইল উঠানোর জন্য ঘুষ দাবী করা হয়। অথচ এই জনবল গত জুলাই, ২০২৫ থেকে এখন পর্যন্ত সকল প্রকার বেতন ভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছে।
আমার ছোট ভাই এর পাসপোর্ট হিসাবে জন্মনিব্ধন করা হয়েছে এখোন তার বিদেশে পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আগের আর,এম,পি পাসপোর্ট নতুন করে আর বানাতে পারছেনা নতুন ডিজিটাল পাসপোর্ট বানেতে যাই দেখা গেলো তার জন্মনিব্ধন অনলাইন করা নাই,ইউনিয়ন অফিসে যাই যোগাযোগ করলাম তারা চেক করে দেখলো এই নম্বারে অন্য কারো নামে নিবন্ধন করা আছে তাহলে আমরা যে আগের নিবন্ধন করেছিলাম সেটা ইউনিয়ন পরিষদ কিভাবে দিয়োছিলো,এখোন যখোন বললাম আমাদের পাসপোর্ট দিয়ে নতুন করে একটা করতে বললাম বললো তা করা যাবে না,পরবর্তীতে ৫০০০ টাকা দিলে করে দিবে পস্তাব দেয়, আমরা ও ৫০০০ দিয়ে করতে বাধ্য হই নাহলে সে দেশে আসতে পারবে না।
যেকোনো নামজারি করতে গেলে ৭ হাজার টাকা নিচে কোন নাম জারি হয় না কিংবা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব সেটাকে অ্যাপ্লিকেশন একসেপ্ট করে না।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সকল কাগজ দিয়ে গ্রাচ্যুইটির আদেশ আনার পরও কাগজপত্রের ঘাটতি দেখায়, অনেক অনেক আগের কাগজপত্র চেয়ে বসে, নানা রকম ভুল-ভ্রান্তির কথা বলে অন্তরে ভয় ধরিয়ে দেয়। ঘুষের অঙ্ক মুখে বলে না, ক্যালকুলেটরের ডিসপ্লেতে তুলে দেখিয়ে দেয়।
আমাদেরকে অফিসে ডেকে নিয়ে বলে বাড়ির কাগজপত্রের মধ্যে ঝামেলা আছে কর দেওয়া হয়নি তিন লক্ষ টাকা দিলে তারা সবকিছু ম্যানেজ করে দিবে, এমনকি আমাদেরকে মামলার ভয় ও দেখানো হয়েছে।
বাম হাতের কবজি পর্যন্ত কেটে পরে গেছে,হাত থেকে রক্ত পরছে আমাদের কা্ন্নার রোল পরে গেছে,হাসপাতালে আসার পরে ডক্টর রোগীকে ধরতেছে না, একজন পাশে থেকে সে বলল ৫০০০টাকা দেও, এখনি যা যা লাগে করে দিতেছি🥲🥲
আমার বাবার ক্রয়করা জমি তার নামে নামজারি করতে ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গিয়েছিলাম। সকল কাগজ ঠিক থাকার পরেও সরকারি ফি সহ ২১০০০ টাকা দাবি করে।পরে অনেক অনুরোধে ১৭০০০ টাকা দিবো বলে ফাইল দিয়ে আসি। ৫০০০ টাকা অগ্রিম দিয়ে আসছি আজকে তিন মাস হলো এখনো নামজারির জন্য আবেদন করে নি। অনেক বার তাকে ফোন দিয়ে অনুরোধ করেছি ফাইল প্রসেস করতে কিন্তু হবে হবে বলে হচ্ছে না!
প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের 'অফিস সহায়ক' যে কোন কাজে গেলে ঘুষ ছাড়া কাজ করতে চায় না।কাজ ফেলে রাখে, দিনের পর দিন ঘুরায়।বলে 'টিও' স্যারের ফী(ঘুষ) দিন আমারটাও দিন। 'টিও' ও ঘুষ নিয়েছে আমার থেকে কাজও করেনি। সকল শিক্ষকরাও জানে এসব এবং তারাও বিভিন্ন কাজ টাকা দিয়েই করে নেয়।তাদের কথা হলো স্কুল থেকে শিক্ষা অফিসে আসতে ৪০/৫০ টাকা লাগে সুতরাং চার দিনে ঘুরার চেয়ে ৩০০ টাকা ঘুষ দিয়ে কাজ করা ভালো।এভাবেই চলছে ঘুষের মহাউৎসব। শিবগঞ্জ,বগুড়া
ঘটনা হচ্ছে ২০২৬ সালের ঈদুল আযহা (কোরবানি) এর দিন। গরু কাটতে গিয়ে পায়ে ছুরি লেগে কিছু কেটে যায়। আমাকে একটা সেলাই করতে হয়। ঐদিন দ্রুত গেলাম হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। ডাক্তারের অ্যাসিস্ট্যান্ট দেখে একটা পায়ে সেলাই করে দিল। মজার ব্যাপার হচ্ছে ডাক্তার দেখলোও না। ডাক্তার শুধু অ্যাসিস্ট্যান্ট থেকে বর্ণনা শুনে একটা প্রেসক্রিপশন লিখে দিল। আসার সময় আমার কাছে দাবি করল ওনারা (ডাক্তার, এসিস্ট্যান্ট, অন্যান্যরা) ছুটির দিনে মানুষের সেবা করছে। উনাদেরকে একটু খুশি করি। এসিস্ট্যান্ট এর হাতে ১০০ টাকা দিয়ে বিদায় হতে চাইলাম। তাতে তারা নাখোশ হলেও পরবর্তীতে এসিস্ট্যান্ট আমার কাছ থেকে ওই টাকা নিয়ে ডাক্তারের কাছে দিয়ে দিল। প্রশ্ন হলো, ছুটির দিনে ডিউটি করলে সরকার কি ওদের টাকা দেয় না?
আমার আব্বা আমাকে একটি হেবা দলিল করে দিয়েছে এ দলিলটা আমার নামে খারিজ করতে গিয়ে 5000 হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
আমি একজন শিশুর জর অবস্থায় হাসপাতালে নিলে সরকারি ডাঃ রোগীকে না দেখে ১০ ফিট দুরে রেখে ৫ টা পরীক্ষা লিখে দেন। যা দরকার ছিলনা, যা ছিল অবহেলা।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফরম পূরণে সরকার নির্ধারিত ফি-র অতিরিক্ত টাকা আদায় করে তা "কেন্দ্র ফি" হিসেবে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। রেজিস্ট্রেশনের পরে বোর্ড থেকে পাঠানো প্রবেশপত্রের জন্য ২০০ টাকা করে দাবী করা হয়। টেস্ট পরীক্ষার পর মাদ্রাসায় আয়োজিত কোচিংয়ে সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে অংশ নিতে হয়; কেউ কোচিং না করলেও তার থেকে জোরপূর্বক ফি আদায় করা হয় এবং টাকা না দিলে প্রবেশপত্র আটকে রাখা হয়। এমনকি পরীক্ষা শেষে অন্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য প্রশংসাপত্র নিতে গেলে নিয়মবহির্ভূতভাবে ১,০০০ টাকা দিতে হয়, যা সাধারণ ফি-র দ্বিগুণ। সবশেষে বোর্ড থেকে প্রাপ্ত মূল মার্কশিট তুলতেও ৫০০ টাকা করে দাবী করা হয়। এটা হচ্ছে নয়াটোলা এ ইউ এন মডেল কামিল মাদ্রাসা
ফ্রম করার পর দাবি করে, না দিলে ঘুরতে হয় ধারে ধারে
পাসপোর্ট ফর্ম এ উল্লেখিত সব কাগজপত্র নিয়ে গিয়েছিল আমার স্ত্রী , লাইনে দাঁড়িয়ে ওপরে যাওয়ার পর সহকারি পরিচালক পরিচয়ে এক মহিলা কমিশনার সার্টিফিকেট নিতে বলে। আমিও আমার স্ত্রী কমিশনার সার্টিফিকেট নিয়ে যাই, তখন আবার বলে যে প্রতিষ্ঠানের চাকরি করে সেই প্রতিষ্ঠানের সনদ লাগবে। পরে নিচে আসার পর, আশেপাশের দোকানে অবস্থানরত দালালরা বলে তারা কাজ করে দিবে, আমার কাগজপত্র লাগবে না । সাথে বলে যদি কাগজ নিয়ে আসেন আবার নতুন কাগজ চাবে। তখন বাধ্য হয়ে পনেরশো টাকা দেই ,, পড়ে ওদের সংকেত দেওয়া কাগজ নিজে করে গেলে কাজ হয়ে যায়।