পেনশন এর বকেয়া টাকা উত্তোলন করতে
বকেয়া টাকার একটি বিল পড়েছিল ওইটাকে ওরা তুলে দেবে যাওয়ার জন্য 30% দাবি করতাছে ২ লাখ টাকা আসবে মনে হয় সম্ভবত ওদেরকে 30% দিলে তাহলে ওরা কাজ করে দিবে না হলে করবে না।
19,252 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বকেয়া টাকার একটি বিল পড়েছিল ওইটাকে ওরা তুলে দেবে যাওয়ার জন্য 30% দাবি করতাছে ২ লাখ টাকা আসবে মনে হয় সম্ভবত ওদেরকে 30% দিলে তাহলে ওরা কাজ করে দিবে না হলে করবে না।
আমি অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন করে ফিস জমা দিয়ে ফরমটি প্রিন্ট করতে জমা দিতে যাই অফিসে৷ সেখানে আমার ফরম দেখে বলে কই থেকে করছেন? বললাম অনলাইনে। আমাকে বললো ভুল আছে সংশোধন করতে হবে। আমি বললাম কি ভুল? বললো নামের আগে MD দেয়া যাবে না। বললাম আমার এন আইডি তে যা আছে তাই দিয়েছি। উনি বললেন সামনের দোকানে যেয়ে বললেই ঠিক করে দিবে এভাবে জমা নেয়া যাবে না। কথা মতো তাই করলাম। দোকানে যেতেই বললো অফিস থেকে পাঠিয়েছে? বললাম হ্যাঁ। দোকানদান বললো ১৫০০ টাকা লাগবে। দিতে চাইনি৷ কিন্ত অনেক কিছু করেও যখন লাভ হলো না বাধ্য হয়ে ১২০০ টাকা দিলাম। দোকানদান শুধু একটা কলমের খোচা মেরে দিয়ে বললেন এখন যান। অনেক কথা কাটা কাটি করেও লাভ হলো না। পরে ফরম জমা নিলো। কিছু চেঞ্জ করলো না কিচ্ছু না। ওই এক কলমের খোচার দাম ১২০০ টাকা।
আমার গাড়িটি একটি মিথ্যা মামলাই জড়িয়ে যাই যার কারণে আমি কোর্টে গিয়ে উকিলের কাছে যাই তারপর উকিলের মাধ্যমে দরখাস্ত করার পরে রায় আসে আমাদের গাড়ির পক্ষে পরে যে আদেশটা আমার থানার পুলিশকে দিলে আমার গাড়িটাকে ছেড়ে দিবে সেই আদেশটা তুলতে গিয়ে আমাকে ১৪০০ টাকা দিতেই হয়েছে
পাসপোর্ট করতে গেলে তাদের চ্যানেল এর মাধ্যমে টাকা দিতে হয়। আমি পাসপোর্ট এর জন্য কাগজ জমা দিলে তারা বলে এটা মিল নেই সেটা মিল নাই, কাগজ আনতে হবে, ওটা আনতে হবে। তারপর একজন আনসার বাহিনী বললো ওখানে দোকান থেকে ১ টি সিল নিয়ে আসলে এটা দিয়েই জমা করতে পারবেন। পরে দোকানে গেলে বলে ভাই পাসপোর্ট করবেন? পরে বলে ২,০০০ টাকা দিলে করতে পারবেন। পরে আমি ওদের ওখানে ২,০০০ টাকা দিয়েছি। পরে একটা সিল দিয়েছে। তারপর একই অফিসার কথা না বলে কাগজপত্র জমা নিয়েছে। এই হচ্ছে দেশের অবস্থা।
এটা ২০২০ সালের ঘটনা। আমি পাসপোর্ট অফিসে গেলে অফিস সহকারী ঘুষ দাবী করে। তার নাম এখন মনে নেই। আমি ঘুষ দিতে না চাইলে বিভিন্ন বাহানায় আমাকে শেষ পর্যন্ত পাসপোর্ট না করেই ফিরতে হয়। পরবর্তীতে আমি ভোলা থেকে আমার পাসপোর্ট করায়।
jonmonibondhon korte gesi, koy 1000 taka den
Passport koranor jonno Anser bahinir ghush dabi
আমার বাচ্চার জন্মনিবন্ধন করতে গেলে মাথাপিছু ১০০০ করে ঘুষ দাবী করে।
Ami nije nije shob online a apply kore passport form joma dite gesi kintu tara joma ney na counter a gafargaon theke 4-5 din ektana gesi joma ney na. Pore bujlam dalal sara joma nibe na. Pore ek dalal dhori ora dukaner ki ekta paper lagaya dey just ar kisui kore nai oita deikha counter er luk joma ney amr almost 1k-20k tk gese eshob korte korte. Amr oshustho baba k niye daily eto jatayat onk koshto hoise. 2024 er ghotona eta.
হারানো পাসপোর্ট পুনরায় করতে গিয়ে, বিভিন্ন ভাবে তা আটক রাখে, পরবর্তী এক দালালের মাধ্যমে যোগাযোগ করলল, তাঁরা উপরোক্ত চাঁদা দাবি করলে তা দিলে, কিছু দিন পর পাসপোর্ট পুনরায় পায়।
প্রিপেইড মিটার নিয়ে সাত মাসের ভোগান্তি—এর দায় কার? সরকার প্রিপেইড মিটার স্থাপনের দায়িত্ব দিয়েছে একটি থার্ড পার্টি প্রতিষ্ঠানকে। তারা অনেকটা জোর করেই আমাদের বাসায় প্রিপেইড মিটার স্থাপন করে। কিন্তু মিটার লাগানোর পর থেকেই শুরু হয় একের পর এক ভোগান্তি এবং বিভিন্ন অজুহাতে টাকা দাবি। মিটার লাগানোর পর প্রথমেই তারা ৩,০০০ টাকা দাবি করে। শেষ পর্যন্ত ২,০০০ টাকা দিয়ে তাদের বিদায় করি। তখন বলা হয়েছিল, ২৫ দিনের মধ্যে মিটার অ্যাকটিভ হয়ে যাবে। কিন্তু ২৫ দিন তো দূরের কথা, তিন মাস পার হয়ে গেলেও মিটার অ্যাকটিভ হয়নি। যোগাযোগ করলেই কখনো লোক পাঠানো হয়, কখনো বলা হয়—‘হয়ে যাবে’, ‘হচ্ছে’, ‘আর একটু সময় লাগবে’। এভাবেই চলতে থাকে। এরপর একদিন আবার বাসায় এসে মিটারসংক্রান্ত সব কাগজপত্র নিয়ে যায়। সেদিনও ‘কষ্ট করে এসেছে’—এই
নতুন পাসপোর্ট তৈরির জন্য সরকারের নির্ধারিত টাকার চেয়ে ২০০০ টাকা বেশি দিতে হয়েছে
জরুরিভিত্তিতে বানানো লাগতো তাই বললো টাকা লাগবে নাহলে সময় লাগবে করতে।
মামলার নথি খুজতে ৫,০০০/- টাকা, ডিসি অফিসে পোস্টিং দিতে ২০,০০০/- নাজির আদেশ লিখতে ১০,০০০/-
অনলাইনের আবেদন বাতিল করে দেয়। ভুমি সেবা সহায়তা কেন্দ্র থেকে আবেদন করতে বলে। ভুমি সেবা সহায়তা কেন্দ্রে গেলে ১০০০০ হাজার টাকা চায়।
একাউন্ট খোলার জন্য উক্ত ব্যাংকের শাখার কর্মকর্তারা নানাভাবে হয়রানি করছিলো, সব ডকুমেন্টস থাকা সত্বেও আজকে হবে না বলে প্রত্যাখান করে দিচ্ছিলো। অতঃপর ব্যাংকের মুরব্বি পিওন ১০০০ টাকার বিনিময়ে ঐদিনই খুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাউন্ট টা খুলে দেন।
তো একটা মামলার মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে গিয়ে দিতে হয়েছে। এছাড়া থানাতেও পুলিশেরা আমাদের কাছ থেকে হুমকি ধামকি দিয়ে প্রায় ২০০০০ টাকা নিয়েছে।
রাজধানী উন্নয়ন কতৃপক্ষ ( রাজউক) এ আপনি যদি প্ল্যান পাশের আবেদন করেন তাহলে বিনা ঘুষে আপনি কাজ বের করে নিয়ে আসতে পারবেন না। চলুন দেখে নেই, কি কি উপায়ে তারা টাকা নেয় এবং তাদের রেট কি? ১। এম আই এস- ৪০,০০০/- ২। সংরক্ষন-২০,০০০/- ৩। ছাড়পত্র - ৩০-৪০,০০০/- ৪। অনলাইন ছাড়পত্র- ৪০,০০০/- ৫। ফাইনাল প্ল্যান এপ্রুভাল- ৪/৫,০০,০০০/- জমির ট্রান্সফার-৫০,০০০-৫,০০,০০০/- সেল পারমিশন - ৬০,০০০/- থেকে ৩,০০,০০০/- ফাইলে মামলা থাকলে রেট হাই এই ঘুষ নেয় কে? এমন কিছু লোক আছে যারা স্থায়ী চাকরি করে না রাজউকে, বিভিন্ন সহকারী, হিসাব সহকারি, ডিলিংস অফিসার, কানুনগো, ইন্সপেক্টর, সহ ইন্সপেক্টর, সহকারী অথরাইজড অফিসার, অথরাইজড অফিসার। এছাড়াও নিচের বিভিন্ন সহকারী দিয়ে টাকা খায়, ডিরেক্টর, মেম্বার। আমার কাছে এমন অনেক এভিডেন্স আছে।
আমার কাছে চা নাস্তার টাকা চেয়েছিলো আমিও ঘুরাচ্ছিলাম। তারপর ডাইরেক্ট বলে কিছু ফাইল কিনে এনে দাও। ৫০ টাকার অই ফাইল আমি কিনে এনে দেয়ার পর আমাকে আরেক টেবিলের আরেকজন বলে আজকে সিডিসি পেতে চাইলে আমাদের কম্পিউটার চালানোর মাল্টিপ্লাগ এনে দাও। তারপর আরেক টেবিলের লোক আমার ছবি গ্রহণ না করে বলে নতুন ছবি তুলতে হবে। প্রত্যেকেই জিনিসপত্র কিনার জন্য অফিসের বাহিরে নির্দিষ্ট দোকানের কথা বলেছিল। তাদের কথা মত কাজ না করলে সিডিসি পেতে আমার ২/৩ দিন দেরি হতো। যেহেতু চট্টগ্রাম এ থাকার মত সুযোগ ছিলো না তাই আমি তাদের কথা মত কাজ করতে বাধ্য হই।
সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেয়ার পরেও ১ মাস টালবাহানা করছিল, পরে ওয়ারিশ সনদের জন্য ফোনে টাকা চেয়েছিল, দিতে বাধ্য হয়েছি এবং সকালে ঘুষের টাকা দেয়ার সাথে সাথে সেদিন বিকালেই সনদটি হাতে পাই।