পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
পলিশ ক্লিয়ারেন্স এর ভেরিফিকেশন এর জন্য টাকা চেয়েছিলো
19,252 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পলিশ ক্লিয়ারেন্স এর ভেরিফিকেশন এর জন্য টাকা চেয়েছিলো
সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের প্রধান নির্বাহী প্রকোশলীর কাছে সড়ক বিভাগের খালী জায়গার উপর রাস্তার জন্য আবেদন করি। আবেদন পএ জমা দেওয়ার সময় সড়ক ভবন সাধারণ শাখার কমকর্তা আবেদন প্রতি তিন হাজার টাকা দাবি করেন এবং আমি নির উপায় হয়ে ২২০০ টাকা দেই।
Since local councilor isn't there, there was an emergency of getting family certificate from nogor bhobon. Had to go there personally and had to wait there for 6 hours until I paid 1k bribe for just a simple certificate printed on their pad.
শুধু শুধু ভুল ধরে রাখে অথচ আমার সকল কাগজ সঠিক রয়েছে।
২০২২ সালে আবার বাবার জায়জা নাম জারি করতে হাটহাজারী ভুমি অফিসে আমার কাছে সবমিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার টাকা দাবি করে কর্মকর্তারা। তারা বলে এটাতে অনেক কাজ আছে, এখান হতে সেখানে যেতে হবে, তাই খরচ আছে। অথচ সরকারি ১১৭০ টাকা ব্যতিত আর খরচ থাকার কথা নয়। পরে টাকা না দেওয়ায়, আমার সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও আবেদন খারিজ করে দেয়।
আমি মোবাইল দিয়ে GD করি পরে GD দরকার সেস হলে GD প্রত্তাক্ষান করতে জাই তখন পুলিশ বলে বাহিরে দুকান থেকে আবেদন করতে আমি আবেদন করে আবেদন কপি নিয়ে চাই পরে ৫০০০ টাকা দাবি করে আমি দেই নি পরে আর GD প্রত্তাক্ষান করেনি পরে আমি নিযে মোবাইল দিয়ে আমার প্রত্তাক্ষান এর GD করি অইটা প্রত্তাখান করে দেই কিন্ত আমি দুকান থেকে জেইটা করে নিয়ে গেছিলাম অইটা টাকা দেই জি বলে আজকে 5 মাস তাও প্রত্তাখান কিরে দেইনি পুলিশ
আমি আমার আব্বুর ও চাচুর নামে জমি অনলাইনে নামজারি করতে দিয়েছি। কিন্তু ২০-২৫ দিন পার হওয়ার পরেও তারা উক্ত অনলাইনের আবেদন পেন্ডিং রেখে দিয়েছে। পরে গ্রামের কয়েকজন এর সাথে কথা বলে জানতে পারলাম যে উক্ত কাগজ আবার উপজেলা ভূমি অফিসে জমা দিতে হবে। তাই গেলাম দিতে। ওখানে গিয়ে কাগজ জমা দেওয়ার সময় অফিসের করনিক ২০০ টাকা চাই। আমি বললাম রসিদ দিন টাকা দেব। তখন তিনি বললেন রশিদ দেওয়া যাবে না। কি করবো শেষমেষ আমি টাকা দিতে বাধ্য হলাম। কারন ঐ দিন ছাড়া অন্যদিন কাগজ জমা দেওয়ার মতো সময় ছিলো না।কারন আমাকে ঢাকাতে ব্যাক করতে হবে। তাই ২০০ এর যায়গায় দরকশাকাশি করে ১০০ দিয়ে আসলাম।
কুষ্টিয়া পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট ফাইল ফিঙ্গার করার জন্য ৪০০০ টাকা দিতে হবে না হয় ফিঙ্গার হবে না। নানান সমস্যা ফাইলে, রেফারেন্স কে দিছে। নানান অভিযোগ
আমি ২০২৩ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসাবে যোগদান করি। আমার বেতনের নায্য টাকা যা হিসাবরক্ষণ অফিস আমার ব্যাংক হিসাবে জমা করবে সেটা ১০০০ টাকা ঘুষ না দিলে জমা করবে না বলে জানিয়ে দেয় তিনি জামালপুর সদরে হিসাবরক্ষণ অফিসে কর্মরত। আমি নিরুপায় হয়ে অনেক আবেদন করেও তাকে রাজি করতে পারিনি। ৩ মাস থেকে বেতন বকেয়া ছিলো বিধায় অনন্যোপায় হয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে বেতন হিসাবে জমা করাই
মানবিক ওষুধ অনুদানেও ঘুষের দাবি: সিএমএসডি (CMSD)-র অভিজ্ঞতা আমি একটি ফ্রেইট ফরোয়ার্ডিং কোম্পানিতে চাকরি করি। সম্প্রতি আমেরিকা থেকে আসা একটি মানবিক ওষুধ অনুদানের (Medicine Donation) কাজ পাই, যা বিনামূল্যে রোগীদের জন্য পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু পণ্য খালাসের জন্য সিএমএসডি (CMSD)-তে গেলে সেখানকার কিছু সরকারি কর্মচারী আমাদের সিএন্ডএফ এজেন্টের কাছে ৩-৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। বিনামূল্যে আসা অনুদানের ওপরও সরকারি চাকুরিজীবীদের এমন লোভ আমাদের স্তম্ভিত করেছে। মানবিক সেবার পণ্যেও ঘুষের এই অনৈতিক চর্চা অত্যন্ত লজ্জাজনক ও হতাশাজনক।
ঠিকাদারি কাজের বিল তুলতে পার্সেন্ট হারে ঘুষ দিতে হয় না হলে বিলের চেক আটকে রাখা হয়|এটা ক্ষেত্রবিশেষে ৭ থেকে ১০ পার্সেন্ট পর্যন্ত দাবি করে |
I applied from Sylhet, at first verification was at Sylhet (gave 500 BDT), then verified also my permanent address (Chandpur), and there took 500 BDT.
I was asked to pay BDT 2,000 through a middleman (dalal) for my passport renewal. Otherwise, my application was being refused without any valid or clear reason. After making the payment, the entire process was completed within approximately 20 minutes, and I received the expected service without any further issues.
পিবিআইতে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়। তদন্তে মিথ্যা প্রমাণ হওয়ার পরও পুলিশ ৩০০০ টাকা খরচ দাবি করে। না দেওয়ায় বারবার ফোন করে হয়রানি করে। অবশেষে দিতে বাধ্য হই।
কেরানীগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে আমার সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকা সত্ত্বেও যেই ব্যক্তি ছবি তুলেন তিনি আমাকে এটিকে দেন কারণ ছিল যে ইলেকট্রিসি বিল কার্ড এ আমার মায়ের নাম যা কোনও কারণ নয় ইলেকট্রিসিটি বিল ঠিকানা যাচাই এর জন্যে ছিল
২ টি নামজারীর জন্য ২০০০০ টাকা চেয়েছিল পরে১৬ ০০০টাকার বিনিময়ে করে দিয়েছে।
আমি অনলাইনে সরকারী ফি দেয়ার পরেও পর্চা উত্তোলনের সময় , প্রথমে কাগজ আসেনি বলে জানিয়ে দেয় । কিছু সময় পরে সেখানের লোক আমাদের কাছে প্রতি ডকুমেন্ট ১০০০ টাকা দাবি করে । আমি প্রত্যাখ্যান করি ।
একটা নামজারী আবেদন। কোম্পানীর নামে জমি ছিলো, সেটা আমি কিনে নিজের নামে নামজারী করাইতে পারছিলাম না। অবশেষে সার্ভেয়ার এবং অন্যান্য কর্মচারীদেরকে দেড় লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে নামজারীর কাজ করাইতে রাজী করিয়েছি।
৪৬ দিন থেকে ৫ বছরের মধ্যে সরকারী ফি ২৫ টাকা এই নিয়ে কথা বলার পরেও বাটা রেট ২৫০ টাকা দিতে হবে, তা না হলে নিজ উদ্যগে সার্ভারে আবেদন করে চেয়ারম্যানের কাছ থেকে সাইন করিয়ে নিতে বলে, এক কথাই। ইতিপুর্বে একই ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধনের জন্য ২০০ টাকা দিয়েছিলাম।
এপর্যন্ত স্কুল, কলেজে সার্টিফিকেট তুলতে গেলে শুনি চা-পানি নাকি পান এর টাকা দিতে হবে। এসব কি ঘুষ নয়! না দিলে ঝুলে থাকা।