এলজিইডি লাইসেন্স করোন
আমি লাইসেন্স টাকা মারতে গেলে বেশি টাকা দাবি ও যারা টাকা দেয় তাদের লাইসেন্স দ্রুত প্রদান করে
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি লাইসেন্স টাকা মারতে গেলে বেশি টাকা দাবি ও যারা টাকা দেয় তাদের লাইসেন্স দ্রুত প্রদান করে
আমাকে দান করেছে এমন জমির দলিল ঠিক করা এবং অন্যত্র বিক্রি করা সংক্রান্ত। ডাইরেক্ট চেয়ে(আরো বেশি চেয়েছিল) বসে ছিল যে, এটা দিতে হবে নয়তো কাজ হবে না!
I work and live in Saudi Arabia. my mother gifted a land to me and my sister. at the time application for mutation we found a document needs a correction in the name of my grandmother; and also need to correct the relation between grandmother and grandfather. for this purpose I had gone to probashi desk at Vedorgonj upozila land office and I met there the responsible staff — who checks papers and receives applications. at the time of submitting my application he told me that my file will not move without bribe and he demanded 30000 Taka from me. since I am a foreign expatriate and don't have enough time to run behind this, I gave him 6000 Taka as advance on 2 March 2026, but
পাসপোর্ট করার জন্য এনওসির প্রয়োজন ছিল । উপরি পাওনা দেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না!
গতবার যখন লাইসেন্সটা করেছিলাম তখন ৮০০০ বর্গফুটের লাইসেন্সের জন্য জমা ছিল ১০০০ টাকার সামান্য কিছু বেশি। কিন্তু আমাদেরকে ঘুষ সহ বাধ্য হয়ে আট হাজার টাকা প্রদান করতে হয়েছিল। এবার লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে বলে যে নতুন নিয়ম হয়েছে সব লাইসেন্সের ডিজিটাল করতে হবে । সেজন্য পুরাতন লাইসেন্স প্রথমে নবায়ন করতে হবে নবায়ন সেটা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়ে আবার ডিজিটাল লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। সব মিলিয়ে খরচ হবে ২৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে শুধু নতুন লাইসেন্সের জন্যই নাকি জমা দিতে হবে ১২০০০ টাকা। যদিও আমি এটা আপাতত মুলতুবি রেখেছি, কিন্তু ফ্যাক্টরি চালাতে হলে আমাকে লাইসেন্স নবায়ন করতেই হবে। এছাড়া ব্যাংকের ওডি কন্টিনিউ করতে হলে ফায়ার লাইসেন্স অবশ্যই নবায়ন করতে হবে। এখন কি করব বুঝতে পারছি না!
শিক্ষার আড়ালে আরেকটি বাজার রাজশাহী কলেজের সার্টিফিকেট উত্তোলন করতে দাঁড়ালে মনে হয়, শিক্ষা শেষ হলেও পরীক্ষা শেষ হয় না। সার্টিফিকেট, মার্কশিট, প্রশংসাপত্র কিংবা অন্য কোনো কাগজ প্রতিটি কাজের সঙ্গে যেন যুক্ত থাকে অদৃশ্য এক মূল্যতালিকা। কেউ টাকা দেয়, কেউ “নাশতা” করায়, কেউ “চা-খরচ” বলে মেনে নেয়। প্রশ্ন হলো, পুরো সেকশনের এই সংস্কৃতি কি সত্যিই ব্যক্তিগত অনিয়ম, নাকি দীর্ঘদিনে গড়ে ওঠা একটি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা? আরও বড় প্রশ্ন, প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এভাবে টাকা নেওয়া হলে বছরে মোট অঙ্কটা কত? সংশ্লিষ্ট এত মানুষজনই বা এই টাকার কত ভাগ করে নেন? হিসাব করলে কি অঙ্কটি কয়েক লাখ, কয়েক কোটি নাকি তারও বেশি? যদি সবই নিয়মসঙ্গত হয়, তবে প্রকাশ্য তালিকা ও হিসাব দিতে আপত্তি কোথায়?
আমার নানারবাড়ির সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা হচ্ছে। এর মধ্যে এক মামা ১বছর ধরে দেশে পড়ে আছে, উনি বর্তমানে অন্য দেশের নাগরিক। আর আরো দুই মামা মারা গিয়েছেন। যার কারনে উনি ছাড়া এই কাজ করার কেউ নাই। সম্পত্তি আমার সকল মামা-খালা ও তাদের ওয়ারিশ দের মধ্যে বন্টন করে সবার নামে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট প্রায় ৬মাস ঘুরানোর পর এই মাসে ১৫লাখ টাকায় তারা সব কাজ সম্পূর্ন করে দিতে রাজী হয়। যেহেতু নানার বাজারে বেশ কিছু দামী সম্পত্তি ছিলো এরিয়ার নাম উল্লেখ করলাম না, তার জন্য তারা এত বেশি পরিমান টাকা দাবি করে।
নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে আমার ছোট ভাইয়ের জন্য পাসপোর্ট করতে গিয়েছি, কাগজ পত্র সব কিছু ঠিক ছিলো তারপর ও বললো সমস্যা আছে হবে না, তারপর আমাকে বললো ৪০০০(চার হাজার টাকা) দিলে করে দিতে পারবো, পরে আমি বাধ্য হয়ে ৪০০০টাকা বেশি দিয়ে পাসপোর্ট করায়। একই কাগজ পত্র দিয়ে, মূল কথা হলো আমার কাছ থেকে ৪০০০টাকা ঘুষ নিয়েছে।
এখানে ট্রেড লাইসেন্স রিনিউয়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য ৫০০ টাকা করে নির্ধারিত দেওয়া লাগে এবং অনলাইনে পেমেন্ট করতে চাইলে বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখায়, টাকা তাদের কাছে ক্যাশ প্রদান করতে হবে সরাসরি পে করা যাবে না বিকাশ বা ব্যাংকের মাধ্যমে। ভাংতি অ্যামাউন্ট থাকলে সেটিও তারা ব্যাগ প্রদান করে না। একই সাথে অন্য ট্রেড লাইসেন্স মিরপুর সিটি কর্পোরেশন অফিস থেকে অনলাইনে পেমেন্ট করে শুধু প্রিন্ট করিয়ে নিয়েছি তারা কোন টাকা চায় না। এই সেকশনের সবাই জড়িত ওপেন সিক্রেট .এবং এটি ২০১৮ সাল থেকে, রিসেন্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং বর্তমান সরকারকালীন সময়েও একই রকম চলমান
ডেসকোর পল্লবী অফিসের মধ্যমে মাল্টিস্টোরেড ভবনে একটি নতুন ফ্ল্যাটের জন্য নতুন মিটারের অনুমোদন দিতে দালাল আশিকের মাধ্যমে ২০০০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়।যেটা ছিলো আগস্ট ২০২৬ শেষ দশকের ঘটনা।পরে একজর সরকারি কর্মকর্তার রেফারেন্স দিয়ে বিনা ঘুষে কাজ হয়।
বিষয়ঃ Bangladesh Digital Survey (B.D.S), বি.ডি.এস জরীপের নামে প্রকাশ্যে ঘুষ বাণিজ্য, এখানকার বহু জমি মালিকদের কাগজপত্র আপডেটেড থাকার পরেও (যাহা কিনা একধিক ভেন্ডার ও উকিল দিয়ে যাচাইয়ের পরে স্বীকৃত) উক্ত সাব অফিসের সকল কর্মকর্তা প্রত্তেকের থেকে টাকা দাবী করে, এবং ভয় দেখায় এই বলে যে-আপনার যায়গা খাস হয়েযাবে, ۱۰۰ বছর আগের হিন্দু মালিকরা মালিকানা লাভ করবে, ইত্যাদি, তাদের কথায় যা বোঝায় টাকা ছাড়া কেউ জরীপ করাতে পারবে না। আমার সুনেছি যাদের যায়গা বেশী তাদের কারো কাছে ۱۵ লক্ষ টাকা অবদি দাবী করেছে।
মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে টাকা ছাড়া এমপিও আবেদন রিজেক্ট করে দেন এবং ইএফটি বিল ও রিজেক্ট করে দেন টাকা না দিলে। এজন্য তার কথা মত যার কাছে যত টাকা চায় দিতে হয়।
এমপিও ফাইল পাঠানোর জন্য, ইএফটি বিল সাবমিট এর জন্য খাম দিতে হবে খুশিমনে শিক্ষা অফিসারকে; উনি নিজই খাম নেন এবং জিজ্ঞেস করেন এই টাকাটা তাকে খুশিমনে দেওয়া হয়েছে কিনা।
এমপিও ও বিল করে দেওয়ার বিনিময়ে টাকা চেয়েছে প্রধান শিক্ষক, টাকা দিবো বলে কাজ করিয়ে নিয়েছি। এখন টাকা চাচ্ছে; কিন্তু আমি দিবো না এক টাকা ও। যদিও আমার অনেক কাগজ তার কাছে আটকে আছে। এরা অনেক জঘন্য ও নিলজ্জ।
If you want to registry any Dolil for sale , they will refuse you . Ei jayga registry hobe na. Karon modhumotir name case ase. But amar jayga Modhu motir outside. Then they will ask for, it will possible but sir k manage korte hobe . Then 3-5 lac taka lagbe . That’s their policy.
বিল করে দেওয়ার পর টাকাটা সে গিফট হিসেবে চাচ্ছিলো এবং বারবার বিরক্ত করছিলো। পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে দিয়েছি বিরক্ত হয়ে।
প্রধান শিক্ষক উচ্চতর গ্রেড এর আবেদন এ স্বাক্ষর করবেন, তাই চা-পানির টাকা নেয়েছেন।
পাসপোর্ট করতে গেলে যদি কোন ভুলত্রুটি কিংবা কোন একটা কাগজ কম থাকে অথবা সে ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ করতে পারে না কিন্তু একই কাগজপত্র দিয়ে দোকানদারের ফোন কল কিংবা দালালদের মাধ্যমে কাজ করলে খুব সহজেই কাজ করা যাচ্ছে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে সরাসরি পাসপোর্ট এর লোকজন জড়িত। আমার পরিচয়পত্র অনলাইন টা ছিল না, তার জন্য আমার কাছ থেকে পরে এসে টাকা ভরতি চায় এবং তারা ম্যানেজ করে দিতে চেয়েছিল। ব্যাপারটা তাদের একটা ফোন কলের মাধ্যমে সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির মধ্যে আছে। আরো বিভিন্ন ধরনের সমস্যা আছে তবে আমার ক্ষেত্রেই একটা ঘটেছে। সংক্ষিপ্তভাবে বলতে গেলে টাকার মাধ্যমে সহজ হচ্ছে তবে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে।
স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল তাদের মাসিক বেতন বিল করিয়ে দেবার জন্য টাকা দাবী করে প্রত্যেক এমপ্লি দের থেকে । প্রতিষ্ঠানের নামঃ পশ্চিম ছিটকি স্কুল এন্ড কলেজ অধ্যক্ষের নামঃ — এ ছাড়াও কয়েক মাসের বেতন যাকে এরিয়ার বিল বলে সেই টাকা প্রাপ্তির জন্য ও উনি টাকা খেয়েছে । প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য অনেক বিল উনি মেরে দিয়েছেন । চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী নিয়োগের জন্য ۲۰ লাখ টাকা উতকচ গ্রহন করেছেন + নিজে রাতের আধারে প্রিন্সিপাল হবার জন্য ۱۵ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছেন
আমার পাসপোর্ট এর সব ঠিক আছে এবং যথাযথ ভাবে সব কাগজ দেওয়ার পরও আমাকে ۳ দিন ধরে ঘুরায়। কারণ একেকবার একেক কাগজ এর ভুল ধরে যদিও ভুল না। আমার আগের পাসপোর্ট আছে সেইটার সাথে সব মিল আছে কিন্তু উনাদের একেকবার একেক কাগজের অরিজিনাল ডকুমেন্ট লাগবে। কখন ও একবারে বলে না। ۳ দিন ۳ কাগজ নিয়েছি তারপর ও তাদের ভুল ধরা শেষ হয় না। এক পর্যায়ে বিরক্ত হয়ে যাই উনারা আরেক রুমে পাঠায় সেইটাতে কাগজ দেখে আবার ও সেম কথা নিয়ে আসেন বা পুনরায় আবেদন করেন। এখন আমি যে অনলাইনে টাকা দিয়েছি সেইটার কি হবে জিজ্ঞাস করতে বলে যে সেইটা বাতিল। এক পর্যায়ে বিরক্ত হয়ে ওখানের এক দালাল এর সন্ধান পাইছি ۵۰۰۰ টাকা চায়। আমি ۲۰۰۰ টাকা দিয়েছি সাথে সাথে আমার সব কাজ কমপ্লিট।