সিভিল সার্জন এর ফিটনেস সার্টিফিকেট
কাজ করে দেওয়ার জন্য হালকা চা পানি খাওয়ার টাকা চাওয়া হয়েছিল।
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
কাজ করে দেওয়ার জন্য হালকা চা পানি খাওয়ার টাকা চাওয়া হয়েছিল।
Amar dadar jomi 5 bigha, dadar kas theke amar soto kaka tip soi die registry kore nise,, ete vumi office er registry ra ghush khai e registry korte help korese,, erpor kaka kaki mil e dada ke mere felese,, now amra case koresi jomir prapto dabi kore,, but ukil ra ghush kahi e date pisatei ace aj 2 bosor dhore..taka sara kono ukil kaj kore na,, onek ukil both side thekei taka khai... jani na ei jomir mamla konodin sesh hobe kina...jibon tai akdin sesh hoe jabe but jomir mamla konodin sesh hobe na hoito e kemon Bangladesh....(Jhenaidah, Khulan, — anyone can help me)
রংপুর থেকে জিনিসপত্র নিয়ে পঞ্চগড় যেতে BRTC তে উঠেছি। ৩টা বস্তা, একটা হ্যান্ডব্যাগ আর চেয়ার ছিলো— ওজন ১৫ কেজির মতো হবে। একটা লকারের পুরোটাই লেগেছে তবে বাকিদের জিনিসপত্র নিতে সমস্যা হয়নি। মালগুলো লকারে তুলে দিতে ২০ টাকা নিলেন লাল জামা পড়া বৃদ্ধ, পৌঁছানোর পর মালগুলো বের করার সময় ১৫০ টাকা চাইলো সুপারভাইজার; টাকা দিতে না চাইলে লকার বন্ধ করে রাখে দেয়, বাধ্য হয়ে ১০০ টাকা দিলাম— এর আগে ২/৩ বস্তা মাল রংপুর থেকে বোদায় পাঠাইতে ২৫০ টাকা চাইসে BRTC, লিগ্যাল ভাড়া ২৫০ টাকা যেখানে। পরে রাগ ধরে মাল নামাইতে বললাম— ২০০ টাকা চাইলো, উপায় না পেয়ে ২০০ দিয়ে চলে আসি
আমার ওয়াইফের জাতীয় পরিচয়পত্র বানানোর জন্য স্থানীয় নির্বাচন অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যায়। তারা কাগজপত্র চেক দিয়ে বলেন সব পেপার ঠিক আছে, পরবর্তীতে ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ছবি তোলার ডেট জানানো হবে। তাদেরকে রিকুয়েষ্ট করি সেইদিনই ছবি উঠানোর জন্য এবং আরও বলি সরকারি চাকরি করি তাই জেলার বাইরের কর্মস্থল থেকে পূণরায় যাওয়া কষ্টসাধ্য ব্যাপার হবে। তখন তারা আমার কাছে ১৫০০ টাকা দাবি করে। আমি বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা প্রদান করি। অতপর তারা সেদিনই আমার কাজটি করে দেয়।
Bokeya beton bill joma deoar por upazila hishab rokkhon office theke bola hoy bokeya bill dite gele 8,000 taka dite hobe... amar total bill chilo 64,624 taka.. Bandar upazila hishab rokkhon office ghush er taka chara 1 ta kaj o hoy na... 1 tao na...
যে কোন ফাইল পাশ করাতে টাকা দিতে হবে। এ ছাড়া কর্মকর্তারা প্রজেক্ট ভিজিট করলেই 10000-20000 টাকা, পরিবারসহ সকলের ভিজিট খরচ, গাড়ি ভাড়া, গিফট ইত্যাদি দিতে হয়।
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সার্টিফিকেট আনতে যাই পরে একজনকে দেখি ট্রেড লাইসেন্স নিচ্ছেন পরে উনি বলেছেন অফিস সহকারিকে। যে সরকারি ফিস তো 500 টাকা 600 টাকা কেন নিচ্ছেন পরে অফিস সহকর্মী বলেন এটা সচিব এর অডার পরে লোকটি 600 টাকা দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স নিচ্ছেন। পরে আমি সার্টিফিকেট নিয়েছিলাম 600 টাকা দিয়ে যার সরকারি ফিস 500 টাকা। এটা Rupganj ar akti union office a
ডিসিআর এ লিখছে ১৭০০ টাকা কিন্তু আমাকে পরিশোধ করতে হয়েছিল ২৪০০০ টাকা। আমাকে টাকা আগে পরিশোধ করতে হয়েছিল এবং প্রায় দুই মাস পর আমার কাজটি করে দেয়। আজ না কাল আসুন এইভাবে দীর্ঘদিন পর গিয়ে কাজটা করে দেয়।
রেললাইন যাওয়ার ডিপ এর লাইসেন্স নবায়ন করতে হতো। এই জন্য শেরপুর এর সেই নলকূপ অফিসে গিয়েছিলাম। অফিসার ঘুষ নেয় নি, উনি অফিসে কম আসে। ঘুষ নিয়েছে তার অফিসে যে এসব দেখাশোনা করে সে, মেবি অফিস সহায়ক।
খতিয়ান এ যার নাম দেওয়া আছে তিনি মৃত এবং তার এক ছেলে ওয়ারিশ রেখে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। খতিয়ান এ মালিক এর নামের সাথে তার রেখে যাওয়া ওয়ারিশ এর এনআইডি কার্ডে উল্লেখিত মালিকের নামের ভিন্নতা আছে। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একই নামের প্রত্যয়নপত্র নেওয়া হয়েছে, তারপরেও ঘুষ দাবি করেছে । ঘুষ না দিলে দলিলে স্বাক্ষর করবে না এমন কথা বলেছে। পরবর্তীতে আমি ৳১০০০ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই। এছাড়াও দলিল এ ছিল ও অন্যান্য স্বাক্ষর এর জন্য ৳৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। এবং দলিল লেখক, ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ের জমি দলিল করার জন্য সাব-কবলা দলিল এর জন্য ৳২০০০০০ লক্ষ টাকায় ক্রয়কৃত ২.৭৫ শতাংশ জমির জন্য সরকারি ফি/চালান এর কথা বলে ৳১৮০০০ টাকা নিয়েছিল। এছাড়াও অন্যান্য ভুয়া সার্ভিস এর কথা বলে অতিরিক্ত ৳৩৫০০ টাকা নেয়।
আমার ৩ শতাংশ জায়গা খারিজ করার জন্য ৩০ হাজার টাকা দাবি করেছে। গোপালপুর পৌর ভূমি অফিসের নায়েব।
ফোন পেয়ে বন্দর বাজার পুলিশ ফাড়িতে উপস্থিত হই। অফিসার দাবি করেন ২ হাজার দিতে হবে (বুঝতেই পারছেন) হুজুর মানুষ কম বললাম। যদি বাড়ি যেতাম তখন খরচা হতো, বেতন পাইনি নানান বাহানা করে ১০০০ দিয়ে আমার শালার পাসপোর্ট টা ভেরিফিকেশন করি।
আউটসোর্সিং এ ৬০জনের নিয়োগে জনপ্রতি পঞ্চাশ হাজার টাকা করে চাওয়া হয়েছিল,
আমি জানি জমি নাম জারি করার জন্য সরকারি ফি ১১৬০ টাকা , তবে আমার কাছে দাবি করে ৭০০০ হাজার টাকা আমি প্রত্যাখান করেছি।”
৩০ বছর ধরে চাকরি করে অবসর এর টাকা পাওয়া যায় না , ৩ বছর ধরে অপেক্ষা এখনও পাওয়া যায় না , এক কর্মকর্তা বলে পাইয়ে দিবে
সকাল ১১ টার পর কমপক্ষে ১০০ টাকা ঘুষ না দিলে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসিজি করানো হয় না।
আমার আম্মুর পাসপোর্ট করার জন্য পুলিশ স্টেশনে যাই পুলিশ ভেরিফিকেশন করার জন্য নির্ধারিত পুলিশ সদস্য উনি আমার আম্মুর কাগজপত্র দেখে বলে এখানে নামে ভুল আছে ওইখানে ভুল আছে যখন বুঝলাম যে টাকার জন্য এরকম করতেছে তখন ৫০০ টাকা দেওয়াতে বলে এখন সব ঠিক আছে বাসায় চলে যান সব ঠিক হয়ে যাবে।
৮ নং রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদ, পীরগঞ্জ রংপুর জান নিবন্ধন অনলাইন করতে গেছিলাম ১০০০ টাকার বেশি দাবি করে বসে আমি অবশ্যই পরিশোধ করছি তারপর আমার কাজটা করে দিছে আবার তাও ১০-১৫ দিন অনেক ঘোরানোর পর
দৌলতখান পৌরসভা থেকে নাগরিক সনদ গ্রহন প্রাক্কালে — নামে একজন স্টাপ দৌলতখান পৌরসভার এই টাকা দাবী করে। টাকা পরিষদ না করলে সনদ দিবে না। বলা হয়েছিলো কিছু খরচ আছে। রশিদ ছারা ২০০ টাকা দিতে বাধ্য হলাম।
everything happened through a syndicate adopted by Jashore Municipality .over the year its sarveyor , engineer along with local fire office has created a eco system where you cant pass your house plan without a payout .some times they will ask for certain plans that needs files from their desincated people who will ask random amount just for the sake of smooth processing .specially the so called fire plan .then NOC of Municipality is other point. Even Jashore DC office officials also are now involved in this events .for this harassment, now the local engineers community bare submit plans for approval anymore .