Namjari
I was bound to pay otherwise they wouldn’t give me namjari
19,197 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
I was bound to pay otherwise they wouldn’t give me namjari
2024 সালে SSC ব্যাবহারিক খাতায় স্বাক্ষরের জন্য স্কুল কর্তৃক ৫০০ টাকা, SSC পরবর্তী মার্কশিট উত্তোলনে স্কুলে ৩০০ টাকা, আবার সার্টিফিকেট উত্তোলনে ৩০০ টাকা প্রদান করতে হয়েছে! অথচ ফরম পূরণের অফিশিয়াল টাকা জমা দেওয়ার পরেই প্র্যাকটিক্যালের খরচ, মার্কশিট উত্তোলন, সার্টিফিকেট ফিসহ সকল খরচ অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। হাইকোর্টের ঐতিহাসিক আদেশ (২০১৪ & ২০১৫): ২০১৪ সালের নভেম্বরে হাইকোর্ট এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় কেন অবৈধ হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে হাইকোর্ট ঢাকা অঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোকে এসএসসি পরীক্ষার নামে নেওয়া অতিরিক্ত অর্থ শিক্ষার্থীদের ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন। অথচ এক যুগ পরেও ৯৯.৫% স্কুলে একই গতিতে চলছে ঘুষের আদান প্রদান!
একটা নামজারি করতে হলে ভূমি অফিসে দিতে হয় ১৭৫০ ac-land অফিস দিতে হয় ৬৫৫০ ,আর যদি একটু সমেস্যা থাকে তাহলে কোন কথা নাই, যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে ফাইল পাস হয় না, যদি ও সব ঠিক থাকে, উপজেলা দোহার
নামজারি করার পর DCR ফি দিয়ে খাজনা দিতে ভূমি অফিসে গেলে আমার নতুন খতিয়ানে ৭,৮০০ টাকা খাজনা বসিয়ে দেওয়া হয়। অথচ যে কয়টি দাগ থেকে জমি নামজারি করেছি, সেগুলোর আগের সব খতিয়ান মিলিয়ে খাজনা ৪০০ টাকারও কম হওয়ার কথা। বিষয়টি নিয়ে খোঁজ করে জানতে পারলাম, বেশি খাজনা হলে আবেদন করে সংশোধন করা যায়। তখন ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা আমাকে বললেন, ৪,০০০ টাকা দিলে তিনি কাজটি করে দেবেন এবং কাউকে না বলতে বলেন। আমি রাজি হলে তিনি কাজটি করে দেন। পরে খাজনার রশিদে দেখি, আসল খাজনা মাত্র ৩৫০ টাকা! ৩৫০ টাকার খাজনা প্রথমে ৭,৮০০ টাকা বসানো হলো, আর সেটা ঠিক করে দেওয়ার জন্য আমাকে ৪,০০০ টাকা দিতে হল
নতুন পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন করলে তখন পুলিশ ভেরিফিকেশন সচল ছিল। এতে করে বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা যাচাই এর জন্য ১০০০ টাকা দিতে হয়েছিল নয়তো দেরি করতো!
জরুরী হিসেবে করতে দিলে আমার নিকট ৭০০০ টাকা দাবি করলেও পরে ৫০০০ টাকা দিয়ে কাজ করতে বাধ্য হয়েছিলাম।
ফায়ার লাইসেন্স নবায়নের জন্য সরাসরি ২ লাখ টাকা দাবী করে। ৫ টি প্রতিষ্ঠানের জন্য।
দিনাজপুর জেলা পুলিশ লাইনে মেজর অফিসে কর্মরত মেজর ও কনস্টেবল — আমার নিকট ৩০০০ টাকা ডিউটি না দিয়ে হাজির রাখার শর্তে দাবি করেন যা আমি প্রত্যাখাত করি। প্রত্যাখ্যাত করার কারনে তাহারা আমার প্রতি ক্ষুদ্ধ হয়ে আমাকে দিনাজপুর ট্রাফিকে ফ্রেষনে প্রেরন করেন। আমি টাকা না দেওয়ার কারনে আমার প্রতি যে অন্যায় করা হয়েছে আমি তাহার সুষ্ঠ বিচার প্রার্থনা করছি।
আমি একজন বেকার, আমার ট্রাক্স দেওয়ার মত ইনকাম নেই। আমি ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে জিরো ট্যাক্স ফাইল করেছিলাম তাহার সকল প্রমান দাখিল করা হয়েছিল।এরপরেও তারা আমাকে নোটিশ করে টাকা চাই বলে যে সরকারি খাতে জমা দিলে ১০৮০০ টাকা দিতে হবে আর যদি তাদের ৮০০০ টাকা দিই তাহলে তারা সব কিছু ঠিক করে দিবে। আমার কাছে ভিডিও ফুটেজ আছে। আমার মত আরও অনেকের কাছ থেকে নোটিশ করে টাকা চাওয়া হচ্ছে, আমি অফিসে উপস্থিত থাকাকালীন অনেক অনেককে দেখেছি চা নাস্তা খাওয়ার কথা বলে, অফিস খরচের কথা বলে টাকা দাবি করা হচ্ছে।
দিনাজপুর জেলা পুলিশ লাইনের মেজর অফিসে কর্মরত ২০১৮ সালের চাকুরীতে যোগদান কনস্টেবল/ — আমার নিকট ৩০০০ টাকা দাবি করেন রেষ্ট প্রদান করাইয়া কোনো ডিউটি না দেয়ার কথা বলে। পরবর্তীতে আমি তাকে কোন টাকা দিবনা বলিলে তার ১ দিন পর আমাকে ট্রাফিক অফিসে ফ্রেষনে পাঠায়। বর্তমানে দিনাজপুর জেলা পুলিশ লাইনে টাকার বিনিময়ে সকল কার্যক্রম চলে।
আমি অনলাইনে ভূমির নামজারির জন্য একটি আবেদন করেছিলাম প্রায় ৩ মাস আবেদনটি ঝুলে থেকে নামঞ্জুর হয়। পরবর্তীতে আমি আটঘরিয়া থানার দেবোত্তর এসি ল্যান্ড অফিসে যোগাযোগ করলে ওখানকার অফিস সহায়ক বলে আপনি আমাদের সাথে যোগাযোগ করেননি তাই আবেদনটি আমি বাতিল করে দিয়েছি। উনি আমাকে বলেন যে আপনি আবার আবেদন করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। পরবর্তীতে আমি আবার ৩টি দলিলের নামজারির জন্য আবেদন করে ওনার সাথে দেখা করি,উনি দলিল প্রতি ১০০০ ( একহাজার টাকা) দাবি করেন পরে আমি বাধ্য হয়েই ৩ টা দলিলের জন্য ৩০০০ টাকা দিয়ে দেই। ওনাকে ৩০০০ টাকা দেওয়ার পরে উনি বললো আমি ডকুমেন্টস গুলো তদন্তের জন্য ভূমি অফিস (চাঁদভা ভূমি অফিস) পাঠিয়ে দিচ্ছি আপনি ভূমি অফিস গিয়ে খসরা খতিয়ান নিয়ে আসেন আমি approve করে দিবো। ওখানে গেলে আরও ৩০০০৳
জমির নামজারির আবেদন নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার আকবরপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারির আবেদন জমা করার সময় ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ও পিয়ন কর্তৃক খরচের নামে টাকা দাবি করেন প্রতিটি নামজারির আবেদন জমা দিতে গেলেই টাকা দাবি করা হয়। যদি টাকা দেওয়া না হয় তাহলে যেকোনো একটি ছোট্ট করনিক ভুল বের করে পুনরায় সংশোধন করে জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়।
আসকে যেই ঘটনা টি আামার সাথে ঘটেছে Sirajganj passport office এর ভিতরে কাগজ জমা দিগে গিয়ে ভুল না থাকার পরেও ভুল রলো এবং আামার fingerprints face scan ও করে রিযেক্ট করলো তখনি থাকা এক দল দালাল চক্র আামাকে বল্লো কি হয়েছে আমি বল্ল্াম এই এই ঘটনা সে সাথে সাথে ভিতরে থাকা ম্যানেজার কে কল করলো সে বল্লো এইবার তুমি যা বলবে তাই করবে তারা এই এই এতো টাকা লাগবে আমি ডুকলাম ২য় বারের মতো এইবার আামার কোন কাগজ ঠিকভাবে না দেখেই বল্ল অল ওকে এবং Fingerprints o cace scan আগের টা রিমুভ করে নতুন করে করলো এবং কাগজ পেলাম । এইরকম scam খেকে আনাদের বাচান সুধু আামার না ভিতরে থাকা ৯৫% লোকেরই একই আবস্থা অন্যদের কাছে থেকে আারও অনেক টাকার দাবি করেছে
৩০০০টাকা ছাড়া পাশ করায় না তারা।আমারে ফেল করাইছে। টাকার জন্য
2024 shale 3 ta jomir mutation er jonno 30000 taka chaise. mutation kore dewar pore 30000 taka niyeche.
হোল্ডিং ট্যাক্স এর ফাইল ওপেন এবং কর নির্ধারনের জন্য ৮ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়।পরে ৫ হাজার টাকায় রাজি হয়
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গ্রাম থেকে যারা যায় তারা ভর্তি হতে গেলে হাজার হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় এবং বিভিন্ন সেবা পেতে ঘুষ দিতে হয়
ওয়ারিশ সাটিফিকেট, সরাসরি 10000 টাকা চাওয়া হয়েছে।না দেওয়াতে নানান অজুহাত দেখিয়ে ৩৮ দিন ঘোরার পর আজ ৬৫০০ টাকা দিয়ে চুক্তি সম্পোর্ন লরা হয়।
আমি পাসপোর্ট আবেদন করতে যাই। সকল ডকুমেন্টস সব ঠিক ঠাক নিয়ে। কিন্তু সকাল ১০:২০ থেকে দুপুর ১২:৩৫ পর্যন্ত ৪ বার এই কক্ষ ঐ কক্ষ এমন করে। এবং আমাকে দিয়ে তাদের নিজস্ব দেখিয়ে দেওয়া কম্পিউটার দোকান থেকে নতুন করে আইডি কার্ড প্রিন্ট এবং লেমিটিং করতে বাধ্য করে৷ পরে নানাবিধ কারন দেখিয়ে ঐ দোকানে ৩ বার পাঠায়। ৪ বারের সময় দোকানী নিজ থেকেই বলে কেন পাঠাচ্ছে এতবার জানেন না? পরে বললে আমার পাসপোর্ট আবেদন এর সাথে ২৫০০ টাকা এড করলেই আবেদন গ্রহন হবে। তার সত্যতার জন্য আরো কয়েকজনকে এমনটা করতে দেখি। যেহেতু আমার পাসপোর্ট করা প্রয়োজন তাই আমি ও রাজি হই এবং দোকানি শুধু আমার আবেদন কপির মধ্যে তাদের নিজস্ব একটা কোডওয়ার্ড লিখে দেয়৷ যা ছিল Km-21@mail-M এটা নিয়ে যাওয়ার পরে যেই অফিসার ৪ বার রিজেক্ট করে সে আগ্রহ নিয়েই গ্রহন করে
ফ্ল্যাটের নামজারির জন্য ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হয় এবং আমি তা পরিশোধ করতে বাধ্য হই