নামজারি
অন্যায় ভাবে বেশি ভূমি উন্নয়ন কর ধার্য করেন যা কমাতে এই ঘুষ দাবি করেন
18,943 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
অন্যায় ভাবে বেশি ভূমি উন্নয়ন কর ধার্য করেন যা কমাতে এই ঘুষ দাবি করেন
আমি হয়তো দেই নাই তাই আমার কাজ ও হয় নাই অনেক মানুষ দিয়ে তাদের কাজ করিয়ে নিচ্ছে
জমি বিক্রির জন্য বিক্রেতার কাছ থেকে ১০০০০ টাকা অতিরিক্ত অর্থ নিয়েছে।
আমরা নিজেরা নতুন চাকরির পে-ফিক্সশন করলে অযথা ভুল ধরত, যার জন্য ঐখানে আউটসোর্সিং এ চাকরিরত একজন টাকা দাবি করে এবং নেয়
নতুন ফ্যাক্টরি স্থাপনের জন্য সার্টিফিকেট আনতে যাই। যেখানে সরকারি হিসেবে ২৪০০০/২৫০০০ টাকা জমা দেয়া লাগার কথা। ইন্সপেক্টর, যিনি মূলত মাঠপর্যায়ে দেখে পারমিশন ওকে করেন, তিনি ২৫০০০ টাকার বিপরীতে ৬০০০০ টাকা দাবী করেন যেখানে ৫০০০০ টাকায় শেষ অব্দি লাইসেন্স পাই।
জ্বালানি খাতের প্রতিষ্ঠান কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি (মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র) তাদের তালিকাভুক্ত প্রতিটি সি এন্ড এফ থেকে ৮ লাখ টাকা বিলের কারচুপি মাধ্যমে আদায় করেছে।(সব এভিডেন্স আছে). হিসাব করলে দেখা যায় বছরে প্রায় দুই কোটি টাকার মত আত্মসাৎ হয়। তারা বিল দিতে বলে ০.২৫% দিয়ে, কিন্তু বিল দেয় ০.১৭%.আর গুলো তারা নিজেরা আত্মসাৎ করে. এগুলোর পরিমাণ ৮ লাখ টাকা পার বিল। অভিযুক্তরা হলেন : —, —,— ও —। পুরো ম্যানেজমেন্ট কমিটি জড়িত। পুরো ম্যানেজমেন্ট কমিটি চেঞ্জ না হলেও শাস্তির আওতায় না আসলে এই খাতে দুর্নীতি কমবে না। আরো অনেক দুর্নীতি চলছে ওখানে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের অরাজকতার আসল কারণ তারা।
প্রশাসন ক্যাডারদের বিভিন্ন মিটিং এর সম্মানী দিতে মন্ত্রণালয় এ যাওয়ার প্রয়োজন হয়। কিন্তু মন্ত্রণালয়ে ঢুকতে পাশ লাগে বিধায় সংশ্লিষ্ট অফিসার একজন পিওন কে পাঠায়। পিওন এসে বলে ওকে ও সম্মানী দিতে হলে না হলে ও কাগজ নিয়ে সাইন এনে দিবে না। আমি প্রত্যাখ্যান করেছি।
আমার বাড়ি রংপুর। চাকরির সুবাদে চট্টগ্রাম থাকি ৫ বছর ধরে। পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়ায় অনলাইনে রিনিউর আবেদন করে অনলাইনে পেমেন্ট করি। কাগজ জমা দিতে গেলে তারা আমাকে বলে রংপুরের বাসিন্দাকে রংপুরেই আবেদন করতে হবে। অথচ এমন কোন নিয়ম নাই। প্রত্যেক ব্যক্তি বর্তমান ঠিকানায় আবেদন করতে পারবে। পাসপোর্ট অফিস থেকে যখন বের হতে চাইলাম দেখি গেটের আনসার কর্মি মানুষকে হেল্প করছে, আমিও দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলাম কোন উপায় আছে কি না? আনছার আমাকে বললো ২৫০০ টাকা লাগবে, তাহলে হয়ে যাবে, আমি টাকা না দিয়ে বের হলাম। পরে পাসপোর্ট হটলাইনে অভিযোগ করলাম, তারা আমাকে বললো এমন কোন নিয়ম নাই যে আবেদনকারীর স্থায়ী ঠিকানায় আবেদন করতে হবে। পরে আবার গেলাম সরাসরি এডির রুমে, তিনি সাফ জানায় দিলেন তিনি আমাকে চেনেন না, তাই হেল্প করবেন না। চাদগাও
জমি রেজিস্ট্রির জন্য গিয়েছিলাম। সাব রেজিস্ট্রার আমার এক বন্ধুর পরিচিত ছিলো। ভেবেছিলাম বিনা ঘুষে জমি রেজিস্ট্রি করতে পারবো। কিন্তু সেখানে নানা ফাদ। অফিস খরচের নামে ২৫০০ টাকা, সমিতির নামে ২৫০০ টাকা। ওখানকার মুহুরিরা সরাসরি এর সাথে জড়িত। সাথে স্থানীয় সিন্ডিকেট।
মুলফি 1700 টাকা আমাদের কাছ থেকে নেয়াা হায় নেওয়া হয় ৫৫০০ টাকা
ডেইলি কাজগুলোর মধ্যে প্রতিটি কাজে ঘুষ নির্ধারণ করা হয়েছে,একই নামের প্রত্যয়ন পত্র-(৫০০০-১০০০০) বন্টন নামা দলিলে বিভিন্ন রেঞ্জে -(১০,০০০-১,০০,০০০) মর্গেজ দলিলে বিভিন্ন রেঞ্জে- -(১০,০০০-১,০০,০০০). দলিলের নকল থেকে কমিশন-৫০০/- দলিলের ফিস থেকে কমিশন-২০০- ----------------------------------------- দৈনিক ঘুষের পরিমাণ সব মিলিয়ে পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা, যাহা মাসে কুটি টাকার উপরে,,,,,,,,
চরফ্যাশন থানার বকশী কাছে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট করার জন্য গেলে ভোলা থেকে করিয়ে দেবে। ৭০০০ টাকা লাগবে এর মধ্যে তার নাকি ৫০০ টাকা থাকবে। আর না হয় আপনি ভোলা থেকে অনলাইন করিয়ে আনেন আমাদের এখানে ৫০০০ টাকা লাগবে। ভোলাতেই আপনি গেলেঅনলাইন করতে পাঁচ হাজার টাকা লাগবে পরিচিত থাকলে কমিয়ে করাতে পারলে সেখান থেকে অনলাইন করিয়ে আনেন। সময় কম থাকার কারণে সাড়ে ছয় হাজার টাকা দিয়ে করেছি।
আমার বাবার ব্যাংক লোন দায়মুক্তির জন্য ৮০০০/- ঘুষ দিতে হয়েছে চৌমুহনী সাব রেজিস্ট্রারকে। আমরা নিরুপায় ছিলাম। এদেশের গণতান্ত্রিক সিস্টেমকে আমি ঘৃণা করি।
যাদের মাস্টার্স এ প্রথম শ্রেণি আছে তারা ২ টি Advance increment পাবে বলে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় মাউশি থেকে। গেজেট তালিকায় নিজেদের নাম প্রকাশ করতে মাউশিকে ১ম ধাপে দিতে হয়েছিল ১৩×৫= ৬৫ হাজার টাকা। এরপর বাজেট নেওয়ার জন্য মাউশিকে ২য় ধাপে দিতে হয়েছিল ১৫০০০ টাকা নাস্তা বাবদ। এর পর Account office - Lalmonirhat বিল ছাড় দিতে দাবী করে ৯০০০০ টাকা। তবে শেষ পর্যন্ত ৭০,০০০ টাকায় তারা রাজি হয়। উল্লেখ্য আমরা ১৩ জন শিক্ষক মিলে এই অর্থ প্রদান করি। উল্লেখ্য যে ৪২০০০ টাকা পেতে আমার ব্যক্তিগত খরচ হয়েছিল ১০০০০ + টাকা
125 সিসি ডিসকাভার মোটরসাইকেল। লাইসেন করতে ১৪৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে।
Amr bike a lokking glusse na thakai, police amke mamla dite cai tar por ami bolse deya dan kintu she amke bole apni amke 1500 taka dan ami mamla dibo na ami kono upay na paya deya cole ase
অযৌক্তিক ভুল ধরে,বলে যে আরো ২ দিন পরে আসেন।নির্দিষ্ট দিন আসার পর সারা দিন বসে রাখেছে।
আমি প্রথমে ভূমি অফিসে যাই নামজারী করার জন্য, একজন ভূমি কর্মকর্তা আমার কাছে ৬ হাজার টাকা চাইল। টাকা না দিলে নামজারী হবে না। আমাকে অনেক ভয়ভীতি প্রদর্শন করল। আমি চিন্তা করলাম মাত্র ৬ হাজার টাকার জন্য আমার ১৬ লাখ টাকার জমি বিক্রি করতে পারছি না। বাধ্য হয়ে রাজি হইলাম। সে কর্মকর্তা ১ হাজার টাকা নগদ চাইল, দিলাম। বাকিটা কাজ হবার পর কিন্তু কাজ আর হইল না। পরে আমি ২০২৫ সালে অনলাইন আবেদন করেছিলাম, আবেদন ক্যান্সেল করে দিসে। আবার ২০২৬ সালে ভূমি অফিসে যাই, এবার অন্য কর্মকর্তা ৭ হাজার টাকা চাইল। ইনিও আগের মতই ভয়ভীতি প্রদর্শন করলেন। বাধ্য হয়েই টাকা দিই। এবার নামজারী হয়ে গেল। সরকারি অফিস মানেই টাকা কামানোর জাদুকরী ম্যাশিন।
আমার বাবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। চাকরি শেষ করে পেনশন চালু করতে ১০০০০০ টাকা দাবি চরফ্যাশন উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর
নতুন ফ্যাক্টরি স্থাপনের জন্য সার্টিফিকেট আনতে গেলে ১২০০ টাকা সরকারি ফান্ডে জমা দেয়ার বিপরীতে ২০০০০ টাকা দাবী করেন, সম্ভবত ১৮০০০ টাকা দেয়া লাগছিলো। পরের বছর রিনিউ করতে ২০০ না ৫০০ না ১০০০ টাকার বিপরীতে ৫০০০ টাকা আদায় করেন, এবং সরকারি কোথায় কোন তথ্য পাওয়া যাবে নিজে টাকা জমাদান করলে, এমন কোন তথ্য দিয়ে হেল্প করেননি।