ড্রাইভিং লাইসেন্স
ফিঙ্গার প্রিন্ট নেওয়ার সময়
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ফিঙ্গার প্রিন্ট নেওয়ার সময়
সোনামসজিদ স্থল কাস্টমস স্টেশন এ একটি ফুড সাপ্লিমেন্ট এর পণ্য চালান ছাড় করতে আমার কাছে ততকালীন ডিসি — আমার কাছে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করেন। না দেওয়াতে আমার চালান ৪মাস আটকে রাখে পরবর্তীতে নতুন সহকারী কমিশনার মহোদয় সানুগ্রহে চালান খালাস করি।
এলিভেটেড এ ওঠার পর দেখতে পাই টায়ার পাংচার হয়ে গেছে একটি সাইডে রেখে স্পেয়ার টায়ার লাগিয়ে চলে যাওয়ার সময় ট্রাফিক সার্জন্ট আমাকে হেল্প করার পরিবর্তে গাড়ির কাগজ নিয়ে মামলার ভয় দেখিয়ে ৮৫০০ টাকা দাবি করেন আধা ঘন্টা অনুরোধে ৫০০ টাকার বিনিময়ে কাগজ পেয়ে চলে আসি।
আয়কর অফিস আমার ফাইলটি বিশেষভাবে (ম্যানুয়ালি) বাছাই করে এবং আমার সম্পত্তি সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য একজন পরিদর্শককে পাঠায়। ওই পরিদর্শক আমাকে হুমকি দেন যে, ৫০ হাজার টাকা না দিলে তিনি নেতিবাচক প্রতিবেদন জমা দেবেন; শেষ পর্যন্ত তিনি ঘুষ হিসেবে ৫০ হাজার টাকা নেন। এখন সার্কেল অফিসার ফাইলটি নিষ্পত্তি করার জন্য আরও ২ লাখ টাকা দাবি করছেন এবং বলছেন যে টাকা না দিলে তিনি ৪ লাখ টাকা আয়কর ধার্য করবেন।
আমি একজন প্রবাসী। দীর্ঘ দিন পর গত ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে দেশে আসি। গত ২৮ এপ্রিল রাতে সোনাগাজী থানার পুলিশ ২০১৮ সালের একটি মামলার ওয়ারেন্ট দেখিয়ে আমার বাড়িতে গিয়ে হয়রানি করে, যদিও মামলাটি গত ০১ জুন, ২০২৫ তারিখেই নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছিল। পরদিন আমি নিজে থানায় গিয়ে আদালতের রিকল ও নিষ্পত্তির কপি জমা দেই। তা সত্ত্বেও থানার একজন এসআই আমার পরিচিতদের কাছে ফোন ও মেসেজ দিয়ে টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন। অবশেষে ঝামেলা এড়াতে বাধ্য হয়ে আমি তাকে ৫,০০০ টাকা দেই। একজন প্রবাসী হিসেবে নিজ দেশে এসে নিষ্পত্তিকৃত মামলা নিয়ে এমন প্রশাসনিক হয়রানি ও অনৈতিক অর্থ দাবির শিকার হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।
অত্র দপ্তরে আমি আমার নামীয় ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে অফিস সহকারী আমাকে বলে খরচাপাতি দেওয়া লাগবে। আমি ভেবেছি অল্প কিছু টাকা চা নাস্তার জন্যে এই ৫০০ বা ১০০০টাকা। কিন্তু উনি পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে বসে। আমি রীতিমতো অবাক হয়েছি সেই সাথে এইখানে প্রতিটি প্রত্যয়ন নিতে ২ হাজার টাকা করে দিতে হয়। এক প্রকারের জুলুমের মতো। সকল ঠিকাদার এই ঘুষ দিতে বাধ্য, না হলে কাজ হয় না। আমি টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমার সাথে বাকবিতণ্ডা হয়। এখনও পর্যন্ত আমার কাজটি হয় নাই। গণপূর্ত বিভাগের অফিস সহকারীদের মাফিয়াতন্ত্র চলতেছে। আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এর থেকে মুক্তি চাই।
আমি যখন মালিকানা পরিবর্তন করতে যাই ওই সময় আমাকে কয়েকটি ডকুমেন্টস নিয়ে আসতে বলে এরপর সব ডকুমেন্টস নিয়ে আসলে বিভিন্ন ভাবে ঘুরাইতে থাকে, এই ডকুমেন্টস এইভাবে লাগবে আপনি এইটা ওইটা করে নিয়ে আসেন, তারপর উনার কথামত সব কিছু করার পর বলে যে যে আমি কি জানেন না এখানে টাকা ছাড়া কাজ হয় না, আমাকে একটু মিষ্টি খাওয়ার জন্য কিছু দেন, এরপর ১০০০ টাকা দিলে বলে যে এইটা কি দিলেন ভাই, ২ টা বাইক মিনিমাম ৩০০০ করে ৬০০০ টাকা দিতে হবে, পরে ওই টাকা পরিশোধ করার পর সে আর কোনও ডকুমেন্টস দেখে নয়, জাস্ট কাজ গুলা করে দিয়েছে
নামজারি আবেদন করার জন্য নাটোর জেলার, নলডাঙ্গা উপেলার ৫ নং বিপ্লবেরঘড়িয়া ইউনিয়নের ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা নামজারী আবেদনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র যাচাই করেছে এবং তা দেখেছে যে সকল কাগজপত্র সঠিক রয়েছে তারপরেও তিনি এই বলে ঘুষ চেয়েছে যে নায়েব: "ভাতিজা কিছু খরচ দাও"। ভুক্তভোগী: কত দিব? নায়েব: দাও তুমি স্টুডেন্ট মানুষ, দাও কিছু। ভুক্তভোগী ৫০০ টাকার নোট বাড়িয়ে দিলে পুনরায় তিনি আবার বলেন তারও ২০০ দাও। ঘুষ দেওয়া অপরাধ জেনেও ভুক্তভোগী এজন্যই দিয়েছে কারণ প্রশাসনিক কোন জটিলতায় না পড়ে যেন কাজটির সহজ ভাবে সমাধান হয় এজন্য ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছে।
বিদ্যুৎতের খুটি স্থাপনের আবেদন করলে বিদ্যুৎ অফিস অনৈতিক ভাবে দালালের মাধ্যমে ২ টি খুটি স্থাপনের জন্য ২৫ হাজার টাকা দিতে বলে।যা দিতে আমি অপারগতা জানালে তারা খুটি গুলো আর দেয় নাই,যার দরুন আমাকে প্রায় ২০০ মিটার দূর থেকে বিদ্যুৎতের লাইন আনতে হয় যা খবই ঝুঁকিপূর্ণ।
মিলিটারি ফার্ম এ প্রতি ৬ মাস /১ বসর পর পর গরুর খামার এর জন্য গো-খাদ্য সরবারাহের জন্য উন্মুক্ত টেন্ডার দেয়া হয়। এই গো খাদ্য সরবরাহ শেষ করে বিল/ব্যাংক চেক নিতে মহাখালী, DGDP অফিস এ মোট বিল এর ১% ঘুস দেয়া বাধ্যতামূলক। না হলে চেক পাস হয় না, এবং এই টাকা ক্যাশ / মোবাইল ব্যাংকিং, অনেক সময় অফিস সহকারী /পিওন এর মাধ্যমে দিতে হয়। আমি নতুন, এসব না বুঝে, একবার কাজ করে অনেক লস করে, তওবা করেছি। টাকার ভাগ উপর মহলে যায়, সবাই সব কিছু জানে।অনেক কস্টের হকের উপার্জন যখন অন্যায় ভাবে ছিনিয়ে নেয়, সিসটেম এর ভয় দেখিয়ে, তখন ছল ছল, অবাক, অপলক, নয়নে তাকিয়ে দেখি শুধুই নিজের বুকের রুক্তখরন, আর ভাবি এই দেশে জন্ম নেয়াই একটা বড় ভুল, যার মাসুল দিচ্ছে অগনিত দেশপ্রেমিক, ব্যাবসায়ী সহজোদ্ধা...আত্তার কস্টই অভিশাপ।
২০২৩ সালে NTRCA এর মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে একটি বিদ্যালয়ে যোগদান করি। চাকুরির পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ফোন দেয়। তারপর বাসায় একজন পুলিশ আসে। উনি বলেন যে উনি ঘাটাইল থানার ডিএসবি শাখার একজন এস আই। প্রয়োজনীয় কাগজ দেখতে চান। সবকিছু দেখানো হয়। সব ঠিক থাকলে উনি কালক্ষেপন করতে থাকেন। বলেন যে আগামীকাল কাগজপত্র নিয়ে দেখা করেন। আরো নানান তালবাহানা করে। পরে বুঝতে পেরে প্রথমে ১০০০ টাকা দেই, কিন্তু উনি বলেন যে প্রতি ফাইলে স্যারকেই দিতে হয় ২০০০/-, আমার খরচ আছে। এই টাকায় হবেনা। পরে আরো ৫০০ দেয়া হয়। তাতেও তিনি সন্তুষ্ট হন না। শেষ পর্যন্ত ২০০০/- টাকা দিলে উনি বাড়ি ত্যাগ করেন। পরদিন কাগজপত্র নিয়ে দেখা করতে গেলেও, উনি আর দেখা করেনি। একটা দোকানে রেখে যেতে বলে। উনার দেয়া ঠিকানা অনুযায়ী সেই দোকানে কাগজ রেখে আসি।
পাসপোর্ট করতে গেলে!সব পেপার্স ঠিক থাকলেও অফিসের লোকজন বলে এই নিয়ে আসেন ওটা ঠিক নেই ইত্যাদি! তারপর ওখানকার একজন গেটের বাইরে আমাকে হর্ণে হয়ে ঘুরতে দেখে উপায় বাতলে দিয়ে সরকারি ফির বাইরে প্রায় তিন হাজার বেশি দাবি করে!তারপর তিন হাজার রাজি হলে আমার কাজ হয়ে য়ায়
উপজেলা থেকে শুরু হয়, এমপিও স্কুলের শিক্ষকদের বিএড স্কেল করাতে হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আমরাও ফাইল পাঠিয়েছি। বরগুনা সদর উপজেলা শিক্ষা অফিস ২০০০ টাকা দেয়ার পর ফাইল ছেড়েছে। জেলা শিক্ষা অফিসে টাকা নেয়নি পরবর্তীতে বরিশাল ডিডিতে — নামে একজন প্রোগ্রামার আছে তিনি ৫০০০ টাকা দাবি করেছেন। একজন টাকা গিয়ে দিয়েছে আমি যাইনি। ওনার বিরুদ্ধে অফিসিয়াল পদক্ষেপ আশা করছি।
এই সিঅ্যান্ডএফ লাইসেন্স দিয়ে পণ্য খালাসে কাস্টমস হাউসের সকল বিভাগ কে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হচ্ছে- যেমন কুরিয়ার ইউনিটে ডেলিভারি গেইট এসটি/ সিএফও এসেসমেন্ট টিম সকল, এসি —- এসি —, এসি —, ও সিপাই গুলো কোটি কোটি টাকা ঘুষ বানিজ্যে লিপ্ত। তাদের অনৈতিক কর্মকান্ডে জন্য রাষ্ট্র রাজস্ব আহরণে বর্থ হচ্ছে এই সিঅ্যান্ডএফ লাইসেন্স ১,- পলাশ এন্ড কোং ২,এম/ এস খান এন্ড কোং ৩,ইউনিভার্সেল এক্সপ্রেস এজেন্সী ৪,এম/এস এস বি খান। দিয়ে ঘুষ বানিজ্য হয় এবং সেই সিঅ্যান্ডএফ লাইসেন্স গুলো দিয়ে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি হচ্ছে।
আমার ক্রয়কৃত ২৩ শতাংশ জমি আমি নিজে খারিজের জন্য আবেদন করি। শুনানীর দিন আমি সকল কাগজপত্র নিয়ে যাই, নায়েব সাব সবকিছু দেখে আবেদন পত্রের উপরে পেন্সিল দিয়ে মিল আছে লিখে নিলো। আমি বললাম সব কিছু ঠিক আছে ? উনি বললেন আপাতত ঠিক আছে । আমি বাড়িতে চলে আসি এবং বিকালে এসএমএস আসলো না মন্জুর । না মন্জুরের কারন হিসেবে দেখি লেখা জমির শ্রেণি ভুল ।অথচ জমির শ্রেনী দলিলে এবং রেকর্ডে একই। পরবর্তীতে আবার আবেদন করি , আবারো না মন্জুর করে অনলাইনে দলিল নকশা দেওয়া হয়নি বলে। অথচ আপলোড করা হয়েছে । ৩য়বার আবার আবেদন করি এবং শুনানীর দিন আমি ব্যস্ত থাকায় বড় ভাইকে পাঠাই । এদিন ভাইয়ের কাছে বলছে আপনার ছোট ভাই বেশি বুঝে । অভাবে গুড়লে খারিজ হবে? কিছু তো করতে হবে। খরচপাতি কিছু দিয়ে যান আমরা কাগজ ঠিক করে দিবো।পরে ভাই চলে আসছে
foreign MBBS graduate der BMDC registration exam a attend korar jonno kichu verification lage. Amar shob papers authentic thakar porew ghush ditey hoyeche. Amar porichito 95% students der ei ghush ditey hoyeche noyto bhul bhaal reason dekhiye decline kore dey pichiye dey. Jader basha dure tara to bar bar ashtey pare na so baddho hiye ghush deya lage
— (Assistant Commissioner of Taxes, Circle-20, Netrokona) উনি আমার কাছ থেকে ২.৫ লক্ষ টাকা তার সহকারী —ের মাধ্যমে ঘুষ নিয়েছে। — এখন নেত্রকোনাতে নাই।
কক্সবাজার জেলার সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার —,বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসলে ১০০০ টাকা করে নেয়।
Rate limit test canary RL3
Automated security test canary 8F3. Safe to delete. No real event.