পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে হলে ৩ হাজার টাকা দিতে হবে অন্যথায় সার্টিফিকেট পাবেন না। আবেদনের সময় সরকারি ফি পরিশোধ করেছি। যখন থানায় যাই তখন টাকা ছাড়া সার্টিফিকেট দেই নাই
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে হলে ৩ হাজার টাকা দিতে হবে অন্যথায় সার্টিফিকেট পাবেন না। আবেদনের সময় সরকারি ফি পরিশোধ করেছি। যখন থানায় যাই তখন টাকা ছাড়া সার্টিফিকেট দেই নাই
সম্প্রতি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরকে চাকরিতে যোগদানের আগে মাস্টার্স ডিগ্রি করা থাকলে সেটার জন্য ইনক্রিমেন্ট দেয়া হচ্ছে। যোগদানের দিন থেকেই কারা কয়টি অ্যাডভান্স ইনক্রিমেন্ট পাবে তা মাউশির ওয়েবসাইটে নিয়মিত প্রকাশ হচ্ছে। সেই হিসাবের টাকা তুলতে গেলে মাথাপিছু শিক্ষকদের কাছ থেকে ২-৩ হাজার করে টাকা দাবি করা হচ্ছে। টাকা না দিলে নানা বাহানায় ঘোরাচ্ছে দিনের পর দিন।
অনলাইনে ট্রেড লাইসেন্স করা সম্পূর্ণ বন্ধ, বলছে অফলাইনে এটা দুদিনের বিষয়। দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এটা উত্তরের সাথে মিলায়েন না (আমাকে সাইনবোর্ড বসানো বাবদ অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দিতে হয়েছে, অথচ আমার আর্কিটেকচারাল কনসালটেন্সি ফার্ম, সাইনবোর্ড বসানোর প্রয়োজন নেই) একথা বলে উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সাইনবোর্ড এর মিনিমাম চার্জ ৪৮০ টাকা রেফারেন্স কে উড়িয়ে দিয়েছে।
দিতে হবে, দিয়ে রিপোর্টটা তাড়াতাড়ি যাবে আপনার তাড়াতাড়ি জমির খাজনা খারিজ হবে ।
আমি ডিজিটাল নাম্বার প্লেট লাগানোর জন্য গিয়েছে উনি আমাকে লাগিয়ে দিবে না অনেক ধমকাদুমকি লাস্টে টাকা দাবি করেছে তারপর টাকা পরিশোধ করার পর লাগিয়ে দিয়েছে
আমার ভাই এর জন্ম সনদ সংশোধনের জন্য ইউনিয়ন অফিসে আবেদন করেছিলাম এক মাস পার হয়ে গেলেও জন্ম সনদ আসেনি উনারা বলল উপজেলা অফিসে যোগাযোগ জন্য সেখানে যাওয়ার পরে যারা কর্মরত ছিল তারা বলল ইউএনও স্যার আসেননি আপনি অপেক্ষা করুন উনি আসলেন না এখানে দু'ঘণ্টা অপেক্ষা করলাম তারপর আরেকদিন গেলাম সেদিনওস্যার এর সাথে দেখা পাইনি এখানে দুজন লোক ছিল তারা বলল৩ হাজার টাকা দিলে আমরা দিতে পারব.।আমার একটু জরুরী থাকার কারণে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই পরে তারা আমাকে মেসেজে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দিল
নামজারী এই সেবায় প্রতি নথি দুই থেকে পাঁচ ক্ষেত্র বিশেষ দশ থেকে বিশ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় ।খাজনা পরিশোধ এই সেবায় এক হতে দশ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় ।মিস কেইস এই সেবায় টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না । টাকা আদায়ের কৌশল ১। নামের ভিন্নতা ভোটা আই ডি এবং দলিলে, এফিডেফিট করা আছে কিন্তু আবেদন নামন্জুর ।খতিয়ানের হিস্যায় দলিল হয়েছে কিন্তু নামজারী আবেদন করলে আবেদন না মন্জুর ।দলিল ও নকশায় দাগ নন্বর ঠিক আছে কিন্তু সুচি বইয়ে দাগ নন্বর ভূল এর জন্য আবেদন নামন্জুর ।ওয়ারিশ সনদে নাম আছে ৫ জনের দলিল দিয়েছে ২ জন তাই আবেদন নামন্জুর ,দলিল রেজিষ্টি করেছে সাব রেজিষ্টার ভূলের মাশুল দিবে জনগণ ।এ রকম বিভিন্ন কায়দায় ফেলে আবেদন নামন্জুর করে ,তখনই শুরু হয় টাকার খেলা । কারণ আমি য়খন জমি বিক্রি করেছি নামজারী আমাকে করতেই হবে ।
একটা হিফজ মাদরাসাকে ভাড়া দেওয়া হয়েছিলো।তারা ১০ বছরের চুক্তি করে ৩ বছরের না যেতেই চলে যেতে চায়।আমরা মাদরাসার প্রাথমিক প্রস্তুতি বাবদ ক্ষতিপূরণ এর টাকা জমা দিতে বলি মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে। এই ঘটনা পুলিশকে জানিয়ে একটা থানায় রিপোর্ট করতে ও সরেজমিনে দেখার আবেদন জানালে তারা এই ঘুষ দাবী করে।অন্যথায় থানায় রিপোর্ট জমা নিতে আগ্রহী হয়নি।পরে সে টাকা তাদের ঘুষ দিতে হয়েছে।
সিলেট সওজ এর সামনে বিশাল রাস্তার পাশে গাড়ি থেকে যাত্রী নামানোর পর ট্রাফিক সার্জেন্ট এসে বলে অবৈধ পার্কিং, তাকে ৫০০/- টাকা না দিলে সে ৫০০০/- টাকার মামলা দিবে। অথচ পাশেই চৌহাট্টায় রাস্তা দখল করে অবৈধ গাড়ির স্ট্যান্ড, সেখানে কোন টু শব্দ নেই!
আমি চাকরি চট্টগ্রামে। তাই আমার ছেলের পাসপোর্ট বানাতে। বগুড়া মানুষ চট্টগ্রামে কে। এই জন্য ২ দিন ফেরৎ দেয় । যেখানে চাকরি করি সেখানকার ইউনিয়ন পরিষদে সার্টিফিকেট চাই নতুবা দালালের মাধ্যমে ৩৫০০ টাকা দাবি করে।
একটা চাকরি আবেদন করার জন্য একটি প্রত্যয়ন পত্র দরকার। পরে যোগাযোগ করা হলে অনেক বার ডেট পরিবর্তন করে কিন্তু দেয়না। পরে জানতে পারি ২০০/- টাকা দিলেই পাওয়া যাবে।এরপর টাকা দিয়ে নেওয়া হয়েছে প্রত্যয়ন পত্রটি। এখন আমার প্রশ্ন টাকা কেন লাগবে?
তখন পুলিশ পুলিশ ভেরিফিকেশন সিস্টেম চালু ছিল। আমার পরিবারের পাঁচজনের পাসপোর্ট বানাতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য এক হাজার চ্যানেল ফি নামে পনেরশত প্রতি জনের।
এলজিইডির আওতায় কনস্ট্রাকশন এর কাজে প্রায় অনেক শহরে কাজ করেছি, এসব কাজে ঘুষ ছাড়া কাজ বন্ধ করে দেয়, ঢালাই বন্ধ করে দেয়, ঠিকাদারের বিল আটকায়। টাকা দিলে ভুল কাজও ঠিক হয়ে যায়। টাকা না দিলে সঠিক কাজেরও ভুল ধরে অনেক হয়রানি করায় দায়িত্বে থাকা কর্মচারী, কর্মকর্তারা। পাশাপাশি সড়ক বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, জনসাস্থ প্রকৌশল এসব বিভাগে নিরবে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা ঘুষ আদান প্রদান হচ্ছে, যা খতিয়ে দেখা উচিৎ।
দশ হাজার টাকা না দিলে খাজনা জমা নিবেন না। খাজনা জমা না দিলে আমার জমির সামনে রেলের জমি অন্য কাউকে উচ্চমূল্যে বন্দোবস্ত দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে আমার বাড়ির যাতায়াত পথ বন্ধ হবে এবং অন্য একজন এখানে সাময়িকভাবে বসবাস করবে। বাধ্য হয়ই দশ হাজার টাকা দিয়েছি।
আমি আমার psc এর সার্টিফিকেট কারেকশ করার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারে নিকট সব ডকুমেন্টস জমা দিয়েছি।অফিসারের পিওন সার্টিফিকেট সংশোধন শেষে আমার কাছে ১০০০ টাকা চায়,আমি জানতাম না এটার জন্য যে আলাদা কোনো টাকা দিতে হয় না,পরে ওনি বের হবার সময় বলে, এই টাকা যে দিয়েছেন কাউকে বলবেন না।তখন আমি বুঝতে পেরেছি আসল টাকা টা ঘুষ হিসেবে নিয়েছে। আমি আগে বুঝতে পারলে ভিডিও রেকর্ড রাখতাম। এর পর আমি আরো কোনো ঝামেলা করিনি কারণ এর জন্য আমার আরো গুরুত্বপূর্ণ কাজ ডিলে হচ্ছিলো।
চাঁদপুর থেকে লঞ্চে সদরঘাটে আসার পর কুলিরা ব্যাগ নামাতে বাধা দেয় এবং জোর করে ১০,০০০ টাকা দাবি করে। আমরা প্রবাসে রক্ত পানি করে যে কষ্টার্জিত টাকা পাঠাই, সেই রেমিট্যান্সের টাকায় দেশ চলে; অথচ আজ নিজের দেশেই আমাদের কোনো নিরাপত্তা নেই, পদে পদে ঘুষ দিতে হয় এবং হয়রানির শিকার হতে হয়! জুলাইয়ের রক্তক্ষয়ী ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও ত্যাগের পর দেশের মানুষের মনে যে পরিবর্তনের আশা জেগেছিল, সদরঘাটের এই চিত্র দেখলে মনে প্রশ্ন জাগে—আমরা আসলে কোন দেশে বাস করছি? সদরঘাটের এই চাঁদাবাজরা আসলে এক ধরনের সন্ত্রাসী গ্যাং, যাদের পেছনে বড় বড় নেতার হাত রয়েছে এবং শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করে রেখেছে বলেই এদের সহজে উচ্ছেদ করা যায় না। আমি গরিব মানুষ এত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা আমার গায়ে হাত তোলে, ধাক্কা দেয় এবং চরম অপমান ক
আমার প্রতিষ্ঠানের কয়েকটি আলাদা আলাদা ফায়ার লাইসেন্স এর সরকারী ফি ভ্যাট সহ ৩৫০০০০ টাকা ২০২৬ সালে নির্ধারিত হয় যা আগে ৬০০০০ টাকার মধ্যেই পরিশোধ করা যেতো তবে সরকার এই বছর ফি বাড়ানোর কারনে কারখানা চালানর জন্য নতুন ফি দিতে রাজি হয়েছি কিন্তু উক্ত লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৬০০০০০ টাকা দাবী করা হলে দেন-দরবার এর পর ৪৫০০০০ টাকা দিয়ে লাইসেন্স নবায়ন করতে বাধ্য হই। অন্যথায় মামলা সহ কারখানা বন্ধ করে দেয়ার জন্য ঠাণ্ডা ভাষায় ভয়-ভীতি মূলক হুমকি প্রদান করা হয়।
পাসপোর্ট করতে নাম ঠিকানা ফোন নাম্বার সব ঠিক থাকলেও অপশনাল বাড়ির হোল্ডিং নাম্বার লিখিনি বলে ২০০০ টাকা দাবি না দিলে হবে না কিন্তু নিম্ন ১৫০০ হলে কাজ করে দিবে বলে আমার কাজ লাগবে, তাই উপায় না পেয়ে দিতে বাধ্য হই এটা পাসপোর্ট অফিসের নিচেই চলে আর পাসপোর্ট অফিসার বলে কেউ টাকা চেয়েছে কিনা? টাকা চাইলে দিবে না তার আন্ডারেই চলে, কিন্তু সে ভালো সাজে
আমাদের গাড়ি কোনো এক মামলায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানায় আটক ছিল। আমরা আদালতে সমস্ত প্রমাণ ও প্রক্রিয়া শেষ করে আদালতের রায় পাই আমাদের গাড়ি ছেড়ে দেয়ার জন্য। কিন্তু থানায় কোনো কারণ ছাড়াই ৩০০০০ টাকা দাবি করা হয়। অনেক রিকোয়েস্ট এর পর আমরা ১০০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই। এর পর আমাদের হাতে গাড়ি দেয়া হয়।
বাহিরের দালালের মাধ্যমে করতে হয়েছে