এমপিও
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পরে এম্পিওভুক্তির সময় উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে অত্র প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষকের মাধ্যমে আমাদের কাছে ১০০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমরা ২ জন যোগদান করি তাই (৫০০০*২) দুইজন মিলে পরিশোধ করি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পরে এম্পিওভুক্তির সময় উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে অত্র প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষকের মাধ্যমে আমাদের কাছে ১০০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমরা ২ জন যোগদান করি তাই (৫০০০*২) দুইজন মিলে পরিশোধ করি।
জমি খারিজ করার জন্য আবেদন করি। আজ হচ্ছে না কাল আসেন, এভাবে করে ৭ দিনের মতো ঘুরানোর পরে টাকা চায়। ৮০০০ টাকায় কাজটি করে দেয়।
জমির খাজনা দিতে গিয়ে তারা আমার কাছে ১০০০০৳দাবি করে।তারপর আর ভিন্ন অজুহাত দেখায় যে আমার জমির খাজনা নাকি আরও বেশি। তাই খুব একটা জোড়াজুড়ি করে ৬০০০৳টাকা দিয়ে খাজনা কাটা লাগছে।। জমির পরিমান ১৫শতাংশ ছিল।
আমি একজন কৃষক কিন্তু পার্বত্য অঞ্চলে প্রতিনিয়ত এই চাঁদাবাজি করা হচ্ছে প্রতিটি বছর আমাদের এ টাকা দিতে হয় না দিলে কৃষি ক্ষেত্র চাষ করা বন্ধ করতে হয় আমার সামান্য একটা পানের ক্ষেত বা বরঞ্চ থেকে এই 5000 টাকা চাঁদা দিতে হয় পার্বত্য অঞ্চলে বসবাস করা একটা লোক জানে কত কষ্ট এই চাঁদাবাজদের হাত কিন্তু অনেক বড় যেমন কিছু করতে চাইলেও করা যায় না সবাই জড়িত সরকার বলেন সন্ত্রাসী বলেন কোন না কোন ভাবে জড়িত
প্রথমে আমার কাছে পাসপোর্ট করার জন্য ১৫০০০ টাকা চায় আমি তারপর ওইটা পরিশোধ করি শুধু আমার সমস্যা ছিল নামের মধ্যে আমার আগে মোঃ/ফ্যামিলির নাম ছিল না কিন্তু ভোটার আইডি তে সব ঠিক আছে পাসপোর্ট এর সাথে ভোটার আইডি মিল নেই তাই এম আর পি থেকে ই পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন করেছিলাম তো ওনারা আমার ফিঙ্গার সবকিছু নিয়ে আমার ফাইল জামা নেয় তারপর দশ দিন পরে বলে আপনার ফাইলটা ঢাকাতে আটকে আছে আপনাকে আরো ২০ হাজার টাকা দিতে হবে আমি দিয়ে দেই তারপরে বলে না এটা হয়নি আপনাকে আরো টাকা দিতে হবে তারা আরো ৩০০০০ টাকা দাবি করে আমি 15000হাজার টাকাও দিয়ে দেই তারা কয়েকদিন পরে শুনি ওই লোক নাকি ট্রান্সফার হয়ে খুলনা চলে গেছে তো আমি কি করলাম ওটা তো আর হবে না এপ্লিকেশন উইড্রো করে ময়মনসিং গিয়ে ১৫০০০ টাকা দিয়ে এমআর পি করে নিলাম,
আমার বাবা প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন ওনি ২০২০ সালে মারা যায় মারা যাওয়ার পর পেনশন পেতে আমাদের অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়েছে...আমি তখন ছাত্র ছিলাম আমি সারাদিন দাড়িয়ে ছিলাম হিসাবরক্ষণ অফিস এ সেখানকার অডিটর ও সুপারিন্টেন্ডেন্ট পেনশনের কাগজপত্র দেখালাম আমাকে পাত্তাই দেয় নাই সারাদিন বাহিরে দাড়িয়ে ছিলাম তখন বিকেলে হয়তো আমাকে দেখে মায়া হইছে তখন আমাকে বলে আমার বাবার নাকি কাগজপত্র ঠিক নাই অথচ শিক্ষা অফিস সব যাচাই বাছাই করে দিয়েছিল তারপর আমাকে অডিটর বলল সন্ধার পর আসেন আমি আবার যাই তখন আমি সব থেকে অবাক হলাম ওরা কথা না বলে ওখানকার সুপারিন্টেন্ডেন্ট ওনার ক্যালকুলেটর নিয়ে ২০০০০ টাকা ডিজিট লিখল তখন আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল তখন আমাদের কাছে টাকা ছিল না তারপর ওনাকে ১০০০০ টাকা দার করে দিয়েছিলাম!
টাকা না দিলে এমপিও ভুক্ত করবে না বলেছিল। প্রথমবার ফাইল রিজেক্ট হওয়ার পরে দ্বিতীয়বার টাকা দিয়ে ফাইল অনুমোদন করতে হয়েছিল।
ভুমি নামজারি করার জন্য প্রথমে নিজে নিজে আবেদন করলে তা ভুমি অফিস থেকে প্রত্যাখ্যান করে। তাদের বক্তব্য হচ্ছে তাদের মাধ্যমে আবেদন করলে কোন ভুল হবে না। ভুল হলেও এটার দায়ভার ওদের। পরবর্তীতে ঘুষের টাকা সহ ফি প্রদান করতে হয়।
জনতা ব্যাংকে নিয়োগের সময় দূরবর্তী স্থানে পোস্টিং দেওয়া হয় এবং আপনি নিকটবর্তী স্থানে আসতে চাইলে কর্মচারীদের কাছে ৫০০০০-১৫০০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ চাওয়া হয় হেড অফিস থেকে। তাছাড়া বেশিরভাগ ব্যবস্থাপক নিয়োগ যোগ্যতার ভিত্তিতে না হয়ে টাকার লেনদেনের মাধ্যমে হয়। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় কর্মচারীরা তাদের নিজেদের জন্য মটরসাইকেল ও হাউজবিল্ডিং লোন নিতে চাইলে লোন পাশের জন্য হেড অফিস থেকে ঘুষ চাওয়া হয়।
ডকুমেন্টস যাচাই করে বলা হলো এগুলো ভেরিফাই করা নাই,পরবর্তীতে পার্সপোট অফিসের দারোয়ান এর মাধ্যমে দেওয়া হলে কাজ হয়ে যায়, যেখানে আর কোন ভেরিফাই দরকার হয় নাই। দারোয়ান কতৃক ১৫০০ টাকাই ভেরিফাই,হায়রে বাংলাদেশ।
কাস্টমস মেনিফিস্ট জমা দেওয়ার পরে সেখানে ইম্পোটারের এলসি সংক্রান্ত ইস্যু থাকায় তা সংশোধন এর প্রয়োজন পড়ে। এমতাবস্থায় আমরা যখন সংশ্লিষ্ট আমদানি শাখায় যোগাযোগ করি প্রথমে তারা নানাভাবে ডকুমেন্টসের জন্য হয়রানি করে।তারপর সব ডকুমেন্টস সঠিক থাকার পরেও তারা সময়ের অপচয় করে যার জন্য আমদানিকারকের শিপিং বিল এবং পোট বিল বাড়তে থাকে এর থেকে দ্রুত মুক্তির আশায় আমদানিকারক উনাদের সাথে কন্ট্রাক্ট করতে বাধ্য হয় যার ফলস্বরূপ ৪০ হাজার টাকা নগদ ঘুষ দিতে হয়েছে।
The story back in 2015, I prepared my application, bank payment slip and each and everything to submit at passport office customer dex. However, the person should present there during office time but I never seen a single time. I visited there everyday morning and returned afternoon. It was day 3, two police man noticed me that, everyday I am coming and going back without any solution. He, offered me like this way, "what everybody do, you do so". Fist time i didn't understand, then he make it clear that, pay some extra money I will do it for you. I denied and left, then on day 4 the dex person I meet and he said your document are correct but we cannot accept it for unknown reason.then Police
For new license the person who is taking the finger and image had taken 100 taka per person otherwise nobody can pass the exam. The examination was open book, the instructor has told us the answer and we wrote them. For the car test they asked to pay more 300 taka for driving and for final license i have to pay more 6000 taka.
২০২৪ সালে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোতে আমার চাকুরি হয়। চাকুরির ভেরিফিকেইশন আসে রামগতি থানায়। তৎকালীন এই থানার এস.আই আমাকে ফোন দেয় থানায় যাওয়ার জন্য। আমি গেলে আমাকে ২০০০ টাকা দিতে বলে। এটা ২০২৪ সালের ৮ ২০ আগষ্টের ঘটনা। আমি ১০০০ টাকা দিতে বললে ওনি বলে এত কম টাকায় হবে না। পরে আমি ২০০০ টাকা দেই।
সামাজিক নিরাপত্তা অডিট অধিদপ্তর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে প্রকল্পের ব্যয় সংক্রান্ত অডিট কার্যক্রমে এসে প্রকল্প পরিচালকের কাছে প্রথমে ৫৩ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবী করে। তাতে প্রকল্প পরিচালক কোনভাবে সায় দেয়নি। পরে অডিট টিম দাখিলকৃত বিল ভাওচার ও প্রকল্প সরেজমিনে অত্যন্ত সূক্ষভাবে যাচাইবাছাই করে। পরবর্তীতে নিয়মতান্ত্রিক নানাবিধ ব্যতয় দেখিয়ে আইন-ধারা অজুহাত দিয়ে ৫০ টির বেশি আপত্তি উত্থাপন করে। নিরুপায় হয়ে ডিপিএস ভেংগে ও ঠিকাদারের সহযোগিতা নিয়ে শেষ পর্যন্ত ৩০ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে মানসিক যন্ত্রনা থেকে মুক্তি পাই।
দলিল রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হওয়ার পর অফিস খরচের নামে দলিল মূল্য অনুপাতে চাওয়া হয় ৩০ হাজার থেকে ১ টাকা পর্যন্তও। যেখানে সরকার নির্ধারিত ফি মাত্র ২৪ টাকা পার পাতা(N), ৩৬ টাকা পার পাতা(NN), ও ১০ টাকা স্টাম্প ফি (E)। ২০ পাতার দলিল হলেও যেখানে ১ হাজার টাকা আসেনা সেখানে চাওয়া হয় ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। এছাড়াও, রেজিস্ট্রির সময় অবৈধ ভাবে চাওয়া হয় পে অর্ডারের বাইরেও কিছু খরচ যার পরিমাণ নির্ধারিত না। অনেক সময় ভ্যাট ট্যাক্স সরকারি আইনে না থাকলেও তারা অবৈধভাবে দাবি দেখিয়ে ওয়ান থার্ড ঘুষ চায় মওকুফের লক্ষ্যে। প্রকৃতপক্ষে, সেই ভ্যাট ট্যাক্স আয়কর আইন বা আয়কর আইন বিধিমালা অনুযায়ী তারা দাবিদারই না। রেজিস্ট্রি ফিস ক্যালকুলেটর সরকারীভাবে বানানো উচিত। ডিজিট্যালি।
আমি রংপুর সুপার মার্কেটের সামনে মোটরসাইকেলেএক্সিডেন্ট করি ডান পা কেটে যায়। পরে রংপুর মেডিকেলে এমার্জেন্সিতে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা ১ ঘন্টা বসিয়ে রাখে।বলে সেলাই সুতা নাই সেটা আমার নিজেকে কিনে নিতে হয়েছে। এন্টিবায়োটিক সহ যাবতীয় ঔষধ লিখে দিয়েছে এবং সেটা নাকি দিবে পরের দিন।অসুধ,ইঞ্জেকশন সব আমি কিনে নেই এবং হাসপাতাল থেকে চলে আসি।
চান্দিনা, পুলিশ কর্তৃক আমার কাছ থেকে 500 টাকা দিয়েছে এবং দুইবার আমাকে যেতে হয়েছে। পার্সপোট অফিস অযথা ভূল ধরিয়ে দিয়ে আমাকে হয়রানি করছে। 1000 টাকা দেওয়াতে সব সমস্যা শেষ। করেছে। অথ্যাৎ অতিরিক্ত ছাড়া আমি পার্সপোট করতে পারিনি।
মিস কেস নথি ভোলায় ফরওয়ার্ডিং এর জন্য টাকা নেওয়া হয়।যদিও সেটা সম্পূর্ণ সরকারি খরচে যাওয়ার কথা।
1 মাসের মধ্যে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করে দিবে। পরীক্ষা যে ফেল হবে না